05/06/2025
Rifat Islami Research Foundation
It is a islamic page.
05/06/2025
ফাইনাল পরীক্ষার দুই কি তিন সপ্তাহ বাকী। এমন সময় কোন ছাত্রকে ইউনিভার্সিটি থেকে দেশে যাবার ভিসা দেবার নিয়ম নেই।
কিন্তু একটা ছাত্র আসলো ভিসার জন্য। বাড়ি ব্রিটেন। তাকে অস্থির লাগছিলো। প্রয়োজনে সে ইউনিভার্সিটিতে আর পড়বেনা। তাও তার ভিসা লাগবে।
আমি তার অস্থিরতা দেখে একবাক্যে "নিয়ম নেই" বলে তাড়িয়ে দিলাম না। আমি সমস্যার কথা শুনতে চাইলাম। কি এত প্রয়োজন।
সে জানালো, তার বাবা হাসপাতালে মৃত্যু শয্যায় আছে, কিন্তু তিনি মুসলিম নন।। তাই সে ইমারজেন্সী দেশে যেতে চাচ্ছে বাবাকে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার জন্য। সে বললো, আমি গিয়ে একটু চেষ্টা করতে চাই, হতে পারে আল্লাহ্ আমার বাবাকে হিদায়াত দান করবেন।
আমি একটু নড়েচড়ে বসি। মদীনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাই হয়েছে পৃথিবীর নানা দেশ থেকে ছাত্র এনে তাদের দায়ী বানিয়ে পাঠানোর জন্য। যাতে পৃথিবীব্যাপী ইসলামের দাওয়াহ ছড়িয়ে যায়।
আর সেখানের একজন ছাত্র তার জন্মদাতা বাবাকে দাওয়াত দিতে যেতে চাচ্ছে, আর পারবেনা সেটা হতে পারেনা।
আমি ইউনিভার্সিটির নিয়মের বাইরে গিয়ে সেদিনই তার ভিসা নামিয়ে দিলাম। এবং সে ফ্লাইটে চড়ে।
সম্ভবত দিনটা ছিলো সোমবার। পরে জানতে পারি দু'দিন পর বৃহস্পতিবারে তার বাবা মৃত্যুবরণ করেন এবং মৃত্যুর আগে ছেলের দাওয়াতে ইসলাম কবুল করেন।
তিনি এতো অন্তিম মুহুর্তে ইসলাম কবুল করেছিলেন যে এক ওয়াক্ত সালাতও আদায় করতে পারেননি মৃত্যুর আগে। আমি দেখলাম আমি যদি তাকে নিয়মের মারপ্যাঁচ দেখিয়ে ভিসাটা একদিন পরেও দিতাম তাহলে আমি আল্লাহর কাছে কি জওয়াব দিতাম।
"আল ওয়ালা ওয়াল বারাআ" এর আলোচনায় ড. ফাহাদ আল আরজানী এভাবেই আমাদের বুঝালেন যে, একজন কাফেরের প্রতি তোমার রাগ থাকবে আল্লাহর জন্য। কিন্তু তার জন্য তোমার ভালোবাসার একটা একটা টান থাকবে তাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য। আর এটাও আল্লাহর জন্যই।
মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাওহীদ ক্লাস হতে...
মাহদী মাহ্দী ফয়সাল ভাইয়ের লেখা।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কাতারের মাঝে ফাঁক বন্ধ করে দাঁড়াবে, এর বিনিময়ে আললাহ তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন এবং তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।
( ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল আওসাত্ব হা/৫৭৯৫; মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ হা/৩৮২৪; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৮৯২)
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ قَالَ أَقِيْمُوا الصُّفُوْفَ وَحَاذُوْا بَيْنَ الْمَنَاكِبِ وَسُدُّوا الْخَلَلَ وَلِيْنُوْا بِأَيْدِىْ إِخْوَانِكُمْ وَلاَ تَذَرُوْا فُرُجَاتٍ لِلشَّيْطَانِ وَمَنْ وَصَلَ صَفًّا وَصَلَهُ اللهُ وَمَنْ قَطَعَ صَفًّا قَطَعَهُ اللهُ.
ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা কাতার সোজা করবে, বাহুসমূহকে বরাবর রাখবে, ফাঁক সমূহ বন্ধ করবে এবং তোমাদের ভাইদের হাতের সাথে নম্রতা বজায় রেখে মিলিয়ে দিবে; মধ্যখানে শয়তানের জন্য ফাঁক রাখবে না। যে ব্যক্তি কাতারের মাঝে মিলিয়ে দাঁড়ায়, আল্লাহ তাকে তাঁর নিকটবর্তী করে নেন। আর যে ব্যক্তি কাতারের মাঝে পৃথক করে দেয় আল্লাহও তাকে পৃথক করে দেন।
(ছহীহ আবুদাঊদ হা/৬৬৬, ১ম খন্ড, পৃঃ ৯৭, সনদ ছহীহ; মিশকাত হা/১১০২; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১০৩৪, ৩/৬১ পৃঃ।)
25/06/2023
টাইটান সম্প্রতি লেটেস্ট ও সর্বোচ্চ প্রযুক্তির হিউম্যান সাবমেরিন (টাইটান) সমুদ্রের ৩০০০ মিটার গভীরের চাপ সইতে না পেরে বিস্ফারিত হয়েছে।
এফিওনিডি (ফিশ) একটি স্বচ্ছ ও নরম আঠালো প্রকৃতির মাছ। যার আকৃতি মাত্র ১০ সে.মি. (প্রায় ৪ ইঞ্চি)। সমুদ্রের ৬০০০ মিটার গভীরে বসবাস করে, প্রজনন করে ও বাচ্চা প্রতিপালন করে।
অথচ বিবর্তনবাদের হর্তাকর্তারা দাবী করে, এই সৃষ্টিজগৎ কাকতালীয়ভাবে তৈয়ার হয়েছে।
তারা জানে না -
"এটা আল্লাহর সৃষ্টি! সুতরাং তিনি ছাড়া অন্যরা কী সৃষ্টি করেছে আমাকে দেখাও। বরং যালিমরা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।"
[সুরা লুক্বমান, আয়াত:১১]
25/04/2023
🥰🥰
ঈদ উৎসব/ইবাদতঃ
ঈদ যেমন আমাদের উৎসবের দিন তেমনি ঈদ আমাদের ইবাদত। কিন্তু আজ অধিকাংশ মুসলিমরা ঈদকে উৎসব পালন করছে ইবাদত হিসেবে নয়।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ প্রত্যেক জাতির নিজস্ব ঈদ রয়েছে। আর এটি আমাদের ঈদ। [সহীহ বুখারী, মুসলিম]
আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন (মদীনায়) আসলেন তখন তাদের দুটো উৎসবের দিন ছিল। তিনি বললেনঃ এ দুটো দিনের তাৎপর্য কি? তারা বললঃ জাহিলিয়াতের যুগে আমরা এ দুটো দিনে উৎসব করতাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আল্লাহ তোমাদেরকে এদের পরিবর্তে উত্তম কিছু দিয়েছেন, ইয়াওমুদ্দুহা (ঈদুল আযহা) ও ইয়াওমুল ফিতর (ঈদুল ফিতর)। [সুনান আবু দাউদ]
একদিকে মুসলিম জাতি ঈদ নামক ইসলামী উৎসব পালন করছে আবার জাহেলী যুগের মত বিভিন্ন (পহেলা বৈশাখ, থার্টি ফাস্ট নাইট) আনন্দ দিবস পালন করছে।
রমাদ্বানের প্রথম দিনগুলোতে অনেকে ইবাদতে কাটালেও শেষদিনগুলো বিশেষ করে শবে কদ্বরগুলোতেও ঈদের কেনাকাটার অজুহাতে শপিংমলসহ বিভিন্ন মার্কেটে নারী, পুরুষের দিন কাটে। অথচ শবে কদরেরর রজনীগুলোর মূল্য অপূরনীয়!! রমাদ্বানের দিনগুলোতে যে পুরুষরা দাড়ি রাখত ও নারীরা হিজাবসহ অনেক সুন্নাহ পালন করতো।
ঈদের দিনগুলোতে দেখা যায় ছেলেগুলো ক্লিন শেভড, মেয়েরা আনন্দ উৎসবের নামে বেপর্দা ঘুরছে। আর আনন্দ উদযাপনের নামে খাদ্যের অপচয় ও বিলীসিতা চলে!!
অথচ হাজারো মানুষ চরম কষ্টে দিনযাপন করছে!!
চিন্তা করুন - আজকের ঈদ উদযাপনের সাথে সাহাবীদের জীবনীর কোন মিল আছে কিনা!!
না অন্যান্য জাহেলিয়াতের মেলা, উৎসবের মত ঈদ পালিত হচ্ছে?
অথচ রসুলের (সাঃ) যুগে মহিলা সাহাবীরা সালাত পড়তো,
সদকা করে নেকী হাসিল করতো আর আমাদের মায়েদের দিন কাটে রান্নাঘরে।
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদুল ফিত্বরের দিন দাঁড়ালেন, অতঃপর সলাত আদায় করলেন।
তিনি খুত্বাহ্ দেয়ার আগে প্রথমে সলাত আদায় করেছেন, পরে জনতার উদ্দেশে খুত্বাহ্ দিয়েছেন।
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুত্বাহ্ শেষ করে মহিলাদের কাছে এসে উপদেশ দিলেন।
এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলালের হাতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং বিলাল তাঁর কাপড় প্রসারিত করে রেখেছিলেন।
মহিলারা এতে দান বস্তু ফেলছিল। আমি (ইবনু জুরায়জ) ‘আত্বাকে জিজ্ঞেস করলাম, তা কি ঈদুল ফিত্বরের যাকাত (সদাক্বায়ে ফিতর)? ‘আত্বা বললেন, না বরং তা সাধারণ সদাক্বাই ছিল।
মহিলারা তাদের মূল্যবান আংটি (দানপাত্রে) ফেলছিল এবং সম্ভব সবকিছু বিলিয়ে দিচ্ছিল।
আমি ‘আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, বর্তমানে কি ইমামের জন্য খুত্বাহ্ সমাপ্ত করার পর মহিলাদের কাছে এসে তাদেরকে উপদেশ শুনানোর বিধি সম্মত? ‘আত্বা বললেন, হ্যাঁ। আমার জীবনের রবের শপথ! এটা ইমামদের ওপর অবশ্য কর্তব্য। তাদের এ কাজ না করার কি কারণ থাকতে পারে? (ই.ফা. ১৯১৭, ই.সে. ১৯২৪)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৯৩২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আবার ঈদের আনন্দ আয়োজন ও ঈদের অনুষ্ঠানের নামে চলছে কুফরী, অশ্লীল বিনোদন নাটক, সিনেমা। মিডিয়াসহ টিভিতে এসব অনুষ্ঠানগুলোকে এই নামে অভিহিত করা হয়।
নাউজুবিল্লাহ!! ঈদ আমাদের ইবাদত ও হালাল উৎসবের দিন। তাকে নিয়ে ব্যবসার জন্য কুফরী, অশ্লীল, হারাম জিনিসের সাইনবোর্ড লাগানো হচ্ছে!!
কোন হারামকে অনুষ্ঠান কিভাবে ঈদের মত পবিএের দিনের অনুষ্ঠান হিসেবে প্রচার করা যেতে পারে!!
ইসলাম হালাল বিনোদনে উৎসহ দেয় যেন মন প্রফুল্ল, পবিত্র থাকে।
আর শয়তান ইসলামের নাম দিয়ে অশ্লীলতার পথে আহ্বান করে।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে প্রবেশ করে দেখেন, আমার কাছে দু’টি বালিকা জাহিলিয়্যাত যুগে সংঘটিত বু’আস যুদ্ধের গান গাইছে। তিনি বিছানায় কাত হয়ে শুয়ে চেহারা অন্যদিকে ফিরিয়ে দিলেন। এমন সময় আবূ বকর (রাঃ) প্রবেশ করলেন। তিনি (এ দৃশ্য দেখে) আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকটে শাইত্বনের বাদ্য চলছে? (এ কথা শুনে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দিকে ফিরে বললেন, হে আবূ বাক্র! এদের ছেড়ে দাও। এরপর তিনি যখন অন্যমনস্ক হলেন, আমি বালিকাদ্বয়কে আস্তে খোঁচা দিলাম। তারা বের হয়ে চলে গেল। এটা ঈদের ঘটনা। কৃষ্ণাঙ্গ যুবকেরা ঢাল-বল্লম দ্বারা রণকৌশল ও খেল-তামাশা করছিল
। তখন হয়ত আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আবেদন করেছি না হয় তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন তুমি কি তা দেখতে আগ্রহী? আমি বললাম- জি হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর পিছনে এমনভাবে দাঁড় করিয়ে দিলেন যে, আমার গণ্ডদেশ তাঁর গণ্ডদেশের উপর সংলগ্ন হলো। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, হে বানী আরফিদাহ্! তোমরা তোমাদের খেলা চালিয়ে যাও। অনেকক্ষণ পর আমি যখন একটু বিরক্তবোধ করলাম, তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হয়েছে তো? আমি বললাম, জ্বি হ্যাঁ! তিনি বললেন, তাহলে এবার যাও। (ই.ফা. ১৯৩৫, ই.সে. ১৯৪২)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৯৫০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আসলে আমরা সিয়াম ও ঈদের আনন্দই বুঝি নি!! ঈদের সালাত শেষে যেমন স্ত্রী সহবাস, পানাহারের অনুমতি মিলে, প্রিয়জনের সাক্ষাতে মনে আনন্দ জাগে!! তেমনি মুমিনের প্রতিটি দিনই আল্লাহর জন্য সংযম করে, একদিন জান্নাতে তাকে হালাল মদ, হুরদের সাথে বিনোদনের অনুমতি মিলবে এবং তার চেয়ে বড় আনন্দ মুমিনের সবচেয়ে প্রিয়জন আল্লাহর ও তার রসুল(সা:) সাক্ষাৎ মিলবে। কারণ- সিয়াম আল্লাহর জন্য, এর পুরস্কার আল্লাহই দিবেন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Puran Bogra
5810