Đỗ Tuấn Đạt 09

Đỗ Tuấn Đạt 09

Share

روضة العرب مدرسة اللبنات
আস সালামু আলাইকুম
কুরআন শিক্ষা কোর্সঃ বাদ মাগরীব (সপ্তাহে যেকোনো ৪ দিন)

14/02/2022

একটা প্রতিষ্ঠান যেনতেনভাবে চালালেই হয়না। একটা প্রতিষ্ঠানের যখন আমরা দায়িত্ব নেব তখন সবগুলো জিনিসের দায়িত্ব আমাদের উপরে চলে আসবে শুধু মাসিক খরচ দিয়েই খালাস নয়। যেমন মাদ্রাসার দায়িত্ব নিয়েছি বাচ্চাদের সবকিছু দেখাশোনা করার দায়িত্ব আমাদের উপর চলে এসেছে। তাদের পড়াশুনার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা দেখার দায়িত্ব ও আমাদের। নিজেদের সন্তানদের চেয়েও তারা গুরত্বপূর্ণ কারন নিজেরটা নিজের, কিন্তু অন্যের সন্তান গড়ে তোলার দায়িত্ব যখন নিয়েছি তখন দায়ভার অনেক ইন শা আল্লহ।

আমাদের মাদ্রাসার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আমাদের মাদ্রাসা সম্পূর্ণ ফ্রি। বেতন, বই এবং ৩ বেলা খাবার আবাসিকের সব ফ্রি। অনাবাসিকের বেতন, বই ফ্রি। নাস্তাও দেয়া হয়। ভাত খেলেও বাধা নেই। খাও কিন্তু পড়ো বাবা, পড়তে হবে।

গ্রামের মানুষের অনেকেরই ধারণা বাচ্চাদের উন্নত মানের পড়াশোনা করানোর সামর্থ্য নেই, কিন্তু তবুও ফ্রি জিনিষকে অনেকেই গুরুত্ব দেয় না। বাচ্চা মাদ্রাসায় অনুপস্থিত হোক বা পড়ায় মন না দিক অনেকেই গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু মাসিক বেতন দিতে হলে বাবা মা অনেক সচেতন হয়। তাহলে বাচ্চাদের আরো আগ্রহী করতে কি করা যায়? আবার সরকারি প্রাইমারি স্কুলে আছে টিফিনের ব্যবস্থা যা আমরাও দেই, খেলার জায়গা, অনুষ্ঠান কতকি।

তাই আমিও ভাবলাম বাচ্চাদের জন্য এমন কিছু করি যাতে তারা খুশি হয়, আনন্দ পায়, শারীরিক মানসিক উন্নতিও হয় ইন শা আল্লহ। গ্রামে তো আর পার্ক নেই। প্রাইমারী স্কুলের খেলার সরঞ্জাম তাদের বাচ্চাদের আর এই গ্রামে সেরকম আছে কিনা জানিও না।

তাই মাদ্রাসার সামনে মাঠে বাচ্চাদের জন্য প্লে গ্রাউন্ড করলাম। আমাদের প্লে গ্রাউন্ডে আছে দোলনা, স্লাইড, সী স। মাশা আল্লহ, বারাকাল্লাহু। আল্লহ বদনজর থেকে হেফাযত করুক আমিন।

আলহামদুলিল্লাহ, সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ যেভাবে স্বপ্ন দেখেছি আল্লহ কবুল করেছেন। আমি শুধু দূর থেকে ইন্সট্রাকশন দিয়েছিলাম ফোনে কিন্তু এর পিছনে মাদ্রাসার সবাই এবং গ্রামবাসী অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়েছে। জাঝাকাল্লাহু খায়ের।

এখনো বাচ্চারা খেলা শুরু করেনি। ২-৩ দিন পর শুরু করবে ইন শা আল্লহ।

হিফজখানা এবং ফ্রি নুরানি মক্তবের পাশাপাশি গ্রামের যেকোনো বাচ্চাই খেলতে পারবে। তবে শুধু খেলাধুলার সুযোগ দিলেই হবে? তাই সবার জন্যই দৈনিক তালিম এবং তরবিয়ত,আদব,আখলাকের ক্লাস ফ্রি ইন শা আল্লহ স্কুলে পড়ুক বা মাদ্রাসায়।

মসজিদ আর মাদ্রাসা বিল্ডিং নতুন করে করা শুরু করেছে আমার আব্বু এ মাসেই। ইন শা আল্লহ কাজ শেষ হলে লাইব্রেরী করবো একটা। আমরা হয়ত কিতাবখানা খুলতে পারবো না তবে যারা আমাদের থেকে হাফেজ হয়ে বের হবে তারা যেনো আমল, আখলাক আর ইলম এ ব্যতিক্রম হয়, অগ্রজ হয় এটাই আমার নিয়ত ইন শা আল্লহ।

