07/05/2024
The purpose of this channel is to bring chemistry to all the students of the science department in a very simple way and fluent language. Ameen Iya Rabbi
May Allah grant me success in this small effort.
07/05/2024
মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা মুলকে পাখি সম্পর্কে গবেষণা করতে বলেছেন
Confused
What is the meaning of life
অনুপাত -সমানুপাতের অংক for all competitive exam
ক্যালকুলেটর ছাড়া pH/pOH নির্ণয়ের কৌশল
লাভ -ক্ষতির অংক
For all competitive exam
01/12/2023
ফিনল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বসেরা বলা হয় । ফিনল্যান্ডের মাধ্যমিকে দুটি লেভেল আছে: লোয়ার সেকেন্ডারি স্কুল ও হায়ার সেকেন্ডারী স্কুল আছে ।
লোয়ার সেকেন্ডারি স্কুল হলো সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেনীর জন্য । আগ্রহ নিয়ে তাদের সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেনীর রসায়নের সিলেবাস দেখলাম । অসাধারন তাদের সিলেবাস ।
সপ্তম শ্রেনীতে রসায়নের জন্য তারা ১২টি অধ্যায় পড়ায় । প্রথম অংশটিতে the world of Chemistry যেখানে ৬টি অধ্যায় আছে । দ্বিতীয় অংশটিতে Water and Air যেখানে ৬টি অধ্যায় আছে
The World of Chemistry
1. Chemistry – the Science of Studying Substances
2. Achievements of Chemistry
3. Laboratory Work Safety
4. Substances Around Us
5. Separating the Components of Mixtures
6. Elements and Compounds
Water and Air
7. Water – the Source of Life
8. Water as a Solvent
9. Acidity and Basicity
10. Slow and Fast Reactions
11. Characteristics of Air
12. Combustion and Fire Safety
অষ্টম শ্রেনীতে রসায়নের জন্য তারা ১৫টি অধ্যায় পড়ায় । প্রথম অংশটিতে From Atoms to Compounds যেখানে ৪টি অধ্যায় আছে । দ্বিতীয় The Chemistry of Carbon অংশটিতে ৪টি অধ্যায় আছে । এবং তৃতীয় অংশটিতে Chemistry at Home ৭টি অধ্যায় আছে ।
From Atoms to Compounds
13. Atom Structure Model
14. The Periodic System
15. Ionic Bonding and Metallic Bonding
16. Covalent Bonding and Molecules
The Chemistry of Carbon
17. Carbon – a Diverse Element
18. Hydrocarbons
19. Alcohols
20. Carboxylic Acids
Chemistry at Home
21. Nutrients
22. Proteins
23. Carbohydrates
24. Fats
25. Chemistry of Cooking
26. Detergents
27. Waste Processing and Recycling
নবম শ্রেনীতে রসায়নের জন্য তারা ১১টি অধ্যায় পড়ায় ।
Salts and Metals
28. Acids and Bases
29. Salts and Neutralisation
30. From Ores to Metals
31. Properties of Metals
32. Galvanic Series of Metals
33. Electrochemistry
Applications of Chemistry
34. Plastics and the Petroleum Industry
35. Paper and Natural Fibres
36. Medicines
37. Cosmetic Substances
38. New Materials
39. Chemistry and the Environment
এখন এই সিলেবাসের সাথে আমাদের সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেনীর রসায়নের সিলেবাস (বিজ্ঞান বইগুলো) মিলিয়ে দেখুন আমরা আমাদের বাচ্চাদের জন্য বিজ্ঞান শিক্ষা কিভাবে ধ্বংস করছি ।
অনলাইনে নেসকো বিদ্যুৎ বিল দেখার নিয়ম
How to check NESCO Electricity bill .
