Ibadot - ইবাদত ツ

Ibadot - ইবাদত ツ

Share

পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ইসল?

05/01/2022

দ্বীনদার স্ত্রী জান্নাতেও আপনার পাশে থাকবে।
আর বে-দ্বীন সুন্দরী মেয়ে দুনিয়াতেই ছেড়ে চলে যেতে পারে!!

29/12/2021

রাসূল (সা) বলেছেনঃ মহান আল্লাহর নিকট যে কোন দিনের সৎ আমলের চাইতে যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমল অধিক প্রিয়।
(সহীহ বুখারী - ৯৬৯)

17/07/2021

বাসার পাশের মসজিদে আজ যাবা না, ওমুক মসজিদে যাবা।
স্ত্রীর কথা শুনে স্বামী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, কেন? কারন কি?

স্ত্রী বললো, ওই মসজিদে আজ জানাযা আছে, জানাযায় অংশগ্রহণ করবা।

রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও পুণ্যের আশায় কোন মুসলমানের জানাযায় অনুগমন করে এবং তার সালাত-ই-জানাযা আদায় ও দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সঙ্গে থাকে, সে দুই কীরাত সওয়াব নিয়ে ফিরবে। প্রতিটি কীরাত হল উহুদ পর্বতের মতো।

আর যে ব্যক্তি শুধু তার জানাযা আদায় করে, তারপর দাফন সম্পন্ন হবার পূর্বেই চলে আসে, সে এক কীরাত সওয়াব নিয়ে ফিরবে। (সহীহ্ বুখারী:৪৭)

এরকম দ্বীনের প্রতি উৎসাহদাতা, সহযোগী, দ্বীনদার স্ত্রীদের প্রতি উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন,

◾তোমরা সস্ত্রীক সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা যুখরুফ:৭০)
আর দ্বীনের খেদমত হবে এই জন্যই আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন,

▪️আল্লাহ যাকে পুণ্যময়ী স্ত্রী দান করেছেন, তাকে তার অর্ধেক দ্বীনে সাহায্য করেছেন। (হাদিস সম্ভার:২৫৫৪)

▪️শুকরকারী হৃদয়, যিকরকারী জিহ্বা এবং পুণ্যময়ী স্ত্রী, যে তোমাকে তোমার দুনিয়া ও দ্বীনের কাজে সহযোগিতা করে, এ সব হল মানুষের সঞ্চিত সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। (হাদিস সম্ভার:২৫৬১)

একজন স্বামীর উচিত স্ত্রীকে দ্বীনের হুকুম-আহকাম পালনে উৎসাহ দেয়া এবং সহযোগিতা করা; একইভাবে স্ত্রীরও কর্তব্য স্বামীকে দ্বীন পালনে সাহায্য করা। আসুন আমরা সবাই নিজেরা পরিবর্তন হই, একে অপরকে দ্বীন পালনে উৎসাহ দেই, সহযোগিতা করি। আল্লাহ তৌফিক দিন।

30/06/2021

একটা অদ্ভূত ব্যাপার কি জানেন? আল্লাহ তাআলা মানুষকে ছোট ছোট বিপদ দিয়ে বড় ধরণের বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

কয়েকটা উদাহরণ দিই_

🔴 আপনি অফিসে যাবার জন্য গাড়ির অপেক্ষা করছেন। একটা সিএনজি এলো। আপনি তাতে উঠতে যাবেন, এমন সময় ভাড়া বেশি চাওয়ায় আর উঠা হলো না। আপনার স্থলে অন্য একজন তাতে চেপে রওনা হলো। এদিকে অফিস টাইম ওভার হয়ে যাওয়ায় আপনি মন খারাপ করলেন। কিছুক্ষণ পর সংবাদ এলো—একটু আগে ছেড়ে যাওয়া সেই সিএনজি এক্সিডেন্ট করেছে।

🟠 আপনার বিয়ের কথাবার্তা ফাইনাল। উভয় পক্ষ রাজি। তুচ্ছ একটা কারণে বিয়েটা ভেঙ্গে গেল। সাথে ভেঙ্গে গেল আপনার মনটাও। ওই মেয়েটার অন্যত্র বিবাহ হলো। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে কয়দিন পর মেয়েটার ক্যান্সার ধরা পড়ল।

