Ahsanur Rahman Akanda

Ahsanur Rahman Akanda

Share

Ahsanur Rahman Akanda Assistant teacher at govt.primary school.

17/05/2026
27/11/2025

পবিত্র কুরআনে সূরা আত-তাওবা ৬৫-৬৬ আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন,
“যদি তুমি তাদের জিজ্ঞেস কর, তারা অবশ্যই বলবে, ‘আমরা তো কেবল আলাপ-আলোচনা ও কৌতুক করছিলাম।’ বলো, ‘তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছিলে? অজুহাত পেশ করো না, তোমরা ঈমান আনার পর কুফরি করেছ।"

25/11/2025

দেশে মোট সরকারি কলেজের সংখ্যা ৭০৮টি। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে ৮১টি কলেজ। এই ক্যাটাগরির কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীসংখ্যা ৮ হাজারের বেশি এবং অনার্সের বিষয় ১০টিরও বেশি।
‘এ’ ক্যাটাগরির সরকারি কলেজগুলো হচ্ছে
১. ঢাকা কলেজ, ঢাকা
২. চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম
৩. ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা
8. রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী
৫ সরকারি হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম
৬. কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা
৭. সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল
৮ মুরারি চাঁদ কলেজ, সিলেট
৯ সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা
১০. কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা
১১. সরকারি ব্রজলাল কলেজ, খুলনা
১৩. কারমাইকেল কলেজ, রংপুর
১৪. সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর
১৫. ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী
১২. আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ
১৬. সরকারি সা'দত কলেজ, টাঙ্গাইল
১৭. বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ
১৮. সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া
১৯. সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জ
২০. সরকারি মাইকেল মধুসুদন কলেজ, যশোর
২১. সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ
২২. দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর
২৩. কুমুদিনী সরকারি কলেজ, টাঙ্গাইল
২৪. গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ
২৫. সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ
২৬. চাঁদপুর সরকারি কলেজ, চাঁদপুর
২৭. সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর
২৮. সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা
২৯. কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া
৩০. গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা
৩১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
৩২. মাদারীপুর সরকারি কলেজ, মাদারীপুর
৩৩ নরসিংদী সরকারি কলেজ, নরসিংদী
৩৪. নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা
৩৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা
৩৬. সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম
৩৭. নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
৩৮. মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, মৌলভীবাজার
৩৯. পটুয়াখালী সরকারি কলেজ, পটুয়াখালী
৪০. নীলফামারী সরকারি কলেজ, নীলফামারী
৪১. ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ, ঠাকুরগাঁও
৪২. সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজ, ঝিনাইদহ
৪৩. রাজবাড়ী সরকারি কলেজ, রাজবাড়ী
৪৪. কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম
৪৫. সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা
৪৬. ভোলা সরকারি কলেজ, ভোলা
৪৭. নোয়াখালী সরকারি কলেজ, নোয়াখালী
৪৮. রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর
৪৯. শেরপুর সরকারি কলেজ, শেরপুর
৫০. সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল
৫১. ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুর
৫২. সরকারি শাহ সুলতান কলেজ, বগুড়া
৫৩. সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা
৫৪. নওগাঁ সরকারি কলেজ, নওগাঁ
৫৫. সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট
৫৬. সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সিগঞ্জ
৫৭. খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ, খুলনা
৫৮. চৌমুহনী সালেহ আহমেদ কলেজ, নোয়াখালী
৫৯. সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সুনামগঞ্জ
৬০. বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা
৬১. গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জ
৬২. নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ, নাটোর
৬৩. সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর
৬৪. সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ, টাঙ্গাইল
৬৫. মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ
৬৬. কক্সবাজার সরকারি কলেজ, কক্সবাজার
৬৭. রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, রাজশাহী
৬৮. পটিয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম
৬৯. চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা
৭০. জয়পুরহাট সরকারি কলেজ, জয়পুরহাট
৭১. লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর
৭২. রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ, রাঙ্গামাটি
৭৩. নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী
৭৪. যশোর সরকারি সিটি কলেজ, যশোর
৭৫. কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ, কিশোরগঞ্জ
৭৬. সরকারি শহীদ আসাদ কলেজ, নরসিংদী
৭৭. টঙ্গী সরকারি কলেজ, গাজীপুর
৭৮. শরীয়তপুর সরকারি কলেজ, শরীয়তপুর
৭৯. লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা
৮০. সাভার সরকারি কলেজ, সাভার, ঢাকা
৮১. সরকারি আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, লালমনিরহাট
সরকারি কলেজের সংখ্যা ৭০৮টি। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে ৮১টি কলেজ। এই ক্যাটাগরির কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীসংখ্যা ৮ হাজারের বেশি এবং অনার্সের বিষয় ১০টিরও বেশি।
‘এ’ ক্যাটাগরির সরকারি কলেজগুলো হচ্ছে
১. ঢাকা কলেজ, ঢাকা
২. চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম
৩. ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা
8. রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী
৫ সরকারি হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম
৬. কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা
৭. সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল
৮ মুরারি চাঁদ কলেজ, সিলেট
৯ সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা

