15/02/2024
আটলংকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের জাতীয় সংগীতেরএকাংশ
Pabna,chatmohar,6610
15/02/2024
আটলংকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের জাতীয় সংগীতেরএকাংশ
17/03/2023
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আটলংকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় এ চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতার শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
নিত্য
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা
02/03/2023
নিত্য প্রতিযোগিতা
যৌবন কালে রুপ দেখিয়ে কলেজ কাপানো মেয়েটি আজ নিজের স্বামীর কাছে অবহেলার পাত্রী।
অপি করিম, শখ, স্পর্শিয়া, সারিকা, মোনালিসা,ন্যান্সি,মিথিলা, সালমা, প্রভা, জয়াদের মতন জাতীয় ক্রাশরা তাদের স্বামীর ক্রাশ হয়ে থাকতে পারেনি তাদের সৌন্দর্য দিয়ে।
লাক্স সুন্দরী বাঁধন তো জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী, সে কেন পারেনি তার সৌন্দর্য দিয়ে স্বামীকে মুগ্ধ করতে?
অপু, পপীরা পর্দায় নায়িকা হলেও, বাস্তব জীবনে সংসারী হতে পারেনি।হ্যাপি, সুবাহ্-র মতন সুন্দরীরা রুবেল, নাসিরদের কাছে রিজেক্টেড হচ্ছে প্রতিনিয়তই।
তাদের সৌন্দর্য যেন প্যারালাইজড্।
ভাবা যায় ? পত্রিকায় পাত্র-পাত্রী চাই বিজ্ঞাপনে অধিকাংশই আপনি দেখবেন, "ডিভোর্সি সুন্দরী + ধনী পাত্রীর জন্য পাত্র চাই"।
বড়লোকের সুন্দরী মেয়ে, ডিভোর্সি হওয়ার কারণ কি?
বিয়ের আগে যারা এত ডিমান্ডেড, বিয়ের পর তারা কেন এত এভোয়েডেড? বুঝে আসে কিছু?
প্রকৃত ব্যাপার হল-
বাহ্যিক সৌন্দর্যের নয়,
ভিতরের সৌন্দর্যের পরিচর্যা করুন।
নারীর সুন্দর মুখের চেয়ে তার গুণ, মেধা, ধার্মিকতা ও সৎ চরিত্রকে বেশি গুরুত্ব দিন।
🕛 সাল ২০৮০ইং 🕛
বিছানায় শুয়ে শুয়ে বোরিং হয়ে গেছি । বেড বক্সের উপর থেকে চশমাটা হাতড়ে নিলাম আর খাটের পাশ থেকে লাঠিটা নিয়ে নাতনীর ঘরে গেলাম গল্প করব বলে। গিয়ে দেখি ও ল্যাপটপে কিছু একটা করছে। আমি যেতেই বলল, দাদুন তুমি ! বসো বসো। আমি টিউশনে যাবো।
বসলাম ওর ঘরে।
ল্যাপটপটা খোলাই ছিল। চশমা চোখে দিয়েও ভালো দেখতে পারি না। হঠাৎ মনে পড়ল আজ কত যুগ ধরে ফেসবুকে যাই না। অথচ যে ছেলেটা না এখনকার বুড়োটা একসময় দিন রাত ফেসবুকে চ্যাটিং, ছবি আপলোড দেওয়া নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো।
অনেক কষ্টে পাসওয়ার্ডটা মনে করলাম। আইডিটা লগ ইন করে দেখি ইনবক্সে ৮৬৭৮ টা ম্যাসেজ। আইডিটা চেনাই যাচ্ছে না। সব অপরিচিত লাগছে। ফ্রেন্ড সংখ্যা ছিল ৪৭৮৮ জন। কিন্তু এখন চ্যাট লিস্টে আছে ২৮ জন। বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ায় হয়ত ওরাও আর ফেসবুক চালায় না।
ইনবক্সে ঢুকতেই আমার ক্লোজ কয়েকটা ফ্রেন্ডের ম্যাসেজ। বন্ধু শরীরটা ভালো নেই। বেশিদিন হয়ত বাঁচব না। ম্যাসেজটা ছিল ৫ বছর আগে। খবর পেয়েছি ৪ বছর আগেই সে মারা গেছে। আমার বেস্টিও ৯ বছর আগে মারা গেছে। ওর সাথে চ্যাটিং গুলো পড়ে খুব ভালো লাগছিল। গ্রুপে ফ্রেন্ডদের সাথে কত মজা, আড্ডা এ সবই পড়ে আছে। ওদের অধিকাংশই মারা গেছে।
এরপর চ্যাট লিস্টের একদম শেষে পেলাম তার ম্যাসেজ। হ্যা আমার সেই পুরোনো "একতরফা" ভালোবাসা। ওর কোন খবরই জানি না। কত ভালোবাসতাম দুজন দুজনকে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে বিয়েটা হয়নি । আজ অনেক দিন পর তার কথা মনে পড়ছে। তার আইডিটায় ঢুকলাম লাস্ট পোস্ট ছিল ১৬ বছর আগে। তার নাতনীর সাথে ছবি। আরো একটু নিচে যেতে দেখলাম তার ফ্যামিলির ছবি। সে, তার স্বামী, মেয়ে, ছেলে আর নাতী- নাতনী। খুব হ্যাপি ফ্যামিলি। ওকে যেদিন শেষ দেখেছিলাম - চুলগুলো সেই রকম স্টাইল দেওয়া, পড়নে লাল শাড়ী ছিল , ভাগ্যক্রমে এখন তার ছিল অন্য। কিন্তু এখন এই ছবি গুলোতে সাদা শাড়ি পড়া, চুলগুলো সব সাদা। কিছু কিছু আবার মেহেদী দিয়ে লাল করা। হঠাৎ মোবাইলের স্ক্রীনে নিজের ছবিটা দেখলাম। হ্যা আমিও তো বুড়ো হয়ে গেছি। ও দেখলে নিশ্চয়ই বলত, বুড়ো দাদু। আচ্ছা ও কি আজও বেচে আছে ? জানি না !