আল্লহ কবুল করুক আমাদের বাচ্চাদের দায়ী হিসেবে, তালেবে ইলম হিসেবে এবং Sadaqah পেইজের সাথে সংশ্লিষ্টদের এবং ডোনারদের এবং মাদ্রাসার খেদমতে জড়িত উস্তাদ এবং দায়িত্বশীলদের আমিন।

মাদ্রাসায় ডোনেশন দিতেঃ http://tiny.cc/fogouz

22/09/2021

কুরআন আমাদের সংবিধান, আমাদের অস্তিত্বের স্তম্ভ, মহান রবের পক্ষ হতে আমাদের নিকট প্রেরিত চিঠি। আমরা যদি এই কুরআন শুধু পড়েই যাই; তার অর্থ, ভাব-অনুভব, আবেদন-নিবেদন বুঝতে না পারি তাহলে কেমন অথর্ব বান্দা আমরা! কুরআন পড়লে ক'জনে-ই বা বুঝি কুরআনের মর্মকমা! হাতেগোনা কেউ কেউ বুঝি। অথচ প্রত্যেক মুসলমানের-ই উচিত, তার রবের পাঠানো চিঠির মর্ম বোঝা, তার রবের পাঠানো জীবনবিধানকে জানা, তার মালিকের পাঠানো কুরআন ও হাদিসের গভীর জ্ঞান অর্জন করা।
তবেই তার রবের আনুগত্য করে জীবন পরিচালনা করতে পারবে। আর তা করতে পারলেই উভয় জগতে সফলতা লাভ হবে।

কুরআন ও হাদিসের ভাষা আরবি।এযাবতকালীন কুরআন ও হাদিসের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও সমাদৃত যে ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলো আমাদের কাছে পৌঁছেছে, তার ভাষাও আরবি। আরবি ভাষা হলো জ্ঞান-বিজ্ঞানের সিঁড়ি। আর সুদৃঢ় ভবনের উপরে বা পাহাড়ের চূড়ায় সংরক্ষিত জ্ঞান-বিজ্ঞান হলো মণিমুক্তা।তাই কুরআন ও হাদিসের গভীর জ্ঞান,
সহস্র শতাব্দী ধরে এই ভাষায় চর্চিত জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিশ্বসভ্যতায় আরবদের অবদান, আরবি ভাষাভাষী বরেণ্য মনীষীদের জ্ঞানভাণ্ডার, সাহিত্য, কলা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানের নানা শাখায় আরব ও ইসলামী সভ্যতার বৈপ্লবিক অবদান জানা ও তা থেকে উপকৃত হতে আরবি ভাষার বিকল্প নেই।

দ্বিতীয়ত বিশ্বের ৪২২ মিলিয়ন আরব জনগোষ্ঠী এবং দেড় শ’ কোটিরও বেশি মুসলিম তাদের দৈনন্দিন জীবনে আরবি ভাষায় কথা বলতে অভ্যস্ত । এই সুবিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে ইসলামকে তুলে ধরতে হলেও আরবি ভাষার বিকল্প নেই। তাই এবার আমরা আয়োজন করেছি শুধুমাত্র টিন এইজ ছেলেদের জন্য "আরবি ভাষা-শিক্ষা কোর্স-১।

কোর্স ফিঃ মাসিক ৫০০ টাকা।
রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ https://forms.gle/JCqbQn8u3m5MekoXA

08/07/2021

'ইলমালানার জুন ব্যাচ আলহামদুলিল্লাহ সফলভাবে শেষ হয়েছে আল্লহ পাকের অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। দ্বিতীয় ব্যাচ যে শুরু করবো সত্যিই তার প্লান ছিলো না কোনো। কিন্তু সবার প্রচুর মেসেজ, কল আর রিকোয়েস্ট এ জুলাই ব্যাচ শুরু করতে যাচ্ছি।

এবার ও কোর্স ফি আপনাদের হাতের নাগালেই রয়েছে তবে কিছু চেঞ্জ এনেছি। ফর্মে বিস্তারিত আছে। ফর্ম খুব ভালো করে পড়বেন তারপর পেমেন্ট করে ফর্ম ফিলাপ করবেন। যেকোনো প্রয়োজন বা কিছু বুঝতে না পারলে বা কনফার্মেশন এর জন্য পেইজে ইনবক্স করবেন। বিকাশ নম্বরে কল করবেন না প্লিজ।

কোর্স ফিঃ

লেভেল ওয়ান L1: ৫০০ টাকা মাত্র (এককালীন)
লেভেল টু L2: ৫০০ টাকা মাত্র (মাসিক)

✅লেভেল টু এর শুধু মাত্র কায়দায় বিসমিল্লাহ, বাংলায় বিসমিল্লাহ, নাশীদ কোর্সই এই সাবজেক্ট গুলোই এক মাসের বেশী চলবে। ২-৬ মাস ধরে নিয়েছি।

