02/02/2026
Advocate kafil uddin
Advocate at district and session judge court,bogura,rajshahi Division,bangladesh
02/02/2026
08/05/2025
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম,বগুড়া কর্তৃক আয়োজিত আজকের কর্মসূচিতে......
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮
ধারাঃ ৯৮ - ওভারলোডিং বা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মোটরযান চালনার ফলে দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের দণ্ড.
Description: যদি নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে বা বেপরোয়াভাবে বা ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বা ওভারলোডিং বা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মোটরযান চালনার ফলে কোনো দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি সাধিত হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট মোটরযানের চালক বা কন্ডাক্টর বা সহায়তাকারী ব্যক্তির অনুরূপ মোটরযান চালনা হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক ০৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং আদালত অর্থদণ্ডের সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
ধারাঃ ১০৫ - দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অপরাধ.
Description: এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোটরযান চালনাজনিত কোনো দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে কোনো ব্যক্তি আহত হইলে বা তাহার প্রাণহানি ঘটিলে, তৎসংক্রান্ত অপরাধসমূহ Penal Code, 1860 (Act No. XLV of 1860)-এর এতদ্ন্তসংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, Penal Code,1860 (Act No. XLV of 1860)-এর section 304B এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তির বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত মোটরযান চালনার কারণে সংঘটিত দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হইলে বা তাহার প্রাণহানি ঘটিলে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক ০৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
( ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন )
পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার
ধারাঃ(৫)- মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।
যে সকল কারণে একজন ব্যক্তি হতে পারে ধর্ষণ মামলার আসামী......
01/04/2025
দণ্ডবিধি-১৮৬০
ধারাঃ ৩৭৫ - নারী ধর্ষণ.
: কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত:- স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে ।
দ্বিতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে ।
পঞ্চমত:- স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যতি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):- ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।
ব্যতিক্রম (Exception):-কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
পুণরায় বিবাহ করা/১ম বিবাহ গোপন করে ২য় বিবাহ করা/পরকীয়া কিংবা ব্যভিচার করার শাস্তি
পরকিয়া করার শাস্তি কি????
মোহরানা কি? মোহরানা বিষয়ে আইনি বাধ্যবাধকতা জেনে নিন
মোহরানা কি?
বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি। এই চুক্তি সম্পাদনের একটি অন্যতম শর্ত হচ্ছে দেন-মোহর। এই শর্তটি পূরণ না করলে কোনো বিয়ে বৈধ হতে পারে না। দেনমোহর বা মোহরানা হলো কিছু টাকা বা অন্য কিছু সম্পত্তি যা বিয়ের প্রতিদান হিসেবে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে পেয়ে থাকে। মোহরানা স্ত্রীর সম্মানের প্রতীক। সুতরাং বিয়ের আসরে বা অনুষ্ঠানে স্বামী তার স্ত্রীকে মর্যাদা স্বরূপ যে অর্থ বা সম্পদ দেয় বা দেওয়ার অঙ্গীকার করে তাকেই দেনমোহর বলে। দেনমোহর স্ত্রীর একচ্ছত্র অধিকার এবং এটা স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রাপ্য। বিয়েতে যদি দেনমোহর নির্ধারণ করা না হয়, তবে স্ত্রী তার মর্যাদা ও যোগ্যতার বিচারে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী।
মোহরানা প্রদানে আইনি বাধ্যবাধকতা:
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ সালের আইনের সেকশন ১০ মতে নিকাহনামা বা বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহর পরিশোধের পদ্ধতি নির্দিষ্টভাবে উল্লিখিত থাকুক বা না থাকুক, দেনমোহরের পুরো অর্থ স্ত্রী চাহিবামাত্র পরিশোধযোগ্য (দেয়) বলে ধরে নিতে হবে। দেনমোহরের সাথে স্বামীর পক্ষ থেকে প্রদানকৃত অন্য কোন উপহারের সম্পর্ক নেই। স্ত্রীর দেন মোহর দেওয়া বাধ্যতামূলক। উল্লেখ্য যে স্বামী কিংবা স্ত্রী যে কারো পক্ষ থেকে তালাক প্রদান করা হোক না কেন মোহরানা পাওয়া স্ত্রীর ন্যায্য অধিকার এবং বিবাহের অন্যতম পূর্ব শর্ত। তাই মোহরানা অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। দেনমোহর ঠিক সময়ে পরিশোধ না করলে ১ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
ইসলামিক দৃষ্টি কোণ থেকে স্ত্রীকে মোহরানা প্রদান করা ফরজ। যদি কোন ব্যক্তি মোহরানা উল্লেখ না করে অথবা মোহরানা না দেওয়ার শর্তে বিয়ে করে; তবুও স্ত্রীকে মোহরানা দিতে হবে। দেন-মোহর বা মোহরানা বিবাহ অনুষ্ঠানের পূর্বে ও পরে নির্ধারণ করা যায়।
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১’ বাংলাদেশে এখনো হুবহু চালু ও কার্যকর আছে। উক্ত অধ্যাদেশের ধারা ৪-এ পৌত্র/দৌহিত্রের উত্তরাধিকার (Succession) সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ ‘যার সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে বন্টিত হবে, তার পূর্বে তার কোনো পুত্র বা কন্যা মারা গেলে এবং উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বন্টনের সময় উক্ত পুত্র বা কন্যার কোনো সন্তানাদি থাকলে তারা প্রতিনিধিত্বের হারে সম্পত্তির ঐ অংশ পাবে, যা তাদের পিতা অথবা মাতা জীবিত থাকলে পেতো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Puran Bogra
5800