06/10/2023
এতদ্বারা Department of Political Science - M.R Govt. College, Panchagarh এর অনার্স ১ম বর্ষ (২০২১-২০২২) ছাত্র ছাত্রীদের জানানো যাচ্ছে যে, তাদের প্রবেশ পত্র আগামী ০৯/১০/২০২৩ ও ১০/১০/২০২৩ ইং তারিখে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীদেরকে উক্ত তারিখে বিভাগে এসে প্রবেশ পত্র গ্রহণ করার জন্য বলা হলো।
19/09/2023
অনার্স ১ম বর্ষের রুটিন
সকল ডিপার্টমেন্টের জন্য আলাদা করে দেওয়া....
18/09/2023
🔥ব্রেকিং নিউজ🔥 অনার্স ১ম বর্ষের রুটিন প্রকাশ
২০২২ সালের অনার্স ১ম বর্ষ(২০২১-২২) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
◾পরীক্ষাসমূহ শুরু হবে ১৬/১০/২০২৩ তারিখ থেকে।
◾পরীক্ষাসমূহ প্রতিদিন দুপুর ১ঃ০০ থেকে শুরু হবে।
⚠️ বি_দ্রঃ এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত ২০২০-২১,২০১৯-২০, ২০১৮-১৯,২০১৭-১৮,২০১৬-১৭ ও ২০১৫-১৬,২০১৪-১৫ এবং ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা।
13/06/2023
সাল নিয়ে কনফিউশন আর নয়
১. দ্বৈত শাসন + ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ ⇒ ১৭৬৫;
২. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ⇒ ১৭৭০;
৩. আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ ⇒ ১৭৭৬ ;
৪. ফরাসি বিপ্লব ⇒ ১৭৮৯;
৫. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৮০০;
৬. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু ⇒ ১৮০১ ;
৭. ওয়াটার লুর যুদ্ধ ⇒ ১৮১৫ ;
৮. লর্ড বেন্টিং কর্তৃক রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ + ঢাকা বিভাগ চালু ⇒ ১৮২৯;
৯. তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মান ⇒ ১৮৩১;
১০. লর্ড ডাল হৌসি কর্তৃক উপমহাদেশে রেল চালু ⇒ ১৮৫৩;
১১. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় ⇒ ১২০৪ সালে;
১২. ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠা ⇒ ১৪৫৯;
১৩. কম্ববাসের আমেরিকা আবিষ্কার ⇒ ১৪৯২;
১৪. ভাস্কোডা গামার ভারত বর্ষে আসার জলপথ আবিষ্কার ⇒ ১৪৯৮ ;
১৫. পানি পথের ১ম যুদ্ধ ⇒ ১৫২৬;
১৬. বাংলা সাল গণনা শুরু + পানি পথের ২য় যুদ্ধ+ সম্রাট আকবরের সিংহাসন লাভ⇒ ১৫৫৬;
১৭. সর্বপ্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী ⇒ ১৬১০ ;
১৮. পলাশীর যুদ্ধ ⇒ ১৭৫৭ সালে;
১৯. পানি পথের ৩য় যুদ্ধ ⇒ ১৭৬১ ;
২০. বক্সারের যুদ্ধ ⇒ ১৭৬৪;
২১. লর্ড ডাল হৌসি কর্তৃক হিন্দু বিধবা আইন পাশ ⇒ ১৮৫৬;
২২. বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশ + সিপাহী বিদ্রোহ + কাগজের মুদ্রা চালু + বাংলাদেশে বাণিজিক ভাবে চা চাষ শুরু ⇒ ১৮৫৭ সালে;
২৩. নীল বিদ্রোহের অবসান + নীল দর্পন নাটকের প্রকাশ ⇒ ১৮৬০;
২৪. রবী ঠাকুরের জন্ম ও মাইকেলের মেঘনাথ বধ কাব্যে প্রকাশ + আমেরিকা গৃহ যুদ্ধ শুরু – ১৮৬১ ;
২৫. বাংলাদেশে রেল চালু ⇒ ১৮৬২;
২৬. যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা বিলুপ্ত+ মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি ⇒ ১৮৬৩ ;
২৭. বাংলা সাহিত্যের ১ম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশ নন্দিনী প্রকাশিত ⇒ ১৮৬৫;
২৮. রোকেয়ার জন্ম ⇒ ১৮৮০;
২৯. পৃথিবীতে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার পান ⇒ ১৮৯৩ ;