✅কায়দায় বিসমিল্লাহ তে কায়দা শেষ করে দেয়া হবে ইন শা আল্লহ।
✅বাংলায় বিসমিল্লাহ তে বাংলা লিখতে, পড়তে শেখানো হবে ইন শা আল্লহ। বাংলায় বিসমিল্লাহ এর লেভেল ৩ আগামী মাসে শুরু হবে ইন শা আল্লহ।

✅কোর্স ফি, বয়স ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত ফর্মে আছে।

✅ ফি টা একটু বাড়িয়েছি। আগেরবার ফি পুরোটাই উস্তাজাদের দিয়েছি। কিন্তু একটু ভালো ভাবে কাজ করতে, ভালো উস্তাজা পেতে অফিস সহকর্মী আরো অনেক কিছুই লাগে। পাশাপাশি ফি এর একটা অংশ Sadaqah তে মাদ্রাসার এতিম গরীব বাচ্চাদের জন্য। আশা করি পাশে থাকবেন সবাই।

✅দ্রুত বিকাশ করে ফর্ম ফিলাপ করবেন সীট সীমিত। ইনবক্স করে সীট বুক করে রাখা যাবে না। আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

✅যাদের আর্থিক সমস্যা আছে এটুকু পে করাও কষ্টকর, তারা পেইজে ইনবক্স করবেন ইন শা আল্লহ। প্রতি ব্যাচে একজন ফ্রি স্টুডেন্ট নেয়া হবে ইন শা আল্লহ।

✅ প্রিভিয়াস ব্যাচের কিছু রিভিউঃ https://www.facebook.com/101214861964550/posts/188231729929529/

ফর্ম লিংকঃ
https://forms.gle/fGzZEEwi3vuYLLFn6

26/06/2020

জরুরী ভিত্তিতে একজন হেমানজিওমা (রক্ত নালীর টিউমার) রোগীর শনিবার, ২৭ শে জুন সকালে O+ রক্ত লাগবে।

স্থানঃ আলমানার হাসপাতালে, সাত মসজিদ রোড, লালমাটিয়া। (মোহাম্মাদপুর থানার পাশে)

যোগাযোগঃ
মাওলানা হাসান
+8801875307855

10/06/2020

আদীব হুজুর মাওলানা আবু তাহের মিছবাহ দা:বা: এর প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাতুল মাদীনার পাঠ্যসূচী।
المنهج المدني
বা মাদানী নেছাব এর শিক্ষাকাল ও স্তর বিন্যাস নিম্নরূপ-

(ক) المرحلة الابتدائية (বা প্রাথমিক স্তর) চার বছর,
- যা মক্তব বিভাগ নামে পরীক্ষামূলকভাবে ইতিমধ্যে চালু হয়েছে।

(খ) المرحلة المتوسطة (বা মাধ্যমিক স্তর) চার বছর,
বর্তমানে চলমান প্রথম বর্ষ থেকে চতূর্থ বর্ষ পর্যন্ত।

(গ)المرحلة العالية (বা উচ্চ স্তর) তিন বছর,
বর্তমানে চলমান পঞ্চম বর্ষ থেকে সপ্তম বর্ষপর্যন্ত।
(বেফাকের জালালাইন জামাত থেকে দাওরায়ে হাদীছ)

(ঘ) مرحلة الإعادة (বা পুনঃঅধ্যয়ন স্তর) দুই বছর।

(ঙ) مرحلة التخصص في العلوم (বা বিষয় ভিত্তিক উচ্চতর শিক্ষার স্তর) তিন বছর।
মোট ষোল বছর।

(সুতরাং মাদানী নেছাব তথাকথিত সর্টকোর্স জাতীয় কোন 'পদার্থ' নয়, বরং মাদানী নেসাবের উদ্দেশ্য হল: দরসে নেযামীর 'প্রাণ ও প্রেরণা' সযত্নে সংরক্ষণপূর্বক শুধুমাত্র পদ্ধতিগত সংস্কার সাধন।)

* মাধ্যমিক স্তর (বা المرحلة المتوسطة) এর শিক্ষাল নিম্নরূপ-

প্রথম বর্ষ,
প্রথম পর্ব; শাওয়াল---রবিউলআওয়াল।
١)الطريق إلى العربية
٢)التمرين الشفوي على الطريق إلى العربية
٣)التمرين الكتابي على الطريق إلى العربية

দ্বিতীয় পর্ব; রবিউছানী---শাবান।
١)الطريق إلى العربية
٢)التمرين الكتابي على الطريق إلى العربية
٣)قصص النبين: تعليقات أبي طاهر المصباح-١-
٤)الطريق إلى الصرف
٥) المعلومات العامة (النجوم)