🟡 একটা কোম্পানিতে চাকরির জন্য এপ্লাই করলেন। ভাইভা পরীক্ষায় টিকেও গেলেন। কিন্তু হাদিয়া (ঘুষ) দিতে হবে শুনে চাকরিটা হাতছাড়া করলেন। পরে কোনো একসময় অফিসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। সেই ঘটনায় কোম্পানির বেশ কয়েকজন কর্মী প্রাণ হারাল।

🟢 বহির্দেশের একটা হাইওয়েতে ফুল স্পীডে গাড়ি টানছেন। হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলো। গাড়িটা নিয়ে একটা ওয়ার্কশপে থামলেন। লেট হয়ে যাচ্ছে দেখে আপনি বেজায় বিরক্ত। এমন সময় সংবাদ এলো— সামনে রাস্তায় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাত্রী সহ কয়েকটা গাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।

🔵 আপনার মেয়ের বাড়িতে দাওয়াত। দুপুরে ওখানে খেতে হবে। শরীর খারাপ বলে সেদিন আর দাওয়াতে যাওয়া হলো না। মেয়েটা মন খারাপ করল। বিকেলের দিকে হঠাৎ চারিদিক থেকে চিৎকার শোনা গেল। আগুন! আগুন! বের হয়ে দেখলেন, আপনার পাশের বাসায় আগুন লেগেছে। চট জলদি সব কাগজপত্র, গয়না গাটি, টাকা পয়সা গুছিয়ে নিরাপদে বের হয়ে এলেন।
..

⬆️ উপরিউক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে কয়েকটি ঘটনার আমি স্বয়ং প্রত্যক্ষদর্শী। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। অজানা বিপদ থেকে তিনি ছাড়া আর কে আপনাকে রক্ষা করবেন?
✍️ লিখেছেন - Abdur Rahman

27/06/2021

ইদানীং এমন অনেক পোস্ট চোখে পড়ে যে অমুক ছেলের/মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল।এখন আমি তাকে বিয়ে করে হালালভাবে আল্লাহর কাছে চাই।
আপাতদৃষ্টিতে এটা ঠিক মনে হলেও এটা আসলে নেক সুরতে শয়তানের ধোকা। কেন জানেন?

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে। আর যারা এরূপ করে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সুরা : মুনাফিকুন, আয়াত : ৯)। উক্ত আয়াতে যাদের ভালোবাসা জায়েজ ও ইবাদত তাদের ব্যাপারে বলা হচ্ছে যে তারা যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে। তাহলে যে সম্পর্কগুলো মহান আল্লাহ হারাম করেছেন, সেই সম্পর্ক যদি কাউকে আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল করে দেয়, তবে তা কতটা জঘন্য হবে? আল্লাহ হেফাজত করুন।

বিয়ের বহির্ভূত সম্পর্কই হচ্ছে যিনা। বিয়ে করার উদ্দেশ্যেও কারো সঙ্গে বিবাহপূর্ব প্রেম নামে যে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে, তা করার কোনো অবকাশ নেই। প্রশ্ন জাগতে পারে, অনেকের ক্ষেত্রে তা হয়তো শারীরিক সম্পর্কে না-ও গড়াতে পারে, সে ক্ষেত্রেও কি তা হারাম হবে? তার উত্তর খোঁজার জন্য এই হাদিসগুলোতে চোখ বুলানো যেতে পারে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, চোখের ব্যভিচার হলো (বেগানা নারীকে) দেখা, জিবের ব্যভিচার হলো (তার সঙ্গে) কথা বলা (যৌন উদ্দীপ্ত কথা বলা)। (বুখারি, হাদিস : ৬২৪৩)
অন্য হাদীসে এসেছে-
দুই চোখের ব্যভিচার হলো, (বেগানা নারীর দিকে) তাকানো, কানের ব্যভিচার যৌন উদ্দীপ্ত কথা শোনা, মুখের ব্যভিচার আবেগ উদ্দীপ্ত কথা বলা, হাতের ব্যভিচার (বেগানা নারীকে খারাপ উদ্দেশ্যে) স্পর্শ করা আর পায়ের জিনা ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হওয়া এবং মনের ব্যভিচার হলো চাওয়া ও প্রত্যাশা করা। (মেশকাত, হাদিস : ৮৬)

আর যিনার পরিনতি যে কত ভয়াবহ তা কম বেশি আমরা সবাই জানি। রাসুল (স) এর যুগে যিনা করার শাস্তি ছিল পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদন্ড।

