10/04/2024
ঈদের আনন্দ বাচ্চাদের সাথে
“Worldly life is short, so turn to Allah before you return to Allah.” – Anonymous
10/04/2024
ঈদের আনন্দ বাচ্চাদের সাথে
আলহামদুলিল্লাহ ইরানে শাওয়াল মাসের চাঁদ 🌙
দেখা গেছে,
আগামীকাল বুধবার ইদ উল ফিতর উদযাপন হবে,
(ঈদ মোবারক)
জিন্দেগী পেয়ারভারী মেনে ইয়াকিনান জি হে, আপ পিতেহে লাকতাহে কে মেনে পি হে।
23/03/2024
With BanglaVision – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
আজকে কিছু অপরিচিত ভাইদের সাথে পরিচয় হওয়ার সুযোগ হয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে।..
نمازیوں کا اب سیلاب آنے والا ہے
کیوں کہ چند دن بعد رمضان آنے والا ہے
مسجدوں کا زرا داٸره بھڑا کر لیجیے
ایک ماہِ كي مسلمان آنے والا ہے
নামাজিদের বন্যা আসতেসে,
জানা গেসে যে কিছুদিন পর রমজান আসতেসে।
মসজিদের জায়গাটা একটু বড় কর,
এক মাসের জন্য মুসলমান আসতেসে।
03/03/2024
প্রখ্যাত আলেম, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা লুৎফর রহমান মারা গছেনে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি মারা যান।
19/02/2024
নবী হযরত দানিয়াল (আঃ) এর মাজার।
দানিয়াল (আরবি: دانيال, প্রতিবর্ণীকৃত: Dānyāl) হলেন ইসলামি ঐতিহ্যমতে একজন নবী। যদিও পবিত্র কোরআন তার কোনো উল্লেখ নেই, হাদিসশাস্ত্র অনুসারে তাকে একজন নবী গণ্য করা হয়। সুন্নি সূত্রসমূহে তাকে ইসরাঈলিয়াত থেকে উদ্ধৃত করা হয় এবং সিংহের গুহায় তার অতিবাহিত সময়ের বর্ণনা পাওয়া যায়। দানিয়ালের ধর্মপ্রচারকাল নিয়ে মুসলিম ঐতিহ্যে বিতর্ক রয়েছে। শিয়া সূত্রসমূহে ইমামদের নিকট হতে বর্ণিত হাদিসে তাকে একজন নবী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও ইসলামের অন্য কোনো কোনো শাখায় তাকে একজন ওয়ালি গণ্য করা হয়। কিছু মুসলিম সূত্র মোতাবেক একটি কফিনে স্বর্গরহস্য উদ্ঘাটন সম্পর্কিত একটি বই পাওয়া গিয়েছিল, যার মধ্যে দানিয়ালের দেহাবশেষ রয়েছিল বলে মনে করা হয়, যা মুসলিমদের পারস্য বিজয় এর সময় প্রকাশিত হয়েছিল এবং উমর ইবনুল খাত্তাব এর অনুরোধে পুনরায় সমাহিত করা হয়েছিল।
নবী দানিয়ালের (আ:)সমাধি, সুসা, ইরান
বাবিল, কিরকুক, ইরাক
ইজেহ, ইরান
19/02/2024
৭ দিনের জন্য সফর
18/02/2024
Gorgan to Ahvaz, khuzestan
May kal vi safar ma tha, may aj vi safar ma hu, kal apno ki talash may tha, aj apni talash ma hu.
29/01/2024
আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার ৷
তিনি হিজরী ৫৪০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন একজন ওষুধ বিক্রেতা। পিতার মৃত্যুর পর তিনি ওষুধ বিক্রিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। পেশাগত কারণেই তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যাপক জ্ঞান অর্জন করেন। কথিত আছে যে প্রতিদিন তার কাছে অন্তত ৫০০ জন রোগী আসতেন। রোগীদের তিনি তার নিজের তৈরি ওষুধ দিতেন। ফরিদ উদ্দিন আত্তার অন্তত ৩০ টি বই লিখে গেছেন। তার একটি বিখ্যাত বই হচ্ছে "মানতিকে তাইয়ার" বা "পাখির সমাবেশ"। আত্তারের কবিতা রুমিসহ বহু আধ্যাত্মিক কবির জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। তিনি কিছু আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে দীর্ঘ দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেন। তিনি গবেষণার মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জন করেন,তা কবিতার আকারে লিখে গেছেন। হিজরী ৮১১ সালে ইরানের এই বিখ্যাত কবি মোঙ্গলদের হামলার সময় মৃত্যুবরণ করেন। ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিশাপুর শহরে তার কবরস্থান রয়েছে।
অনেক বছর আগে পান্দেনামা নামক একটা ফার্সী কবিতার বই পড়েছিলাম ৷
যার লেখক ছিলেন আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার ৷