যেভাবে বিদ্যুৎ বিল চেক করবেন:-
google-search baton-NESCO bill-কনজ্যুমার বা মিটার নাম্বার-রিচার্জ হিস্ট্রি-মাসিক রিচার্জ
****নতুন ভাড়া বাসায় উঠার সময় নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অবশ্যই
#বিগত মাসের মিটার ভাড়া পরিশোধ করা হয়েছে কি-না
#মিটার ডিমান্ড চার্জ পরিশোধ করা হয়েছে কি-না
যদি না হয়ে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট বাসার মালিককে বিষয়টি অবহিত করুন
24/10/2023
বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা
প্রত্যেকটি কথা বর্তমান বাস্তবতা।।
ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক
অধ্যাপক
প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
.................................
আমরা যা করি, অতিরিক্ত করি।
পরীক্ষা নেয়া শুরু করলে ক্লাস ফাইভ, ক্লাস এইটে ও পাবলিক পরীক্ষা নেয়া শুরু করি, আগা মাথা কিছু না বুঝেই।
বেশ কয়েক বছর পরে বুঝতে পারি, আহারে! এসব তো কোন কাজে আসছেনা। তখন আবার বন্ধ করে দিই।
মানে পরীক্ষা নিলে শুধু পরীক্ষা নিই আর না নিলে পরীক্ষা একেবারেই বন্ধ করে দিই। মাঝামাঝি কিছু নেই। একেবারে দুই মেরু।
এভাবে প্রশ্ন ব্যাংক, সৃজনশীল কত কিছু করলাম। আবার দুই দিন পর বন্ধ করে দিলাম।
কোন কিছু না বুঝেই শুরু করি, আম ছালা সব হারিয়ে আবার বন্ধ করে দিই।
মাঝখানে শিক্ষার্থীরা সাফার করে। ওদের কিছু শিক্ষা বর্ষ নষ্ট হয়। অভিভাবকদের অর্থ নষ্ট হয়। রাষ্ট্রের ট্যাক্সপেয়ারদের অর্থের অপচয় হয়।
আর শিক্ষকগণ চেয়ে চেয়ে দেখেন। তেমন কিছু বলতে পারেননা, চাকুরী হারানোর ঝুঁকি কে নিবে?
এ বছর থেকে ক্লাস সিক্স- সেভেনে শুরু হওয়া নতুন কারিকুলাম অবশ্য সবকিছুকে হার মানিয়েছে।
পরীক্ষা বিহীন, শুধু মূল্যায়ন নির্ভর, প্রজেক্ট নির্ভর এই সিস্টেমে শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রায় সবাই ই বিরক্ত,
চরম বিরক্ত।
সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে অভিভাবকগণ শঙ্কিত। হতাশ।
মায়ের রান্না করা কিংবা হোটেল থেকে কিনে নেয়া খাবার, চাচার বানানো কাঠের বাড়ি, বন্ধু আর টিম লিডারদের করে দেয়া প্রজেক্ট মূল্যায়ন করে ও কী লাভ?
আসলে অনেক অভিভাবকই চায়না তাদের ছেলে মেয়ে সারাদিন কাটাকুটি করে লেখা পড়া করুক। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকছে পুরো পৃথিবী। সেখানে ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে নকশীকাঁথা সেলাই, মাটির হাড়ি পাতিল রঙ করা, প্রতিদিন কাগজ কাটা, পুতুল বানানো, শহরের বাড়িতে মুরগী পালন, ছাগল পালন ইত্যাদি হাস্যরসের জন্ম দিচ্ছে।
অভিভাবকরা প্রজেক্টের সরঞ্জাম সাপ্লাই দিতে দিতে বিরক্ত, স্টুডেন্টরা গভীর রাত পর্যন্ত এসব প্রজেক্ট করতে করতে ত্যক্ত- বিরক্ত, ক্লান্ত। স্টুডেন্টরা এখন নিজেরাই বলছে, এর চেয়ে পরীক্ষা সিস্টেম অনেক ভালো ছিলো।
হ্যাঁ, এসব করুক। সবই করুক। কোন সমস্যা নেই।
তবে মূল পড়াশুনা বাদ দিয়ে নয়। এসব নিয়ে তো সারাদিন পড়ে থাকলে হবেনা।
তাছাড়া, নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্ত এমনিতেই আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের কারণে খুবই বেকায়দায় আছে। এর উপর প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজেক্টের জন্য এটা সেটা কিনবে কিভাবে?