তাই, আমরা তো বিয়ে করবোই, কোনো শারীরিক সম্পর্কে জড়াবোনা এসব এক্সকিউজ দিয়ে যতদিন এই চালিয়ে যাবেন ততদিন আপনি যিনার আযাব নিজের আমলনামায় লিখাচ্ছেন। এই অবস্থায় যদি আপনার মৃত্যু হয় তবে কি হয় ভাবুন!
আবার অনেকে তো এই অবৈধ সম্পর্কের জন্য আল্লাহর কাছে দুয়া করেন। মনে হয় যে আল্লাহর কাছে চাচ্ছেন যে, আল্লাহ আমি যার সাথে যিনা করেছি তাকেই চাই।নাউজুবিল্লাহ!! তওবা থাক দূরে!!
আল্লাহ হচ্ছেন "আল কুদ্দুস " অর্থাৎ পবিত্র। আপনি কিভাবে এই অবৈধ অপবিত্র সম্পর্কের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া চান?? আপনি কি চুরি করে আল্লাহর কাছে চাইতে পারবেন যে আল্লাহ আমিতো চুরি করেই ফেলেছি এখন এই চুরির মাল আমার জন্য হালাল করে দিন?? এই প্রশ্ন নিজেকে করবেন প্লিজ। আর আসুন এই ক্ষনস্থায়ী দুনিয়ার মায়ায় পড়ে এই জঘন্য গুনাহে না জড়িয়ে পড়ি। আর জড়িয়ে পড়লেও আজকেই খাটি তওবা করে নিজেকে সংশোধনের ব্যবস্থা করি। আল্লাহ "গফফার" অর্থাৎ তিনি ক্ষমাশীল। আমরা যদি অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাই তবে ইন শা আল্লাহ মাফ পাবোই।

26/06/2021

কেন অন্য মহিলাদের নিজেদের স্ত্রীর চেয়েও বেশি সুন্দরী মনে হয়? একজন বিজ্ঞ আলেমের কাছে এক লোক এসে অপরাধীর কন্ঠে বলতে লাগলো...

হুজুর! আমার স্ত্রী কে বিয়ে করার আগে সর্বপ্রথম যখন দেখি, তখন আমার মনে হয়েছিল আমার স্ত্রীর মতো করে মহান আল্লাহ পৃথিবীতে আর কাউকে সৃষ্টি করেননি।

যখন আমার স্ত্রীর কাছে আমি বিয়ের প্রস্তাব পাঠালাম এবং সে প্রস্তাব কবুল করলো, বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হলো, তখন আমি দেখতে পেলাম আমার স্ত্রীর মতো সুন্দরী অনেক মহিলা পৃথিবীতে আছে।

আর যখন আমার স্ত্রীকে বিয়ে করে ঘরে তুললাম, দেখতে পেলাম অনেক মহিলা আমার স্ত্রীর চেয়েও অতিরিক্ত সুন্দরী আছে।

বিয়ের পর যখন কয়েক বছর কেটে গেলো, আমার মনে হলো, প্রতিটি মহিলা আমার স্ত্রীর চেয়ে অনেক বেশি সুন্দরী।

হুজুর উত্তরে বললেন, আমি কি তোমাকে এর চেয়েও মারাত্মক একটি বিষয় বলবো? লোকটি বললো, হ্যাঁ! হ্যাঁ! জ্বি বলুন...

হুজুর বলতে লাগলেন, তুমি যদি পৃথিবীর সব মহিলাকে বিয়ে করে ফেলো, তখন পৃথিবীর সব মহিলার চেয়ে পথের নেড়িকুত্তা গুলোকে তোমার বেশি সুন্দরী মনে হবে।

লোকটি অধীর আগ্রহে জানতে চাইলো, কিন্তু হুজুর কেনো এমনটা মনে হবে? সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে?

হুজুর ব্যাখ্যা করে বলতে লাগলেন...
শোনো, সমস্যাটা তোমার স্ত্রীর মধ্যে নয়। সমস্যাটা হলো, (তোমার) মানুষের অন্তর যখন নষ্ট হয়ে যায় এবং চোখগুলো যখন লালসায় ভরে যায়, আল্লাহর ডর-ভয়, লাজ-শরম যখন মানুষের চলে যায়, তখন তার চোখগুলো কবরের মাটি ছাড়া আর কিছুতেই ভরে না।

আর তোমার সমস্যাটা হচ্ছে, তুমি হারাম এবং অপবিত্র বস্তুর দিকে দৃষ্টিপাত করা থেকে বিরত থাকো না। আল্লাহকে ভয় করো না।
সুতরাং হারাম এবং অপবিত্র বস্তুর দিকে দৃষ্টিপাত করা থেকে বিরত থাকো, আল্লাহকে ভয় করো, জাহান্নামের শাস্তিকে ভয় করো, দেখবে সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপরোক্ত কথা গুলি মেনে চলার তৌফিক দান করুক। আমিন...

