প্রশ্ন: ফরজ সালাতের পর সর্বশ্রেষ্ঠ সালাত তাহাজ্জুদ। আজ আমরা তাহাজ্জুদ সালাতের পরিচয়,আদায়ের সঠিক সময়,সঠিক পদ্ধতি ও রাকআত সংখ্যা সম্পর্কে
বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো।
▬▬▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬▬▬
ভূমিকা: রাতের নিঃঝুম পরিবেশে যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকে, নিদ্রার আবেশে মানুষ যখন মহান সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালকের কথা বিস্মৃত হয়, সেই সময় আল্লাহর কিছু খাস বান্দা নিদ্রা, আরাম-আয়েশ ও স্ত্রীর শয্যা ত্যাগ করে তাহাজ্জুদ সালাতের মাধ্যমে আল্লাহকে বিশেষভাবে স্মরণ করে।তাহাজ্জুদ’ শব্দটি আরবি মূল ধাতু هُجُوْدٌ (হুজূদুন) এর অর্থ হলো:রাত্রিজাগরণ,ঘুম থেকে ওঠা, রাত্রিকালীন ইবাদত ইত্যাদি। সেখান থেকে تَهَجُّدٌ (তাহাজ্জুদুন) পারিভাষিক অর্থে রাত্রিতে ঘুম থেকে জেগে ওঠা বা রাত্রি জেগে ছালাত আদায় করা (আল-মুনজিদ)।
পরিভাষায়, তাহাজ্জুদ মূলত ওই নামাজকে বলা হয়, যা রাতের বেলায় ঘুম থেকে ওঠে আদায় করা হয়৷ ফায়দ্বুল বারিতে এসেছে, ‘ঘুম থেকে জাগার পর যদি নামাজ পড়ে, তখন তাকে তাহাজ্জুদ নামে নামকরণ করা হয়৷’[কাশমিরি, ফায়দ্বুল বারি: ২/৪০৭]। ইমাম কুরতুবি (রাহ.)-ও একথা বলেছেন। (তাফসীরে কুরতুবী ১০/৩০৮।) অধিকাংশ আলিমের বক্তব্য এটিই। তাছাড়া দলিলের আলোকে এই মতটিই অগ্রগণ্য। এর বাইরে কোনো কোনো আলিম বলেছেন, মধ্য রাতের পর যে নামাজ পড়া হয়, সেটি তাহাজ্জুদ। আবার কারও মতে, ইশার পরই তাহাজ্জুদ আদায় করা যায়। তবে, অধিকতর সঠিক মত সেটিই, যা আমরা প্রথমে উল্লেখ করেছি। তা হলো, রাতের বেলা ঘুম থেকে ওঠে নামাজ পড়া।
◾তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব,ফজিলত মর্যাদা:
____________________________________
রাত্রির সালাত বা ‘সালাতুল লায়েল’ নফল হলেও তা খুবই ফযীলতপূর্ণ। এই নামাযের কথা উল্লেখ করত: মহান আল্লাহ তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে সম্বোধন করে বলেন-রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ নামায পড়; এ তোমার জন্য একটি অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে মাকামে মাহ্মূদে (প্রশংসিত স্থানে) প্রতিষ্ঠিত করবেন। (সূরা ইসারা, ১৭/৭৯)। তাহাজ্জুদ আদায়কারীর মর্যাদা তার চেয়ে বেশি, যে তাহাজ্জুদ আদায় করে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতের বেলা সিজদারত থাকে বা (ইবাদতে) দাঁড়ানো থাকে, আখিরাতের ব্যাপারে শঙ্কিত থাকে এবং নিজ রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এমনটি করে না?’’ [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৯]
রাত্রি জাগরণ করে ইবাদত করা রহ্মানের বান্দাগণের গুণ। মহান আল্লাহ বলেন, রহমানের বান্দা তারা, যারা ভূপৃষ্ঠে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে তখন তারা প্রশান্তভাবে জবাব দেয়। আর তারা তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হয়ে ও দন্ডায়মান থেকে রাত্রি অতিবাহিত করে। (কুরআন মাজীদ ২৫/৬৩-৬৪)
❖ তাহাজ্জুদ নামাজ নফসের প্ররোচনায় গুনাহ সংঘটিত হতে বাধা দানকারী: আল্লাহ বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই রাত্রিজাগরণ প্রবৃত্তি দমনে অত্যন্ত কার্যকর।’’ [সূরা মুযযাম্মিল, আয়াত: ৬]
❖ তাহাজ্জুদ জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম উপায়: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘হে লোকসকল! তোমরা সালামের প্রচলন করো, খাদ্য খাওয়াও, আত্মীয়তা রক্ষা করো এবং মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন নামাজ আদায় করো। তাহলে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ২৪৮৫; ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৩৩৪; হাদিসটি হাসান সহিহ]
❖ আল্লাহর বিশেষ নৈকট্য লাভের সুযোগ: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা রাতের শেষভাগে বান্দার সবচেয়ে কাছে চলে আসেন। কাজেই যদি পারো, তবে তুমি ওই সময়ে আল্লাহর স্মরণকারীদের মধ্যে শামিল হয়ে যেও। কেননা ওই সময়ের নামাজে ফেরেশতাগণ সূর্যোদয় পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন।’’ [নাসাঈ, আস-সুনান: ৫৭২; তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৭৯]
