11/03/2026
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সূরা আল-মায়েদার ৫১ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেউ তাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করলে সে তাদেরই একজন বলে গণ্য হবে।"
09/03/2026
“মান কুন্তু মাওলা ফাহাযা আলিয়্যুন মাওলা” — এক ঐতিহাসিক ঘোষণা 🌹
ইসলামের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ বাণী হলো: “মান কুন্তু মাওলা ফাহাযা আলিয়্যুন মাওলা”।
সহজ অর্থ: "আমি যার মাওলা (অভিভাবক, নেতা বা প্রিয়জন), আলীও তার মাওলা।"
পটভূমি ও বর্ণনা:
আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশো বছর আগে, দশম হিজরিতে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জীবনের শেষ হজ অর্থাৎ 'বিদায় হজ' সম্পন্ন করে মদিনায় ফিরছিলেন। ফেরার পথে ১৮ই জিলহজ তারিখে 'গাদীরে খুম' নামক এক মরুপ্রান্তরে সমবেত হাজার হাজার সাহাবীর সামনে তিনি এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি হযরত আলী (রা.)-এর হাত উঁচিয়ে ধরে মুসলিম উম্মাহকে এক বিশেষ বার্তা দেন। এই ঘটনাটি জামে তিরমিজি (হাদিস নং ৩৭১৩), মুসনাদে আহমদ এবং সুনানে ইবনে মাজাহ-সহ অসংখ্য নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
সহজ ভাষায় এর গভীর ব্যাখ্যা:
এখানে ‘মাওলা’ শব্দটি অত্যন্ত ব্যাপক। আলেমদের মতে, এর প্রধান অর্থ হলো— পরম প্রিয় বন্ধু, সাহায্যকারী এবং সম্মানিত নেতা। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই বার্তার মাধ্যমে আমাদের বুঝিয়ে গেছেন যে:
১. মুমিন হতে হলে নবীজীর পাশাপাশি হযরত আলী (রা.)-কেও মনেপ্রাণে ভালোবাসতে হবে।
২. ইসলামের পথে হযরত আলী (রা.)-এর ত্যাগ ও মর্যাদাকে সম্মান করতে হবে।
৩. নবীজীর সাথে যার আত্মার সম্পর্ক, হযরত আলীর সাথেও তার গভীর মহব্বত থাকা জরুরি।
আমাদের শিক্ষা:
এই হাদিসটি কেবল একটি তথ্য নয়, বরং এটি হযরত আলী (রা.)-এর প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও আনুগত্যের এক অনন্য দলিল। ইসলামের ইতিহাসে এটি এমন এক মুহূর্ত, যেখানে নবীজী (সা.) নিজে তাঁর প্রিয় সাহাবী ও ভাই আলীর মর্যাদা সবার সামনে তুলে ধরেছিলেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে নবীজী (সা.) এবং তাঁর আহলে বাইতের (পরিবার) প্রতি সঠিক মহব্বত ও সম্মান পোষণ করার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲
#বিদায়_হজ #ইসলামিক_পোস্ট
08/03/2026
I've just reached 100 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉
06/03/2026
অসুস্থতা: মুমিনের জন্য নেয়ামত ও গুনাহ মাফের মাধ্যম✨✨
অসুস্থতা মুমিনের জন্য যেমন পরীক্ষা, তেমনি এটি আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। অসুস্থতার মাধ্যমেই আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দার গুনাহ মাফ করেন এবং তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"যখন কোনো মুমিন অসুস্থ হয়, তখন ওই অসুস্থতা দ্বারা আল্লাহ সেই ব্যক্তির গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন।"
এই কারণেই নবীরা অসুস্থতায় বিচলিত না হয়ে বরং খুশি হতেন। নবীজি (সা.) আরও বলেছেন— তোমরা প্রাচুর্য পেলে যতটা খুশি হও, নবীরা বিপদে পড়লে তার চেয়েও বেশি খুশি হন।
প্রকৃতপক্ষে, পৃথিবীতে মানুষের অসুস্থতা আল্লাহ তাআলার নেয়ামত ছাড়া আর কিছুই নয়। সামান্য অসুখের কষ্ট দিয়ে আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দাকে জাহান্নামের কঠিন আজাব থেকে পরিত্রাণ দান করেন।
তাই অসুস্থতায় ভেঙে না পড়ে ধৈর্য ধরা, বেশি বেশি ইস্তেগফার করা এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা উচিত। মনে রাখবেন, অসুস্থ অবস্থায় করা দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থতা দান করুন এবং ধৈর্য ধরার তাওফিক দিন। আমিন।