25/07/2026
বিশ্বকাপ শেষ, মেসিও পড়তে বসছে, কিন্তু আমি বসলাম না, পড়াশোনা হচ্ছে না।
সামনের বিসিএসের জন্য শুভ কামনা মেসি ভাই।
MBBS(DjMC)
To increase awareness of health in every person
25/07/2026
বিশ্বকাপ শেষ, মেসিও পড়তে বসছে, কিন্তু আমি বসলাম না, পড়াশোনা হচ্ছে না।
সামনের বিসিএসের জন্য শুভ কামনা মেসি ভাই।
2026 বিশ্বকাপে দুইটা নিয়ম মেনে নিলে শান্তি পাবেন:
1) আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন
2) যদি কখনও মনে হয় হবে না আবার 1 নং নিয়ম টা পড়বেন।
ডা.শামীম ভাই।
সবাই টাকা পাঠান মেসিকে টাকা পাঠাইতে হবে,
রেফারির টাকা কম হইছে।
রকেটে পাঠান তাড়াতাড়ি দিতে হবে - বিকাশে দিলে লেইট হবে😆।
12/07/2026
গভীর শোক ও দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ, আমাদের পঞ্চগড়ের কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ (১২ জুলাই) ফজরের ওয়াক্তের সময় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
পঞ্চগড়ের তার অবদান চিরস্মরণীয়।
11/07/2026
এখানেও শালা -রা(ছেলেরা) বঞ্চিত।
( DMC ডে উপলক্ষে ডা. জোবাইদা রহমান আমাদের পি.এম জনাব তারেক রহমান সহ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন, সেখানে ডা.জোবাইদা রহমানের জুনিয়র রা (বোনেরা) আমাদের পি.এম তারেক রহমানের সাথে ছবি তুলেন।)
01/07/2026
তাহলে বাফুফের ২ য় শাখা ক্যামেরুনে।
এমবাপ্পে এখন ক্যামেরুনকেই কিনে নিবে।
লোয়ার মিডলক্লাস ফ্যামিলির বাবা মার আসলে সন্তানকে ডাক্তারি পড়ানো উচিত না। বেসরকারিতে তো নয়ই, সরকারিতেও না।
আমাদের সময় সরকারি মেডিকেলে ভর্তি ফি অনেক কম ছিলো। এখন তো কোথাও পনেরো হাজারের নিচে আছে বলে মনে হয় না। কোন কোন মেডিকেলে সেটা ত্রিশ - পঁয়ত্রিশেও গিয়ে ঠেকে। ভর্তি হতেই বোনস কেনা, বই পত্র কেনা মিলিয়ে আরো লাখখানেকের ধাক্কা। ৩৫০০০ এর নিচে ভালো বোনস পাওয়া যায় না। লাইব্রেরি থেকে যদিও বই নেয়া যায়, কিন্তু সেগুলো ভালোই পুরনো, বন্ধুবান্ধবদের নতুন চকচকে বই পড়তে দেখলে কি আর নিজের পুরোনো বই পড়তে মন চায়? মনটা ছোট হয়ে যায় না? নিজের বাসায় থেকে পড়ার সৌভাগ্য না হলে প্রতি মাসে হোস্টেলের একটা খরচ। আজ এই শিট, কাল ওই গাইড, পরশু সেই নোট, ইদানীং আবার ক্লাস পার্টির প্রবণতা দেখছি বেশ।
প্রতিটা ফেজে নতুন বই, নতুন স্টাডি ম্যাটেরিয়ালস। টিউশন করা যায় অবশ্য। কিন্তু কয়জন পড়াতে পারে বা পছন্দ করে? সবাই টিউশন করিয়ে নিজের পড়ার সময় বের করার এবিলিটিও রাখে না।
কোনমতে পাশ টাশ করে বের হলে মাসে বিশ হাজার টাকা ভাতায় ইন্টার্নশিপ। আমরা জয়েন করার আগে সেটা অবশ্য পাঁচ হাজার ছিলো। আমাদের আগের ব্যাচের আন্দোলনে ১০০০০ হয়েছিলো।
ইন্টার্নশিপ শেষ, সন্তান পুরোদস্তুর ডাক্তার। বাবা মা, আত্মীয়স্বজন সারাজীবন দেখে এসেছে ডাক্তার দের চেম্বারে এত রোগী, এত ভীড়। ডাক্তারদের গাড়ি, বাড়ি, কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। এত কষ্ট করে সন্তানকে ডাক্তার বানিয়েছি। এবার তো প্রতিদান দেয়ার পালা।
এদিকে ইন্টার্নশিপ সদ্য শেষ হওয়া ডাক্তার তো পড়েছে অতল গহ্বরে। এক বছর তো তাও মাসে ২০০০০ টাকা নিশ্চিত ছিলো। এবার তো সেটার সংকুলান ও হচ্ছে না। প্রাইভেট হাসপাতালে পার ডিউটি ৭০০-১০০০ টাকা দেয়। মাসে ত্রিশ দিন ডিউটি করলেও ৩০০০০ এর বেশি হয় না। আবার ত্রিশ দিন ডিউটি তো পাওয়াও যায় না। ডাক্তার তো অনেক, সেই তুলনায় চাকরির বাজার তো ফাঁকা। প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ বা কর্পোরেট হস্পিটালে ৩৫০০০-৪৫০০০ মতো পাওয়া গেলেও সেখানে চাকরি পেতে আবার লিংক লবিং লাগে। নিম্ন মধ্যবিত্ত বাবার লবিং কই?