দ্বিতীয় বর্ষ,
প্রথম পর্ব; শাওয়াল---রবিউলআওয়াল।
١)الطريق إلى القرآن. الجزء الأول
٢)الطريق إلى النحو. الجزء الأول
٣)الطريق إلى الفقه. الجزء الأول
٤)القراءة الراشدة. الجزء الأول—الإفادة المهمة لأبي طاهر المصباح
٥)قصص النبيين. الجزء الثاني—تعليقات أبي طاهر المصباح
٦)المعلومات العامة( الخريطة)

দ্বিতীয় পর্ব; রবিউছানী---শাবান।
١)الطريق إلى القرآن. الجزء الثاني
٢)الطريق إلى النحو
٣)تيسير الفقه الميسر
٤)القراءة الراشدة. الجزء الثاني مع الإفادة المهمة لأبي طاهر المصباح
٥)الطريق إلى الأردية. الجزء الأول
٦)قصص النبيين. الجزء الثالث مع تعليقات أبي طاهر المصباح

তৃতীয় বর্ষ,
প্রথম পর্ব; শাওয়াল---রবিউলআওয়াল।
١)الطريق إلى القرآن-٣-
٢)مختصر القدوري في ثوبه الجديد
٣)مختارات أبي الحسن الندوي
٤)اللغة الأردية(منتخبا)
٥) تيسير المنطق
٦)القراءة الراشدة -٣-

দ্বিতীয় পর্ব; রবিউছানী---শাবান।
١)الطريق إلى القرآن-٤-
٢)هداية النحو
٣)مختصر القدوري في ثوبه الجديد
٤)مختارات أبي الحسن الندوي
٥) الطريق إلى البلاغة-١-
٦)اللغة الأردية- (منتخبا)

চতূর্থ বর্ষ,
প্রথম পর্ব; শাওয়াল---রবিউলআওয়াল।
١)ترجمة معاني القرآن الكريم
٢)قصص النبين-٥-
٣))أصول الشاشي
٤)دروس البلاغة
٥)المرقات

দ্বিতীয় পর্ব; রবিউছানী---শাবান।
١)الهداية-١-
٢)ديوان الحماسة
٣)الهداية-٢-
٤)نور الأنوار
٥))البلاغة(انتخابا)

* উচ্চ স্তর (বা المرحلة العالية) এর শিক্ষাল নিম্নরূপ-

প্রথম বর্ষ,(পঞ্চম বর্ষ, বেফাকের জামাআতে জালালাইন)
প্রথম পর্ব; শাওয়াল---রবিউলআওয়াল।
١)الطريق إلى تفسير القرآن الكريم-١—٣-
٢)الفوز الكبير
٣)الهداية-٢-
٤)الهداية-٣-

দ্বিতীয় পর্ব; রবিউছানী---শাবান।
١)الطريق إلى تفسير القرآن الكريم- ١—٣
٢)الهداية-٢-
٣)الهداية-٣-
٤)السيراجي في الميراث
٥)العقيدة الطحاوية

দ্বিতীয় বর্ষ; ষষ্ঠ বর্ষ (বেফাকের জামাআতে মেশকাত)
তৃতীয় বর্ষ; সপ্তম বর্ষ (বেফাকের জামাতে দাওরাতিল হাদিস)
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়্যাহ এর পাঠ্যসূচী অনুকরণে চলমান।

বি:দ্র: মাদরাসাতুল মাদীনায়, প্রতি শিক্ষাবর্ষে পরীক্ষামূলক বিভিন্ন পরিবর্তন হয়, গত ১৪৩৯/৪০হিজরী শিক্ষাবর্ষ ও এবছরের নেসাব এভাবে চলছে।

বাংলা অংকের বিষয়ে অনেকে জানতে চেয়েছেন, ইতিপূর্বে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে ছিল,
তবে বর্তমানে মাদরাসাতুল মাদীনায় প্রাথমিক স্তর (المرحلة الابتدائية) তথা মক্তব বিভাগও চালু হয়েছে,(মাদানী মক্তব) মক্তবে বাংলা, অংক রয়েছে।

07/08/2019

এক দ্বীনি ভাই এর স্ত্রীর জন্য রক্ত লাগবে। প্লেটলেট ২০,০০০ এ নেমে এসেছে। সংকটাপন্ন অবস্থা।
গ্রুপঃ A+
স্থানঃ সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রিং রোড, শ্যামলী ঢাকা।
গুগোল ম্যাপঃ https://maps.app.goo.gl/GnGamK53PLdgzGyA9
ফোনঃ
হাসান মোর্শেদ (রোগীর স্বামী) +8801711176307
মোহাম্মাদ নূর হোসেন +8801712049953