25/06/2021

বৌকে যেভাবে খুশি রাখবেন।

১/ কিছু বাদাম কিনে বৌ এর জন্য
নিয়ে যান ।
নিয়ে গিয়ে বলুন বৌ বাদাম কিনছিলাম কিছু।
তোমায় ছাড়া বাদাম খেতে কেমন জানি
তিতা তিতা লাগে ।
তাই দুজনে একসাথে খাবো বলে তোমার জন্য নিয়ে আসলাম।

২/ বৌ যদি বলে ঘরে একটা টিভি দরকার ।
আপনি বলুন আমার যে টিভি আছে ওটা দেখেই সময় পাই না ।
আর সেই টিভিটা হচ্ছ তুমি ।
খালি চেয়ে থাকতেই ইচ্ছা করে ।

৩/ মাঝে মাঝে রুম এর লাইট অফ করে দিয়ে বলুন আজ আর কোন লাইট জ্বলবে না।
কারণ, যেই ঘরে আমার বৌ এর মতো চাঁদ আছে সেই ঘরে লাইট এর আলো দিয়ে কি হবে ?

৪/ গল্প কাহিনির মত ফুল কিংবা বাদাম কিনে নিলেই ভালবাসা বাড়ে না,বরং কখনো অসুস্থতায়,"ইশ্ এখন তোমার পাশে না থাকতে পারা টা আমার দূর্ভাগ্য।
ক্ষমা করে দিও"কথা টা ও ভালবাসা বাড়ায়।কিংবা চায়ের কাপে প্রথম চুমুক টা আমি দিয়ে দিলাম।"
এই কাজটা মুখে হাসি ফোটাতে বাধ্য ।

৫/ কখনো কখনো এক টুকরো কাগজে দুটো লাইন লিখে দিবেন বৌকে।
দেখবেন, এ খুশি আপনার ভালোবাসার কাছে কমই হয়ে যাবে !

-লিখায় বড় আপু বুশরা ও আমি ।

25/06/2021

☀ দ্বীনি স্ত্রীর অপর নাম আল্লাহ (ﷻ), রাসূল (ﷺ) ও স্বামীর প্রতি অনুগত (obedient) স্ত্রী:

🌹 “পুণ্যবতী নারীরা অনুগত [আল্লাহ (ﷻ), রাসূল (ﷺ) ও তাদের স্বামীর প্রতি], তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে হিফাযাতকারিনী ঐ সকল বিষয়ের যেগুলো আল্লাহ (ﷻ) হিফাযাত করেছেন।”
💎 [Quran 4:34. Also see 2:187; 7:189; 25:74; 30:21]

🌹 রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করা হলো, “কোন নারী উত্তম?” তিনি বললেন, “(১) স্বামীর যার প্রতি দৃষ্টিপাত স্বামীকে সন্তুষ্ট করে, (২) স্বামী আদেশ করলে তার আনুগত্য করে এবং (৩) স্ত্রী নিজের ব্যাপারে ও তার সম্পদের ব্যাপারে এমন কিছু করে না যা স্বামী অপছন্দ করে।”
💎 [Nasai 3231]

🌹 “মুসলিম নারী যদি (১) পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে, (২) রমদানে রোজা রাখে, (৩) লজ্জাস্থানের হিফাজত করে এবং (৪) স্বামীর আনুগত্য করে, তবে তাকে বলা হবে, জান্নাতের যে-কোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা তুমি ভেতরে প্রবেশ করো।”
💎 [Ibn Hibban 4163]

🌹 “তোমাদের প্রত্যেকের আখিরাতের কাজে সহায়িকা মুমিনা স্ত্রী গ্রহণ করা উচিত।”
💎 [Ibn Majah 1856]

🌹 “দুনিয়ায় সর্বোচ্চ উপকারি ও উপভোগের জিনিস হলো নেককার স্ত্রী।”
💎 [Muslim 715 k]

🌹 “চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়—তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে, নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
💎 [Bukhari 5090. Also see Abu Dawud 2047 & Tirmidhi 1085]

🌹 “চারটি জিনিসে (দুনিয়াবি) সুখ নিহিত—নেককার স্ত্রী, প্রসস্থ বাড়ি, ভালো প্রতিবেশী এবং আরামদায়ক বাহন।”
💎 [Sahih Al-Jaami 887]

