13/04/2020
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে রসায়ন ল্যাবরেটরীতে আজ সকাল থেকে স্বল্প পরিসরে Hand Senitizer প্রস্তুত করা হয়। যার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন শ্রদ্ধেয় Faruk Ahmed sir এবং পরে শ্রদ্ধেয় Rasel Ahmed sir
প্রস্তুতকৃত Hand senitizer পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত সকল গার্ড,আনসার সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনতা ব্যাংকের সকল সদস্য এবং ডরমিটরিতে অবস্থানরত পরিবারের মধ্যে বিতরন করা হয়।
Hats off ,
04/10/2013
http://www.priyo.com/2013/10/02/34083.html
ভয়াল লেক ন্যাট্রোন- জীবন্ত প্রাণী মমি হয়ে যায় যেখানে!
অপূর্ব সুন্দর এই হ্রদের পানির তাপমাত্রা ভয়াবহ রকমের বেশি, প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। মাঝে মাঝে এটি ১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট অতিক্রম করে। এছাড়া এই হ্রদের পানির pH এর মাত্রা ৯ থেকে ১০.৫, যা সমুদ্রের পানির pH থেকেও বেশি। অদ্ভুত ব্যাপারটা হচ্ছে এ হ্রদের পানিতে কোন প্রাণী পড়ে গেলে…
22/08/2013
২৭ তারিখ একসাথে দুটি চাঁদের দেখা মিলবে
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক,
স্ট্যান্ডার্ড নিউজ২৪.কম
২৭শে আগষ্ট রাত ১২টার দিকে আকাশের দিকে পাশা- পাশি দুটি চাঁদ দেখা যাবে। তবে অন্যটি আসলে চাঁদ নয় এটি আমাদের সুপরিচিত মঙ্গল গ্রহ।
সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছে মঙ্গল গ্রহকে। শত শত গবেষণার পর পাওয়া গেল, মঙ্গলের নানা রকম বিচিত্র তথ্য। সেই গ্রহের আকাশ লাল। কারণ মঙ্গলের পৃষ্ঠদেশ লাল। আর তার চাঁদের মতো উপগ্রহ আছে পাঁচটি। কখনো বিজ্ঞানীরা বলছেন, সেখানে পানিও পাওয়া গেছে। প্রাণের সন্ধানও নিশ্চয় মিলবে এবার। আবার হঠাৎ গোমড়া মুখে জানিয়েছেন, কোনো প্রাণীর পক্ষে সেখানে বসবাস করা সম্ভব নয়।
কয়েক বছর আগে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছায় নাসার নভোযান পাথ-ফাইন্ডার। এরপর রাশিয়া এবং নাসার পক্ষ থেকে আরো নভোযান পাঠানো হয়েছে, ভবিষ্যতে আরো হবে। কিন্তু যদি এমন হয় স্বয়ং মঙ্গল গ্রহ নিজেই ধরা দেয় পৃথিবীর কাছে? হ্যাঁ সে রকমই হতে যাচ্ছে ২৭শে আগষ্ট । পৃথিবীর খুব কাছাকাছি আসার ফলে একে চাঁদের মত উজ্জ্বল দেখাবে। বিজ্ঞানীদের মতে এটি পরবর্তিতে ২২৭৮ সালে দেখা যাবে।
27/04/2013
"ধ্বংস স্তূপের বাহিরে অনেক মানুষ ... হঠাৎ বের হয়ে আসল একটা লাশ ... একজন বোনের লাশ ... হাতের মধ্যে সাদা কাগজে ২ লাইন লেখাঃ
"আম্মা-আব্বা আমারে মাফ কইরা দিউ তোমাগোরে আর ঔষুধ কিনে দিতে পারবনা। ভাই তুই আম্মা আব্বার দিকে খেয়াল রাখিছ"
হতভাগা মা চিঠি আর মেয়ের ছবি নিয়ে একটু কাঁদছে আর বেহুঁশ পড়ছে ... এরকম দৃশ্য দেখার পরে আর কোন মানুষ হয়ত চোখের পানি টুকু আটকিয়ে রাখতে পারবেনা !!
"ভাই আমার মাকে বইলেন,আমাকে মাফ করে দিতে,আমার বাড়ি পিরোজপুর ,হুলার হাট। ভাই আমি মারা গেলে লাশ টা বাড়িতে পাঠাইয়েন !!"