10/07/2019

সুলতান বাইবার্স: মোঙ্গল ও ক্রুসেডাররা মাথা নত করেছিল যার তলোয়ারের সামনে

মামলুক সুলতান বাইবার্সকে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি স্বরণ করা হয় একজন ক্ষমতাধর শাসক হিসেবে। সেই পরিচয় ছাপিয়ে তিনি তামাম দুনিয়ার সেনাপতিদের আইডল হয়ে আছেন রণক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের গুণাবলির কারণে। তার কূটনৈতিক কৌশল ছিল সেই সময়ে অন্য সবার চেয়ে আলাদা।

বাইবার্স ছিলেন চতুর্থ মামলুক সুলতান এবং মামলুক শাসকদের ভেতর সবচেয়ে জনপ্রিয়। তিনি মিসর এবং সিরিয়া শাসন করেন একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। তারপর নিজের গড়া 'বাহরি সাম্রাজ্যের' গোড়াপত্তন করেন।
একজন সুলতান হিসেবে সাফল্যের সর্ব্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছানো তার জন্য কখনোই সহজসাধ্য ছিল না। একজন ক্রীতদাস থেকে সিংহাসনের অধিপতি হওয়ার পেছনে ছিল আকাশছোঁয়া স্বপ্নের বীজ, আর একটু একটু করে নিজেকে প্রস্তুত করার কঠিন অধ্যবসায়। লড়েছেন ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে, তলোয়ার তুলে নিয়েছিলেন ভূপৃষ্ঠের ত্রাস মঙ্গোল বধের গল্প রচনা করতে।

আজ আমরা বাইবার্সের ক্রীতদাস থেকে সুলতান হওয়ার গল্প শুনব, আর শুনব কীভাবে তিনি মোঙ্গল আর ক্রুসেডারদের আধিপত্য, সকল অংহকারকে ধূলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন।

জন্ম ও বেড়ে ওঠা
বাইবার্সের পুরো নাম আল মালিক আল জহির রুকন আল-দীন বাইবার্স আল বান্দুকদারী। ১২৪২ সালে ব্ল্যাক সি এর উত্তরে কিপচাক তুর্কসে জন্মগ্রহণ করেন। মোঙ্গলরা যখন কিপচাক তুর্কসে আক্রমণ করে, তখন অন্যদের মতো বাইবার্সকেও ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে মিশর ও সিরিয়ার সুলতান নাজম আল-দীন-আইয়ুব অন্যান্য ক্রীতদাসদের সাথে কিনে নেন।

সুলতান নতুন ক্রীতদাসদের সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রস্তুত করেন সবসময়। এবারও নতুন কিনে আনা ক্রীতদাসদের প্রশিক্ষণের জন্য নাইলে পাঠিয়ে দেন। এখানে তাদের সুলতানের সৈনিক হিসেবে তৈরি করা হয়। প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময় থেকেই বাইবার্স সবার নজর কেড়ে নিতে সমর্থ হন। অন্যদের চেয়ে তার আলাদা নৈপুণ্য আর পরিশ্রমী মানসিকতার কারণে সেরা হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করেন। তাকে সুলতানের ব্যক্তিগত রক্ষীবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং একটি ছোট দলের কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি।

সিংহাসনে আরোহণ
১২৪৯ সালে ফ্রান্সের রাজা লুইস মিশরে নবম ক্রুসেডের সূচনা করেন। পোর্ট সিটি ডামিয়েটার পতন হলে লুইসের সেনাবাহিনী নভেম্বরে কায়রোর দিকে যাত্রা করে। ঠিক একই সময়ে সুলতান আল-দীন-আইয়ুবীর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ক্রুসেডাররা কায়রোর দিকে যাত্রা করলেও মিশরকে নিজেদের করতলে আনার কোনো পরিকল্পনা ছিল না তাদের। তারই ধারাবাহিকতায় ১২৫০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংগঠিত আল মানসুরার যুদ্ধে ক্রুসেডাররা পরাজিত হয়। রাজা লুইসকে বন্দি করা হয় এবং পরে মুক্তিপণের বিনিময়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। আর এই যুদ্ধে ক্রুসেডারদের বিপক্ষের অন্যতম কমান্ডার ছিলেন বাইবার্স। এটি তার জন্য কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পাবার পরপরই একটি বড় বিজয়।

আল-দীন আইয়ুবী ছিলেন আইয়ুবী সাম্রাজ্যের শেষ যোগ্যতম শাসক, যিনি সফলভাবে মিশর এবং সিরিয়া শাসন করতে পেরেছেন। পরবর্তীতে তার স্থলাভিষিক্ত হন আল-মোহাজ্জেম তুরানশাহ, যদিও তিনি কিছুদিনের ভেতর মামলুকদের হাতে নিহত হন। যোগ্যতম শাসকের অভাবে এখানেই আইয়ুবী সাম্রাজ্যের পতন ঘটে, এবং শাসনক্ষমতা চলে যায় মামলুকদের হাতে। মামলুক সালতানাতের প্রথম সুলতান হন আইবেক। সুলতান আইবেকের সাথে বাইবার্সের পূর্ব শত্রুতা ছিল। যার জেরে তিনিসহ তার অনুগত বাহিনী নিয়ে সিরিয়ায় গা ঢাকা দেন এবং বেশ কিছু বছর এভাবেই কাটান।