সত্যি কথা বলতে কি, ক্লাস সাইজ বিশ/ ত্রিশ জনের হলে, কোয়ালিফাইড এবং যথেষ্ট ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষক থাকলে, অভিভাবকগণ যথেষ্ট সচ্চল ও সচেতন হলে -- তখন হয়তো এরকম পরীক্ষা বিহীন, শুধু মূল্যায়ন নির্ভর, প্রজেক্ট নির্ভর এই সিস্টেমের কথা ভাবা যেতো। তাও শুধু প্রাইমারি পর্যায়ে।
হাই স্কুল কিংবা কলেজ পর্যায়ে নয়, কোনভাবেই নয়।
এখন ক্লাস সিক্স/ সেভেনে পড়া শিক্ষার্থীদের অনেকে বাসায় কিছুই পড়েনা। রাতদিন মোবাইল, ইউটিউব নিয়ে পড়ে থাকে। অভিভাবক কিছু বললে ওরা বলে, প্রজেক্ট করছি।তোমরা এসব বুঝবেনা।
আর আট জনের গ্রুপকে হয়তো একটা প্রজেক্ট দেয়া হলো, আট জনের আট জায়গায় বাসা। আজকের প্রজেক্ট কালই জমা দিতে হবে। তো ওরা সেই প্রজেক্ট একসাথে কিভাবে করবে?
ঐ একজনই করে, বাকীরা হুদাই নাম্বার পায়। ভুল বললাম। ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি পায়, কোন গ্রেড/ নাম্বার পায়না।
ওরা স্কুলে উৎসব উৎসব ভাব নিয়ে হাবিজাবি প্রজেক্ট করে।
আরে ভাই, স্কুল তো সিরিয়াস ক্লাস করার জায়গা। সেই ক্লাস ঠিকঠাক হচ্ছে কী? ওরা ঠিকঠাক সায়েন্স, ম্যাথ, ইংরেজি, বাংলা শিখছে কী?
বই হয়তো মোটামুটি ভালো তবে পরীক্ষা না থাকলে স্টুডেন্টরা পড়বে কি?
ও আচ্ছা, পরীক্ষা না থাকলে এসব শিখেও কী লাভ?
বাপরে বাপ। কি সিস্টেম আসলো!
অভিভাবকরা কিছু বুঝেনা, অনেক শিক্ষক বুঝেনা। আমরা ভার্সিটিতে পড়ালেও এসব আজগুবি সিস্টেমের আগামাথা কিছু বুঝিনা।
তবে শুধু একটা বিষয় বুঝি, এসব স্টুডেন্টকে জিগ্যেস করলে গ্রামার পারেনা, ম্যাথ পারেনা। পড়াশুনা বাদে জগতের সব বিষয় ওরা পারে।
আমাদের আর্থসামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে এসব আসলে একেবারেই অচল, অবাস্তব। মোটেও উপযোগী নয়।
এখন একটা ক্লাসে পঞ্চাশ/ ষাট / সত্তুর /আশি জন শিক্ষার্থী থাকলে একজন শিক্ষক পঞ্চাশ মিনিটের ক্লাস টাইমে ওদের কি পড়াবেন, কি প্রজেক্ট দিবেন, কি মূল্যায়ন করবেন?
বাস্তবে হবে কি, অফিস রুমে বসে বসে সব স্টুডেন্টকে কিছু একটা ধরিয়ে দিতে হবে -- ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি।
আসল মূল্যায়ন ও প্রায় অসম্ভব।
আর ঐ শিক্ষককে দোষারোপ করেও আসলে কি লাভ ?