🌹 “এমন নারীকে বিয়ে করো যে প্রেমময়ী ও অধিক সন্তান প্রসবকারী, কারণ নিশ্চয় আমি তোমাদের সংখ্যা নিয়ে গর্বিত হব।”
💎 [Abu Dawud 2050]

🌹 “তোমাদের কুমারী মেয়ে বিয়ে করা উচিত। কেননা তারা মিষ্টমুখী, নির্মল জরায়ুধারী (অধিক সন্তান প্রসবকারী) এবং অল্পতেই তুষ্ট হয়।” [এখানে ‘মিষ্টমুখী’ বলতে এটা বোঝাতে পারে যে, তাদের চেহারা বেশি মায়াবী হয়, তাই চুম্বন করা বেশি আনন্দদায়ক। এটাও বোঝাতে পারে যে, বয়স কম হওয়ায়, কোনো পুরুষের সাথে সংসার করার স্মৃতিতে বন্দি না থাকায় ও সহবাসের অতীত অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে তারা অনেক বেশি লজ্জাশীল হয়।]
💎 [Ibn Majah 1861. Also see Bukhari 5367]

🌹 “স্বামী খুশি থাকা অবস্থায় কোনো স্ত্রী মারা গেলে সে জান্নাতি।”
💎 [Tirmidhi 1161]

22/06/2021

পর্দা শুধু নারীর উপরে ফরজ এজন্য আমরা শুধু নারীর পর্দা বিষয় লেখালেখি করি,ওয়াজ-মাহফিল ইত্যাদি জায়গায় বলি।কিন্তু হায় আফসোস, আমরা নারীদের পর্দা এবং নারীদের ভুল ধরতে ধরতে নিজেদের বিষয় খেয়াল করি না।

পর্দা পুরুষের উপরও ফরজ এটা অনেকেই জানেন না,শুধু জানেন নারীদের উপর পর্দা ফরজ করা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে প্রথমে পুরুষের পর্দার বিষয় আদেশ করেছেন!
আল্লাহ তায়ালা বলেন...

" মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয় তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত। "
[1]

এরপর নারীর পর্দার বিষয়ে আদেশ করেছেন!
তিনি (আল্লাহ) বলেন..

"আর মুমিন নারীদেরকে বল, যেন তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশকে আবৃত করে রাখে।......" [2]


পুরুষের মূল পর্দার হলো দৃষ্টি এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করা!

দৃষ্টি থেকেই বেশি পাপের সূচনা হয়।
চোখ আমাদের সকল পরিক্ষার মূল প্রশ্নপত্র। চোখের উত্তরটা ঠিক ঠাক লিখলে ভুরি ভুরি নাম্বার অর্জন করা সম্ভব, ইন শা আল্লাহ। তাই একই সংযত করতে হবে, নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) বলেন
‘চোখ নিয়ন্ত্রণ ব্যতীত, পাপ নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব।’

মনে রাখবেন ভাই,
দৃষ্টি সংযত থাকলে মস্তিষ্ক সংযত থাকে, অন্তরে কু ধারণা আসেনা।মস্তিষ্ক আর অন্তরের কানেকশন।আর অন্তর সংযত হলে লজ্জাস্থান সংযত!একটার সাথের আরেকটার সম্পর্ক বেশ গভীর ভাবুন চিন্তা করুন কতইনা সুন্দর ব্যবস্থা, সুবহা-নাল্লা-হ।


এখন প্রশ্ন আসতে পারে নারীরা যদি বেপর্দা চলাচল করে তাহলে আমরা কি করব? দৃষ্টি তো সে দিকে যাবেই!
হ্যাঁ,সেটাই স্বাভাবিক!তবে আমাদের চেষ্টা করতে হবে,ইন শা আল্লাহ!

হাদিসে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে বর্ণনা পাওয়া যায়।

বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
বুরাইদাহ্ (রাঃ)হতে মারফূ' হিসেবে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে 'আলী! বারবার (অননুমোদিত জিনিসের প্রতি) তাকাবে না। তোমার প্রথম দৃষ্টি জায়িয ( ও ক্ষমাযোগ্য) হলেও পরের দৃষ্টি (ক্ষমাযোগ্য) নয়।
[3]

জারীর ইবনু 'আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে(কারো প্রতি) হঠাৎ দৃষ্টি পড়া বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি আমাকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে আদেশ করলেন। [4]


লজ্জাস্থান সম্পর্কে লিখতে গেলে পোস্ট অনেক বড় হয়ে যাবে।কিন্তু দৃষ্টি হেফাজত করতে পারলে লজ্জাস্থান খুব সহজেই হেফাজত করা সম্ভব,
ইন শা আল্লাহ!