১২৬০ সালে মামলুকদের তৃতীয় সুলতান কুতুজের আমন্ত্রণে বাইবার্স আবার মিশর গমন করেন। তাকে স্বপদে বহাল করা হয় এবং তার বাহিনীর থাকার জন্য একটি গ্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঠিক সেই সময় মোঙ্গলরাও মিশর আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সেই সময়ের দুই শক্তিধর যোদ্ধা জাতি পরস্পর মুখোমুখি হয় প্যালেস্টাইনের জিজরিল উপত্যকায়, ইতিহাসে যা আইন জালুতের যুদ্ধ নামে পরিচিত।

এই যুদ্ধে বাইবার্স মামলুকদের কমান্ডার হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন এবং পুরো যুদ্ধজুড়ে তার অসাধারণ নেতৃত্বগুণ সকলের নজর কেড়ে নেয়। বড় বড় মোঙ্গল নেতাকে সেদিন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যুদ্ধ জয়ের পুরস্কার হিসেবে বাইবার্স সিরিয়ার আলেপ্পো উপহার হিসেবে চাইছিলেন, কিন্তু সুলতান এতে রাজি ছিলেন না। মামলুক সুলতান কুতুজ মোঙ্গলদের বিরুদ্ধে এই বিজয়ের স্বাদ উপভোগ করতে পারেননি, ফেরার পথে বাইবার্সের কথিত একদল আততায়ীর হাতে তার করুণ মৃত্যু ঘটে।

সুলতান হিসেবে বাইবার্স
সুলতান কুতুজের মৃত্যুর পর মিশরের সুলতান হন বাইবার্স। সিংহাসনে আরোহণের পর তিনি নজর দেন সিরিয়ায় ঘাঁটি তৈরি করা ক্রুসেডারদের প্রতি। তিনিও সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অনুকরণে তার সেনাবাহিনীকে তৈরি করেন। ১২৬৫-৭১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময়কাল জুড়ে সিরিয়ায় ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেন তিনি। ফলে এসব অঞ্চলে দীর্ঘসময় ধরে থাকা ক্রুসেডাররা ভেতর থেকে দুর্বল ও নেতৃত্বহীন হয়ে পড়তে থাকে।

১২৬৬ সালের জুলাইয়ে বাইবার্স সাফেদ অবরোধ করেন, নাইট টেম্পলার গেরিসন হার স্বীকার করে নিলে সাফেদ মামলুকদের অধিকারে চলে আসে। এর দুই বছর পর জাপ্পা অভিমুখে সেনাবাহিনী পাঠালে সেটাও বিনা বাধায় জয় করে নেয় তারা। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বাইবার্সের সবচেয়ে বড় বিজয় ছিল 'আন্তিওচ' এর দখল নেওয়া। এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বহু আগে থেকে মুসলিম এবং ক্রুসেডাররা একে অপর উপর প্রভাব বিস্তার করে আসছে। ক্রুসেডারদের সাথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাইবার্স আর্মেনিয়ান খ্রিস্টান এবং মোঙ্গলদের বিরুদ্ধেও দফায় দফায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন এবং সফলও হন। এসব অভিযান মামলুকদের শক্তি, সামর্থ্যকে বাড়িয়ে দিচ্ছিল বহুগুণ। এককালের প্রতাপশালী মোঙ্গলবাহিনী আর মুসলিম বিশ্বকে কোণঠাসা করে ফেলা ক্রুসেডাররা বাইবার্সের দোড়গোড়ায় এসে যেন নিভে যাচ্ছিল। তারা তাদের আগের জৌলুশ আর কখনো ফিরে পায়নি। ইসলামি সভ্যতা নিরাপত্তা পেয়ে আবারও তাদের ডালপালা মেলতে শুরু করে। যেখানে একসময় চতুর্মুখী আক্রমণে মুসলিমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই নিজের বাহু মেলে ধরে মুসলিমদের হারানো সম্মান ফেরাতে শুরু করেন বাইবার্স।

সমরে সুলতান বাইবার্স ধারাবাহিকভাবে নেতৃত্বগুণে মুগ্ধতা ছড়াতে থাকেন। তার নেতৃত্বদানের বাইরেও আরও একটি গুণ ছিল। কূটনৈতিকভাবেও সফল বাইবার্স বিশাল বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করে তারই প্রমাণ দেন। বাইজেনটাইন বসফরাস দিয়ে নৌপথে মিশরীয়দের পণ্য আমদানি-রফতানির সুযোগ করে দেয়। পাশাপাশি আশপাশের রাজ্যগুলোর সাথে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য যথাযথ উদ্যোগ নেন তিনি। বিভিন্ন রাজ্যে রাজপ্রতিনিধি পাঠানোর মাধ্যমে তাদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরির দিকে নজর ছিল তার। মামলুকদের নিজস্ব মুদ্রা ব্যবস্থা প্রচলনের মাধ্যমে নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার দিকে নজর দেন বাইবার্স।

