লোয়ার মিডলক্লাস ফ্যামিলির বাবা মার আসলে সন্তানকে ডাক্তারি পড়ানো উচিত না। বেসরকারিতে তো নয়ই, সরকারিতেও না।
আমাদের সময় সরকারি মেডিকেলে ভর্তি ফি অনেক কম ছিলো। এখন তো কোথাও পনেরো হাজারের নিচে আছে বলে মনে হয় না। কোন কোন মেডিকেলে সেটা ত্রিশ - পঁয়ত্রিশেও গিয়ে ঠেকে। ভর্তি হতেই বোনস কেনা, বই পত্র কেনা মিলিয়ে আরো লাখখানেকের ধাক্কা। ৩৫০০০ এর নিচে ভালো বোনস পাওয়া যায় না। লাইব্রেরি থেকে যদিও বই নেয়া যায়, কিন্তু সেগুলো ভালোই পুরনো, বন্ধুবান্ধবদের নতুন চকচকে বই পড়তে দেখলে কি আর নিজের পুরোনো বই পড়তে মন চায়? মনটা ছোট হয়ে যায় না? নিজের বাসায় থেকে পড়ার সৌভাগ্য না হলে প্রতি মাসে হোস্টেলের একটা খরচ। আজ এই শিট, কাল ওই গাইড, পরশু সেই নোট, ইদানীং আবার ক্লাস পার্টির প্রবণতা দেখছি বেশ।
প্রতিটা ফেজে নতুন বই, নতুন স্টাডি ম্যাটেরিয়ালস। টিউশন করা যায় অবশ্য। কিন্তু কয়জন পড়াতে পারে বা পছন্দ করে? সবাই টিউশন করিয়ে নিজের পড়ার সময় বের করার এবিলিটিও রাখে না।
কোনমতে পাশ টাশ করে বের হলে মাসে বিশ হাজার টাকা ভাতায় ইন্টার্নশিপ। আমরা জয়েন করার আগে সেটা অবশ্য পাঁচ হাজার ছিলো। আমাদের আগের ব্যাচের আন্দোলনে ১০০০০ হয়েছিলো।
ইন্টার্নশিপ শেষ, সন্তান পুরোদস্তুর ডাক্তার। বাবা মা, আত্মীয়স্বজন সারাজীবন দেখে এসেছে ডাক্তার দের চেম্বারে এত রোগী, এত ভীড়। ডাক্তারদের গাড়ি, বাড়ি, কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। এত কষ্ট করে সন্তানকে ডাক্তার বানিয়েছি। এবার তো প্রতিদান দেয়ার পালা।
এদিকে ইন্টার্নশিপ সদ্য শেষ হওয়া ডাক্তার তো পড়েছে অতল গহ্বরে। এক বছর তো তাও মাসে ২০০০০ টাকা নিশ্চিত ছিলো। এবার তো সেটার সংকুলান ও হচ্ছে না। প্রাইভেট হাসপাতালে পার ডিউটি ৭০০-১০০০ টাকা দেয়। মাসে ত্রিশ দিন ডিউটি করলেও ৩০০০০ এর বেশি হয় না। আবার ত্রিশ দিন ডিউটি তো পাওয়াও যায় না। ডাক্তার তো অনেক, সেই তুলনায় চাকরির বাজার তো ফাঁকা। প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ বা কর্পোরেট হস্পিটালে ৩৫০০০-৪৫০০০ মতো পাওয়া গেলেও সেখানে চাকরি পেতে আবার লিংক লবিং লাগে। নিম্ন মধ্যবিত্ত বাবার লবিং কই?
বেচারা ডাক্তার এবার বিসিএস এর পড়া পড়বে? পিজির পড়া পড়বে? না সংসারে সাপোর্ট দিয়ে বাবা মার এক্সপেক্টেশন ফুলফিল করবে?