আল্লাহ আমাদের সকলকে (নারী-পুরুষ উভয়কেই) দৃষ্টি এবং লজ্জাস্থান হেফাজতের তৌফিক দান করুন!
আমিন!


[1]- সূরা আন্-নূর : ৩০.
[2]- সূরা আন্-নূর : ৩১.
[3]-জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৭৭৭.
[4]-জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৭৭৬.

22/06/2021

#শিক্ষনীয়_একটি_গল্প!!!

যুবক :- হুজুর আমি সুন্দরী মেয়ে দেখলে শুধু চেয়ে থাকি কিছুতেই চোখ ফেরাতে পারি না, কি করবো
হুজুর?

হুজুর :- তাহলে এক গ্লাস দুধ ভরে নিয়ে আস, এমন ভাবে আনবে যাতে পড়ে পড়ে অবস্থা কিন্তু পড়ে না যেন।

যুবক :- আনছি হূজুর।

হুজুর :- এক গ্লাস দুধ নিয়ে এক কিলো মিটার দূরে
যাবে এবং ফিরে আসবে, তোমার সাথে লাঠি সহ একটি লোক থাকবে, যদি এক ফোটা দুধ পড়ে
তাহলে তোমাকে শাস্তি দেওয়া হবে।

যুবক :- ঠিক আছে। ছেলেটি শুধু গ্লাসের দিকে তাকিয়ে গেছে আবার ফিরে এসেছে, কোন দিক তাকায় নাই, এক ফোঁটা দুধও পড়ে নাই।

হুজুর :- এই রাস্তায় কয়টি মেয়ে দেখছ?
যুবক :- একটি মেয়েও দেখি নাই।
হুজুর :- কেন দেখ নাই?
যুবক :- কারণ এক ফোটা দুধ পড়লে আমার শাস্তি হবে এই ভয়ে।
#শিক্ষা
হুজুর :- ঠিক,,, আল্লাহ্'কে এভাবে ভয় করতে হবে, তাহলেই তুমি তোমার চোখকে হেফাজত করতে পারবে!
**আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের চোখ ও মনকে
হেফাজত রাখার তাওফিক দান করুন।
---আমিন---
©️

21/06/2021

💓💓💓একজন স্বামীর জন্য নসীহাঃ 💓💓💓
▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️▪️
১. বাহির থেকে ঘরে ফেরার সময় স্ত্রীর জন্য তার পছন্দের খাবার নিয়ে আসুন। চকলেট চটপটি ফুচকা চিপস আচার আইসক্রিম বা এ জাতীয় কিছু!

২. মাসে অন্তত একদিন স্ত্রীকে গিফট করুন! ফুল। বই। চুড়ি। কিংবা বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী। মেয়েরা সাধারণত গিফট পেতে পছন্দ করে। আর তা যদি হয় সবচেয়ে পছন্দের মানুষটির তরফ থেকে, তাহলে তো কথাই নেই!

৩. পর্দা রক্ষার পরিবেশ থাকলে ছুটির দিনগুলোতে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যান। রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। সুযোগ হলে স্ত্রীকে নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতার সুন্নাতটুকুও আদায় করে নিন!

৪. হেল্প করুন। স্ত্রীকে মাঝেমধ্যে রান্নার টুকিটাকি কাজে হেল্প করুন। রান্নার ফাঁকে যখন প্রিয় মানুষটা ঘেমে উঠবে, একটু কাছে গিয়ে তার কপালের ঘামটা মুছে দিন। আদরে বলুন– তুমি একটু রেস্ট নাও বাকিটা আমি দেখছি।

৪. স্ত্রীর চুল আচড়ে দিন। বেণী বেঁধে দিন। চুল আঁচড়ানোয় মেয়েরা একটু সময় নিতে পছন্দ করে। গল্প করতে ভালোবাসে। আপনিই হোন তার সঙ্গী। খোশগল্প করার এটা কিন্তু সুবর্ণ সুযোগও বটে!

৫. মাঝেমধ্যে আপনিও স্ত্রীর কাপড় চোপড় ধুয়ে দিন। মাথাব্যথা না হলেও তার মাথাটা টিপে দিন। নাকটাও টিপে দিতে পারেন! হাহাহা...