❖ গুনাহের কাফফারা ও শারীরিক রোগমুক্তির উপায় তাহাজ্জুদের নামাজ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া উচিত। এটি তোমাদের পূর্ববর্তী নেককার লোকদের অভ্যাস। এই নামাজ তোমাদেরকে আল্লাহর নিকটে পৌঁছে দেবে, ভুল-ত্রুটিগুলো মিটিয়ে দেবে, গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখবে এবং শরীর থেকে রোগ দূর করবে।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৯; হাদিসটি সহিহ]
❖ ফরজ নামাজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ এটি: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘ফরজ নামাজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ হলো, রাতের (তাহাজ্জুদের) নামাজ।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ১১৬৩, তিরমিযি: ৪৩৮]
❖ রাসূলের চিরাচরিত অভ্যাস: আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, ‘‘কিয়ামুল লাইল (রাতের নামাজ) ত্যাগ করবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা (কখনো) ত্যাগ করতেন না। যখন তিনি অসুস্থ থাকতেন বা ক্লান্তি অনুভব করতেন, তখন বসে আদায় করতেন। [আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩০৯, আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৪৯১৯; হাদিসটি সহিহ]
◈ দাউদি নামাজ আল্লাহর কাছে প্রিয়: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট প্রিয়তম নামাজ হলো দাউদ (আ.)-এর নামাজ। তিনি অর্ধরাত পর্যন্ত ঘুমোতেন। এরপর রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত নামাজে কাটাতেন। অতঃপর, আবার রাতের এক ষষ্ঠাংশ ঘুমোতেন।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ১০৭৯)
◈রাসূল (ﷺ)-কে জিবরীল আঃ এর নসিহা: মহানবী (ﷺ) বলেন, “আমার কাছে জিবরীল এসে বললেন, হে মুহাম্মাদ! যত ইচ্ছা বেঁচে থাকুন, আপনি মারা যাবেনই। যাকে ইচ্ছা ভালো বাসুন, আপনি তার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হবেন। যা ইচ্ছা তাই আমল করুন, আপনি তার বদলা পাবেন। আর জেনে রাখুন, মুমিনের মর্যাদা হলো তাহাজ্জুদের নামাযে এবং তার ইজ্জত হলো লোকেদের অমুখাপেক্ষী থাকায়।” (ত্বাবরানী, হাকেম, মুস্তাদরাক, বায়হাকী, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ৮৩১নং)
◈ স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে জাগিয়ে রাতের বেলায় ইবাদতের বিরাট ফজিলত: রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন, যে রাতে উঠে ইবাদত করে এবং নিজ স্ত্রীকেও জাগায়। অতঃপর যদি সে (জাগতে) অস্বীকার করে, তাহলে তার মুখে পানির ছিটা দেয়। একইভাবে, আল্লাহ সেই নারীর প্রতি দয়া করুন, যে রাতে উঠে ইবাদত করে এবং নিজ স্বামীকেও জাগায়। অতঃপর যদি সে (জাগতে) অস্বীকার করে, তাহলে সে তার মুখে পানির ছিটা দেয়।” [আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩০৮; নাসায়ি, আস-সুনান: ১৬১০; হাদিসটির সনদ সহিহ] অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘তাদের (নাম) যিকিরকারী ও যিকিরকারিনীর মধ্যে লিপিবদ্ধ করা হয়।” [আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩০৯, ইবনু মাজাহ, আস-সুনান:১৩৩৫; হাদিসটির সনদ সহিহ]
◾তাহাজ্জুদের ব্যাপারে পূর্বসূরি নেককার ব্যক্তিদের চমৎকার কিছু অভিজ্ঞতা ও মন্তব্য:
_________________________________
◈ তাহাজ্জুদ নামাজে চেহারা সুন্দর হয়: ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন, ‘কিছু সংখ্যক নারী অধিক পরিমাণে রাতের নামাজ আদায় করতো। তাদেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলে, ‘‘রাতের নামাজ চেহারা সৌন্দর্যময় করে; আমি আমার চেহারাকে লাবণ্যময় করতে পছন্দ করি।’’ ’ [ইবনুল কায়্যিম, রাওদ্বতুল মুহিব্বিন: ২২১]। তবে, কেউ যদি কেবল চেহারা সুন্দর হওয়ার জন্য তাহাজ্জুদ আদায় করেন, তার কোনো নেকি তো হবেই না, চেহারা সুন্দর হওয়ারও সম্ভাবনা থাকবে না। উপরে যে নারীদের কথা বলা হয়েছে, তারা মূলত ইবাদতের নিয়তেই তাহাজ্জুদ আদায় করতেন। চেহারা সুন্দর হওয়ার বিষয়টি ছিলো বোনাস হিসেবে।