তিনি যেহেতু একজন ভিনদেশি ছিলেন, তাই একটি রাজ্যের অভ্যন্তরভাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে সেটা তিনি জানতেন। তিনি রাজ্যের ভেতর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দ্রুততর করার জন্য কায়রো এবং দামাস্কাসের ভেতর পোস্টাল সার্ভিস চালু করেন। ফলে বিশাল একটি অঞ্চলজুড়ে ত্বরিত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়। মাত্র চারদিনের ভেতর এসব এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হতো। ইসলামী শরিয়ার চারটি প্রধান প্রতিষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন এবং রাজ্যজুড়ে অসংখ্য খাল খনন করেন। নিজের নামে অনেকগুলো মসজিদ এবং লাইব্রেরিও গড়ে তোলেন বাইবার্স।

বাইবার্স অবসর পেলেই শিকারে বেরিয়ে পড়তেন সঙ্গী-সাথিদের নিয়ে। প্রতিযোগিতামূলক যেকোনো খেলাই তাকে আকর্ষণ করতো। তার আনুকূল্যে কায়রোতে শিল্প-সংস্কৃতির ব্যাপক উন্নতি ঘটে, বিশেষ করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি তিনি উৎসাহিত করতে থাকেন সবাইকে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, আধুনিকতাকে বাদ দিয়ে নিজেদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। যদিও তিনি আধুনিকতাকে প্রশ্রয় দিতেন, কিন্তু আদতে তিনি ইসলামি অনুশাসন কঠোরভাবে পালন করতেন।

এই মহান মামলুক সুলতান ১২৭৭ সালে দামাস্কাসে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু হয়েছিল বিষপানে, যা তিনি ভুলবশত পান করেছিলেন। পরে তাকে তারই গড়া দামাস্কাসের জহিরিয়া লাইব্রেরিতে শায়িত করা হয়। আজও লাইব্রেরির গম্বুজের নিচে তার সমাধি অবিকৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

Sources:

1. From slave to sultan- ancient origin

2. The slave warriors who saved muslim world- bahath

3. baybars I- Britannica

4. Baibers: the father of conquest- ummah

Featured Image: ancient-origins.net

Courtesy -- Grustav Ruhan (Roar Media)

08/07/2019

তাতারীদের ইসলাম গ্রহণ -

এক মুসলিম দরবেশ,ব্যাবসায়ী।যিনি ব্যাবসার বাহানায় পুরো দুনিয়ায় দাওয়াতকে আপন লক্ষ স্থির করেছিলেন।তার নাম মোল্লা জামালুদ্দীন।

তিনি তাতারীদের রাজ্য সীমানা অতিক্রম করেছিলেন।তারারী সেনারা তাকে গ্রেফতার করলো।তাকে তাতারী যুবরাজ তুঘলক তাইমূরের দরবারে পেশ করা হল।সে তাকে হত্যার নির্দেশ দিলো।

হত্যার পূর্বে যুবরাজ তাকে অপদস্ত করার জন্য সামনে বসা একটি কুকুরের দিকে নির্দেশ করে বললো,বলতো,"এই কুকুরটি উত্তম না তুমি"?

আল্লাহর এই বান্দা দাওয়াতের সুযোগ পেয়েগেলেন।তিনি বললেন,এই প্রশ্নের সমাধান এখনই সম্ভব নয়।আমার মৃত্যু যদি ইমানের উপর হয়,তো আমি এই কুকুর হতে বহুগুন উত্তম।আর খোদা না করুন যদি আমার মৃত্যু ইমানের উপর না হয়,তবে এই কুকুরটি উত্তম।

যুবরাজ বললো,ইমান কি?

ইমাম জামালুদ্দীন ইমানের কেবল বাহ্যিক নয়,তার হাকিকতও জানতেন।ইমানের পরিচয় তিনি এত দরদভরা ভাষায় প্রকাশ করলেন যাতে তুঘলক তাইমূর সীমাহীন প্রভাবিত হলো।

সে বললো,আপনি যা বলছেন তা সবই সত্য,আমি তা অন্তর দিয়ে গ্রহণ করলাম।তবে তা এখন প্রকাশ করার সময় নয়।তার হাতে একটি চিরকুট লিখে দিল।বললো,যখন আপনি জানবেন,আমার রাজ অভিষেক হয়েছে,তখন চিরকুটটি নিয়ে আপনি আসবেন।অতঃপর যুবরাজ অত্যন্ত সম্মানের সাথে বিদায় জানালেন।

