অটোমান সাম্রাজ্যের সম্রাট সুলতান সুলেমান নিজ পুত্র শাহজাদা মুস্তফাকে যে মুল্যবান উপদেশ দিয়েছিলেন।
Bharenga academy 1858
Higher Secondary School
Natun Bharenga, Bera,Pabna.
18/02/2022
হেজু তো এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি!
নিজে লেখাপড়া না জানলে কি হবে, সে এলাকার বিশিষ্ঠ শিক্ষা অনুরাগী। এখন সে মদনখালী গ্রামের একটি মসজিদ, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদ্রাসা ও দুটি প্রাইমারি স্কুলের সভাপতি। জীবনে সে বিদ্যালয়ে না গেলেও মেম্বার হওয়ার পরে নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শনে যায়। এতোগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও একাধিক সামাজিক সংগঠনের সভাপতিও হেজু। তাই সাত দিন চেষ্টা করে স্বাক্ষর শিখে নিল। ছেলের লজিংমাষ্টারের নিকট সে এইচ, ই, জে ,ইউ ' এই চার অক্ষরের ইংরেজি পেঁচানো স্বাক্ষর শিক্ষা নিল। স্বাক্ষরে কি, কোন কোন অক্ষর আছে, সেটি হেজু বলতে পারে না। শুধু কলম ঘুরায়।
হেজু প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়ার পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আয়-ব্যয় বেড়ে গেল। এতোদিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে খোলামাঠ পড়ে ছিল, শিক্ষার্থীরা সেখানে খেলাধুলা করতো। বিকালে পাড়ার ছেলেরা খেলাধুলা করতো। গ্রামে কেউ মারা গেলে বিদ্যালয়ের মাঠে বড় জানাজার নামাজ হতো। বছরে এক আধবার ওয়াজ-মাহফিল, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান হতো, পূর্ব দিকে একটা পুকুর ছিল, তার পাড়ে ফুলের বাগান ছিল। ছাত্ররাই বাগানের যত্ন নিত। এগুলো এখন আর কিছু নেই। হেজু পুরোপুরি পুকুর ও মাঠের বাৎসরিক ইজারা নিয়েছে। মাঠে সাপ্তাহিক গরুর হাট বসিয়েছে। পুকুর ভরাট করে মাঠ বড় করেছে। রাস্তার সাইডে মাঠ কমিয়ে দোকান ঘর তৈরী করে ভাড়া দিয়েছে। এরমধ্য থেকে প্রধান শিক্ষক অলিখিত একটা ভাগ পান। তাই চুপ থাকেন। বিদ্যালয়ের একাউন্টে বছর বছর বেশ কিছু টাকা ঢুকছে দেখে সমাজের কিছু মানুষ শিক্ষানুরাগী হেজুর নামে সমানে তালি দিচ্ছে। কিন্তু এক সময় যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সব খেলায় থানার মধ্যে প্রথম বা রানার্সআপ পুরষ্কার নিয়ে আসতো। তারা এখন বিদ্যালয়ে এসে প্রাইভেট পড়ে আর মোবাইল টেপে। দুচারজন গ্রামের অন্য মাঠে দৌড়ঝাপ করা খেলোয়ার হয়ে ওঠে। উপজেলার মাঠে স্কুলের হয়ে খেলতে গেলে, তবে ওদের ক্যাপ্টেনকে প্রধান শিক্ষকের বলা থাকে, দ্যাখ বাবা! ভুলেও জিতবি না। জিতলে আর খেলা চালাতে পারবো না।, জিতলেই খরচ। এই আজ তোদের দুপুরে বিকালের নাস্তা খরচে অনেকগুলো টাকা নেমে গেলো। আহ! কাল খেললে নিজের খরচায় খেলতে হবে। দেখো ভেবে! এ কথা বললে, ছাত্ররা আর উৎসাহ পায় না।
অভিভাবকগুলো এখন কেমন! ছেলে ফুটবল-ক্রিকেট খেলেতো আর শাকিব-মেসি হতে পারবে না, তাহলে খেলা কেনো! অতএব পড়ায় মন দাও!