ইমাম হাসান আল বাসরি (রাহ.)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারীরা কেনো জ্যোতির্ময় চেহারার অধিকারী হয়?’ উত্তরে তিনি বলেন, ‘তাঁরা আল্লাহর সাথে নিভৃতে অবস্থান করেন, ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বিশেষ জ্যোতির্ময় পোষাক পরিধান করান।’ [ইবনুল জাওযি, আল-মাওয়া‘ইয: ১২১]
◈ মানুষের ভালোবাসা অর্জিত হয়: তাবিয়ি সায়িদ ইবনুল মুসায়্যিব (রাহ.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে নামাজ আদায় করে, আল্লাহ্ তার চেহারায় নূর (জ্যোতি) উদ্ভাসিত করে দেন। প্রত্যেক মুসলিম তাকে ভালোবাসে; যদিও পূর্বে কখনও তাকে না দেখে থাকে। তারা বলে, ‘‘এই লোকটিকে আমার ভালো লাগে।’’ [আবদুল হক, কিতাবুত তাহাজ্জুদ]
◈ গুনাহের কারণে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় থেকে মানুষ বঞ্চিত হয়: ইমাম সুফিয়ান সাওরি (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন, ‘আমি একটি মাত্র গুনাহের কারণে পাঁচ মাস কিয়ামুল লাইল থেকে বঞ্চিত হয়েছি।’ তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘সেটি কী গোনাহ ছিলো?’ তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তি কাঁদছিলো, আমি তাকে ‘লোক দেখানো কান্নাকারী’ বলেছিলাম।’ [আবু নু‘আইম, হিলয়াতুল আউলিয়া: ৭/১৮]
◈ বিশেষত হারাম ইনকাম এবং কুদৃষ্টির ফলে তাহাজ্জুদ নসিব হয় না অনেকের: আবু সুলায়মান আদ-দারানি (রাহ.) বলেন, ‘এমন কত (হারাম) লোকমা আছে, যা কিয়ামুল লাইলে বাধা দিয়েছে! এমন কত (হারাম) দৃষ্টি আছে, যা সূরা তিলাওয়াত থেকে বঞ্চিত করেছে।’ [আবু নু‘আইম, হিলয়াতুল আউলিয়া: ২/৩০৭]
❑ তাহাজ্জুদ নামাজের সঠিক সময়:
__________________________________
তাহাজ্জুদ নামাযের সময় শুরু হয় এশার নামাযের পর থেকে এবং শেষ হয় ফজর উদয় হওয়ার সাথে সাথে। রাতের প্রথমাংশে, মধ্য রাতে এবং শেষাংশে যে কোন সময়ে তাহাজ্জুদ পড়া যায়। হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আমরা রাতের যে কোন অংশে নবী (ﷺ)-কে নামায পড়তে দেখতে চাইতাম, সেই সময়ই দেখতে পেতাম, তিনি নামায পড়ছেন। আবার রাতের যে কোন অংশে আমরা তাঁকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তখনই আমরা দেখতে পেতাম, তিনি ঘুমিয়ে আছেন।’(সহীহ বুখারী মুসনাদে আহমাদ নাসাঈ, মিশকাত ১২৪১) সুতরাং এ কথা স্পষ্ট যে, এশার পর থেকে নিয়ে ফজর পর্যন্ত সময়ের ভিতরে তাহাজ্জুদের জন্য কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। অবশ্য আফযল বা উত্তম সময় হল, রাতের শেষ তৃতীয়াংশ। বিশেষত রাতের অবশিষ্ট এক তৃতীয়াংশে তাহাজ্জুদ পড়া উত্তম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ হন এবং বলেন ডাকার জন্য কেউ আছে কি, যার ডাক আমি শুনবো? চাওয়ার জন্য কেউ আছে কি, যাকে আমি দেব? গুনাহ থেকে মাফ চাওয়ার কেউ আছে কি, যার গুনাহ আমি মাফ করব?’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ১০৯৪; মুসলিম, আস-সহিহ ১৮০৮] সূর্য অস্ত যাওয়ার পর থেকে ফজর উদয় হওয়ার আগের সময়কে তিন ভাগে ভাগ করলে রাত্রির শেষ তৃতীয়াংশ বুঝা যায়। রাত্রের শেষাংশে মোরগ যখন বাং দেয় তখন উঠলেও তাহাজ্জুদ পড়া যায়। মহানবী (ﷺ) কখনো কখনো এই সময় উঠতেন। (সহীহ বুখারী,মিশকাত ১২০৭)
❑ তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের পদ্ধতি:
________________________________
তাহাজ্জুদের সালাতের বিশেষ কোনো নিয়ম নেই। সাধারণ সুন্নাত বা নফল নামাজের মতই এই নামাজ পড়তে হয়। তবে, চাইলে এটি যেমন দুই রাকাত করে আদায় করা যায় আবার চার রাকাত করেও আদায় করা যায়। চার রাকাত করে আদায় করলে, যোহরের ফরজের পূর্বের চার রাকাত সুন্নাতের মতো করে পড়তে হয়। বিশেষ কোনো সূরা দিয়ে এই নামাজ পড়তে হয় না। এটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ।
❑ তাহাজ্জুদ নামাজের রাকাতসংখ্যা:
___________________________________
রাতের নামাযের কোন নির্দিষ্ট রাকআত সংখ্যা নেই।
তাহাজ্জুদের নামাজ সর্বনিম্ন ২ রাকাত থেকে শুরু করে ৪, ৬, ৮, ১০ রাকাতও পড়া যায়। এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত। [আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩৫৭ ও ১৩৬২; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৫১৫৯]। তবে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাধারণ আমল ছিলো, তিনি অধিকাংশ সময় রাতে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তেন। [বুখারি, আস-সহিহ: ১১৪৭]জেনে রাখা ভাল যে, রাক‘আত গণনার চেয়ে ছালাতের খুশূ-খুযূ ও দীর্ঘ সময় ক্বিয়াম, কু‘ঊদ, রুকূ, সুজূদ অধিক যরূরী। যা আজকের মুসলিম সমাজে প্রায় লোপ পেতে বসেছে। ফলে রাত্রির নিভৃত সালাতের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
◾তাহাজ্জুদ সালাতের কিরাআত:
_________________________________
তাহাজ্জুদ সালাতের ক্বিরাআত লম্বা হওয়া বাঞ্ছনীয়। মহানবী (ﷺ) বলেন, “শ্রেষ্ঠ নামায হল লম্বা কিয়াম।”(সহীহ মুসলিম,মিশকাত ৪৬, ৮০০)। ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেন, এক রাতে নবী (ﷺ)-এর সাথে নামায পড়লাম। তিনি কিয়াম করতেই থাকলেন, পরিশেষে আমি মন্দ ইচ্ছা করে ফেলেছিলাম। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, সে মন্দ ইচ্ছাটি কি? তিনি বললেন, আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বসে যাব! (সহীহ বুখারী,১১৩৫ মুসলিম,১৮৫১) নবী (ﷺ) এই নামাযে এত দীর্ঘ কিয়াম করতেন যে, তার ফলে তাঁর পা ফুলে যেত। তাঁকে বলা হল যে, আপনার তো আগে-পিছের সকল ত্রুটি আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন? (তাও আপনি এত কষ্ট করে ইবাদত করেন কেন?) তিনি বললেন, “আমি কি আল্লাহর কৃতজ্ঞ বান্দা হ্ব না?” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১২২০)। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ১০টি আয়াত নামাযে পড়ে সে উদাসীনদের তালিকাভুক্ত হয় না, যে ১০০টি আয়াত নামাযে পড়ে সে আবেদদের তালিকাভুক্ত হয়। আর যে ১০০০টি আয়াত নামাযে পড়ে সে অজস্র সওয়াব অর্জনকারীদের তালিকাভুক্ত হয়।” (আবু দাঊদ, ইবনে খুযাইমাহ্, সহীহ তারগীব ৬৩৩)। কখনো তিনি তাহাজ্জুদের নামাযে সূরা বানী ইসরাঈল ও যুমার পড়তেন। (আহমাদ, মুসনাদ) কখনো প্রায় ৫০ আয়াতের মত বা তার থেকে বেশী আয়াত তেলাওয়াত করতেন। (বুখারী, আবূদাঊদ, সুনান)। কখনো বা সূরা মুযাম্মিলের মত লম্বা সূরা পাঠ করতেন। (মুসনাদ, আহমেদ তিরমিজি,৩৪০৫)। একদা তিনি সূরা মায়িদার ১১৮নং আয়াত বারবার পাঠ করতে করতে ফজর করে দিয়েছেন। (ইবনে মাজাহ্,ইবনে খুযাইমাহ্, মিশকাত ১২০৫)
◾তাহাজ্জুদ সালাতের ক্বাযা:
______________________________
যে তাহাজ্জুদ-গুযার বান্দার কোন কারণবশত রাতের ১১ রাকআত নামায ছুটে যায় সে তা দিনে বিশেষ করে চাশতের সময় ১২ রাকআত কাযা করতে পারে। মহানবী (ﷺ)-এর তাহাজ্জুদ ঘুম বা ব্যথা-বেদনার কারণে ছুটে গেলে দিনে ১২ রাকআত কাযা পড়তেন। (মির‘আত ৪/২৬৬; মুসলিম, মিশকাত হা/১২৫৭, ‘বিতর’ অনুচ্ছেদ-৩৫) উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) প্রমুখাৎ বর্ণিত, তিনি বলেন- আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার (পূর্ণ) অযীফা (তাহাজ্জুদের নামায, কুরআন ইত্যাদি) অথবা তার কিছু অংশ রেখে ঘুমিয়ে যায়, কিন্তু তা যদি ফজর ও যোহরের নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করে নেয় তবে তার জন্য পূর্ণ সওয়াবই লিপিবদ্ধ করা হয়, যেন সে ঐ অযীফা রাত্রেই সম্পন্ন করেছে।”(সহীহ মুসলিম,৭৪৭)। তাহাজ্জুদ বা বিতর ক্বাযা হয়ে গেলে ‘উবাদাহ বিন সামিত, আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস প্রমুখ সাহাবীগণ ফজর সালাতের আগে তা আদায় করে নিতেন। (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৮৩)
◾তাহাজ্জুদ নামাজকে সুন্দর ও যথার্থ করতে যে বিষয়গুলো জেনে ভাল:
_________________________________
◈(১) ঘুমাবার আগে তাহাজ্জুদের নিয়ত করে ঘুমাতে হবে। এতে সে শেষ রাত্রে ঘুম থেকে জেগে নামায পড়তে সক্ষম না হলেও তার জন্য তাহাজ্জুদের সওয়াব লিখা হবে।(নাসাঈ, ইবনে মাজাহ্, ইবনে খুযাইমাহ্, সহীহ তারগীব ৫৯৮)
(২)যদি কেউ আগ রাতে বিতরের পর দু’রাক‘আত নফল সালাত আদায় করে এবং শেষরাতে তাহাজ্জুদের জন্য উঠতে সক্ষম না হয়, তাহ’লে উক্ত দু’রাক‘আত তার জন্য যথেষ্ট হবে’।(দারেমী, মিশকাত হা/১২৮৬; ছহীহাহ হা/১৯৯৩)
◈(৩)রাতে ঘুম থেকে জাগার পর নির্দিষ্ট দু‘আ পড়া। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে এই দু‘আ পাঠ করবে—দু'আটি দেখুন[বুখারি, আস-সহিহ: ১১৫৪]