বেচারা ডাক্তার এবার বিসিএস এর পড়া পড়বে? পিজির পড়া পড়বে? না সংসারে সাপোর্ট দিয়ে বাবা মার এক্সপেক্টেশন ফুলফিল করবে?
বিসিএস বা পিজি যেকোন টার্গেটের জন্যই কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছর ফুললি ডেডিকেটেড হয়ে পড়া লাগে। পাশ করার পর ও বাবা মার থেকে হাত পেতে টাকা নিতে মন চায়? একেকটা পিজি এন্ট্রান্সের ফি ৭০০০-১১০০০। বিদেশি ডিগ্রির ফি এর কথা নাই বা বলি। বছরে চারটা পরীক্ষা দেয়ার টাকা জোগাড় করতে, কোচিং এর ফি জোগাড় করতেই তো এক বছরের বেতন চলে যায়।
এতসব চিন্তায় না হয় ঠিকঠাক পড়া, বাবা মা ভাবে এত ভালো ছাত্র ছিলো আমার যে সন্তান সে এত অপদার্থ হয়ে গেলো কি করে? অমুকের তমুক কত কিছু করে ফেলছে, আমারটার তো কিছুই হয় না। কেন যে হয় না সেই আয়নাটা গার্ডিয়ানদের দেখানো যাবে কি করে?
Collected.
27/05/2026
🕋 ঈদুল আযহা শুধু পশু কোরবানির নাম নয়,
এটি আত্মত্যাগ, তাকওয়া, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের শিক্ষা।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর ত্যাগের মহান আদর্শ আমাদের শেখায়—
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রিয় জিনিসও কোরবানি করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আসুন, এই ঈদে শুধু পশু নয়,
নিজের অহংকার, হিংসা, লোভ ও পাপকে কোরবানি করি।
ত্যাগের মহিমায় ভরে উঠুক প্রতিটি হৃদয়।
🌙 সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
❤️ঈদ মোবারক! ❤️
ডা.আলী আকবর সুমন
26/05/2026
ডাক্তার গরু😁
"জনগণের টাকায় ডাক্তার হয়ে..." এই কথাটি যারা বলেন, তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, পাব্লিক প্রতিষ্ঠানে যারা পড়েন,তাদের সবার জন্যই জনগণের টাকা ব্যায় হয়।
বুয়েট, ভার্সিটি থেকে শুরু করে যত পাব্লিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, সবগুলোর মধ্যে মেডিকেল স্টুডেন্টদের পিছনে তুলনামূলক কম খরচ এবং তৃতীয় বছর থেকেই মেডিকেল স্টুডেন্টরা সরকারী কাজে কিছু না কিছু সহযোগিতা করা শুরু করে।
ইন্টার্নরা তো পুরপুরিভাবে সরকারী দায়িত্ব পালন করে। ভার্সিটির স্টুডেন্টদেরকে সরকার পুরোটা সময় খাবারে সাবসিডি দেয়। মেডিকেল স্টুডেন্টদের সেই সুযোগও নাই।
তবু, যখন অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের দিকে আঙ্গুল না তুলে মহামানবরা বয়ান দেন, " জনগণের টাকায় ডাক্তার হয়ে জনগণকে সেবা দিবে না কেন? "-, তখন ইচ্ছে হয় তাকে জিগ্যেস করি, আপনার পিছনে জনগণের কত টাকা খরচ হয়েছে আর বিনিময়ে আপনি জনগণকে কি সেবা দিয়েছেন, তার হিসেব আগে দিন। তারপর ডাক্তারকে প্রশ্ন করুন।
আসলে সব প্রফেশনের হিংসের পাত্র ওই ডাক্তারেরা।
কারণ কি জানেন ?
ডাক্তারেরা ঘুষ না নিয়ে প্র্যাক্টিস করে অনেক টাকা কামাতে পারে। এটা অন্য কোন প্রফেশনে সম্ভব নয়। এটাই হলো মূল রহস্য।
চাকুরীও করবে। আবার, চেম্বারে গিয়ে কলমের খোঁচা মেরেই অতগুলো টাকা নিয়ে যাবে।
কি দুঃসাহস এদের !!!
আমাদের দেশের কিছু লোভী ডাক্তার আছে, যারা চাকুরীবিধি সঠিকভাবে না মেনে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করে। এদের কারণে পুরো চিকিৎসক সমাজের বদনাম হয়। এরা অবশ্যই পরিত্যজ্য।
তবে এমন মন্দ সব প্রফেশনে আছে।
সেগুলো নিয়ে কোন আলোচনা সব। আলোচনা সব চিকিৎসকদের নিয়ে।
যেন চিকৎসকরা সব নরকের কীট, আর উনারা সবাই?
স্বর্গ থেকে আসা পুরুষ হুর।
সংগৃহীত
© ডা. শাফি স্যার।