17/01/2025
Movie : "Bicycle thieves"
পূর্ব কথা : "Bicycle Thieves" (ইতালীয় ভাষায় "Ladri di biciclette") একটি ১৯৪৮ সালের ইতালীয় চলচ্চিত্র, যা পরিচালনা করেছেন ভিটোরিও ডি সিকা। এই সিনেমাটি ইতালীয় নব্য-বাস্তববাদী চলচ্চিত্র ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
সংক্ষেপে : চলচ্চিত্রটির গল্পটি একজন পুরুষ, আন্তোনিও রিচি, এবং তার ছোট ছেলে মার্কোর উপর কেন্দ্রিত। আন্তোনিও একটি নতুন চাকরি পায়, তবে তার কাজের জন্য একটি সাইকেল দরকার। একদিন, সে তার সাইকেল চুরি হয়ে যাওয়ার পর, তার জীবনে এক বড় সংকট শুরু হয়। সাইকেল চুরি যাওয়া, তার জীবনের এবং তার পরিবারের জন্য এক মহাসঙ্কট হয়ে দাঁড়ায়, কারণ তার কাজটি তার সাইকেলের উপর নির্ভরশীল। আন্তোনিও সাইকেলটি ফিরে পেতে চেষ্টা করে, কিন্তু তার প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত বিফল হয়।
কেন দেখবো ?
১. চলচ্চিত্রটি শুধু সাইকেল চুরির ঘটনা নিয়ে নয় বরং এটি সামাজিক অবস্থা, দরিদ্রতা, এবং জীবনের সংগ্রামকে তুলে ধরে যা আমাদের সমাজিক পরিস্থিতিকে চিহ্নিত করবে।
২. মানুষের নৈতিকতা, মানবিকতা, এবং পারিবারিক সম্পর্কের গুরুত্বকে গভীরভাবে অনুসন্ধান করা শিখাইবে।
৩. "Bicycle Thieves" চলচ্চিত্রটি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলির উপর একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী কাজ।
Old is gold.
10/01/2025
বৃহস্পতিবারের চিঠি... 💌☕🫖🍞
ক্লাস শেষ নিকোটিনের ধোঁয়ায় যখন কুষ্টিয়ার মালাই চায়ের সাথে পোড়ানো রুটির যে বিশেষত্ব বন্ধুদের মুখেমুখে,তা পরিপূর্ণতা পেল ৭০ টাকার ভাড়া গুনে। সময়ের স্রোতে দূরত্বকে পিছনে ফেলে অটোরিকশা সি এন্ড বি রোডে। কোথায় চা বন? কোথায় চা বন? খুঁজতে খুঁজতে টি-বাঁধে দিকে চা বনের সন্ধান। চা বন প্রস্তুতি নিচ্ছি, আমাদের আধঘন্টা সময় বেধে দিল। তবে আমরা দেড় ঘণ্টা পরেই শীতল ঠোঁটের এক চুম্বনে কুষ্টিয়ার মালাই চায়ের সাথে পোড়ানো রুটির বিশেষত্ব পেয়েছিলাম।
....... #চা #বন ( সি এন্ড বি রোড,রাজশাহী)☕🫖🍞
22/11/2024
প্রিয় সুহৃদয়,
আজকের যুগে, যখন প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বদৌলতে পৃথিবী সংকুচিত হয়ে এক বৈশ্বিক গ্রামের আকার ধারণ করেছে, তখনও আমাদের উত্তরীয় সমাজের নানা সমস্যা, চাহিদা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিনিয়ত ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিটি বিষয়েই রয়েছে প্রতিকূলতা, তবুও এগিয়ে চলার শক্তি হচ্ছে একমাত্র মানুষের অভ্যন্তরীণ আশা ও মানবিকতা।
উত্তরীয় সমাজ, সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রার নানা দিককে চিত্রিত করতে আমাদের এই ম্যাগাজিন হবে একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা বিশ্বাস করি, একটি সমাজ তার সদস্যদের চিন্তা, চেতনা ও আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। আর এই চিন্তা-চেতনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে মিডিয়া, বিশেষ করে সামাজিক ম্যাগাজিন। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, উত্তরীয় সমাজের প্রতিটি স্তরের সমস্যা, সম্ভাবনা, অগ্রগতি এবং চ্যালেঞ্জের কথা সবার সামনে তুলে ধরতে।
এই ম্যাগাজিনের মাধ্যমে আমরা আশা করি, পাঠকরা কেবল একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজকে দেখবেন না, বরং এর গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করবেন। সমাজের প্রতিটি সংকট, সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং মানুষের আকাঙ্ক্ষার কথা আলোচনা করাই হবে আমাদের উদ্দেশ্য। এখানে স্থান পাবে এমন সব গল্প, নিবন্ধ ও আলোচনা যা উত্তরীয় সমাজের অজানা দিকগুলো উন্মোচন করবে এবং সমাজের পরিবর্তন বা উন্নতির পথে আমাদের সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় করবে।
এছাড়া, আমরা চাই এই ম্যাগাজিন এক অভিন্ন কণ্ঠস্বর হয়ে উঠুক, যা উত্তরীয় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতাকে সঠিকভাবে তুলে ধরে। আমরা আমাদের লেখক ও পাঠকদের প্রতি আহ্বান জানাই, যেন তারা শুধু লেখক বা পাঠক না হয়ে, সমাজের অংশীদার হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে।
এই ম্যাগাজিনের প্রতিটি পাতা, প্রতিটি শব্দ যেন আমাদের পাঠকদের চিন্তা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার উপলব্ধি জাগিয়ে তোলে। সামাজিক পরিবর্তন এবং উন্নতির প্রতি আমাদের আস্থার কথাও এ ম্যাগাজিনের মাধ্যমে পৌঁছে যাক—কারণ সমাজের উন্নতি শুরু হয় প্রত্যেক ব্যক্তির মনন থেকে।
সর্বোপরি,“উত্তরের চাদরে” হবে একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সামাজিক ম্যাগাজিন। যা আমাদের উত্তরবঙ্গের শিক্ষা,সংস্কৃতি,মনন ও উদ্যমের বাহক হিসাবে কাজ করবে। তাই এ দীর্ঘ পথে পাড়ি জমাতে আপনাদের সাহস, সমর্থন,অনুপ্রেরণা ও উপদেশ হবে “উত্তরের চাদরে” ম্যাগাজিনের মূল চালিকাশক্তি।
আহ্বায়ক
আপনার সমর্থন জানাতে নিচের ফর্মটি...
"উত্তরীয় চাদরে"
একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সামাজিক ম্যাগাজিন যা উত্তরবঙ্গের শিক্ষা, সংস্কৃতি, মনন ও উদ্যমের বাহক হিসাবে কাজ করবে।