◈(৪) ঘুম থেকে জেগে সূরা আলে ইমরানের শেষ দশ আয়াত পাঠ করা উত্তম।একটি হাদিসে এসেছে, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে ঘুম থেকে জেগে ঘুমের ঘোর কাটানোর পর সূরা আ-লে ইমরানের শেষ দশ আয়াত পাঠ করেন। এরপর অজু করেন এবং নামাজ পড়েন। [বুখারি, আস-সহিহ: ১৮৩; মুসলিম, আস-সহিহ: ৭৮৩]। এই হাদিসের আলোকে ইমাম নববি (রাহ.) বলেন, ঘুম থেকে জেগে সূরা আলে ইমরানের শেষ দশ আয়াত পড়া উত্তম। (বিশেষত কিয়ামুল লাইলের জন্য জাগলে)।
◈(৫) তাহাজ্জুদের জন্য উঠে অজুর পূর্বে মিসওয়াক করা মুস্তাহাব। হুযাইফা (রা.) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, ‘নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা যখন তাহাজ্জুদ নামাজের জন্য উঠতেন, তখন মিস্ওয়াক দ্বারা তাঁর মুখ পরিষ্কার করে নিতেন।’ [বুখারি, আস-সহিহ:১০৭০]
◈(৬)তাহাজ্জুদের নামাজ প্রথমে স্বল্প-পরিসরে দুই রাকআত দিয়ে শুরু করা উত্তম; নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ রাতে নামাজ পড়ার জন্য উঠবে, সে যেন হালকাভাবে দুই রাকাত পড়ার মাধ্যমে নামাজ শুরু করে।” [মুসলিম, আস-সহিহ: ৭৬৮, আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩২৩]
(৭)তাহাজ্জুদের সালাতে রাসূল (ছাঃ) বিভিন্ন ‘ছানা’ পড়েছেন। তন্মধ্য হ’তে যে কোন ‘ছানা’ পড়া চলে।(মুসলিম, আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১২১২, ১৪, ১৭; নাসাঈ হা/১৬১৭ ইত্যাদি)
◈(৮) তাহাজ্জুদে দীর্ঘ কিয়াম করে অধিক পরিমাণে কুরআন পড়া উত্তম: জাবির (রা.) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘কোন নামাজ সর্বোত্তম?’ তিনি বলেন, ‘‘যে নামাজে দীর্ঘ কিয়াম (দাঁড়িয়ে থাকা) হয়।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ৭৫৬]। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.)থেকে আরেকটি বর্ননা দেখুন। [বুখারি, আস-সহিহ: ১০৬৯]
◈(৮) তাহাজ্জুদের ক্বিরাআত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কখনো সশব্দে কখনো নিঃশব্দে পড়েছেন।(আবুদাঊদ হা/২২৬; তিরমিযী হা/৪৪৯; মিশকাত হা/১২০২-০৩)। তিনি বলেন, সরবে ও নীরবে পাঠকারী প্রকাশ্যে ও গোপনে সাদাক্বাকারীর ন্যায়।
◈(৯) যাদের বড় সূরা মুখস্থ নেই, তারা অনেকগুলো ছোট সূরা প্রতি রাকাতে পড়তে পারেন। তাহলে কিয়াম দীর্ঘ হবে।
◈(১০) তাহাজ্জুদের নামাজ ২ রাকাত করে আদায় করা উত্তম; তবে, একত্রে চার রাকাত পড়াও বৈধ। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘রাতের নামাজ দুই দুই রাকাত করে।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৪৭২; মুসলিম, আস-সহিহ: ৭৪৯]
◈(১১) রুকু-সিজদার তাসবিহ ৫/৭ বার অথবা আরও বেশি করে পড়ে রুকু-সিজদাকে দীর্ঘ করুন। সিজদায় তাসবিহ পাঠের পর আল্লাহর কাছে দু‘আও করতে পারেন।
◈(১২) নামাজের স্থানটি নিরিবিলি হওয়া উচিত। মনোযোগ ঠিক থাকে। অন্ধকারে তাহাজ্জুদ পড়া জায়েয। তবে, সামান্য আলো থাকলে সেটা উত্তম। বিশেষত সিজদার স্থানটি। তাহলে, কোনো পোকা-মাকড় বা অন্য কিছুর ভয় থাকে না।
পরিশেষ,উপরোক্ত আলোচনা থেকে একথা পরিস্কার যে, ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত রাতের সালাত।আর এই তাহাজ্জুদের গুরুত্ব উপলব্ধির জন্য একটি আয়াত ও একটি হাদিস জানা উচিত। মহান আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতের বেলা সিজদারত থাকে বা (ইবাদতে) দাঁড়ানো থাকে, আখিরাতের ব্যাপারে শঙ্কিত থাকে এবং নিজ রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এমনটি করে না?’’ [সূরা আয-যুমার, আয়াত: ৯]। আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, ‘কিয়ামুল লাইল (রাতের নামাজ) ত্যাগ করবে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কখনো) এটি ত্যাগ করতেন না। যখন তিনি অসুস্থ থাকতেন বা ক্লান্তি অনুভব করতেন, তখন বসে আদায় করতেন।’ [আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩০৯, আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৪৯১৯; হাদিসটি সহিহ](আল্লাহই সবচেয়ে জ্ঞানী)
▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬
উপস্থাপনায়,
জুয়েল মাহমুদ সালাফি
দারুল আরকাম সিরাত টিম
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দারুল আরকাম সিরাত টিম, Education, Rajshahi University, Rajshahi.
28/10/2022
জান্নাত ও জাহান্নাম প্রতিযোগিতার
ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিচের লিংকে ক্লিক করে পরীক্ষা দিন⤵️
https://forms.gle/VQmt79R8fRJ9hxUz9
.
জান্নাত ও জাহান্নাম বর্ণনাপাঠ প্রতিযোগীতা-২০২২ * নির্দিষ্ট সময়(১১ টা) শেষ হওয়ার অন্তত ৫/১০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষা শেষ করুন। * অনেক্ষণ যাবৎ ফর্মে অবস্থানের ফলে Form Error অথ....
...
14/01/2022
01/01/2022
🕋 হাদিস পাঠ প্রতিযোগিতা-২০২২
📶 সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য উন্মুক্ত।
বাতিল ঘোষণা হয়েছে
🟥 নিবন্ধনের শেষ সময় : ১৫-ই জানুয়ারি, ( রাত ১২ টা)
✅ নিবন্ধন ফর্মঃ-
https://forms.gle/1wpSAnSWxHg2XoY36
✅ App এর লিংকঃ-
https://drive.google.com/file/d/1n-WKyzuzy8PDHDlymGD6EhgZAOHkh7nO/view?usp=sharing
✅ Website link:-
https://jobislamiccontest.blogspot.com/
🟪 নির্বাচিত বইঃ
ইমাম নববীর চল্লিশ হাদিস
প্রকাশনীঃ মাকতাবাতুন নূর (২০৮ পৃষ্ঠা)
📚📚বই সংগ্রহ বিষয়ক📚📚
🟨 আয়োজকদের থেকে যারা বইটি সংগ্রহ করতে ইচ্ছুক তারা ২৩০ টাকা প্রদান করবেন(বই+ কুরিয়ার)।
🔸তবে আয়োজকদের থেকে বই নেওয়া আবশ্যক নয়।
📶 বই সহ নিবন্ধনকারী দের বই, সুন্দরবন কুরিয়ারের মাধ্যমে ২০-শে জানুয়ারি হতে পাঠানো শুরু করা হবে,ইনশাআল্লাহ।
🔸যারা আগে নিবন্ধন করবেন তারা আগে বই পাবেন🔸
🟨 যারা সরাসরি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হতে বইটি সংগ্রহ করতে চান তারা মাত্র ১৭০ টাকা প্রদান করে ফর্ম পূরণ করবেন।
🟧 সরাসরি বই প্রাপ্তির স্থানঃ- TSCC বটতলা ( সুন্দরবন কুরিয়ার সংলগ্ন)।
🔹তারিখঃ ২২-শে জানুয়ারি (শনিবার)।
🔹সময়ঃ সকাল ৯ টা হতে বিকাল ৪ টা।
🟥 ::- Note ::- 🟥
🔶একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে শুধুমাত্র একটি নিবন্ধন করা যাবে এবং আপনার মোবাইল নম্বরটিই পরীক্ষায় কোড নং হিসেবে ব্যবহার করবেন।
🔶 যারা বই নিবেন তাদের দুটি ফর্ম পূরণ করতে হবে। বই সহ ফর্মটি
App এর ভিতরে Book Order বাটনে পাওয়া যাবে।
🟨 App টি Drive link দেওয়া আছে। লিংকটি কপি করে Chrome/Opera mini দিয়ে ডাউনলোড করে Install করবেন।
📶 ওয়েবসাইটে লিংকে ক্লিক করেও বই সংগ্রহ পরীক্ষা প্রশ্নপত্র লিংক সহ যাবতীয় তথ্য পাবেন। কাজেই যাদের App Download করিতে সমস্যা হইবে তারা website link টি সংগ্রহে রাখবেন।
🔶 নিবন্ধন ফর্মে প্রবেশ করতে ইমেইল আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।
🔷 বিকাশে টাকা পাঠানোর পর মেসেজটি হতে Trxl ID সংগ্রহ করে,উক্ত Trxl ID দিয়ে বই সংগ্রহের ফর্ম পূরণ করতে হবে।
🔶 টাকা পাঠানো ও যোগাযোগের মাধ্যমঃ-
📶 বিকাশ+ নগদঃ-01884642108 (পার্সোনাল)
📶 রকেটঃ-017686723616 (পার্সোনাল)
🔸অবশ্যই Send Money করতে হবে। ( রিচার্জ গ্রহণযোগ্য হবেনা)।
🕋 সহযোগিতা 🕋
দ্বীনি ইলম এবং আমাদের মহৎ উদ্দ্যোগ বাস্তবায়নে App এবং পুরস্কারের স্পন্সরের জন্য সেচ্ছায় সাধ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা করতে পারবেন।
🟡 এর মাধ্যমে আপনি সদকায়ে জাড়িয়ার সওয়াব পাবেন।ইনশাআল্লাহ
📔 পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষার নিয়মাবলিঃ
✅ প্রত্যেক কে ৪০ টি হাদিস মুখস্ত করতে হবে। যারা আরবি পড়তে পারেন তারা অবশ্যই আরবি সহ পড়বেন।
কিন্তু পরীক্ষায় আরবি অংশ হতে প্রশ্ন আসবেনা।
✅ পরীক্ষার তারিখঃ ২৫-শে ফেব্রুয়ারী।
🔸 ৫০ টি MCQ :- ১০০ নম্বর
🔸 সময়ঃ ১ঘণ্টা,সকাল (১০ -১১ টা)
📶 প্রশ্নপত্র লিংকঃ App ( Job & Islamic Contest) এ নির্দিষ্ট সময়ে অবমুক্ত করা হবে, যা App এর Islamic contest এর Exam Start বাট
26/07/2021
#প্রশ্ন_উত্তর_পর্ব:
পর্ব: ০৩
১. ওসমান (রাঃ) এর উপাধী কি ছিল ?