বিসিএস বা পিজি যেকোন টার্গেটের জন্যই কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছর ফুললি ডেডিকেটেড হয়ে পড়া লাগে। পাশ করার পর ও বাবা মার থেকে হাত পেতে টাকা নিতে মন চায়? একেকটা পিজি এন্ট্রান্সের ফি ৭০০০-১১০০০। বিদেশি ডিগ্রির ফি এর কথা নাই বা বলি। বছরে চারটা পরীক্ষা দেয়ার টাকা জোগাড় করতে, কোচিং এর ফি জোগাড় করতেই তো এক বছরের বেতন চলে যায়।
এতসব চিন্তায় না হয় ঠিকঠাক পড়া, বাবা মা ভাবে এত ভালো ছাত্র ছিলো আমার যে সন্তান সে এত অপদার্থ হয়ে গেলো কি করে? অমুকের তমুক কত কিছু করে ফেলছে, আমারটার তো কিছুই হয় না। কেন যে হয় না সেই আয়নাটা গার্ডিয়ানদের দেখানো যাবে কি করে?
Collected.
Dr.Md. Ali Akbor Sumon
MBBS(DjMC)
To increase awareness of health in every person
27/05/2026
🕋 ঈদুল আযহা শুধু পশু কোরবানির নাম নয়,
এটি আত্মত্যাগ, তাকওয়া, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যের শিক্ষা।
হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর ত্যাগের মহান আদর্শ আমাদের শেখায়—
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রিয় জিনিসও কোরবানি করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আসুন, এই ঈদে শুধু পশু নয়,
নিজের অহংকার, হিংসা, লোভ ও পাপকে কোরবানি করি।
ত্যাগের মহিমায় ভরে উঠুক প্রতিটি হৃদয়।
🌙 সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
❤️ঈদ মোবারক! ❤️
ডা.আলী আকবর সুমন
26/05/2026
ডাক্তার গরু😁
"জনগণের টাকায় ডাক্তার হয়ে..." এই কথাটি যারা বলেন, তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, পাব্লিক প্রতিষ্ঠানে যারা পড়েন,তাদের সবার জন্যই জনগণের টাকা ব্যায় হয়।
বুয়েট, ভার্সিটি থেকে শুরু করে যত পাব্লিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, সবগুলোর মধ্যে মেডিকেল স্টুডেন্টদের পিছনে তুলনামূলক কম খরচ এবং তৃতীয় বছর থেকেই মেডিকেল স্টুডেন্টরা সরকারী কাজে কিছু না কিছু সহযোগিতা করা শুরু করে।
ইন্টার্নরা তো পুরপুরিভাবে সরকারী দায়িত্ব পালন করে। ভার্সিটির স্টুডেন্টদেরকে সরকার পুরোটা সময় খাবারে সাবসিডি দেয়। মেডিকেল স্টুডেন্টদের সেই সুযোগও নাই।
তবু, যখন অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের দিকে আঙ্গুল না তুলে মহামানবরা বয়ান দেন, " জনগণের টাকায় ডাক্তার হয়ে জনগণকে সেবা দিবে না কেন? "-, তখন ইচ্ছে হয় তাকে জিগ্যেস করি, আপনার পিছনে জনগণের কত টাকা খরচ হয়েছে আর বিনিময়ে আপনি জনগণকে কি সেবা দিয়েছেন, তার হিসেব আগে দিন। তারপর ডাক্তারকে প্রশ্ন করুন।
আসলে সব প্রফেশনের হিংসের পাত্র ওই ডাক্তারেরা।
কারণ কি জানেন ?
ডাক্তারেরা ঘুষ না নিয়ে প্র্যাক্টিস করে অনেক টাকা কামাতে পারে। এটা অন্য কোন প্রফেশনে সম্ভব নয়। এটাই হলো মূল রহস্য।
চাকুরীও করবে। আবার, চেম্বারে গিয়ে কলমের খোঁচা মেরেই অতগুলো টাকা নিয়ে যাবে।
কি দুঃসাহস এদের !!!
