Nayem Biology-নাঈম বায়োলজি

Nayem Biology-নাঈম বায়োলজি Assistant Teacher, Biology
[18th NTRCA Recommended]
Porabari High School,Tangail Sadar,Tangail.

Department of ZOOLOGY
B.Sc (Hon's) & M.Sc (Master's)
National University of Bangladesh.

 #চিহ্নিত চিত্রসহ একটি আদর্শ নিউক্লিয়াসের গঠন ও কাজ বর্ণনা:- •নিউক্লিয়াস (Nucleus): ১৮৩১ সালে বিজ্ঞানী রবার্ট ব্রাউন (...
01/09/2026

#চিহ্নিত চিত্রসহ একটি আদর্শ নিউক্লিয়াসের গঠন ও কাজ বর্ণনা:-


•নিউক্লিয়াস (Nucleus): ১৮৩১ সালে বিজ্ঞানী রবার্ট ব্রাউন (Robert Brown) সর্বপ্রথম কোষে নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন।

ইউক্যারিওটিক বা আদর্শ কোষের প্রোটোপ্লাজমে অবস্থিত সবচেয়ে ঘন ও গোলাকার অঙ্গাণুটি হলো নিউক্লিয়াস। এটিকে কোষের 'মস্তিষ্ক' বা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বলা হয়, কারণ এটি কোষের যাবতীয় বিপাকীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে এবং বংশগতীয় তথ্য ধারণ ও সঞ্চালন করে।

নিউক্লিয়াসের গঠন:
✓একটি আদর্শ নিউক্লিয়াস প্রধানত চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. নিউক্লিয়ার মেমব্রেন বা নিউক্লিয় পর্দা (Nuclear Membrane): নিউক্লিয়াসের বাইরের দিকের দ্বি-স্তরী আবরণ। এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরের উপাদানকে সাইটোপ্লাজম থেকে আলাদা করে রাখে। এতে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যার মাধ্যমে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের মধ্যে প্রয়োজনীয় বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে।
২. নিউক্লিওপ্লাজম (Nucleoplasm): নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা আবৃত স্বচ্ছ, ঘন ও দানাদার তরল পদার্থ। এটি নিউক্লিওলাসের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন এনজাইমের কার্যকলাপের ক্ষেত্র।
৩. নিউক্লিওলাস (Nucleolus): নিউক্লিওপ্লাজমের ভেতরে অবস্থিত সবচেয়ে ঘন, ছোট ও গোলাকার উজ্জ্বল অংশ। এটি মূলত রাইবোসোম (RNA এবং প্রোটিন) তৈরি ও সংরক্ষণের কাজ করে।
৪. ক্রোমাটিন জালিকা বা নিউক্লিয়ার জালিকা (Chromatin Network): নিউক্লিওপ্লাজমে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা সুতার মতো অংশ। কোষ বিভাজনের সময় এগুলো খাটো ও মোটা হয়ে ক্রোমোজোমে পরিণত হয়। এগুলোতে মূলত DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) থাকে, যা বংশগতির ধারক ও বাহক।

•নিউক্লিয়াসের কাজ:-

i) কোষের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ: কোষের সকল জৈবিক ও বিপাকীয় কার্যক্রম উৎসেচকের (Enzyme) সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করে।

ii) বংশগতি নিয়ন্ত্রণ: DNA ও ক্রোমোজোমের মাধ্যমে পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য পরবর্তী বংশধরে (সন্তান-সন্ততিতে) সঞ্চারিত করে।

iii) প্রোটিন সংশ্লেষণ: নিউক্লিওলাস রাইবোসোম তৈরি করে, যা পরবর্তীতে প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে।

iv) কোষ বিভাজন: কোষ বিভাজনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যার ফলে জীবের বৃদ্ধি ও প্রজনন ঘটে।

২০২৭ সালের  #এস.এস.সি পরীক্ষার সময়সূচি,
24/08/2026

২০২৭ সালের #এস.এস.সি পরীক্ষার সময়সূচি,

২০২৬ সালের  #জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি,
23/08/2026

২০২৬ সালের #জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি,

 #সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis):-                                                          সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জ...
15/08/2026

#সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis):-
সালোকসংশ্লেষণ হলো এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে।

সবুজ উদ্ভিদ কোষে সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সাহায্যে এটি ঘটে।

উপাদান: কার্বন ডাইঅক্সাইড + পানি + সূর্যালোক।

ফল: গ্লুকোজ (শর্করা খাদ্য) এবং অক্সিজেন তৈরি হয়।

এটি একটি শক্তি সঞ্চয়কারী বা গঠনমূলক প্রক্রিয়া।

#শ্বসন (Respiration):-
শ্বসন হলো এমন একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জীবকোষ খাদ্য ভেঙে শক্তি বা এটিপি (ATP) উৎপন্ন করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি ছাড়ে।

✓সব সজীব কোষে (উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় ক্ষেত্রে) এটি সর্বদা ঘটে।

উপাদান: গ্লুকোজ ও অক্সিজেন।

ফল: শক্তি (ATP), কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি উৎপন্ন হয়।
এটি একটি শক্তি নির্গমণকারী বা ভাঙন প্রক্রিয়া।

 #রক্ত (Blood):-
08/08/2026

#রক্ত (Blood):-

 #পরাগায়ন (Pollination):-                                          পরাগায়ন হলো ফুলের পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ডে পরাগরেণু...
02/08/2026

#পরাগায়ন (Pollination):-
পরাগায়ন হলো ফুলের পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ডে পরাগরেণুর স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ।

§ পরাগায়ন সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত। যথা-

i) স্ব-পরাগায়ন (Self-Pollination):-
একই ফুল কিংবা একই উদ্ভিদের দুটি ভিন্ন ফুলের মধ্যে ঘটে। এর জন্য বাহু, পতঙ্গ বা অন্য কোনো মাধ্যমের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয় না।পরাগরেণুর অপচয় কম হয়। নতুন বৈশিষ্ট্যের বা জিনগত বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় না।
✓উদাহরণ: ধান, গম, টমেটো, শিম।

ii) পর-পরাগায়ন (Cross-Pollination):-
একই প্রজাতির ভিন্ন দুটি উদ্ভিদের দুটি ফুলের মধ্যে ঘটে।বাতাস, পানি, পোকামাকড় বা পাখির মতো বাহকের প্রয়োজন হয়।পরাগরেণুর অপচয় বেশি হয়। নতুন বৈশিষ্ট্য ও জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অভিযোজন ক্ষমতা বাড়ে।
✓উদাহরণ: আম, জাম, পেঁপে, শিমুল।

অর্থাৎ , স্ব-পরাগায়নে একই ফুল বা একই গাছের ভিন্ন ফুলের মধ্যে পরাগ আদান-প্রদান ঘটে, আর পর-পরাগায়নে একই প্রজাতির ভিন্ন দুটি গাছের মধ্যে বাহকের মাধ্যমে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়।

😄😄😄
30/07/2026

😄😄😄

  Exam-2026Biology 2nd Paper
29/07/2026

Exam-2026

Biology 2nd Paper

Address

Rajshahi City
6100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nayem Biology-নাঈম বায়োলজি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Nayem Biology-নাঈম বায়োলজি:

Shortcuts

Share

Category