28/05/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
#পবিত্র_ঈদুল_আযহা_উপলক্ষে
দারুন নাজাত আরাবিয়্যা বালিকা মাদ্রাসা এর পক্ষ থেকে
সকল মুসলিম উম্মাহকে জানায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মুবারকবাদ।
ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টির শিক্ষা আমাদের জীবনকে আলোকিত করুক।
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের কুরবানী কবুল করুন এবং সকলকে সুস্থতা, শান্তি ও বরকতময় জীবন দান করুন।
❝ঈদ_মুবারক❞
—
📍 #দারুন নাজাত আরাবিয়্যা বালিকা (ক্বওমি) মাদ্রাসা।
একটি ব্যাতিক্রধর্মী বালিকা ক্বওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
26/05/2026
আগামীকাল বুধবার ফজর থেকে রবিবার আসর পর্যন্ত,মোট ২৩ ওয়াক্ত, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে তাকবীরে তাশরিক একবার উচ্চস্বরে পড়া ওয়াজিব ।
20/05/2026
আমরা আমাদের সাধ্যমতো অসহায় এতীমদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করছি খাদ্য শিক্ষা বাসস্থানসহ। সবার কাছে দোয়া চাই আল্লাহ তায়ালা যেন এই মেহনত কবুল করেন।
20/03/2026
ঈদ মুবারাক 🌙
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
(তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)
অনুবাদ : আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
খুশির এই দিনে সকলের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে ঈদ উপভোগ করুন।
🌸🤍
11/03/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু...
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে
আমাদের দারুন নাজাত আরাবিয়্যা বালিকা (ক্বওমি) মাদ্রাসা এর উদ্যোগে আগামিকাল ২২ রমজান (১২ মার্চ) ইনশাআল্লাহ শুধুমাত্র মহিলা মা ও বোনদের জন্য
একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি তালিম ও দুআ মাহাফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
📖 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে
গুরুত্বপূর্ণ নসিহত ও আলোচনা হবে।
🗓 তারিখ: (২২ রমজান) ১২ মার্চ ২০২৬ ইং
⏰ সময়: দুপুর ২:০০ টা -আসর পর্যন্ত
📍 স্থান: দারুন নাজাত আরাবিয়্যা বালিকা (ক্বওমি) মাদ্রাসা,
বুড়াবুড়ি,তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
🤍 সকল মা ও বোনদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন।
05/03/2026
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 🤍
01/03/2026
Today marks a dark chapter in history.
We have lost a leader who comes once in a generation. 💔
Innalillahi wa inna ilaihi rajiun😢
24/02/2026
দ্রুত বিয়ের জন্য ১২ই রমজানের রাতে করার মতো একটি পরীক্ষিত আমল
দীর্ঘ বছর ধরে এই আমলটি জামিয়া দারুল উলুম করাচির সাবেক শাইখুল হাদীস ও সদর মুফতী রফী উসমানী রহিমাহুল্লার পক্ষ হতে প্রচারিত। অনেক বড় বড় বুযুর্গদের থেকে এটি একটি পরীক্ষিত আমল। অগণিত মানুষ এই আমল দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। যেসব অভিভাবক কিংবা অবিবাহিত ভাই-বোনেরা বিয়েশাদি নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন, তারা আমলটি করতে পারেন।
উল্লেখ্য, আমলটিকে ফরজ, ওয়াজিব কিংবা সুন্নাত মনে না করে শুধুমাত্র বুযুর্গদের পরীক্ষিত আমল হিসাবে করলে কোনো অসুবিধা তথা বিদআতের আশংকা নেই ইনশাআল্লাহ।
এ আমলটি বারোই রমজান দিবাগত রাতে তথা এগারো তারিখের তারাবীহের পরে অথবা শেষরাতে তাহাজ্জুদের সময় করতে হবে।
আমলের নিয়ম-
🔹 প্রথমে ১০১ বার দুরুদ শরীফ (দুরুদে ইবরাহীম) পড়বেন।
🔹 এরপর দুই-দুই রাকআত করে মোট বারো রাকআত নফল নামাজ পড়বেন। প্রত্যেক রাকআতে সুরা ফাতেহার পর ১২ বার সূরা ফীল পড়বেন।
🔹 নামাজ শেষে পুনরায় ১০১ বার দুরুদে ইবরাহীম (যেটি নামাজে পড়া হয় সেটি) পড়বেন।
🔹 এরপর রাসূল (সাঃ) এর প্রতি আমলটির ঈসালে সওয়াব (তাঁর উদ্দ্যেশ্যে প্রদান) করবেন।
🔹 বিয়ের জন্য কিছুক্ষণ দুআ করার পর কোনো কথাবার্তা না বলে ঘুমিয়ে পড়বেন।
আর হ্যাঁ, যদি কারো উচ্চাশা কিংবা ক্যারিয়ার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বা কোনো ব্যাপার থাকে তাহলে সেই বিষয়ে ছাড় দেওয়া এবং ফিকির করা উচিত। প্রচুর মানুষ এমন রয়েছে যারা যাই প্রস্তাব আসে সেটা রিজেক্ট করে দেয় আর বিয়ে হচ্ছে না বলে হাপিত্যেশ করেন।
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা হচ্ছে-যদি কারো জ্বিন, জাদু, বদনজরের সমস্যা থাকে তাহলে সেগুলোর জন্যে রুকইয়াহ করবেন। কারণ অনেক মানুষের এই ধরণের সমস্যার জন্যে বয়স দীর্ঘ হচ্ছে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না কিংবা কথাবার্তা এগিয়েও শেষ পর্যন্ত থেমে যাচ্ছে। তাই আপনারা সিরিয়াসলি রুকইয়াহ শুরু করুন।
আর হ্যাঁ, দুআ করুন। অনেক বেশি দুআ করুন।
যথাসম্ভব সাদকাহ করুন।
যতদিন বিয়ে না হচ্ছে সবর রাখুন। নিজেকে গড়তে থাকুন।
মনে রাখবেন, আল্লাহ পাক যখন চাইবেন তখনই বিয়ে হবে। তাই সবর, দুআ এবং রুকইয়াহ চালু রাখুন। আল্লাহ পাক আমাদের জন্যে কল্যাণকর ফায়সালা করুন। নেক, মুআদ্দাব, মুহাযযাব, মুখলিস সঙ্গী/সঙ্গীনি প্রদান করুন। আমীন।