আমাদের দেশের কিছু লোভী ডাক্তার আছে, যারা চাকুরীবিধি সঠিকভাবে না মেনে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করে। এদের কারণে পুরো চিকিৎসক সমাজের বদনাম হয়। এরা অবশ্যই পরিত্যজ্য।
তবে এমন মন্দ সব প্রফেশনে আছে।
সেগুলো নিয়ে কোন আলোচনা সব। আলোচনা সব চিকিৎসকদের নিয়ে।
যেন চিকৎসকরা সব নরকের কীট, আর উনারা সবাই?
স্বর্গ থেকে আসা পুরুষ হুর।
সংগৃহীত
© ডা. শাফি স্যার।
08/05/2026
যাক আমার মতো প্রাণীদের নামেও দিবস আছে 😁।
বাবা মা বউ শিক্ষক পাড়া প্রতিবেশী সবাই যে নামে ডাকে।
02/05/2026
একজন কৃষকের ছেলে হিসাবে বুঝি, একবার ফসল নষ্ট হলে বা লস হলে কি পরিমাণ মানসিক চাপ যায় কৃষকের।
সরকারের এগিয়ে আসা উচিত এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের মেহনতি মা ও মাটির মানুষদের জন্য।
23/04/2026
হার্পিস জোস্টার (Shingles) – ছোট করে নেবেন না!
অনেকেই ভাবেন এটা “সাধারণ ফুসকুড়ি” বা এলার্জি…কিন্তু বাস্তবে এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মারাত্মক ব্যথা ও জটিলতা তৈরি করতে পারে।
🔬 কারণ কি?
-শিশুকালে যাদের চিকেনপক্স (জল বসন্ত) হয়েছিল, তাদের শরীরে ভাইরাসটি সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায়।বয়স বাড়লে বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে সেই ভাইরাস আবার সক্রিয় হয়ে হার্পিস জোস্টার হিসেবে প্রকাশ পায়।
🚨 লক্ষণগুলো চিনে রাখুন:
✔ শরীরের এক পাশে জ্বালাপোড়া বা তীব্র ব্যথা
✔ কয়েকদিন পর সেই জায়গায় পানিভর্তি ফুসকুড়ি
✔ স্পর্শে প্রচণ্ড ব্যথা
✔ জ্বর, দুর্বলতা থাকতে পারে
👉 অনেক সময় ব্যথা এত বেশি হয় যে রোগী সহ্য করতে পারে না!
⚠️ কেন ভয়ংকর?
❗ দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক ব্যথা (Post-herpetic neuralgia)
❗ চোখে হলে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি
❗ বয়স্ক ও ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে জটিলতা বেশি
⏰ কি করবেন?👉 যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তার দেখাবেন।
13/04/2026
Refreshment
Holiday Homes
Savar Dhaka.
Swimming Time-
Grand Palace Sylhet
( সাঁতার শিখে গেছি)
04/04/2026
হাম বা মিজেলস ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার একটি চেষ্টা করলাম!
অনেক কঠিন সত্য ও বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম!
টিকা না দেয়ার ফলে কমপ্লিকেশন নিয়ে শিশুদের ব্যাপকভাবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া! আর বিশাল অংশ ভ্যাকসিন বিরোধীদের কথায় অনুপ্রেরিত হয়ে শিশুদের ভ্যাকসিন না দেয়া এবং বিগত বছরে ইন্টারিমের সময় ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন বাদ দেয়ার ফলাফল এই আউটব্রেক!
শিশুরা মায়ের পেটে থেকে এবং পরবর্তীতে বুকের দুধের মাধ্যমে ইম্যুনিটি পেয়ে থাকেন। ফর্মূলা মিল্ক কতটা দেয়া হচ্ছে সঠিক পরিসংখ্যান বা ডেটা নেই!
