কুরআন শিক্ষা একাডেমি

কুরআন শিক্ষা একাডেমি

Share

বেশি বেশি বই পড়ুন, নিজেকে উত্তমরুপে গড়ে তুলুন

11/02/2026

জামাতের ইনসাফ

11/02/2026

হ্যাঁ✅ ভোট নাকি না❌ ভোট‼️⁉️

31/01/2026

এভাবেই হাতপাখা এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

29/01/2026

জামাতের শোনা উচিৎ

20/01/2026

কেন জোট থেকে সরে এলো চরমোনাই।
জানতে হলে শুনতে পারেন।

20/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ..❤️
গান ম্যান পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, গাজী আতাউর রহমান

#আতাউর_রহমান #ইসলামি_আন্দোলন

20/01/2026

কথাগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

19/01/2026

মিডিয়ার নামে এটা কোন ধরনের ফাতরামী? মিডিয়ার স্বাধীনতা মানে কি অন্যের ব্যাঙ্গ কার্টুন তৈরি করা।
আমরা সাধারণ জনতা এর তীব্র নিন্দা জানাই!

19/01/2026

যে ভয়ংকর চক্রান্ত থেকে বেঁচে গেল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ -

ইসলামী আন্দোলনকে যদি মাত্র ৫০টি আসনে নির্বাচন করতে বাধ্য করা যেত, তাহলে তাদেরকে জনগণের কাছে একটি ভোটবিহীন বা নগণ্য সমর্থনসম্পন্ন দল হিসেবে উপস্থাপন করা সম্ভব হতো।

বিষয়টি কীভাবে—সে হিসাবটাই নিচে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩০০টি। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনকে দেওয়া হতো মাত্র ৫০টি আসন, যা মোট আসনের ১৬.৭ শতাংশ। অর্থাৎ দলটি সারাদেশে নির্বাচন করলে যে পরিমাণ ভোট পেত, বাস্তবে তারা পেত তার মাত্র ১৬.৭ শতাংশ।

মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে আমার যে ধারণা হয়েছে, তাতে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য ভোটব্যাংক সর্বোচ্চ ১০–১২ শতাংশ। এখন এই ১০–১২ শতাংশের ১৬.৭ শতাংশ কত দাঁড়ায়?
~ ১.৬ শতাংশ।

নির্বাচনের পর খুব সহজেই দেশজুড়ে প্রচার চালানো যেত—
“ইসলামী আন্দোলনের প্রাপ্ত ভোট মাত্র ১.৬ শতাংশ।”
সাধারণ মানুষ তখন আর খোঁজ নিত না যে দলটি আদৌ কয়টি আসনে নির্বাচন করেছিল।

কেউ বলতে পারেন, ৫০টি আসনে জোটের অন্য দলের ভোট ইসলামী আন্দোলন পেত।
তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট করে বলি—
ইসলামী আন্দোলন বর্তমানে দেশের ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল। জামায়াত ছাড়া বাকি সব ইসলামী দল মিলিয়েও ইসলামী আন্দোলনের অর্ধেক ভোটের সমান হবে না।

এখন আসে তথাকথিত সবচেয়ে বড় “ইসলামী” দল—জামায়াতে ইসলামী।

অতীত অভিজ্ঞতা ও সারাদেশে তাদের নেতাকর্মীদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করলে পরিষ্কার বোঝা যায়—নিজেদের প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকের পক্ষে তারা কাজ তো করেই না, এমনকি ভোট দিতেও রাজি নয়। প্রয়োজনে মরবে, কিন্তু অন্য প্রতীকে ভোট দেবে না।

যারা আগে জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছে, তাদের জিজ্ঞেস করলেই এই বাস্তবতার সত্যতা মিলবে।

জামায়াত সমর্থকরাই আবার দাবি করছে—যেসব আসনে জামায়াতের প্রার্থী বাদ দিয়ে অন্য দলের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, সেসব আসনে নিশ্চিতভাবে প্রতিপক্ষ জিতে যাবে। অথচ জামায়াতের প্রার্থী হলে তারা জিতবে।
এর কারণ ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন বোধহয় আর নেই।

শেষে একটি মৌলিক কথা বলি—
যেকোনো ঐক্য ও সমঝোতার প্রথম শর্ত হলো ত্যাগ (sacrifice)।

এখন দেখা যাক, কে কতটা ত্যাগ করেছে—
জামায়াত নিজেই ঘোষণা করেছে, তারা ২০০টি আসনে প্রার্থী দেবে এবং জোটের স্বার্থে ১০০টি আসন ছাড় দেবে।
অর্থাৎ তারা ছাড় দিচ্ছে মোট আসনের ৩৩.৩৪ শতাংশ।

পক্ষান্তরে ইসলামী আন্দোলন ঐক্য রক্ষার স্বার্থ

19/01/2026

৫০ আসন চাওয়া চরমোনাই লোভী।
১৮৯ আসন নিয়ে বসে থাকা জামাত আল্লাহর ওলী।

সব ফেভারিট আসন দখল করে বসে থাকা জামাত হালাল।
কোন অপশন না দিয়ে জামাতের নিশ্চিত হেরে যাওয়া আসনগুলো চরমোনাই কেন গ্রহণ করলো না, এজন্য চরমোনাই দালাল।

কয়েকটা আসনের লোভে চরমোনাই জোট ছেড়ে দিলো।
কিন্তু ১৮৯ থেকে কয়েকটা আসন কুরবানি দিতে পারলো না জামাত, এটাকে লোভ বলা যাবে না। এটাকে বলাহয় একা-মতে দ্বীন।
কেন দেবো চরমোনাইকে আসন? তারা দুইটা আসনে জয় হতে পারবে??
তাই যদি হয়!
জোটের বাকি ৯ দলের সম্মিলিট ভোট কি ইসলামী আন্দোলেনর সমান হবে? তাহলে তাদের দেয়া বিশাল সংখ্যক আসনে তারা জয় পাবে এটা কি ওহী নাজিল হয়েছিলো?

জামাত মনে করতেছে তাদের ১৮৯ আসনে জয় লাভ করে সরকার গঠন করবে, ঠিকাছে, আমরাও শুভ কামনা জানিয়ে রাখলাম।
দেখা যাক......

Want your school to be the top-listed School/college in Patuakhali?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Patuakhali
Patuakhali
8600