ওর আইডিটায় শেয়ার করা একটা পোস্ট পেলাম। একজন ওর আইডির স্ক্রীনশট দিয়ে লিখেছে, "এই দাদী গতকাল আনুমানিক বিকেল ৫ টায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন , উনি যেনো স্বর্গলাভ করেন এই আমার পার্থনা"। পোস্ট পড়েই থমকে গেলাম। পাঁচ বছর আগের পোস্ট। ও মারা গেছে তাহলে ? হায়রে !. কোথায় সেই একসাথে বাঁচবো বলে কথা দেওয়া দিনগুলো। অজান্তেই চোখের কোনে পানি এলো।
এরপর পরিচিত ফ্রেন্ডদের আইডিটা দেখছিলাম। ওদের আইডিটা এখনো প্রানবন্ত। কিন্তু ওরা প্রানবন্ত না। অনেকেই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছে। যে ফ্রেন্ডটা রোজ নতুন নতুন সেলিফি আপলোড দিত, সেও ২০ বছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছে। খবর শুনে দেখতে গেছিলাম। মজার মজার জোক্স পোস্ট করা ফ্রেন্ডটার খবর জানি না। লেখক ফ্রেন্ডটা ৮ বছর আগেও একটা পোস্ট দিয়েছে ওর ছেলে ওকে বৃদ্ধা আশ্রমে ফেলে এসেছে এই নিয়ে। ওর সাথে যোগাযোগ নেই। এরপর আমার আইডিটায় গেলাম। এত ট্যাগের ভিড়ে নিজের শেষ পোস্টটা পাচ্ছিলাম না। এইতো অনেক কষ্ট খুঁজে পেয়েছি ৩৩ বছর আগে আমার স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম। সেই জায়গার কয়েকটা পিক। আরো প্রিভিয়াস পোস্টগুলো পড়ে কখনো হাসলাম। কখনো কাঁদলাম।
হঠাৎ নাতনী ডাক দিল দাদু আমি রেডি। টিউশনে যাব। ল্যাপটপ দাও।
আমি: ল্যাপটপ নিয়ে টিউশনে যাবি?
নাতনী: আরে তুমি আদি যুগের মানুষ বোঝো না? আমরা তো ভার্চুয়াল ক্লাস করি।
আমি: ওহ! তা বই খাতা লাগে না?
নাতনী: ধূর! কি বল? ক্লাস করতে বই খাতা লাগে?
আমি: ওহ! লাগে না?
নাতনী: তোমাদের সময় লাগতো?
আমি: হ্যা লাগতো তো। তবে তখন আমরা বইয়ে পড়তাম দেশে ভার্চুয়াল ক্লাস হবে।
নাতনী: হা হা হা। টিউশনে খাতা - কলম লাগতো! দারুন ফানি! আচ্ছা আমি যাই টিউশন শেষে তোমাদের কালের গল্প শুনবো।
হ্যা এখনকার আধুনিক আমরা ২০৮০ সালের আদিম আমরা। আমাদেরও ওই যুগের ছেলে-মেয়েরা আদি কালের মানুষ বলবে।
"জানিনা ২০৮০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না,
যদি বেঁচে থাকি তাহলে টাইমলাইন এ এসে লেখাটা আরো একবারের জন্য পড়বো 🙂❤️, আর এই সুন্দর দিনগুলোর কথা মনে করবো"🌻।
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 14:00 |
| Saturday | 09:00 - 05:00 |
| Sunday | 09:00 - 05:00 |