ভিডিওতে বক্তৃতা দিচ্ছেন সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত জর্জ বার্নার্ড শ। তিনি পৃথিবীর একমাত্র ব্যক্তি যিনি একইসাথে নোবেল পুরস্কার (Literature, 1925) এবং অস্কার (1939) পেয়েছিলেন।
তিনি ২৭শে অক্টোবর ১৯৩০ সালে ইংল্যান্ডের লন্ডনের স্যাভয় হোটেলে এক বক্তৃতায় পদার্থবিদ্যা পুরস্কারপ্রাপ্ত আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন যে "টলেমি ১,৪০০ বছর স্থায়ী একটি মহাবিশ্ব তৈরি করেছিলেন। নিউটনও ৩০০ বছর স্থায়ী একটি মহাবিশ্ব তৈরি করেছিলেন। আইনস্টাইন একটি মহাবিশ্ব তৈরি করেছেন এবং আমি আপনাকে বলতে পারছি না যে এটি কতদিন স্থায়ী হবে।"
শ'কে ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয় "তার কাজের জন্য যা আদর্শবাদ এবং মানবতা উভয়ের দ্বারা চিহ্নিত, এর উদ্দীপক ব্যঙ্গ প্রায়শই একক কাব্যিক সৌন্দর্যের সাথে মিশে থাকে।"
Science Snaps
শেখো সহজে, ভাবো গভীরে
29/10/2025
ছবিটিতে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু যিনি বাংলাদেশের প্রথম বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন এবং পদার্থবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যাসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য পরিচিত।
জগদীশচন্দ্র বসু প্রথম প্রমাণ করেন যে গাছপালাও উত্তেজনায় সাড়া দেয় এবং তাদেরও প্রাণ আছে, যা তিনি ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রের মাধ্যমে দেখিয়েছিলেন। এছাড়াও, তিনি বেতার তরঙ্গের উপর গবেষণার জন্য উল্লেখযোগ্য।
13/12/2024
আমরা কি জানি বৈদ্যুতিক ফিউজ ব্যবহার করা হয় কেন??
বৈদ্যুতিক সার্কিটকে অতিরিক্ত প্রবাহ (overcurrent) বা শর্ট সার্কিট থেকে রক্ষা করার জন্য। ফিউজ একটি সুরক্ষা যন্ত্র যা নিম্নলিখিত কারণে ব্যবহার করা হয়:
1. অতিরিক্ত প্রবাহ থেকে সুরক্ষা:
সার্কিটে যদি নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, ফিউজ তারটি দ্রুত গলে গিয়ে সার্কিটটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
2. শর্ট সার্কিট প্রতিরোধ:
শর্ট সার্কিট হলে বিদ্যুৎ প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে যায়। ফিউজ এটি শনাক্ত করে এবং সার্কিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
3. যন্ত্রপাতি সুরক্ষায়:
বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা ডিভাইসগুলোকে অতিরিক্ত তাপমাত্রা বা বিদ্যুতের ধাক্কা থেকে রক্ষা করার জন্য ফিউজ অত্যন্ত কার্যকর।
4. আগুনের ঝুঁকি কমাতে:
অতিরিক্ত প্রবাহ বা শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে। ফিউজ এটি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
ফিউজ সাধারণত এমন ধাতব তার দিয়ে তৈরি যা অতিরিক্ত তাপমাত্রায় সহজে গলে যায়। এটি গলে গিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়, ফলে সার্কিট রক্ষা পায়।
28/11/2024
একনজরে অভিকর্ষ বল সম্পর্কে জেনে নিই!!!!
অভিকর্ষ বল বা গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স হলো প্রকৃতির একটি মৌলিক বল, যা মহাকাশে দুটি বস্তুর মধ্যে তাদের ভরের কারণে কাজ করে। এটি বস্তুর ভরের সাথে সমানুপাতিক এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের সাথে ব্যস্তানুপাতিক।
অভিকর্ষ বলের মূল ধারণা:
আইজ্যাক নিউটনের অভিকর্ষ তত্ত্ব:
নিউটনের মতে, দুটি ভরযুক্ত বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এই বলের পরিমাণ নির্ণয় করা যায় নিউটনের গুরুত্বের সূত্র দিয়ে:
F = G {Mm/(d^2)}
এখানে,
F হলো অভিকর্ষ বল।
G হলো সর্বজনীন অভিকর্ষ ধ্রুবক ।
M এবং m হলো দুটি বস্তুর ভর।
d হলো বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব।
আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব:
আইনস্টাইন স্পেসটাইমের বাঁককে অভিকর্ষের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। ভারী বস্তুর উপস্থিতিতে স্পেসটাইম বাঁক নেয়, যার ফলে অন্যান্য বস্তু সেই বাঁকানো পথ ধরে চলতে বাধ্য হয়।
উদাহরণ:
1. পৃথিবী ও আপেল:
আপেল গাছ থেকে মাটিতে পড়ে, কারণ পৃথিবী তার দিকে অভিকর্ষ বল প্রয়োগ করে
Click here to claim your Sponsored Listing.