"ভাই দরকার হলে আমার পা কেটে বের করেন,তবুও আমাকে বাচান,আমি আর এই যন্ত্রনা সইতে পারিনা !!"
"ভাই আমাকে একটা হাতুড়ে দেন,আমি নিজেকে বের করতে পারব… !!"
"শ্বাস নিতে পারছিনা,লাশের গন্ধে মারা যাবো,ভাই একটু অক্সিজেন আনতে পারবেন !!"
"ভাই আমাকে এখান থেকে বের করেন,আমার একটা ২ বছরের ছেলে আছে,ওর জন্য আমাকে বাচান,ওরে দুধ খাওয়াতে হবে !!"
চাপা পড়া মানুষের এই আকুতিগুলা চোখকে ঝাপসা করে দেয় !!
26/04/2013
একটা মহিলা... নাম তার রোজিনা...
এত বড় বিল্ডিং ধসে পড়লো... অথচ, তার হাত ভাঙ্গে নি, পা ভাঙ্গে নি... সামান্য আহতও হয় নি....
তবে সে এমনভাবে আটকা পড়েছে যে, সে বিপরীত দিকে কাত হতে পারছে না.. চিত্ হতে পারছে না... সামান্য শরীর চুলকাতে পারছে না.. চিন্তা করুন তো, আপনি নিজে একদিকে কাত্ হয়ে কতক্ষণ শুয়ে থাকতে পারবেন ??
কাল থেকে সেই মহিলা কারো সাথে কথা বলতে পারে নি... হয়তো মৃত্যুর প্রহর গুনছিলো.. চোখ দিয়ে অর্নগল পানি পড়ছিলো.. সেই পানি কানের ভিতর ঢুকে গেলেও সে কিছু করতে পারছিলো না... এমন অবস্থায় আপনি কি কি চিন্তা করতেন ??
মহিলাটি হয়তো চিন্তা করছিলো, সারা জীবন কি কি করেছে... তার মা এখন কি করছে ?? বাপ এখন কি করছে ?? বাচ্চাটা কি করছে ??
এসব ভাবতে ভাবতে অবশেষে হঠাত্ একজন মানুষ চিত্কার করে বললো, কেউ কি বেঁচে আছেন ??
মহিলা বললো, হ্যাঁ.. আমি বেঁচে আছি... অথচ, উদ্ধারকারী মানুষটাও তাকে খুঁজেই পাচ্ছে না...
সে যাই হোক... অবশেষে যখন খুঁজে পেল.... তখন দেখল মহিলাকে উদ্ধার করতে হলে পুরো বিল্ডিংটাই ভাঙ্গতে হবে !! আর বিল্ডিং ভাঙ্গতেও যে ৬ দিন লাগবে !! উদ্ধারকারী টিম আসার পরও সকাল থেকে রোজিনা ঐ অবস্থাতেই গোঙাচ্ছে.....
বলুন তো, এই অবস্থায় কার চোখে পানি আসবে না ??
খোদার কসম.. এনটিভিতে রোজিনার কিম্ভুতকিমাকার টাইপের আটকা পড়ার দৃশ্য দেখে আমি রোজিনার কষ্টের কথাই ভাবছিলাম... আর, এই পোস্টটা রেডি করছি, কাঁদছি আর ঘরের ছাদের দিকে তাকাচ্ছি... এই বুঝি ছাদটা ভেঙ্গে পড়লো !!
একটা প্রার্থনাই করি... "হে আমার প্রভু... সাভার ট্রাজেডিতে যারা এখনও বেঁচে আছে তাদেরকে আর কষ্ট দিয়ো না... এভাবে তিলে তিলে মেরো না... তোমার অসীম ক্ষমতা দিয়ে তাদেরকে হয় এক সেকেন্ডে মেরো ফেলো নতুবা এমন উপায় করে দাও যাতে তারা কোন কষ্টই না পেয়েই বেঁচে ফিরে আসে !তিলে তিলে মরার চেয়ে এটা অনেক ভালো ! আর, আমাকে ক্ষমা করো ।এত যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু আমাকে দিয়ো না... সর্বদা যেন তোমার দেখানো পথে চলতে পারি সেই তৌফিক দাও ।"
23/04/2013
আগামী ১০০০ বছরে মানব জাতির
অস্তিত্ত্ব থাকবে নাঃ স্টিফেন হকিং!