৬. সবসময় একসাথে খাবার গ্রহণ করুন। সম্ভব হলে এক প্লেটেই খাবার খান। এতে আরও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। স্ত্রীর মুখে লোকমা তুলে দিন। আপনাকে খাইয়ে দেবার সময় প্রিয়তমার আঙুলে মৃদু কামড় দিতে ভুলবেন না আবার!

৭. বাইরে বের হবার আগে কিংবা মসজিদে নামাজে যাবার আগে স্ত্রীকে আদর করে বের হোন। তার কপালে ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিন। আল্লাহর হাওয়ালা করে রেখে যান।

৮. সপ্তাহের শুক্রবারে স্ত্রীর কাজগুলো আপনি করুন। রান্না, ঘরমোছা ইত্যাদি। স্ত্রী তো আপনার সাথেই থাকবে। ভয় কীসের! আর দেখবেন কাজগুলো সে নিজেই করে নেবে! বলবে– আমার লক্ষী স্বামীটা হাঁপিয়ে উঠেছে রে। তার এখন বিশ্রাম দরকার। স্ত্রীর এই হাসিমুখটাই তো আপনার জান্নাত!

৯. স্ত্রীকে নিয়ে জোসনা উপভোগ করুন। ছাদে-ব্যালকনিতে বসে এক কাপ চা বা কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে তুমুল গল্প করুন! স্ত্রীকে 'গজল' শোনান, তার থেকেও শুনুন!

১০. সামান্য থেকে সামান্য কাজেরও প্রশংসা করুন। মনে রাখবেন সবাই প্রশংসা শুনতে ভালোবাসে। আর মেয়েরা তাদের স্বামীদের থেকে প্রশংসা পাওয়াটাকে অধিকারই মনে করে! খেতে বসে একটু বাজে হলেও রান্নার দোষ ধরবেন না। স্ত্রীই তো বুঝতে পারবে, আপনার বলার কী দরকার!

১১. স্ত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করুন। মাশাআল্লাহ তোমার বয়স তো দেখি অর্ধেক কমে গেছে, তোমাকে একদম হুরপরীর মতো লাগছে, তোমাকে নতুন বউ নতুন বউ মনে হচ্ছে। এ জাতীয় বাক্য দ্বারা। মাঝেমধ্যে তার প্রশংসায় কবিতা কিংবা দু'চার লাইনে অনুভূতি লিখে তাকে দেখাতে পারেন। খুউব খুশি হবে।

১২. তাহাজ্জুদের সময় স্ত্রীকে জাগিয়ে দিন। স্ত্রীকে শুনিয়ে মোনাজাতে আল্লাহকে বলুন– আল্লাহ! জীবনসঙ্গিনী হিসেবে তাকে পেয়ে আমি সন্তুষ্ট। তুমিও তার প্রতি সন্তুষ্ট থেকো। তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ো। তাকে জান্নাতে আমার হুরদের সর্দারনী বানিয়ো। তার কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলাওয়াত করুন। ইনশাআল্লাহ ভালোবাসার পাশাপাশি শ্রদ্ধাবোধটুকুও সুদৃঢ় হবে।

১৩. স্ত্রীকে কখনোই 'তুই' সম্বোধন করবেন না। কখনোই গায়ে হাত তুলবেন না। এই দু'টো বিষয় প্রতিজ্ঞা করে নিন। মনে রাখবেন, সে আপনার সন্তানের মা। আপনার সন্তানের বেহেশত তাঁর পদতলে! কীভাবে আপনি তার অসম্মান করেন!

১৪. কোনো মেয়ের আলোচনা বা প্রশংসা স্ত্রীর কাছে করবেন না। মনে রাখবেন, এরা বেশি জেদি। আবার সন্দেহপ্রবণও। স্বামীর ভালোবাসায় এরা কারো ভাগ সহ্য করতে পারে না। আপনি হয়তো সাদা দীলে অন্য মেয়ের প্রশংসা করলেন, কিন্তু আপনার স্ত্রী মনে মনে রহস্যের খোঁজে নেমে পড়বে...

১৫. অপছন্দনীয় কিছু দৃষ্টিগোচর হলে সরাসরি আলোচনা করবেন। কখনোই সন্দেহ মনে পুষে রাখবেন না। অবিশ্বাস করবেন না। সন্দেহ একটি মারাত্মক ব্যাধি। ভালোবাসা অনেকটাই কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের উপর নির্ভর করে!


সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই সর্বোত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম,... " (ইবন মাযাহ: হাদীস নং ১৯৭৭, তিরমিযী: হাদীস নং ৩৮৯৫)

[ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে এমন স্ত্রী-সন্তান দান করুন, যারা হবে 'কুররাতু আইয়ূন'। আর আমাদেরকে কেবল পুণ্যবানদেরই অভিবাবক করুন।]

©️ সংগৃহীত ও সম্পাদিত৷



কী? এবার খুশি তো? 😊

09/06/2021

আআসসালামু আলাইকুম।।
🔴আগামী ৪ বছরে আপনার ভবিষ্যত কি??

🔴আপনার @৩য় ব্যক্তির আগামী মাসে বিয়ে হবে।

🔴আপনার জন্মদিন অনুযায়ী দেখে নিন আপনি কেমন মানুষ?

🔴লকডাউন খুললে প্রথমে আপনি এর সাথে দেখা করবেন, এর সাথে নাস্তা খাবেন।

🔴দেখে নিন আপনার বিয়ে/ জীবনসঙ্গী কেমন হবে??

পারসোনালি এসব ট্রেন্ড একেবারেই পছন্দ করি না।
ট্রেন্ড গুলো কিন্তু খুব সুক্ষ্ণভাবে শয়তানের পাতানো ফাদ! যেখানে আমার অনেক দ্বীনি বোনেরাও ইনভলভ হয়ে যায়।

এর প্রতিটা ট্রেন্ডই ভবিষ্যত জানা/গনকের কাছে নিজের ভাগ্য সম্পর্কে জানার সমতুল্য। শত আফসোস! অসংখ্য মুসলমানের অবহেলার কারণে এই মারাত্মক গুনাহের মধ্যে লিপ্ত।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন,
❝হে ঈমানদারগণ ! এ মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শরসমূহ এ সমস্তই হচ্ছে ঘৃণ্য শয়তানী কার্যকালাপ ৷ এগুলো থেকে দূরে থাকো, আশা করা যায় তোমরা সফলতা লাভ করবে৷❞ [সুরা মায়েদা-৯০]

এই বিষয়ে নবিজীর একটি হাদিস হলোঃ
হজরত হাফসা (রা.) কর্তৃক বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
❝যে গণকের কাছে যায় এবং কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে তার চল্লিশ দিন ও রাত্রির নামাজ গ্রহণযোগ্য হবে না।❞ [সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ৫৫৪০]

আবু হুরায়রা (রা) কর্তৃক বর্নিত রাসূল (সাঃ)বলেছেন, ❝যে একজন ভবিষ্যতদ্রষ্টা গণকের নিকট গেল এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করল, মুহাম্মদের নিকট যা অবতীর্ণ হয়েছিল সে তা অবিশ্বাস করল।❞
[সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং-৩৮৯৫]

স্বাভাবিক, মানুষের ফিতরাতই এমন যে সে গুনাহে লিপ্ত হবে। কিন্তু তার মধ্যে সে-ই উত্তম যিনি গুনাহের পর মন থেকে তওবা করবেন এই কাজ পুনরায় না করার মন মানসিকতা নিয়ে।

মহান আল্লাহ আমাদের শয়তান এবং শয়তানের অনুসারীদের, বিদয়াতিদের এবং শিরকপূর্ণ কথা কাজ ও চিন্তা থেকে হিফাজত করুন, আমীন।

শির্কের ভয়ে দো‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

❝হে আল্লাহ, আমি জ্ঞাতসারে শিরক করা থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এবং অজ্ঞাতসারে যা ঘটে তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।❞

"আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন্ উশ্রিকা বিকা ওয়া আনা আ‘অ্লামু, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা- আ‘অ্লামু।"

আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, "তোমাদের মধ্যে শিরক পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আবূ বাকর (রা) বলেন, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করা বা ডাকাই কি শুধু শিরক নয়? রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, ... বরং তা পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আমি তোমাকে একটি বিষয় শিখিয়ে দিচ্ছি যা পালন করলে ছোট ও বড় শিরক তোমার থেকে দূরিভূত হবে। তুমি উপরের দুআ-টি বলবে।”

(হাদীসটি সহীহ বুখা্রী, আল-আদাবুল মুফরাদ, পৃষ্ঠা ২৫০; আলবানী, সহীহুল আদাবিল মুফরাদ ১/২৫৯)

–সংগৃহিত

Want your school to be the top-listed School/college in Parbatipur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Parbatipur
5250