দিনে দিনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাড়ছে। ছাত্র প্রায় হাজার খানেক। কিন্তু ছাত্রদের বসার জাগা আছে মাত্র সাড়ে তিনশ জনের। নতুন কোনো বসার জাগা বিদ্যালয় থেকেও করা হচ্ছে না। সরকার থেকে থেকেও চাওয়া হচ্ছে না। চাইবেটা কে! সবইতো হেজুর দখলে। কারণ ভবন বাড়লেই হেজুর গরুরহাট শেষ, দোকানভাড়ার সমস্যা, আ...। ছাত্র অভিভাবকের অভিযোগ পেয়ে খোঁজ নিতে দেখা গেলে, প্রধান শিক্ষক বললেন, না........না.....না! আমি কোনো কথা বলবো না........! সভাপতি যদি কিছু মনে করেন! আমাদের কিছু চাই না! সরকারতো এমনিতেই না চাইতে সব দিচ্ছে! না-কি!
(নেয়ামত উল্লাহ, প্রথম আলো)
30/12/2021
SSC 2021 result of
Natun Bharenga High School
Bhareng Academy
Adorsh High School, Koitola
08/09/2021
11/07/2021
এজিদের সেনা ঘুরিছে মক্কা- মসজিদে আশেপাশে।
কোথায় ইমাম? কোন সে খোৎবা পড়িবে আজিকে ঈদে?
চারিদিকে তব মুর্দার লাশ, তারি মাঝে চোখে বিঁধে
জরির পোশাকে শরীর ঢাকিয়া ধণীরা এসেছে সেথা,
এই ঈদগাহে তুমি ইমাম, তুমি কি এদেরই নেতা?
নিঙ্গাড়ি’ কোরান হাদিস ও ফেকাহ, এই মৃতদের মুখে
অমৃত কখনো দিয়াছ কি তুমি? হাত দিয়ে বল বুকে।
নামাজ পড়েছ, পড়েছ কোরান, রোজাও রেখেছ জানি,
হায় তোতাপাখি! শক্তি দিতে কি পেরেছ একটুখানি?
ফল বহিয়াছ, পাওনিক রস, হায় রে ফলের ঝুড়ি,
লক্ষ বছর ঝর্ণায় ডুবে রস পায় নাকো নুড়ি।
আল্লা- তত্ত্ব জেনেছ কি, যিনি সর্বশক্তিমান?
শক্তি পেলো না জীবনে যে জন, সে নহে মুসলমান।
ঈমান! ঈমান! বল রাতদিন, ঈমান কি এত সোজা?
ঈমানদার হইয়া কি কেহ বহে শয়তানি বোঝা?
শোনো মিথ্যুক! এই দুনিয়ায় পুর্ণ যার ঈমান,
শক্তিধর সে টলাইতে পারে ইঙ্গিতে আসমান।
আল্লাহর নাম লইয়াছ শুধু, বোঝনিক আল্লারে।
নিজে যে অন্ধ সে কি অন্যরে আলোকে লইতে পারে?
নিজে যে স্বাধীন হইলনা সে স্বাধীনতা দেবে কাকে?
মধু দেবে সে কি মানুষে, যাহার মধু নাই মৌচাকে?
কোথা সে শক্তি- সিদ্ধ ইমাম, প্রতি পদাঘাতে যার
আবে- জমজম শক্তি- উৎস বাহিরায় অনিবার?
আপনি শক্তি লভেনি যে জন, হায় সে শক্তি-হীন
হয়েছে ইমাম, তাহারি খোৎবা শুনিতেছি নিশিদিন।
দীন কাঙ্গালের ঘরে ঘরে আজ দেবে যে নব তাগিদ
কোথা সে মহা- সাধক আনিবে যে পুন ঈদ?
ছিনিয়া আনিবে আসমান থেকে ঈদের চাঁদের হাসি,
ফুরাবে না কভু যে হাসি জীবনে, কখনো হবে না বাসি।
সমাধির মাঝে গণিতেছি দিন, আসিবেন তিনি কবে?
