সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ,কে,এম রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajapur
  • সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ,কে,এম রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ

সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ,কে,এম রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ Engineer A K M Rezaul Karim Karigori School & College is a secondary and higher secondary school and

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তাপ্রবা প্রতিবেদকপ্রকাশ : ৪ মিনিট আগেআপডেট : ৩ মিনিট আগেবাং...
17/05/2026

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তা
প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৪ মিনিট আগে
আপডেট : ৩ মিনিট আগে

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশিষ্ট কলামিস্ট, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম।

ব্রুনাই হাইকমিশনে রবিবার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কূটনৈতিক বৈঠকের পর এক চিঠির মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ব্রুনাই হাইকমিশনার।

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিমকে সম্বোধন করে পাঠানো এক আধিকারিক বার্তায় হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান বলেন, “ঢাকাস্থ ব্রুনাই হাই কমিশনে আপনার এবং প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লেফট্যানেন্ট কর্নেল (অব.) প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সাথে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং ব্রুনাই-বাংলাদেশ সহযোগিতার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত অর্থপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে”।

বৈঠকে ব্রুনাই হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রোজাইমি আবদুল্লাহর অংশগ্রহণের প্রশংসা করায় ইঞ্জিনিয়ার করিমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

হাইকমিশনার তার চিঠিতে বলেন, “দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার মূল ভিত্তি হিসেবে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততা এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং উৎসাহব্যঞ্জক ছিল”।

বৈঠকে প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ “July Revolution: And Its Aftermath Politics” হাইকমিশনারকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

উপহারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে হাইকমিশনার বলেন, “বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক বিবর্তন এবং সামগ্রিক উন্নয়ন সম্পর্কে আরও বিশদ ধারণা পেতে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আমি আগ্রহের সাথে এটি পাঠ করব”।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (CHRHD) এবং ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টারের (DRC) চেয়ারম্যান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিমের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে গবেষণা, পারস্পরিক সংলাপ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন হাইকমিশনার।

চিঠির শেষাংশে হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের সুস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং আগামী দিনে ব্রুনাই দারুসসালাম ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে এই ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ “July Revolution: And Its Aftermath Politics” হাইকমিশনারকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

02/05/2026
পঞ্চাশের মাইলফলকে এক আলোকবর্তিকা: ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমের জীবন ও দর্শনমানুষের জীবন কেবল বছরের সংখ্যা দিয়ে প...
21/02/2026

পঞ্চাশের মাইলফলকে এক আলোকবর্তিকা: ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমের জীবন ও দর্শন

মানুষের জীবন কেবল বছরের সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না; বরং জীবনের সার্থকতা নির্ভর করে মানুষের কর্ম, আদর্শ এবং সমাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতার ওপর। আজ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বাংলাদেশের দক্ষিণ জনপদের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম তাঁর জীবনের ৫০তম বছরে পদার্পণ করেছেন। এই মাহেন্দ্রক্ষণে তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের দিকে তাকালে আমরা এক অনন্য ব্যক্তিত্বের দেখা পাই—যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া মানবিক মূল্যবোধকে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

মানবিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের বেড়ে ওঠা এমন এক পরিবারে, যেখানে শিক্ষা ও মানুষের সেবা ছিল ইবাদতের সমতুল্য। তাঁর পিতা, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহ.) আজীবন মানুষকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। পিতার সেই অমিয় বাণী—“কারো উপকার করতে না পারলে, অন্তত কারো ক্ষতি কোরো না”—আজও রেজাউল করিমের জীবন ও রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাঁর পিতামহ হযরত মোসলেম আলী খান (রহ.) এবং পরিবারের অন্যান্য পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া মানবিক কাজগুলোকে তিনি বর্তমানে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা

পিতার হাত ধরে খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া রেজাউল করিম আজ আন্তর্জাতিকভাবে একজন শিক্ষিত ও দক্ষ ব্যক্তিত্ব। লন্ডনের University of Westminster এবং The Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান থেকে আইন ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে তিনি নিজেকে শাণিত করেছেন। তাঁর এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও দেশ-বিদেশে ভ্রমণের জ্ঞান তাঁকে এক আধুনিক ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ হিসেবে গড়ে তুলেছে।

