Md Jakaria Hossain

Md Jakaria Hossain

Share

"Rajshahi University | Law Student ⚖️ | Dream • Dedication • Discipline"

06/06/2026
06/06/2026

ব্রহ্মপুত্র নদে সূর্যাস্তের মুহূর্ত!🖤

06/06/2026

আসলেই 😃

06/06/2026

বাংলাদেশের ৮০% বিয়ের ডিভোর্স হচ্ছে শুধু মেয়ের মায়ের অতিচালাকির জন্য!

05/06/2026

আমার কাছে যতটুকু মনে হয়, সাইন্সে পড়া মানে বিসিএস এর অর্ধেক সিলেবাস ছাত্র জীবনেই শেষ করা!

05/06/2026

বর্তমানের এই সভ্যতার যুগে " সুশীল" একটি গালি মাত্র!
কারণ অসভ্যতাই এখন সভ্যতা!

05/06/2026

এক শালিক দম্পতির জীবন কাহিনী!

আমাদের বাড়ির আম গাছে একটি শালিক দম্পতি বাসা বেঁধেছে!
প্রতিদিন এদিক-ওদিক উড়ে খড় কুটো জড়ো করে তাদের বাসার কাজ করছে, পাশাপাশি বাসা সৌন্দর্য বর্ধনের চেষ্টা চালাচ্ছে !

এভাবে কয়েকদিন চলার পর মা পাখিটি চারটি ডিম দেয় কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুটি ডিম পড়ে ভেঙে যায়।

বাকি দুটি ডিম সে পরম যত্নে আগলে রাখে, পুরুষ পাখিটি নারী পাখিটির তত্ত্বাবধানের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে খাবার নিয়ে এসে তার সঙ্গীর মুখে তুলে দেয়।

আমি ঘরের দরজায় বসে সে দৃশ্যগুলো উপভোগ করি এবং বাহ্যিক জগত নিয়ে ভাবতে থাকি।
একজন পুরুষের পরিবারের প্রতি যে দায়িত্ববোধ সেটি ভেবে অবাক হই এবং কল্পনায় বিষয়গুলো উপলব্ধি করতে থাকি।

এর কিছুদিন পর ডিম থেকে সুন্দর দুটি ফুটফুটে বাচ্চা হয়, তখন মা পাখিটিও খাবার খোঁজে পুরুষ সঙ্গীর সাথে বেরিয়ে পড়ে, বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা পোকামাকড় ধরে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়।

প্যারেন্টস পাখিগুলো খাবার নিয়ে আসার সাথে সাথেই বাচ্চাগুলো চেঁচামেচি শুরু করে এবং বাবা-মায়ের কাছে খাওয়ার জন্য আবদার করে।
প্যারেন্টস পাখিগুলিও পরম যত্নে খাবারগুলো নিজেরা না খেয়ে বাচ্চাদের মুখে তুলে দেয়।

দৃশ্যগুলো সত্যিই মানবজগতের প্রত্যেকটা প্রাণীর জীবনের চিত্র তুলে ধরে এবং এখান থেকে সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের যে অনুভূতি সেটিরও একটি বার্তা দেয়।
যাই হোক, প্রতিদিন ক্ষণে ক্ষণে প্যারেন্টস পাখিগুলো তাদের বাচ্চাদের টেককেয়ার করে, এভাবে বাচ্চাগুলিও খুব সহজেই দিনের পর দিন বড় হতে থাকে।

যখন বাচ্চাগুলোর অল্প কিছু পাখা উঠা শুরু করে এবং একটু একটু করে উড়তে পারে, তখন হঠাৎ করে দেখতে পাই, আট বছরের একটি দুষ্ট বালক সেই গাছে উঠে বাচ্চাগুলো নামিয়ে আনার চেষ্টা করে।

প্যারেন্টস পাখি গুলো এই দৃশ্য দেখে প্রচুর প্রতিবাদ শুরু করে এবং চেঁচামেচিতে পরিবেশ ভারী করে তোলে, এবং বেদনার সুরে বলতে থাকে তোমরা আমাদের পরম যত্নে বড় করে তোলা সন্তানদের নিও না!

বিষয়টি আমার কান পর্যন্ত পৌঁছায়, আমি হয়তো কল্পনায় পাখিদের মনের ভাষা তাৎক্ষণিক বুঝতে পারি এবং ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে দুষ্টু বালকদের আটকাই এবং ধমক দিয়ে প্রতিবাদ করি।

পাখিদের আসলে কোন শক্তির জায়গা থাকে না, তাদের শক্তির জায়গা অথবা দুর্বলতার জায়গাও এই সৃষ্টির সেরা মানুষ!