রুকাইয়া মাবরুরা
(দশই রমজান, চৌদ্দশ পয়তাল্লিশ হিজরী)
Mohammad
18/02/2026
রমাদান রুটিন: ২০২৬ খ্রিঃ।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা এবারে আমরা ভিন্ন রকম ভাবে রমাদান পালন করতে যাচ্ছি। হতে পারে জীবনের শেষ রমাদান। এই মাস মুক্তির মাস,গোনাহ মাফ, দুয়া কবুল, জান্নাত লাভের মাস। এই মাসের প্রতিটি সেকেন্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দামী। কেউ যেন হেলায় কাটিয়ে না দেই। আমার মতো নাখান দানের জন্য এই রুটিন, আমি বিশ্বাস করি আল্লাহর অনেক আবেদ-আবেদা আছে যারা আরও বেশি ইবাদত করেন। রুটিনটা আমি আমার মতো করে সাজিয়ে দিলাম।
৩:৩০-৩:৪০ → ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
৩:৪০-৩:৪৫ → তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
৩:৪৫-৪:২৫ → তাহাজ্জুদের ৮-১২ রাকাত নামাজ।
৪:২৫-৪:৩৫ → দুয়া-মুনাজাত।
৪:৩৫-৪:৫০ → সাহরী করা।
৪:৫০→ ফজরের আযান পর্যন্ত কুরআন পড়া অথবা ইস্তিগফার করা। এই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ইস্তেগফার। এটি তাহাজ্জুদ এবং তারাবিহ থেকে ভিন্ন ধরনের ইবাদত।
শেষ রাতে বা ফজরের আগে ইস্তেগফার সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।
তারা ধৈর্য্যধারণকারী, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।[আলি ইমরান:১৬-১৭]
[ধূলিমলিন উপহার রামাদান বইটি দেখুন]
৪:৫০- ৫:৩০ → ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন। আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ → ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।
৯:১৫-১:০০→ যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কুরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন। শুরুতেই বলেছি এবারে আমরা ভিন্ন রকম ভাবে রমাদানকে পালন করতে যাচ্ছি, আল্লাহ তায়ালার বিশাল এক নিয়ামত হলো অবসর, তাও আবার এই মহান পবিত্র মাসে সুবহানাল্লাহ, ইবাদত করার অনেক বড় এক সুযোগ পেয়েছি তাই কাজে লাগাই।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫ → কুরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০ → দ্বীনি ইলম অর্জন,বাড়ির সবাইকে নিয়ে তালিমে বসা, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ → দুপুরের ঘুম।
৪:৪৫-৫:০০ → আসরের সালাত।
৫:০০-৫:২০→ মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:২০-৫:৫০→ ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৫:৫০-৬:০০→ দুয়া
৬:০০-৭:০০→ ইফতার, মাগরীবের সালাত এবং ৬ রাকাআত আওয়াবীনের সালাত।
৭:০০-৭:৪৫→ বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ → এশার সালাত, তারাবীহ্। প্রত্যেক ওয়াক্ত যদি সম্ভব হয় অবশ্যই বাড়ির মাহরাম নারী-পুরুষ জামাআতে আদায় করার চেষ্টা করুন। একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে আমাআতে আদায় করা উত্তম। যে কয়েকটি সুরা মুখস্থ আছে সেগুলো দিয়েই পড়ুন।
১১:০০-১১:১৫ → কুরআন তিলাওয়াত।
১১:১৫-১১:৩০ → ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০→ ঘুম।
এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কুরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত সাদাকা আল্লাহর ক্রোধকে ধ্বংস করে। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। হতে পারে আমাদের অনেকেরই জিবনের শেষ রমাদান। দুয়া কবুলের মাস বেশি বেশি দুয়া করি আরশের মালিক আমাদের উপর থেকে করোনাভাইরাসের আযাব যেন তুলে নেন।
আল্লাহ্ তা'অালা আমাদেরকে রমাদানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দিন।
সবার টাইমলাইনে শেয়ার করুন,ম্যানশন করুন।
18/02/2026
খোশ আমদেদ,
আহলান সাহলান,মাহে রমাদান🌙🕌🌙
"হে ঈমানদারগণ! তোমাদের প্রতি রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমনভাবে তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের প্রতি ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার।"
সূরা বাকারাহ :১৮৩
17/02/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু...
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে
আমাদের দারুন নাজাত আরাবিয়্যা বালিকা (ক্বওমি) মাদ্রাসা এর উদ্যোগে আগামিকাল (১৮ ফেব্রুয়ারী) ইনশাআল্লাহ শুধুমাত্র মহিলা মা ও বোনদের জন্য
একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি তালিম ও দুআ মাহাফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
📖 কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে
গুরুত্বপূর্ণ নসিহত ও আলোচনা হবে।
🗓 তারিখ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং
⏰ সময়: ০২:০০- ৫:০০ পর্যন্ত
📍 স্থান: দারুন নাজাত আরাবিয়্যা বালিকা (ক্বওমি) মাদ্রাসা,
বুড়াবুড়ি,তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
🤍 সকল মা ও বোনদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন।