08/10/2024
বঙ্গ বা বাংলা , বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি
মুসলমান উনাদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙ্গালি সংস্কৃতি মানেই মুসলমান উনাদের সংস্কৃতি। আমরা বাংলাদেশী। আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। হাজার হাজার বছরের প্রামান্য ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের । প্রকৃত পক্ষে মুসলমান উনারাই প্রকৃত বাঙ্গালী। উনারাই প্রকৃত আদিবাসী । উনারাই এই ভূমিতে প্রাচীন কালে আবাদ করেছেন। উনারাই এর রক্ষণাবেক্ষনকারী। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এসব সকলেই মুসলমান উনাদের অবদান। স্বাধীন বাংলা ও বাংলাদেশ মুসলমান উনাদের রক্তের বিনিময়েই এসেছে।
বাঙালী মুসলমান উনাদের শিকড়
বঙ্গ নামের মুসলিম চিন্তা-চেতনা ও বাঙ্গালী মুসলমান উনাদের প্রাচীন ইতিহাস বিভিন্ন বইয়ে লিপিবদ্ধ হয়েছে। যার কিছু বইয়ের রেফারেন্স উল্লেখ্য করা হলো : ১. ঐতিহাসিক গোলম হোসেন সলীম উনার রিয়াজ উস সালাতীন (১৭৬৮-১৭৮৮) নামক গ্রন্থে বঙ্গ বা বাঙ্গালা নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশ্লেষন করেছেন। সেই বইতে বঙ্গ নামের উৎপত্তিতে মুসলিম চিন্তা-চেতনার দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। বইতে উল্লেখ আছে, সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত হাম আলাইহি স সালাম উনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ইযাযত মুবারক অনুযাযী পৃথিবীর দক্ষিন ভাগ জনপূর্ন করতে উদ্যোগী হন এবং এ কার্য্যে প্রবৃত্ত হয়ে প্রথম আওলাদ হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম , দ্বিতীয় আওলাদ হযরত সিন্ধ আলাইহিস সালাম , তৃতীয় আওলাদ হযরত হাবাশ আলাইহিস সালাম, চতুর্থ আওলাদ হযরত জানায আলাইহিস সালাস , পঞ্চম আওলাদ হযরত বার্বাও আলাইহিস সালাম এবং ষষ্ঠ আওলাদ হযরত নিউবাহ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে নানাদিকে বসতি স্থাপনের জন্য প্রেরন করেন; উনাদের মধ্যে যিনি যে স্থানে বসতি স্থাপন করেন তা উনার নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। প্রথম আওলাদ হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম যে দেশে বসতি স্থাপন করেছিলেন , সে দেশ হিন্দুস্থান নামে বিখ্যাত হয়েছে। এবং দ্বিতীয় আওলাদ হযরত সিন্দ আলাইহিস সালাম যে দেশে বসতি স্থাপন করেছিলেন তা সিন্ধু নামে অভিহিত হইয়াছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার চার আওলাদ ছিলেন, ১. হযরত পুরব আলাইহিস সালাম , ২. হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম, ৩. হযরত দখিন আলাইহিস সালাম, ৪. হযরত নহেরওয়াল আলাইহিস সালাম। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাাম উনার আওলাদগন উনাদের মধ্যে যিনি যে দেশ অধিকার করেছেন, সে দেশ উনার নামে খ্যাত হয়েছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার তৃতীয় আওলাদ হযরত দখিণ আলাইহিস সালাম উনার তিন জন আওলাদ ছিলেন, ১. সারহাট আলাইহিস সালাম, ২. হযরত কানার আলাইহিস সালাম, ৩. হযরত তালাং আলাইহিস সালাম। উনাদের নামানুসারে দক্ষিনাপথ বিভক্ত হয়েছিল। দক্ষিনা পথের আদিবাসীরা উনাদেরই বংশধর এবং আজ পযর্ন্তও এই সকল বংশধর উনাদের প্রাধান্য সেখানে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার চতুর্থ আওলাদ হযরত নহেরওয়াল আলাইহিস সালাম উনার তিনজন আওলাদ ছিলেন, ১. হযরত বাবরুজ আলাইহিস সালাম, ২. হযরত কনোজ আলাইহিস সালাম, ৩. হযরত মালরাজ আলাইহিস সালাম উনাদের নামানুসারেও নগরসমূহ প্রসিদ্ধ হয়েছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার প্রথম হযরত পুরব আলাইহিস সালাম উনার বিয়াল্লিশ জন আওলাদ ছিলেন। এজন্য অতি অল্প সময়ের মধ্যেই উনার বংশ অত্যন্ত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়; উনার বংশধর গন বহু দেশে বসতি সংস্থাপন করেন। সম্মানিত পুরব বংশের সংখ্যা অতিশয় বৃদ্ধি পেলে উনারা নিজেদের একজনকে কতৃত্বপদে নিযুক্ত করে শাসন কার্য্যে বন্দোবস্ত করেন।
খুব শিঘ্রই দ্বিতীয় পর্ব আসবে। ইংশাআল্লাহ!