বুঝলাম আমাদের আগের সিস্টেম পারফেক্ট ছিলোনা।
তো ওটাকে আরো উন্নত করেন।
প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এবং সমাদৃত ব্রিটিশ কারিকুলামের অনুকরণে আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও আর্থসামাজিক অবস্থার সাথে মিল রেখে আমাদের মতো করে একটা কারিকুলাম সাজান।
ব্রিটিশ কারিকুলামে তো পরীক্ষা রয়েছে, মূল্যায়ন হয় নম্বর ও গ্রেড ভিত্তিক।
পৃথিবীর দুই শ'র কাছাকাছি দেশে এটা তো আর এমনি এমনি সমাদৃত হয়নি। নিশ্চয় ওদের কারিকুলাম অনেক বেশী ভালো, অর্গানাইজড বলেই সবাই এটাকে গ্রহণ করেছে। অনেক বছরের গবেষণার ফসল জনপ্রিয় এই শিক্ষা পদ্ধতি।
#পুনশ্চ
কোচিং বাণিজ্য থেকে মুক্তি দিতে গিয়ে আমরা পরীক্ষা বন্ধ করে দিবো?
বিষয়টা মাথা ব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার মতো হয়ে গেলোনা?
তাছাড়া কোচিং এ তো শিক্ষার্থীরা কিছু শিখে, পড়াশুনাই করে, তাই না?
আমরা স্কুল / কলেজে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত না করে কোচিং বন্ধ করে ও কি লাভ আসলে?
দেশের কয়টি কলেজে ইন্টারমিডিয়েটের সিলেবাস পুরো শেষ হয়? এর দায় আসলে কার?
পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, পর্যাপ্ত ক্লাস রুম নেই, সিলেবাস শেষ হবে কিভাবে?
আরেকটা বিষয়, কলেজ/ ভার্সিটি পড়ুয়া লাখ লাখ ছেলেমেয়ে টিউশানি করেই নিজে চলে, অনেকে পরিবারকে সাপোর্ট দেয়।
হুট করে পরীক্ষা বিহীন সিস্টেমে চলে গেলে তাদের কি হবে?
দেশে এরকম আর কোন পার্ট টাইম ইনকামের সহজ কোন ব্যবস্থা আছে কী?
ওরা কোথায় যাবে?
ওদের কথা কেউ ভাবছেন কী?
আরেকটি বিষয়, এসব ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি পেয়ে এসএসসি, এইচএসসি পাশ করার পর ওদের ভার্সিটিতে ভর্তি প্রক্রিয়া কেমন হবে?
বিদেশে উচ্চ শিক্ষা নিতে চাইলে ওরা কম্পিটিশানে টিকতে পারবে তো?
16/10/2023
কুরআন ও হাদিসের আলোকে ইহুদিদের স্বভাব-চরিত্র:
কুরআন ও হাদিসে ইহুদিদের অনেক স্বভাব-চরিত্র এবং বৈশিষ্ট্য উল্লেখিত হয়েছে। সেগুলো থেকে নিম্নে অতি সংক্ষেপে ২০টি পয়েন্ট তুলে ধরা হল (কুরআন ও হাদিসের রেফারেন্স সহ): و بالله التوفيق
▪︎ ১. মু'মিন-মুসলিমদের প্রতি সবচেয়ে বেশি শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করা। (সূরা মায়িদা: ৮২)
▪︎২. ধর্মীয় জ্ঞান থাকার পরেও আমল না করা। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে নিজের সন্তানের মতো করে ভালোভাবে চিনতো কিন্তু তারপরও কেবল বিদ্বেষ ও অহংকার বশত তারা তাঁকে রসুল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। (সূরা বাকারা: ১৪৬ ও সূরা আনআম: ২০)