গবেষণা ও মননশীল রাজনীতি

বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখন গবেষণার অভাব প্রকট, তখন ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হিসেবে এক নতুন ধারার সূচনা করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শনে বিশ্বাসী এই মানুষটি রাজনীতির মাঠের চেয়ে টেবিল-টকশো এবং লেখনীতে বেশি প্রভাবশালী। তাঁর রচিত ‘জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় চিন্তা ও তারেক রহমানের ৩১ দফা’ কিংবা ‘জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি’ বইগুলো সমসাময়িক রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।

জন্মদিনের গভীর উপলব্ধি: একটি আত্মসমর্পিত হৃদয়

রেজাউল করিমের ৫০তম জন্মদিনের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো তাঁর ব্যক্তিগত দর্শন। তিনি এই দিনটিকে কোনো উৎসব হিসেবে নয়, বরং মহান স্রষ্টার পক্ষ থেকে পাওয়া একটি "বর্ধিত উপহার" (Extended Gift) হিসেবে দেখেন। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে এক গভীর আধ্যাত্মিকতা। তিনি যখন বলেন, “আমি তো বিশ্ব স্রষ্টার মহাপরিকল্পনারই একটা ক্ষুদ্র অংশ,” তখন বোঝা যায় তাঁর বিনয় কত অতল।

নিজের শৈশবে হারিয়ে যাওয়া বোনের স্মৃতি কিংবা সহপাঠীদের অকাল প্রয়াণের কথা স্মরণ করে তিনি যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তা একজন প্রকৃত মুমিনের পরিচয় দেয়। তাঁর বর্তমান চিন্তা কেবল দুনিয়াবি সাফল্য নয়, বরং স্রষ্টার কাছে একটি "বিশুদ্ধ হৃদয়" (Qalbun Saleem) নিয়ে হাজির হওয়ার আকাঙ্ক্ষা।

আমাদের প্রার্থনা

অর্ধশতকের এই পথচলায় ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম ব্যক্তি হিসেবে যতোটা সফল, আদর্শ হিসেবে তার চেয়েও বেশি অনুকরণীয়। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করি। ঝালকাঠি-১ ও পিরোজপুর-২ আসনসহ পুরো দেশের মানুষের কল্যাণে তিনি যেন আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেন, সেই প্রার্থনা রইল।

আপনি যেভাবে জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতি ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন, মহান আল্লাহ আপনাকে সেই তৌফিক দান করুন। সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের পথে আপনার এই যাত্রা হোক অবিচল।

শুভ জন্মদিন, ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম!

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমবাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষা, সমাজসেবা ...
05/02/2026

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতির ইতিহাসে কিছু নাম কেবল ব্যক্তি হিসেবে নয়, একটি ধারাবাহিক আদর্শের প্রতীক হিসেবে উচ্চারিত হয়। ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম তেমনই এক নাম—যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া মানবিক মূল্যবোধকে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা, গবেষণা ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে এগিয়ে চলেছেন নিরলসভাবে।

একাধারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক, লেখক ও সংগঠক—ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় রাজনীতি, গণতন্ত্র, নির্বাচন ও মানবাধিকার প্রশ্নে তিনি নিয়মিত টেলিভিশন টকশো ও লেখালেখির মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নীতিগত অবস্থান তুলে ধরছেন যুক্তিনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক ভঙ্গিতে।

মানবসেবার উত্তরাধিকার
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম জন্মগ্রহণ করেছেন এমন এক পরিবারে, যেখানে শিক্ষা ও সমাজসেবা ছিল জীবনদর্শনের কেন্দ্রে। তাঁর পিতামহ হযরত মোসলেম আলী খান (রহ.) ও আব্দুর রব মোল্লা (রহ.), পিতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ), মাতা আলহাজ্ব ফাতিমা করিম, চাচা আব্দুল জলিল খান এবং ভাই হাফেজ শায়খ কে. এম. মোস্তফা কামাল—এই পরিবার সম্মিলিতভাবে যে মানবিক উত্তরাধিকার নির্মাণ করেছে, তা আজও দেশের নানা প্রান্তে সমাজসেবার মাধ্যমে প্রবহমান।
ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বর্তমানে তাঁদের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা, দাতব্য ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন—যেখানে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য শিক্ষা ও কল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রয়েছে।

আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহ.): আলোকবর্তিকার মতো জীবন
২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ)-এর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে একটি আলোকিত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। তিনি ছিলেন ঝালকাঠীর রাজাপুর থানাধীন সাতুরিয়া হামিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং খিলগাঁও মডেল হাই স্কুল ও কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

তাঁর হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জামিয়া ইসলামিয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা, শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং বাইতুর রহমত জামে মসজিদসহ একাধিক শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ঘূর্ণিঝড় সিডর-পরবর্তী সময়ে মোসলেম আলী খান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রম দক্ষিণাঞ্চলে মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করে।

“কারো উপকার করতে না পারলে, অন্তত কারো ক্ষতি কোরো না”—এই বাণীই আজ ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের জীবন ও রাজনীতির মূল প্রেরণা।

শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা
ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সাতুরিয়া এম. এম. হাই স্কুল থেকে এসএসসি সম্পন্ন করার পর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। University of Westminster থেকে Graduate Diploma in Law, BPP University থেকে Bar Professional Training Course (BPTC), University of Westminster থেকে LPC–LLM এবং Chartered Institute of Legal Executives (CILEX) সম্পন্ন করেন। তিনি Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর সদস্য।

শিক্ষা, গবেষণা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে করেছে বাস্তববাদী, পরিমিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।

রাজনৈতিক দর্শন ও দায়িত্ব
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শনে বিশ্বাসী ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ঝালকাঠি-১ ও পিরোজপুর-২ আসনে একাধিকবার বিএনপির মনোনয়নপ্রার্থী ছিলেন এবং দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন—যার মধ্যে রয়েছে যুবদলের কেন্দ্রীয় সদস্য, জিয়া পরিষদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং যুক্তরাজ্য বিএনপি ও জেলা বিএনপির দায়িত্ব।

গবেষণা, লেখালেখি ও প্রতিষ্ঠান নির্মাণ
গবেষণা ও জ্ঞানচর্চাকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করাই ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তিনি শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট, জীবনানন্দ দাশ গবেষণা কেন্দ্র, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট এবং ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ—জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় চিন্তা ও তারেক রহমানের ৩১ দফা, শহীদ জিয়াউর রহমান রচনাবলী, জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি, বহুমাত্রিক জীবনানন্দ, নির্বাচিত কলাম এবং আওয়ামী বাকশালিদের দুঃশাসনের খতিয়ান—সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

একটি আদর্শের প্রতিচ্ছবি
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি শিক্ষা, মানবিকতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপসহীন এক আদর্শের ধারক। পিতৃপুরুষের মানবিক উত্তরাধিকারকে আধুনিক গবেষণা ও রাষ্ট্রচিন্তার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তাঁর বিশ্বাস—নৈতিক রাজনীতি, জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র এবং মানবিক সমাজই পারে বাংলাদেশকে সত্যিকারের মুক্তির পথে এগিয়ে নিতে।

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমআসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।বাংলাদেশ...
25/01/2026

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতিতে যে কয়েকটি পরিবার প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে মানবকল্যাণ ও নৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এসেছে, ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম সেই ঐতিহ্যবাহী ধারার একজন যোগ্য উত্তরসূরি। তিনি একাধারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক, লেখক, সংগঠক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন পরীক্ষিত নেতা।

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং নিয়মিতভাবে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে জাতীয় রাজনীতি, গণতন্ত্র, নির্বাচন ও মানবাধিকার বিষয়ে বিএনপির নীতিগত অবস্থান তুলে ধরছেন।