#বঙ্গ বা বাংলা , বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি
মুসলমান উনাদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙ্গালি সংস্কৃতি মানেই মুসলমান উনাদের সংস্কৃতি। আমরা বাংলাদেশী। আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। হাজার হাজার বছরের প্রামান্য ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের । প্রকৃত পক্ষে মুসলমান উনারাই প্রকৃত বাঙ্গালী। উনারাই প্রকৃত আদিবাসী । উনারাই এই ভূমিতে প্রাচীন কালে আবাদ করেছেন। উনারাই এর রক্ষণাবেক্ষনকারী। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এসব সকলেই মুসলমান উনাদের অবদান। স্বাধীন বাংলা ও বাংলাদেশ মুসলমান উনাদের রক্তের বিনিময়েই এসেছে।
বাঙালী মুসলমান উনাদের শিকড়
বঙ্গ নামের মুসলিম চিন্তা-চেতনা ও বাঙ্গালী মুসলমান উনাদের প্রাচীন ইতিহাস বিভিন্ন বইয়ে লিপিবদ্ধ হয়েছে। যার কিছু বইয়ের রেফারেন্স উল্লেখ্য করা হলো : ১. ঐতিহাসিক গোলম হোসেন সলীম উনার রিয়াজ উস সালাতীন ১৭৬৮-১৭৮৮ নামক গ্রন্থে বঙ্গ বা বাঙ্গালা নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশ্লেষন করেছেন। সেই বইতে বঙ্গ নামের উৎপত্তিতে মুসলিম চিন্তা-চেতনার দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। বইতে উল্লেখ আছে, সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত হাম আলাইহি স সালাম উনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ইযাযত মুবারক অনুযাযী পৃথিবীর দক্ষিন ভাগ জনপূর্ন করতে উদ্যোগী হন এবং এ কার্য্যে প্রবৃত্ত হইয়া প্রথম আওলাদ হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম , দ্বিতীয় আওলাদ হযরত সিন্ধ আলাইহিস সালাম , তৃতীয় আওলাদ হযরত হাবাশ আলাইহিস সালাম, চতুর্থ আওলাদ হযরত জানায আলাইহিস সালাস , পঞ্চম আওলাদ হযরত বার্বাও আলাইহিস সালাম এবং ষষ্ঠ আওলাদ হযরত নিউবাহ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে নানাদিকে বসতি স্থাপনের জন্য প্রেরন করেন; উনাদের মধ্যে যিনি যে স্থানে বসতি স্থাপন করেন তা উনার নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। প্রথম আওলাদ হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম যে দেশে বসতি স্থাপন করেছিলেন , সে দেশ হিন্দুস্থান নামে বিখ্যাত হয়েছে। এবং দ্বিতীয় আওলাদ হযরত সিন্দ আলাইহিস সালাম যে দেশে বসতি স্থাপন করেছিলেন তা সিন্ধু নামে অভিহিত হইয়াছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার চার আওলাদ ছিলেন, ১. হযরত পুরব আলাইহিস সালাম , ২. হযরত বঙ্গ আলাইহিস সালাম, ৩. হযরত দখিন আলাইহিস সালাম, ৪. হযরত নহেরওয়াল আলাইহিস সালাম। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাাম উনার আওলাদগন উনাদের মধ্যে যিনি যে দেশ অধিকার করেছেন, সে দেশ উনার নামে খ্যাত হয়েছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার তৃতীয় আওলাদ হযরত দখিণ আলাইহিস সালাম উনার তিন জন আওলাদ ছিলেন, ১. সারহাট আলাইহিস সালাম, ২. হযরত কানার আলাইহিস সালাম, ৩. হযরত তালাং আলাইহিস সালাম। উনাদের নামানুসারে দক্ষিনাপথ বিভক্ত হয়েছিল। দক্ষিনা পথের আদিবাসীরা উনাদেরই বংশধর এবং আজ পযর্ন্তও এই সকল বংশধর উনাদের প্রাধান্য সেখানে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার চতুর্থ আওলাদ হযরত নহেরওয়াল আলাইহিস সালাম উনার তিনজন আওলাদ ছিলেন, ১. হযরত বাবরুজ আলাইহিস সালাম, ২. হযরত কনোজ আলাইহিস সালাম, ৩. হযরত মালরাজ আলাইহিস সালাম উনাদের নামানুসারেও নগরসমূহ প্রসিদ্ধ হয়েছে। হযরত হিন্দ আলাইহিস সালাম উনার প্রথম হযরত পুরব আলাইহিস সালাম উনার বিয়াল্লিশ জন আওলাদ ছিলেন। এজন্য অতি অল্প সময়ের মধ্যেই উনার বংশ অত্যন্ত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়; উনার বংশধর গন বহু দেশে বসতি সংস্থাপন করেন। সম্মানিত পুরব বংশের সংখ্যা অতিশয় বৃদ্ধি পেলে উনারা নিজেদের একজনকে কতৃত্বপদে নিযুক্ত করে শাসন কার্য্যে বন্দোবস্ত করেন।
খুব শিঘ্রই দ্বিতীয় পর্ব আসবে। ইংশাআল্লাহ!
#বাংলানামেরউৎপত্তি
@ফলোয়ার
@হাইলাইট করুন
.....সর্তক.....প্রানীর ছবি মানুষের ছবি পোষ?