ঘটনাক্রমে তুঘলক তাইমূরের অভিষেকের পূর্বেই মোল্লা জামালুদ্দীন পরলোকগত হলেন।ইন্তেকালের মুহূর্তে স্বীয় পুত্র মোল্লা নিজামুদ্দীনকে ডাকলেন।তাকে বললেন,তুমি যখন জানবে তুঘলক এর অভিষেক হয়েছে,তখন এ পত্রটি নিয়ে তার নিকটে যাবে।এবং তাকে স্মরণ করিয়ে দেবে।

যখন তিনি জানতে পারলেন,তুঘলক তাইমূরের অভিষেক হয়েগেছে,তখন তিনি বাদশাহের কাছে গেলেন।তবে বাদশাহের দরবারে পৌছাতে পারলেন না।বাধ্য হয়ে তিনি বাদশাহের শোবার ঘরের অবস্থান জেনে নিয়ে মহলের বাহিরে একদিন সাহরীর সময়ে সজোরে আযান দিলেন।

আযানের ধ্বনি শুনে বাদশা তাকে গ্রেফতারের হুকুম করলেন।গ্রেফতার করে যখন তাকে দরবারে নিয়ে আসা হল,সে সময়ে তিনি পত্রটি দেখালেন।বাদশা খুবই আনন্দিত হলেন।বললেন,আপনি যথা সময়েই এসেছেন।

তিনি তার মন্ত্রিকে নিয়ে পরামর্শে বসলেন।মন্ত্রি বললেন দুবছর পূর্বেই আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি।আপনার ভয়ে আমি গোপন রেখেছিলাম।

তুঘলক তাইমূর বললেন,ফরমান জারি করা হোক,আজ থেকে আমাদের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম।আর এ রাজ্যে থাকা সকল মানুষের উচিত তারা যেন ইসলাম কবুল করে।

ঐতিহাসিকগণ লিখেছেন,এর ফলে তাতারী জাতী সকলেই মুসলমান হয়েগেলো।পরবর্তিতে এই জাতীর বহু দ্বীনদার,মুত্তাকী বাদশা হয়েছে।হিন্দুস্থানের মোঘল বাদশাহরা এদেরই বংশধর।যারা ইসলামের বহু খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন।

[আরমোগানে দাওয়াত-মাওঃ কালীম সিদ্দিকী > ৫০-৫১ পৃ.]

27/06/2019

দশম শতাব্দীর খুরাসান। বুখারা শহরের আমীরের তরুনী কন্যা ছিলেন খুবই পরহেজগার।তার জন্য অসংখ্য আমীর-উমারার প্রস্তাব আসলেও সবগুলোই তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তিনি বেছে নিলেন এক দাস 'সুবক্তগীন'কে, তার তাকওয়া ও জিহাদে সাহসিকতার জন্য। তার স্বপ্ন ছিল তার এমন এক সন্তান হবে যে কিনা হবে 'ইব্রাহীম (আঃ) এর মত মূর্তিসংহারি। তার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছিল।

সুবক্তগীন ও এ মহীয়সী মহিলার সন্তানই ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত সুলতান মাহমুদ গাজনাবী। ভারতের হিন্দু রাজারা আফগানিস্তান আক্রমণ করলে মাহমুদ তা তো প্রতিহত করেনই, উপরন্ত ইসলামের স্বার্থে ১৭ বার ভারতের ভেতরে অভিযান চালান। তিনিই ভারতীয় উপমহাদেশে পৌত্তলিকতা ও শিরকের প্রধান কেন্দ্র 'সোমনাথ' ধ্বংস করেন।

সুলতান মাহমুদের প্রায় সারাটি জীবন কেটেছে ঘোড়ার পিঠে, জিহাদের ময়দানে। সব সময় তাকে অতি স্বল্প সংখ্যক সৈন্য নিয়ে হিন্দুদের বিশাল বাহিনীর মোকাবেলা করতে হয়েছে। অনেকবার এমন হয়েছে যে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে যুদ্ধক্ষেত্রে ঘোড়া থেকে নেমে তিনি দুই রাকাত নামাজ পড়ে আকুল কন্ঠে আল্লাহর নিকট দুয়া'য় মাশগুল হয়ে যেতেন। এরপর হঠাৎ উঠে বলতেন, ইনশাআল্লহ বিজয় আমাদেরই হবে। এবং তাই ঘটতো।

স্মরণীয় এই ব্যক্তিত্ব ৩০ এপ্রিল, ১০৩০ সালে তার প্রিয় শহর গাজনীতে ইন্তেকাল করেন। রহিমাহুল্লহ।

Want your school to be the top-listed School/college in Patuakhali?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Muktijoddha Market, Chandupara, Kalapara
Patuakhali
8650