আমি পাখিদের দল ভারী করে দুষ্ট বালকদের প্রতিহত করি এবং বাচ্চাদের সসম্মানে তাদের বাসায় ফিরিয়ে দিতে বলি।
বালকরা নির্ভীকচিত্তে আমার কথা মেনে নেয় এবং পাখির বাচ্চাগুলোকে তাদের বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়।

বাচ্চাগুলোকে পেয়ে প্যারেন্টস পাখিগুলো খুশিতে লাফাতে থাকে এবং তারা যেন বলতে থাকে তোমাকে ধন্যবাদ আমার বাচ্চাগুলো উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য! আমি অনুভূতির কান দিয়ে সেগুলো শুনতে পাই।

তার একদিন পর, প্রচন্ড কালোবৈশাখী ঝড় শুরু হয়, বিভিন্ন ব্যস্ততায় পাখিগুলোর দিকে খেয়াল করা হয়নি, ঝড় শেষে মনে হলো পাখিগুলোর কি অবস্থা, তারা কি এখনো গাছে আছে নাকি ঝড়ের বাতাসে হারিয়ে গেছে! পাখিগুলো গাছে খুঁজতে গিয়ে দেখলাম গাছটি ফাঁকা, বাসায় কোন পাখি নেই।

ভাবলাম হয়তো বাতাসে কোন দিকে উড়ে চলে গেছে, কিন্তু পরক্ষণেই আরেকটি গাছে তাকাতেই দেখতে পেলাম প্যারেন্টস পাখিগুলো তাদের দুই সন্তানকে সুন্দরভাবে আগলিয়ে ধরে গাছের ডালে বসে আছে।

বিষয়টি দেখে খুবই ভালো লাগলো এবং আবারো কল্পনার জগতে চলে গেলাম, এবং ভাবতে থাকলাম পৃথিবীতে সব প্রাণীর পিতা মাতার মধ্যে কি এক দায়বদ্ধতা সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন!

যাইহোক সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, পাখিগুলো তাদের আগের গাছে উড়ে চলে আসলো, এবং প্যারেন্টস পাখিগুলো একজন এক গাছ থেকে আরেক গাছে উড়ে তাদের বাচ্চাদের শেখাচ্ছে কিভাবে উড়তে হয়, কিভাবে আত্মরক্ষা করতে হয়, আরেকজন তখনো বারবার এদিক ওদিক ঘুরে খাবার আনছে এবং বাচ্চাদের দিনের শেষ খাবার খাওয়াচ্ছে!

বাচ্চা পাখিগুলোও প্যারেন্টস পাখিগুলোর সাথে এক গাছ থেকে আরেক গাছে অল্প অল্প করে উড়ছে এবং নিজেদের উড়ার প্র্যাকটিস করছে। এই তো আর একদিন গেলেই তারা পরিপূর্ণভাবে উড়তে পারবে।

মাগরিবের আজান দিচ্ছে, নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং শেষবারের মতো দেখলাম পাখিগুলো তাদের দিনের সমস্ত কার্যক্রম শেষ করে বাসায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আগামীকাল হয়তো তারা তাদের নতুন গন্তব্যে উড়ে চলে যাবে, হয়তো তারা শুরু করবে তাদের নতুন জীবন।

কিন্তু বড় হয়ে বাচ্চা পাখি গুলো কি মনে রাখবে তাদের প্যারেন্টস পাখিগুলোর এই সংগ্রামের কথা, তাদের মানুষের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য কঠিন সংগ্রাম এবং প্রতিবাদের কথা, তারা কি মনে রাখবে প্যারেন্টস পাখিগুলো দিনের পর দিন না খেয়ে বাচ্চাদের খাওয়ানোর কথা?

হয়তো রাখবে, হয়তো না, কিন্তু লেখাটি বড় হওয়ার ভয়ে আমাকে এখানেই শেষ করতে হচ্ছে।
এবার শেষ করা যাক!

লেখা :মোঃ জাকারিয়া হোসেন
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

05/06/2026

এলাকায় কিছু Paradox প্যারেন্টস আছে যারা চায় তাঁদের মেয়ে শশুর বাড়িতে সর্বোচ্চ সুখে থাকুক, পাশাপাশি তারা এটাও চায়, শ্বশুর-শাশুড়ি যেন সর্বদা তার মেয়ের কথা শুনে এবং মেয়ের স্বামী যেন সবসময় মেয়েকে তোয়াজ করে চলে!

সবচাইতে ভালো হয় জামাই যদি মেয়েকে নিয়ে আলাদা সংসার শুরু করে!

অন্যদিকে সেই প্যারেন্টসই যখন নিজের ছেলের বউ ঘরে আনে, তখন সে প্রত্যাশা করে তার ছেলের বউ যেন সব সময় তার কথা শুনে, ছেলে যেন কোনভাবেই বউকে পাত্তা না দেয়, ছেলে যেন কোনভাবে বউয়ের কথা শুনে আলাদা সংসার না করে!
ছেলের বউ যেন সব সময় তাকে মাথায় তুলে রাখে এবং সে যা কমান্ড করবে, ইনস্ট্যান্ট সে কমান্ড যেন সে মেনে চলে! যদি না মানে তাহলে সে ভালো বউ না, ভালো মেয়ে না! তার মত খারাপ বউ দুনিয়াতে কেউ নাই!

কারণ ছেলের বউ তো অন্য বাড়ির মেয়ে! তার নিজের মেয়ের জন্য সব জায়েজ! অন্য বাড়ির মেয়ে আবার এত দুঃসাহস দেখাবে কেন!

05/06/2026

গ্রামে এসে আমি একটা দারুণ অ্যালার্ম পেয়েছি!😊

একটা দোয়েল পাখি প্রতিদিন ভোরে ফজরের সময় ঘরের পাশে ডাকাডাকি করে, যখনি পাখিটি ডাকে, তখনি বুঝতে পারি ফজরের সময় হয়েছে।

কী দারুণ একটা গ্রামীণ ব্যাপার!🖤

Want your school to be the top-listed School/college in Rajshahi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Rajshahi