▪︎ ৩. চরম একগুঁয়ে, হঠকারী এবং অবাধ্য জাতি। এরা নানা ধরণের আজেবাজে ও পেঁচানো প্রশ্ন করে আল্লাহর হুকুমকে অবজ্ঞা এবং সত্যকে প্রত্যাখ্যান করার চেষ্টা করত। (যেমন: গাভী প্রসঙ্গে নানা অবান্তর প্রশ্ন- সূরা বাকারা: ৭১-৭৬, মাটি থেকে ঝর্ণা বের করে দেখানোর দাবী-সূরা ইসরা: ৯০ এবং আসমানি খবার মান্না-সলওয়া বাদ দিয়ে সবজি, ডাল, পিয়াজ, রসূন ইত্যাদি দাবী করা- (সূরা বাকারা: ৬১)
▪︎৪. তাদের কাছে অবতীর্ণ আসমানি কিতাব তাওরাতের বিকৃতি সাধন। (সূরা বাকারা: ৭৬, সূরা: ৪৬ ইত্যাদি)
▪︎ ৫. দুনইয়ার জীবনকে চরমভাবে ভালোবাসা।
(সূরা হাশর: ১৪, সূরা বাকারা: ৯৬ ও সূরা মায়েদা: ২২-২৪)
▪︎ ৬. সুদ, ঘুষ এবং নানা উপায়ে অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ করা। (মায়েদা: ৪২,মায়েদা: ৬২-৬৩, নিসা: ১৬১ ও সূরা তওবা: ৩৪)
▪︎ ৭. বিশ্বাসঘাতকতা। (সূরা আনফাল: ৭১)
▪︎৮. পাথরের মত বা পাথরের চেয়েও কঠিন অন্তর।
(সূরা বাকারা: ৭৬)
▪︎ ৯. প্রচণ্ড অহংকারী।
(সূরা মায়েদা: ১৮, সূরা বাকরা: ১১১)
▪︎১০. আল্লাহর সম্মানিত রসুল ঈসা আলাইহি সালাত ওয়াস সালাম এর মা মারিয়াম আ. এর প্রতি মিথ্যা অপবাদ।
(সূরা মারয়াম: ২৭-২৮ এবং নিসা: ১৫৬-১৫৭)
▪︎ ১১. অনেক নবী-রসূল এবং যারা সৎকর্মের আদেশ এবং অসৎ কর্মে নিষেধ করতেন তাদেরকে হত্যা করা।
(সূরা আল-ই ইমরান: ২১, সূরা আলে ইমরান: ১১২)
▪︎১২. অঙ্গীকার এবং চুক্তি ভঙ্গ করা।
(সূরা আনফাল: ৫৬)
▪︎১৩. বিভিন্ন দল উপদলে বিভক্ত হওয়া।
(সূরা শূরা: ১৪)
▪︎১৪. আল্লাহ এবং তাঁর নবীদের সাথে চরম বেয়াদবি এবং সমাজে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।
(আলে ইমরান: ১৮২ ও সূরা মায়েদা: ৬৪)
▪︎ ১৫. সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ থেকে দূরে থাকা।
(সূরা শূরা: ১৪)
▪︎ ১৬. লজ্জাহীনতা।
তারা একসাথে উলঙ্গ হয়ে গোসল করত এবং একে অপরের লজ্জাস্থান দেখতো
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
▪︎ ১৭. মু'মিন-মুসলিমদের প্রতি চরম হিংসা পরায়ণ জাতি। (ইহুদিরা মুসলিমদের দু'টি জিনিসের প্রতি সবচেয়ে বেশি হিংসা করে। যথা: আমীন বলা ও সালাম দেয়া।” সহিহ ইবনে মাজাহ: ৬৭৯, সহিহ তারগিব: ৫১৫)
▪︎ ১৮. ভীরুতা ও কাপুরুষতা (সূরা হাশর: ১৪)
▪︎১৯. ইলম (জ্ঞান) গোপন রাখা।
(সূরা আলে ইমরান: ১৮৭ )
▪︎ ২০. কৃপনতা।
(সূরা মায়েদা: ৬৪)
আল্লাহ তা'আলা ইহুদিদের এ সকল ঘৃণ্য চরিত্র ও নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট থেকে মুসলিম উম্মাহকে রক্ষা করুন। (আমিন)।
Md. Mahmudul Hasan