উত্তরঃ যুন নূরাইন
২. ওসমান (রাঃ) এর নানীর নাম কি ?
উত্তরঃ বায়দা বিনতে আবদিল মুত্তালিব
৩. ইসলাম গ্রহনকারী চতুর্থ ব্যাক্তি কে ?
উত্তরঃ ওসমান (রাঃ)
৪. ওসমান (রাঃ) বদর যুদ্ধে অংশগ্রহন করেননি কেন ?
উত্তরঃ তার স্ত্রী রুকাইয়া ভীষন অসুস্থ ছিল
৫. ওসমান (রাঃ) এর স্ত্রী উম্মে কুলসুম হিজরী কত সনে ইন্তেকাল করেন ?
উত্তরঃ নবম
৬. ওসমান (রাঃ) কে কোথায় দাফন করা হয় ?
উত্তরঃ জান্নাতুল বাকীর হাশমে কাওকাব নামক অংশে
৭. ওমর (রাঃ) খলিফা নির্বাচনের অঙ্গিকার পত্রের লেখক কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ওসমান (রাঃ)
৮. ওসমান (রাঃ) হিজরী কত তারিখে খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহন করেন ?
উত্তরঃ ২৪ সনের ১ মুহাররাম
৯.ওসমান (রাঃ) কত দিন খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন ?
উত্তরঃ ১২ দিন কম ১২ বছর
সাহাবীদের জীবনীপাঠ ও প্রতিযোগীতা
আয়োজনে: রাবি সীরাত টিম
14/07/2021
#ধারাবাহিক_প্রশ্ন_উত্তর_পর্ব:
পর্ব: ০২
১. ওমর (রাঃ) এর পিতার নাম কি ?
উত্তরঃ খাত্তাব
২. রাসূল (সাঃ) এর নবুয়াত প্রপ্তির সময় সমস্ত কুরাইশ বংশে কত জন লেখাপড়া জানতেন ?
উত্তরঃ ১৭ জন
৩. ইসলামের প্রথমিক যুগে অন্যান্য গোত্রের সাথে কোনো বিরোধ হলে তা সমাধানের জন্য কাকে দূত হিসাবে প্রেরণ করা হতো ?
উত্তরঃ ওমর (রাঃ)
৪. রাসূল (সাঃ) কোথায় প্রবেশের পর ওমর (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ?
উত্তরঃ দারুল আরকাম
৫. কে ইসলাম গ্রহণের পর মক্কায় ইসলাম প্রকাশ্য রূপ নেয় ?
উত্তরঃ ওমর (রাঃ)
৬. কোন যুদ্ধে ওমর (রাঃ) তার মামাকে নিজ হাতে হত্যা করেন ?
উত্তরঃ বদর যুদ্ধে
৭. ইসলাম ও কুফরের মধ্যে প্রকাশ্যে সৃষ্টির জন্য ওমর (রাঃ) কে কি উপাধি দেন ?
উত্তরঃ আল-ফারুক
৮. ওমর (রাঃ) এর খেলাফত আরম্ভ হয় হিজরী কত তারিখে ?
উত্তরঃ ১৩ সনের ২২ জামদিউস সানী
৯. ওমর (রাঃ) এর যুগে কতটি শহর বিজয় অর্জিত হয় ?
উত্তরঃ ১০৩৬ টি
১০. ওমর (রাঃ) এর খেলাফত কাল কত দিন ছিল ?
উত্তরঃ ১০ বছর ৬ মাস ৪ দিন
সাহাবীদের জীবনীপাঠ ও প্রতিযোগীতা
নিবন্ধনের শেষ সময়: ২০-ই জুলাই
আয়োজনে: রাবি সীরাত টিম
নিবন্ধন সম্পর্কিত বিস্তারিত পোস্ট লিংক......
https://web.facebook.com/groups/4210655165627534/permalink/4686389544720758/
প্রশ্ন উত্তর পর্ব:
পর্ব: ০১
১. আবু বকর (রাঃ) এর মাতার নাম কি ?
উত্তরঃ উম্মুল খায়র সালমা বিনতে সাখর
২. আবু বকর (রাঃ) হিজরতের কত বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন ?
উত্তরঃ ৫০ বছর ৬ মাস
৩. আবু বকর (রাঃ) কত বছর বয়সে পিতার ব্যবসা-বাণিজ্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ?
উত্তরঃ ২০ বছর
৪. হিজরতের সময় মক্কার নিম্নভূমিতে কোন পর্বতের একটি গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ সাওর
৫. নবী করীম (সাঃ) এর ইন্তেকালের পর কোন গোত্রদ্বয় যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানালেন ?
উত্তরঃ আব্বাস ও জুবইয়ান
৬. আবু বকর (রাঃ) কত বছর খেলাফতে অধিষ্ঠিত ছিলেন ?
উত্তরঃ ২.৫ বছর
৭. মুসায়লামা কাজ্জাবের সাথে যুদ্ধে কত জন হাফেজ শাহাদাত বরণ করেন ?
উত্তরঃ সাতশ
৮. আবু বকর (রাঃ) কত দিন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন ?
উত্তরঃ ১৫ দিন
৯. আবু বকর (রাঃ) কত বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন ?