রোজা এফতার করিব সকলে, সেই দিন ঈদ হবে।
--- কাজী নজরুল ইসলাম ৷
25/05/2021
শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি সর্ম্পকিত তথ্য
26/03/2021
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ভারেঙ্গা একাডেমি, বেড়া, পাবনার পক্ষে শ্রাদ্ধাঞ্জলি।
01/01/2021
সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অাজ ১ জানুয়ারি ২০২১ শুক্রবার ভারেঙ্গা একাডেমির পক্ষথেকে শিক্ষার্থিেদেরকে এবং তাদের অভিভাবকদের মাধ্যমে বই পৌছানো হয়।
এক আল্লাহ জিন্দাবাদ -
কাজী নজরুল ইসলাম
উহারা প্রচার করুক হিংসা বিদ্বেষ আর নিন্দাবাদ;
আমরা বলিব সাম্য শান্তি এক আল্লাহ জিন্দাবাদ।
উহারা চাহুক সংকীর্ণতা, পায়রার খোপ, ডোবার ক্লেদ,
আমরা চাহিব উদার আকাশ, নিত্য আলোক, প্রেম অভেদ।
উহারা চাহুক দাসের জীবন, আমরা শহীদি দরজা চাই;
নিত্য মৃত্যু-ভীত ওরা, মোরা মৃত্যু কোথায় খুঁজে বেড়াই!
ওরা মরিবেনা, যুদ্ব বাধিঁলে ওরা লুকাইবে কচুবনে,
দন্তনখরহীন ওরা তবু কোলাহল করে অঙ্গনে।
তারা বলে, যদি প্রার্থনা মোরা করি তাঁর কাছে এক সাথে,
নিত্য ঈদের আনন্দ তিনি দিবেন ধুলির দুনিয়াতে।
সাত আসমান হতে তারা সাত-রঙা রামধনু আনিতে চায়,
আল্লা নিত্য মহাদানী প্রভূ, যে যাহা চায়, সে তাহা পায়।
মোদের অভাব রবে না কিছুই, নিত্যপূর্ণ প্রভূ মোদের,
শকুন শিবার মত কাড়াকাড়ি করে শবে লয়ে-- শখ ওদের!
আল্লা রক্ষা করুন মোদেরে, ও পথে যেন না যাই কভূ,
নিত্য পরম-সুন্দর এক আল্লাহ্ আমাদের প্রভূ।
দাঙ্গা বাঁধায়ে লুট করে যারা, তার লোভী, তারা গুন্ডাদল
তারা দেখিবেনা আল্লাহর পথ চিরনির্ভয় সুনির্মল।
ওরা নিশিদিন মন্দ চায়, ওরা নিশিদিন দ্বন্দ চায়,
ভূতেরা শ্রীহীন ছন্দ চায়, গলিত শবের গন্ধ চায়!
বিশ্বাস করো এক আল্লাতে প্রতি নিঃশ্বাসে দিনে রাতে,
হবে দুলদুল - আসওয়ার পাবে আল্লার তলোয়ার হাতে।
আলস্য আর জড়তায় যারা ঘুমাইতে চাহে রাত্রিদিন,
তাহারা চাহে না চাঁদ ও সূর্য্য, তারা জড় জীব গ্লানি-মলিন।
নিত্য সজীব যৌবন যার, এস এস সেই নৌ-জোয়ান
সর্ব-ক্লৈব্য করিয়াছে দূর তোমাদেরই চির আত্বদান!
ওরা কাদা ছুড়ে বাঁধা দেবে ভাবে - ওদের অস্ত্র নিন্দাবাদ,
মোরা ফুল ছড়ে মারিব ওদের, বলিব - "এক আল্লাহ জিন্দাবাদ"।
মোছাঃ তনিমা সুলতানা
সহঃকারী শিক্ষক
বিষয় ইংরেজি
শ্রেণী ৯ম - ১০ম
Click here to claim your Sponsored Listing.