শূন্য ত্বরণের অভিজ্ঞতা নেয়া বিখ্যাত
তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন
হকিং তার পুরোটা কর্মজীবন মহাবিশ্বের অলংকরণে নিয়োজিত রেখেছেন। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, স্থানের অনবরত প্রসারণ মানব জাতির জন্য মোটেও সুখকর সংবাদ নিয়ে আসবে না।
"জীবন যতোই কঠিন হোক না কেন, সফল হওয়ার মতো অনেক কিছুই করার আছে" ,বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।
৭১ বছর বয়সী হকিং মনে করেন,
আগামী ১০০০ বছরে মানব জাতির
অস্তিত্ত্ব থাকবে না, যদি না তারা নশ্বর এ পৃথিবীর বিকল্প খুঁজে পায়। ইংরেজ এই পদার্থবিদ গত মঙ্গলবার ,সিডার্শ সাইনাই'
মেডিক্যাল সেন্টারের ডাক্তার ও নার্সদের এক সমাবেশে এ কথা বলেছেন। সে সময় তিনি একটি স্টেম সেল ল্যাবরেটরি উদ্ভোধন করেন। আজ থেকে ৫০ বছর আগে স্টিফেন হকিং ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন অবস্থায় 'মটর নিউরন' নামের এক নিউরোলজিকাল রোগে আক্রান্ত হন। এর ফলে তার পুরো শরীর অচল হয়ে গেলেও সফলতার সাথেই তিনি তার পড়াশুনা চালিয়ে যান এবং পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। শুধু তাই-ই নয়, তিন বেশ সফলভাবেই তার গবেষোণা কর্ম চালিয়ে এসছেন এবং নিজেকে পদার্থবিদ্যার এক শক্তিমান
বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তিনি বলেন, "আপনি যদি কখনো বুঝতে পারেন মহাবিশ্ব কিভাবে পরিচালিত হয়, তবে আপনি নিজেই
তা কোন না কোনভাবে পরিচালনা করতে পারবেন"। সিডার্শ সাইনাই
মেডিক্যাল সেন্টারে তাঁর ১
ঘণ্টাব্যাপী দীর্ঘ বক্তব্যকে 'অ্যা ব্রিফ
হিস্ট্রি অব মাইন' বা 'আমার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস' বলে নামকরণ করেছেন। তিনি বলেন, "জীবন যতোই কঠিন হোক না কেন, সফল হওয়ার মতো অনেক কিছুই
করার আছে"।
16/04/2013
লার্জ হাড্রন কোলাইডার (এলএইচসি)- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক প্রজেক্ট। সুইজারল্যান্ড-ডেনমার্কের সিমান্তেরে ভূগর্ভে ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্থাপিত হয়েছে এই প্রজ্ক্টে। উদ্দেশ্য মহবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য উদঘাটন করা। এরই অংশ হিসেবে বিজ্ঞানীরা হিগস-বোসন কণার তালাশ শুরু করে। ২০১২ সালে এজন্য বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এলএইচসি’র সাইক্লোট্রোনে। ২০১২ সালের ৪ জুলাই সেই বিস্ফোরণে হিগস বোসনের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সন্দেতীত ভাবে নিশ্চিত করতে পারেন নি। শুরু হয় নানা গুঞ্জন, সন্দেহ। বিজ্ঞানীরা আরো ভালোভাবে গবেষণা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেন। সম্প্রতি শেষ হয়েছে সেই গবেষণা।অবসান ঘটেছে সেই অনিশ্চয়তার। এলএইচসি বিজ্ঞানীরা এখন ১০০ ভাগ নিশ্চিত তাদের আবিষ্কৃত কণাটিই হিগস বোসন। আর এ ঘোষণাটা এলএইচসি বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন ১৪ মার্চ, ইতালিতে অনুষ্ঠিত রিকনট্রেস ডি মোরিওন্ড কনফারেন্সে। প্রাথমিক অবস্থায় পাওয়া ডাটাসহ আরো আড়াইগুণ বেশি ডাটা বিশ্লেষণ করে নিজেদের আবিষ্কার সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা।
তবে এই কণাটি ঠিক কোন ধরনের হিগস কণা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। এ ব্যাপারে এলএইচসি মুখপাত্র জো ইনকানডেলা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য আর ২০১২ সালের পরীক্ষা থেকে পাওয়া পুরো ডাটা সেট বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত যে, হিগস কণাই খুঁজে পেয়েছি আমরা। তবে এটা ঠিক কোন ধরনের হিগস কণা ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আরো বিস্তারিত গবেষণার দরকার রয়েছে।