৩০. আধুনিক অলিম্পিকের যাত্রা শুরু ⇒ ১৮৯৬ ;
৩১. কাজী নজরুল ও জীবনানন্দের জন্ম ⇒ ১৮৯৯ ;
৩২. নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু ⇒ ১৯০১;
৩৩. বঙ্গভঙ্গ শুরু এবং ঢাকা প্রাদেশিক রাজধানী ⇒ ১৯০৫ সালে;
৩৪. মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠিত ⇒ ১৯০৬ সালে;
৩৫. চর্যাপদ আবিষ্কৃত ⇒ ১৯০৭ সালে;
৩৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত ⇒ ১৯০৯ সালে;
৩৭. গীতাঞ্জলি প্রকাশ ⇒ ১৯১০;
৩৮.বঙ্গভঙ্গ রদ ⇒ ১৯১১ সালে;
৩৯. টাইটানিকের ডোবা ⇒ ১৯১২ ;
৪০. গীতাঞ্জলির জন্য রবীর নোবলে + যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পানামা খাল
12/06/2023
রাষ্ট্রবিজ্ঞান (ইংরেজি: Political Science) সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখাবিশেষ; যেখানে পরিচালন প্রক্রিয়া, রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনীতি সম্পর্কীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাষ্ট্র সম্পর্কীয় বিজ্ঞান নামে উল্লেখ করেছেন।
এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়
উপ-শাখাসমূহসম্পাদনা
অধিকাংশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নিম্নোক্ত এক বা একাধিক ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছেন -
গবেষণা-সহ তুলনামূলক রাজনীতি
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
রাজনৈতিক দর্শন
জনপ্রশাসন
গণআইন
ভারতীয় উপমহাদেশসম্পাদনা
প্রাচীন ভারতে ঋগ্বেদ, সংহিতা, ব্রাহ্মণ, মহাভারত এবং বৌদ্ধদের পালি শাস্ত্রে রাজনীতিবিদদের কথকতা উল্লেখ আছে। তক্ষশীলায় অবস্থানকারী চাণক্য ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক চিন্তাবিদ। তিনি অর্থশাস্ত্র রচনা করেন যাতে রাজনৈতিক চিন্তাধারা, অর্থনীতি এবং সামাজিক ভারসাম্যের কথা তুলে ধরেছেন। এতে মুদ্রা ব্যবস্থা ও আর্থিক নীতি, কল্যাণ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, যুদ্ধের আত্মরক্ষামূলক কলাকৌশল-সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদির কথা লিপিবদ্ধ রয়েছে। চাণক্য যুগের অবসানের দুই শতক পরবর্তীকালে রচিত মনুস্মৃতি গ্রন্থেও ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রামাণ্য বিষয় হিসেবে স্বীকৃত। যদিও বহু পাশ্চাত্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মনে করেন যে, প্রাচীন ভারতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান চর্চা ধর্মনিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে গড়ে ওঠেনি। এবিষয়ে বিখ্যাত অধ্যাপক ডানিং বলেছেন, "প্রাচ্যের আর্যরা তাঁদের রাষ্ট্রভাবনাকে ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা থেকে মুক্ত করতে পারেননি।" তবে এ মতের বিরোধীতা করে বলা যায়, প্রাচীন ভারতে ধর্ম কেবলমাত্র পূজাপার্বণ ছিলনা, বরং ধর্ম বলতে বোঝাত, একপ্রকার জীবনচর্যা, যা মানুষ এবং সমাজের উন্নতি সাধন করে। প্রাচীন ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তার একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান হল সপ্তাঙ্গ। কৌটিল্য তার অর্থশাস্ত্রে এবিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার মতে, কোন রাষ্ট্রের মোট উপাদান হল সাতটি। যথাঃ- স্বামী, অমাত্য, জনপদ, কোষ, দুর্গ, দূরগ, মিত্র। কৌটিল্যর এই সপ্তাঙ্গ তত্ত্ব বর্তমান কালের বহু চিন্তাবিদকেও বিস্মিত করে।
প্রাচীন ভারতের মতোই মধ্যযুগেও ভারতে রাষ্ট্রচিন্তার এক উল্লেখযোগ্য ধারা পরিলক্ষিত হয়। সুলতানী সাম্রাজ্যের মতোই মোঘল সাম্রাজ্যেও রাজনীতি এক বিশেষ প্রায়োগিক রূপলাভ করে। এ সময়ে আকবর, শাহজাহান, (একইসাথে শেরশাহ) প্রভৃতি বাদশাহদের পররাষ্ট্রনীতি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এসময়ে এক কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্রব্যবস্থা যেমন গড়ে ওঠে, তার পাশাপাশি জায়গীরদারি ব্যাবস্থার মাধ্যমে অর্থনীতির বিকেন্দ্রীভবনও বহুলাংশে সম্ভবপর হয়। আবুল ফজল সহ আরও বহু লেখকের লেখা সেসময়কার রাষ্ট্রব্যাবস্থার প্রামান্য দলিল হয়ে রয়েছে।
সাধারণভাবে ভারতে ইউরোপীয় বণিকশক্তি, পাশাপাশি রাজশক্তির আগমণের মাধ্যমেই আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছে বলে মনে করা হয়। আধুনিক যুগের সূচনায় ভারতীয় রাজনীতি এক সম্পূর্ণ নতুন রূপ পরিগ্রহ করে। রাষ্ট্রব্যাবস্থার বিস্তার ঘটার পাশাপাশি তা আরও জটিল রূপলাভ করে। ভারতে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে ভারতীয় রাজনৈতিক চিন্তার যে কটি ধারা বিশেষ প্রবল রূপলাভ করে সেগুলি হলঃ-
১) সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা হিসেবে জাতীয়তাবাদের বিকাশ। এ প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে, ইউরোপে জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটেছিল এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়। সে সময়কার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বুর্জোয়া অর্থনীতির বিকাশের এক হাতিয়ার হিসেবে। কিন্তু ভারতে জাতীয়তাবাদের বিকাশের পটভূমি সম্পূর্ণ পৃথক, যা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতে জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রে কয়েকজন পুরোধা ব্যক্তি হলেনঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, স্বামী বিবেকানন্দ প্রমূখ। এঁরা বিদেশী রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ বিরোধীতা করে এক যথার্থ ভারতবর্ষের কল্পনা করেছিলেন।
২) উপনিবেশিক শক্তির সাহায্যে ভারতীয় সমাজের উন্নয়ন ঘটানোর প্রয়াস একদল চিন্তাবিদের কাজকর্মের মধ্যে প্রতিফলিত হয়। যেমন, রাজা রামমোহন রায়।
৩) জাতীয়তাবাদের সংকীর্ন গন্ডীকে পেরিয়ে এসময় কতিপয় ভারতীয় দার্শনিক আন্তর্জাতিকতাবাদের প্রশস্ত পথেই মানবমুক্তির কথা বলেন। এদের অন্যতম হলেন রবীন্দ্রনাথ।
৪) বিংশ শতকের বিশের দশকের গোড়া থেকেই সোভিয়েত বিপ্লবের সাফল্যে অনুপ্রানিত হয়ে মানবেন্দ্রনাথ রায়, অবনী মুখার্জী প্রমুখেরা মার্ক্সবাদী রাজনীতির একটি বিকল্প ধারা গড়ে তোলেন।
৫) এর পাশাপাশি বিশেষভাবে উল্লেখ করা দরকার উপনিবেশিক ভারতে ধর্মের ভিত্তিতেও রাজনীতির তথা রাষ্ট্রচিন্তার এক ধারা লক্ষ্য করা যায়, যা পরবর্তীকালে প্রবল হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে সৈয়দ আহমেদ খান, সাভারকার, গোলয়ালকার প্রমুখের নাম এবং ধর্মীয় সংগঠন হিসেবে মুসলিম লিগ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ প্রভৃতির কথা উল্লেখ করা যায়।