এই মিজেলস আউটব্রেকের সাথে অন্যান্য ভাইরাল ডিসিস এর আউটব্রেক চলছে কি না সেটিই কনফার্ম না!
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমন প্রশ্ন ও উত্তরগুলো দিলাম এখানে -
১) কবে থেকে শুরু হবে ক্যাম্পেইন?
-আগামী ৫ এপ্রিল রোববার থেকে ।
২) ভ্যাকসিন কোন শিশুরা পাবে?
-আগে টিকা দেয়া, না দেয়া বা এক ডোজ দেয়া ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সের সব শিশু এই টিকার আওতায় আসবে।
৩) বাচ্চার বয়স ৫ মাস .. দিন টিকা পাবে?
-ছয় মাস পূর্ণ না হলে পাবে না। অপেক্ষা করুন। শিশুর যত্ম নিন পুষ্টিকর খাবার দিন।
৪) বাচ্চার বয়স ১৫ মাসের উর্ধ্বে (১৬-২৪.মাস থেকে ১০ বছর ) টিকা পাবে?
-এই প্রশ্ন করা হচ্ছে কারণ বাবা-মা কনফিউজড। দেখুন একটি টিকা দিলে ৯৫% এবং ২টি ডোজ দেয়ার পর ৯৭% ইম্যুনিটি ডেভেলপড হয়!
আমার মতামত টিকা দিন বুস্টার হিসাবে কাজে আসবে। ক্ষতির তো সম্ভবনা নেই ( immunocompromised হলে ভিন্ন কথা)।
৫) MR এর এক ডোজের পর MMR দিয়েছি এখন কি করবো? বয়স ১৫ মাসের উর্ধ্বে?
-টিকা দিন।
৬) দুই ডোজ ইপিআই দেয়ার যারা টিকা দেয়া লাগবে কেন?
-আপনি আসলে বাচ্চাকে টিকা দিতে চাচ্ছেন না। আপনার বাচ্চার Measles IgG titre করুন এবং সিদ্ধান্তে নিন।
৭) বাচ্চা ৯ মাসের ইপিআই ডোজ পেয়েছে. ... দিন আগে মানে ২৮ দিন এখনো (টিকা দেওয়ার দিন পর্যন্ত) হয় নি কি করবো?
ইপিআই ফলো করুন।
৮) ইপিআই এর প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে এবং সেকেন্ড ডোজ দেয়ার ডেট দিয়েছে ( ২৮ দিনের মধ্যে) কি করবো?
এক্ষেত্রে আপনি ক্যাম্পেইন এর টিকা দিন। ইপিআই দিতে চাইলে ক্যাম্পেইনের টিকা দেয়ার পর কমপক্ষে ২৮ দিন পর দিবেন। না দিলেও সমস্যা নেই!
৯) ভ্যাকসিন এতো তাড়াতাড়ি কোথা থেকে আসছে কার্যকরী হবে তো?
সরকার গাভী জ্বি গরু নয় GAVI থেকে ধার নিচ্ছে। পরে কিনে ধার শোধ করবে। কাজেই কার্যকর নয় এমন তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্ত করবেন না।
১০) বাচ্চার একটিভ ইনফেকশন জ্বর ঠান্ডা কাশি আছে টিকা দিবো কি?
এ মুহূর্তে না। আগে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
যে পোস্টটি ছিল
হাম বা Measles টিকার ক্যাম্পেইন শুরু হবে আগামী ৫ এপ্রিলরোববার থেকে। ডাক্তারদের মধ্যে অনেক বাবা-মা আছেন বাচ্চাকে টিকা দিবেন কি না বা অন্যান্য বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন!
এসব নিয়ে প্রশ্ন করুন যথাসম্ভব উত্তর দিতে চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ!
ডাঃ আফরোজা আকবর সুইটি
সহযোগী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।
( copied)@
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Panchagarh
5000