পারিবারিক উত্তরাধিকার: মানবসেবার শিকড়

ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম এমন এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন, যেখানে সমাজসেবা ও শিক্ষা বিস্তার ছিল ইবাদতের অংশ।

তাঁর পিতামহ
হযরত মোসলেম আলী খান (রহ.) ও আব্দুর রব মোল্লা (রহ.),
পিতা
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ),
মাতা
আলহাজ্ব ফাতিমা করিম,
চাচা
আব্দুল জলিল খান,
এবং ভাই
হাফেজ শায়খ কে. এম. মোস্তফা কামাল (হাফিজাহুল্লাহ)—
এই পরিবার সম্মিলিতভাবে যে মানবিক উত্তরাধিকার গড়ে তুলেছে, তা আজও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয়।

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বর্তমানে তাঁদের প্রতিষ্ঠিত দাতব্য, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়নে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত।

আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহ.) : এক আলোকিত জীবন

১১ নভেম্বর ২০১৬, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ) ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

তিনি ছিলেন—
ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর থানাধীন সাতুরিয়া হামিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক
খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক
খিলগাঁও মডেল হাই স্কুল ও কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা
তিনি জীবদ্দশায় প্রতিষ্ঠা করেন—

সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ
জামিয়া ইসলামিয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা
শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট
বাইতুর রহমত জামে মসজিদসহ একাধিক মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ঘূর্ণিঝড় সিডর-পরবর্তী সময়ে মোসলেম আলী খান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে তাঁর ত্রাণ কার্যক্রম দক্ষিণাঞ্চলে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

তিনি বলতেন—
“কারো উপকার করতে না পারলে, অন্তত কারো ক্ষতি কোরো না।”
এই দর্শনই আজ ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের জীবনচলার মূল প্রেরণা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: দেশীয় শিকড়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয়
খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা-তে।
এরপর—
এসএসসি: সাতুরিয়া এম. এম. হাই স্কুল
Graduate Diploma in Law – University of Westminster (UK)
Bar Professional Training Course (BPTC) – BPP University
Legal Practice Course (LPC – LLM) – University of Westminster
Chartered Institute of Legal Executives (CILEX) – University of Westminster
তিনি Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর একজন গর্বিত সদস্য।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা

ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম শিক্ষা, গবেষণা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে ভ্রমণ করেছেন—
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, রাশিয়া;
এশিয়ার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া;
মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার;
দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ।
এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে করেছে বাস্তববাদী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।

রাজনৈতিক পথচলা

ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শনে বিশ্বাসী।

গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহ:

মনোনয়নপ্রার্থী, বিএনপি
ঝালকাঠি-১ ও পিরোজপুর-২ (২০০১, ২০০৬, ২০০৮, ২০১৮)
চেয়ারম্যান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র
সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য – যুবদল
সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক – জিয়া পরিষদ
সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি – বিএনপি আইনজীবী ফোরাম (যুক্তরাজ্য)
সাবেক সদস্য – যুক্তরাজ্য বিএনপি ও ঝালকাঠি জেলা বিএনপি
গবেষণা, লেখালেখি ও প্রতিষ্ঠান গঠন
তিনি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন—
শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট
জীবনানন্দ দাশ গবেষণা কেন্দ্র
সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট
ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার (DRC)

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় চিন্তা ও তারেক রহমানের ৩১ দফা
শহীদ জিয়াউর রহমান রচনাবলী
জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি
বহুমাত্রিক জীবনানন্দ
নির্বাচিত কলাম
আওয়ামী বাকশালিদের দুঃশাসনের খতিয়ান

ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন—তিনি একটি আদর্শের ধারক। শিক্ষা, মানবিকতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে তিনি আপসহীন। পিতৃপুরুষের মানবিক উত্তরাধিকারকে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বিশ্বাস করেন—
নৈতিক রাজনীতি, জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও মানবিক সমাজই পারে বাংলাদেশকে সত্যিকারের মুক্তির পথে নিয়ে যেতে।

30/12/2025

Address

Saturia
Rajapur

Telephone

008801914233414

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ,কে,এম রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ,কে,এম রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ:

Shortcuts

Share

Category