উত্তরঃ ৬৩ বছর
১০. আবু বকর (রাঃ) কত দিন খেলাফতের গুরু দায়িত্ব পালন করেন ?
উত্তরঃ ২ বছর, ৩ মাস, ১০ দিন
সাহাবীদের জীবনীপাঠ ও প্রতিযোগিতা
নিবন্ধনের শেষ সময়: ২০-ই জুলাই
আয়োজনে: রাবি সীরাত টিম
নিবন্ধন সম্পর্কিত বিস্তারিত পোস্ট লিংক......
https://web.facebook.com/groups/4210655165627534/permalink/4686389544720758/
ইসলামিক আলোর ভূবন
20/06/2021
আলহামদুলিল্লাহ! সাহাবীদের জীবনীপাঠ ও প্রতিযোগিতার পূর্ণাঙ্গ নোটিশ প্রকাশ করা হলো।
নিবন্ধন ফর্ম....
https://forms.gle/baoCseRkYNZvdpv98
🔰নিয়মাবলী :🔰
✅ নিবন্ধনের শেষ সময় ২০-ই জুলাই
✅ নিবন্ধন ফর্ম পূরনের পূর্বে অবশ্যই ফি প্রদান করতে হবে।
✅ নিবন্ধন ফি মাত্র ৩০ টাকা।
✅ বই + কুরিয়ার+ নিবন্ধন ফি
( ১৩০+৬০+৩০=২২০ টাকা)
✅ বই নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
✅ বই সহ নিবন্ধনকারীদের সম্ভব হলে ইদের আগে অন্যথায় ঈদের পর পরেই ‘সুন্দরবন কুরিয়ার’ এর মাধ্যমে বই পাঠানো হবে। ১ লা আগষ্ট এর মাঝে সকলের হাতে বই পৌঁছে যাবে, ইনশাআল্লাহ।
✅ Google Form এ সকলকেই সুন্দরবন কুরিয়ারের ঠিকানা দিবেন উপজেলা/জেলা সহ কারণ বই না নিলেও আপনি পুরস্কৃত হলে, আপনার ঠিকানা প্রয়োজন হবে।
✅ পড়াশুনার জন্য ২৬+- দিন সময় দেওয়া হবে।
✅ প্রতিযোগিতার সিলেবাস :
জান্নাতি ২০ সাহাবী ( পিস পাবলিকেশন)
✅ আমাদের হতে প্রধানকৃত বই টি
নতুন মুদ্রিত প্রচ্ছদ হার্ড কপি ৩০২ পেজ।
✅ শুধুমাত্র নির্ধারিত বই দেখে উত্তর করা যাবে।
🔴 নিবন্ধন ফি এবং যোগাযোগ নম্বরঃ
🔸 01884642108 ( বিকাশ+নগদ)( পার্সোনাল)
🔸 017262861351 ( রকেট)(পার্সোনাল)
📶 ফি সেন্ড মানি করতে হবে ( রিচার্জ গ্রহণযোগ্য হবেনা)
📶 নিবন্ধন ফর্ম পূরণ এবং ফি পাঠানোর ওপর আপনার তথ্যগুলো যাচাই করে সাত দিন পর মোবাইল নম্বরে কোড নং মেসেজ করা হবে।
🗓️পরীক্ষা সংক্রান্ত 🗒️
🔸 পরীক্ষা হবে ২৭ ই আগষ্ট শুক্রবার সকাল ১০ টায়।
🔸 ৫০ টি MCQ প্রশ্ন থাকবে প্রতিটি প্রশ্নের মান ২ নম্বর করে।
🔸সময়ঃ ৬০ মিনিট ( 10:00 am - 11:00 am)
ভুল উত্তরে জন্য নম্বর কাঁটা হবে না।
🔸 Google Form প্রশ্নপত্রের লিংক
নির্দিষ্ট সময়ে সাহাবীদের জীবনীপাঠ ID এবং ইসলামিক আলোর ভূবন ফেইসবুক গ্রুপে অবমুক্ত করা হবে।
ইনশাআল্লাহ।
🔰🔰পুরস্কার -🔰🔰
১মঃ ৫০০০টাকা+ক্রেস্ট+বই
২য়ঃ ৩০০০টাকা+ক্রেস্ট+বই
৩য়ঃ ২০০০টাকা+ক্রেস্ট+বই
৪র্থঃ ১০০০টাকা+ক্রেস্ট+বই
৫মঃ ৫০০ টাকা +ক্রেস্ট+বই
৬ষষ্ঠ -১০মঃ ক্রেস্ট+বই
১১তম-৩০ তমঃ ইসলামিক বই
💥 আপনাদের কাছে ছোট অনুরোধ,
🔸 সকলের টাইমলাইনে সরাসরি কপি করে পিক + গ্রুপের মূল পোস্ট লিংক সহ পোস্ট করবেন।
🔸 নিজস্ব মেসেঞ্জার /FB group শেয়ার দিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করবেন।
🔸 নিজেরা অংশগ্রহণ করবেন এবং
অন্যদেরকেও অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী করে তুলবেন। মনে রাখবেন, এতে সওয়াবের ভাগিদারী হওয়ার বড় একটি সুযোগ রয়েছে।
📶 ভবিষ্যতে এমন আয়োজন যেন করার উৎসাহ আয়োজকরা পায়... সেজন্য উক্ত সহযোগিতা। করে পাশে থাকবেন, ইনশা আল্লাহ।
🌷যাযাকুমুল্লাহু খইরন🌷
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi