30/06/2023
পুরো পৃথিবীকে পরিবর্তন আপনি নাই করতে পারেন, কিন্তু নিজের সন্তানের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করুন।
আপনি যদি তাকে দুনিয়াদার বানানোর মতো করে গড়ে তোলেন, তাহলে সেই সন্তান আল্লাহর কাছে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে পারে।
সে হয়তো বলবে- আমার মা/বাবা আমাকে গান-বাজনা শুনিয়ে বড় করেছে, নাচানাচি, নাটক, সিনেমাতে অভ্যস্ত করেছে। ওয়াআল্লাহু, এমন হলে আপনি ভীষণ বিপদে পড়ে যাবেন।
যে সন্তানের জন্য রক্তকে ঘাম বানিয়েছেন, সেই সন্তানই আপনার জাহান্নামে যাওয়ার উসীলা হয়ে যেতে পারে।
হাদীসের শিক্ষা হল- প্রতিটি শিশু ফিতরাতের ওপর জন্মগ্রহণ করে, কাফির-মুশরিক বানায় তার বাবা-মায়েরা। একই কথা প্রযোজ্য ফাসিক বানানোর ক্ষেত্রেও। বাচ্চা কাঁদলেই গান বাজিয়ে দিলেন, মোবাইল গেইম, নাটক-সিনেমা দেখানোতে অভ্যস্ত করলেন, ট্রেনিং দিয়ে স্কুল পার্টিতে নাচালেন, আর আপনি আশা করবেন এই সন্তান আপনার জন্য জান্নাতের উসীলা হবে? এ তো কলা গাছে আঙ্গুর আশা করার মতো।
আপনি সন্তানের জন্য বাড়ি, গাড়ি, সম্পদ রেখে যেতেই পারেন। কিন্তু বিশ্বাস করুন, সন্তানকে দ্বীনের শিক্ষা দেয়া, দ্বীনদার হিসেবে গঠন করা, পরিপূর্ণ মুসলিম হিসেবে জীবনযাপনের শিক্ষা দেয়ার চেয়ে ভালো কিছুই আপনি সন্তানকে দিতে পারবেন না, সম্ভব নয়।
আল্লাহ তার কিছু সৃষ্টিকে, কিছু রুহকে আপনার সন্তান হিসেবে বানিয়ে আপনার জিম্মায় দিয়েছেন, আর তাকে আপনি আল্লাহরই নাফরমানি করার শিক্ষা দিচ্ছেন! আল্লাহর গজব এসে যে আপনাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে না, এটা আল্লাহর একান্তই অনুগ্রহ। আল্লাহ আপনাকে উপহার হিসেবে সন্তান দিলেন আর সেটাকে আপনক যে ফিতনা বানালেন, এর জন্য তওবা করুন, সচেতন হোন সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করে সঠিক পথে চলার তাওফীক দিন, আমীন।