১০. কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা
১১. সরকারি ব্রজলাল কলেজ, খুলনা
১৩. কারমাইকেল কলেজ, রংপুর
১৪. সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর
১৫. ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী
১২. আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ
১৬. সরকারি সা'দত কলেজ, টাঙ্গাইল
১৭. বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ
১৮. সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া
১৯. সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জ
২০. সরকারি মাইকেল মধুসুদন কলেজ, যশোর
২১. সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ
২২. দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর
২৩. কুমুদিনী সরকারি কলেজ, টাঙ্গাইল
২৪. গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ
২৫. সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ
২৬. চাঁদপুর সরকারি কলেজ, চাঁদপুর
২৭. সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর
২৮. সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা
২৯. কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া
৩০. গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা
৩১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
৩২. মাদারীপুর সরকারি কলেজ, মাদারীপুর
৩৩ নরসিংদী সরকারি কলেজ, নরসিংদী
৩৪. নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা
৩৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা
৩৬. সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম
৩৭. নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
৩৮. মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, মৌলভীবাজার
৩৯. পটুয়াখালী সরকারি কলেজ, পটুয়াখালী
৪০. নীলফামারী সরকারি কলেজ, নীলফামারী
৪১. ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ, ঠাকুরগাঁও
৪২. সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজ, ঝিনাইদহ
৪৩. রাজবাড়ী সরকারি কলেজ, রাজবাড়ী
৪৪. কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম
৪৫. সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা
৪৬. ভোলা সরকারি কলেজ, ভোলা
৪৭. নোয়াখালী সরকারি কলেজ, নোয়াখালী
৪৮. রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর
৪৯. শেরপুর সরকারি কলেজ, শেরপুর
৫০. সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল
৫১. ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুর
৫২. সরকারি শাহ সুলতান কলেজ, বগুড়া
৫৩. সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা
৫৪. নওগাঁ সরকারি কলেজ, নওগাঁ
৫৫. সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট
৫৬. সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সিগঞ্জ
৫৭. খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ, খুলনা
৫৮. চৌমুহনী সালেহ আহমেদ কলেজ, নোয়াখালী
৫৯. সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সুনামগঞ্জ
৬০. বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা
৬১. গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জ
৬২. নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ, নাটোর
৬৩. সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর
৬৪. সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ, টাঙ্গাইল
৬৫. মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ
৬৬. কক্সবাজার সরকারি কলেজ, কক্সবাজার
৬৭. রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, রাজশাহী
৬৮. পটিয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম
৬৯. চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা
৭০. জয়পুরহাট সরকারি কলেজ, জয়পুরহাট
৭১. লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর
৭২. রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ, রাঙ্গামাটি
৭৩. নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী
৭৪. যশোর সরকারি সিটি কলেজ, যশোর
৭৫. কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ, কিশোরগঞ্জ
৭৬. সরকারি শহীদ আসাদ কলেজ, নরসিংদী
৭৭. টঙ্গী সরকারি কলেজ, গাজীপুর
৭৮. শরীয়তপুর সরকারি কলেজ, শরীয়তপুর
৭৯. লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা
৮০. সাভার সরকারি কলেজ, সাভার, ঢাকা
৮১. সরকারি আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, লালমনিরহাট

দেশে মোট সরকারি কলেজের সংখ্যা ৭০৮টি। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে ৮১টি কলেজ। এই ক্যাটাগরির কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীসংখ্যা ৮ হাজারের বেশি এবং অনার্সের বিষয় ১০টিরও বেশি।
‘এ’ ক্যাটাগরির সরকারি কলেজগুলো হচ্ছে
১. ঢাকা কলেজ, ঢাকা
২. চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম
৩. ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা
8. রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী
৫ সরকারি হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম
৬. কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা
৭. সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল
৮ মুরারি চাঁদ কলেজ, সিলেট
৯ সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা
১০. কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা
১১. সরকারি ব্রজলাল কলেজ, খুলনা
১৩. কারমাইকেল কলেজ, রংপুর
১৪. সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর
১৫. ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী
১২. আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ
১৬. সরকারি সা'দত কলেজ, টাঙ্গাইল
১৭. বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ
১৮. সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া
১৯. সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জ
২০. সরকারি মাইকেল মধুসুদন কলেজ, যশোর
২১. সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ
২২. দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর
২৩. কুমুদিনী সরকারি কলেজ, টাঙ্গাইল
২৪. গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ
২৫. সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ
২৬. চাঁদপুর সরকারি কলেজ, চাঁদপুর
২৭. সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জামালপুর
২৮. সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা
২৯. কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া
৩০. গাইবান্ধা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা
৩১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
৩২. মাদারীপুর সরকারি কলেজ, মাদারীপুর
৩৩ নরসিংদী সরকারি কলেজ, নরসিংদী
৩৪. নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা
৩৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা
৩৬. সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম
৩৭. নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
৩৮. মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, মৌলভীবাজার
৩৯. পটুয়াখালী সরকারি কলেজ, পটুয়াখালী
৪০. নীলফামারী সরকারি কলেজ, নীলফামারী
৪১. ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ, ঠাকুরগাঁও
৪২. সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজ, ঝিনাইদহ
৪৩. রাজবাড়ী সরকারি কলেজ, রাজবাড়ী
৪৪. কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম
৪৫. সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা
৪৬. ভোলা সরকারি কলেজ, ভোলা
৪৭. নোয়াখালী সরকারি কলেজ, নোয়াখালী
৪৮. রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর
৪৯. শেরপুর সরকারি কলেজ, শেরপুর
৫০. সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল
৫১. ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুর
৫২. সরকারি শাহ সুলতান কলেজ, বগুড়া
৫৩. সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা
৫৪. নওগাঁ সরকারি কলেজ, নওগাঁ
৫৫. সরকারি পিসি কলেজ, বাগেরহাট
৫৬. সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সিগঞ্জ
৫৭. খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ, খুলনা
৫৮. চৌমুহনী সালেহ আহমেদ কলেজ, নোয়াখালী
৫৯. সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সুনামগঞ্জ
৬০. বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা
৬১. গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, গোপালগঞ্জ
৬২. নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজ, নাটোর
৬৩. সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর
৬৪. সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ, টাঙ্গাইল
৬৫. মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ
৬৬. কক্সবাজার সরকারি কলেজ, কক্সবাজার
৬৭. রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, রাজশাহী
৬৮. পটিয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম
৬৯. চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা
৭০. জয়পুরহাট সরকারি কলেজ, জয়পুরহাট
৭১. লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর
৭২. রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ, রাঙ্গামাটি
৭৩. নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী
৭৪. যশোর সরকারি সিটি কলেজ, যশোর
৭৫. কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ, কিশোরগঞ্জ
৭৬. সরকারি শহীদ আসাদ কলেজ, নরসিংদী
৭৭. টঙ্গী সরকারি কলেজ, গাজীপুর
৭৮. শরীয়তপুর সরকারি কলেজ, শরীয়তপুর
৭৯. লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা
৮০. সাভার সরকারি কলেজ, সাভার, ঢাকা
৮১. সরকারি আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, লালমনিরহা

05/08/2025

জুলাই সনদ পাঠ করলেন প্রধান উপদেষ্টা।
যা আছে সনদে....
জুলাই ঘোষণাপত্র

১. যেহেতু উপনিবেশ বিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল;
এবং
২. যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে;
এবং
৩. যেহেতু, স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করেছিল;
এবং
৪. যেহেতু, স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়,
এবং
৫. যেহেতু, আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ইং সনে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
এবং
৬. যেহেতু, দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১-এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়;
এবং
৭. যেহেতু, গত দীর্ঘ ষোল বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়;
এবং
৮. যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করে;
এবং
৯. যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে;
এবং
১০. যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে;
এবং
১১. যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ষোল বছর যাবত নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়;
এবং
১২. যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে;
এবং
১৩. যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এদেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে;
এবং
১৪. যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারি চাকুরিতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকুরি প্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়;
এবং
১৫. যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সকল বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়;
এবং
১৬. যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়;
এবং
১৭. যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগণিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে;
এবং
১৮. যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনরত সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সকল শ্রেণী, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়;
এবং
১৯. যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় গণঅভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত;
এবং
২০. যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়;
এবং
২১. যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়;
এবং
২২. সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;
এবং
২৩. সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ষোল বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সকল ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধসমূহের দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;
এবং
২৪. সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
এবং
২৫. সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসঙ্গত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
এবং
২৬. সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ু সহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
এবং
২৭. বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
এবং
২৮. ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

Want your school to be the top-listed School/college in Panchagarh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Panchagarh
Panchagarh