কোনো একটা ছবির উপর ভিত্তি করে একটা গল্প লেখা, একটা বিষয়ের উপর প্যারাগ্রাফ লেখা, ডায়লগ লেখা- এই জাতীয় প্রশ্ন আসে পরীক্ষায়। তবে এইসব প্যারাগ্রাফ, ডায়লগ বা স্টোরি রাইটিং কিন্তু গাইড বা নোটবুকে পাওয়া যায় না। যেমন আমার নিজের ভর্তি পরীক্ষার সময়ে লিখতে বলা হয়েছিল ভর্তি পরীক্ষার দিন সকালে আমার অনুভূতি নিয়ে! কাজেই, এখানে মুখস্তনির্ভর না হয়ে নিজের ভাষায় ইংরেজি লেখার দক্ষতাটা অর্জন করে নেয়াই ভালো।
বই হিসেবে অনুসরণ করা যেতে পারে বোর্ড বইগুলো। সেই সাথে নির্ভরযোগ্য কোনো একটা গ্রামার বই। P. C. Das বা Wren & Martin এর গ্রামার বই অনেক বছর ধরে অনুসৃত হয়ে আসছে।
গণিত
ইংরেজির সমান নম্বর থাকে গণিতে। কাজেই গণিত কখনোই হেলাফেলা করার মতো না। গণিতে অনেকেরই ভয়-ভীতি থাকে। আবার অনেকেই ভাবেন ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ক্লাস টেন পর্যন্ত অংক করা লাগে বুঝি! বিষয়টা মোটেও এমন নয়। সবার প্রথমে ভালোভাবে বুঝে শেষ করা উচিত ৬ষ্ঠ শ্রেণির গণিত বই। এবার সিলেবাস থেকে খুঁজে বের করা উচিত এর মধ্যে কোন কোন টপিক উচ্চতর শ্রেণিতেও আছে।
যেমন, বীজগণিতের সূত্রাবলি কিন্তু ৮ম শ্রেণির বইয়েও আছে। বর্গ ও ঘনের সূত্রগুলো জানা থাকা প্রয়োজন, কিন্তু ঢালাওভাবে ৮ম শ্রেণির বইয়ের সব অংক করার দরকার নেই তাই বলে। একইভাবে পরিমাপ ও পরিমিতির সূত্র, কীভাবে এক একক থেকে অন্য এককে নিতে হয়, জ্যামিতির সংজ্ঞা- এসব বেসিক বিষয় খুব বুঝে বুঝে মনে রাখা প্রয়োজন। সেই সাথে পাটিগণিতের ঐকিক নিয়ম, সুদ-কষা, লাভ ক্ষতি, অনুপাত, শতকরা- এসব সমস্যা সমাধান করতে পারা উচিত।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় সময় একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, আর এই চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে বেশি মনে হয় গণিতে। কাজেই, কিছু ক্ষেত্রে সংক্ষেপে অংক করতে শিখতে হবে। তবে, মূল নিয়ম না শিখে সংক্ষেপে করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেয়া হয় না। এমন কোনো বড়ো হিসাব আসবে না যার জন্য ক্যালকুলেটর লাগে। আগে থেকে তাই ক্যালকুলেটর ছাড়াই অংক করার অনুশীলন করা উচিত।
বাংলা
বাংলায় ভালো করার জন্য আবারও ৬ষ্ঠ শ্রেণির বোর্ড বই পড়ার পরামর্শ থাকবে। মূল বইয়ের গদ্য, পদ্য, মূলভাব, শব্দার্থ, কবি পরিচিতি ইত্যাদি ভালোভাবে মনে রাখা উচিত। ব্যাকরণের জন্য নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণের বোর্ড বইটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। নবম-দশম শ্রেণির বই শুনে একটু কঠিন মনে হলেও আসলে বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিযো
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি প্রস্তুতি-Mhp
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ক্যাডেট কলেজ ভর্তি প্রস্তুতি-Mhp, Education, Pabna.
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন ও সিলেবাস
ক্যাডেট কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতি বছরই ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বণ্টনে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসেন। ২০২২ সালের সার্কুলার অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজিতে ১০০, বাংলায় ৬০, গণিতে ১০০ এবং বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও সাধারণ জ্ঞানে ৪০ নম্বর মিলিয়ে মোট ৩০০ নম্বরের উত্তর করতে হবে।
বাংলা ও ইংরেজি- এই দুই মাধ্যমের যেকোনো এক মাধ্যমে পরীক্ষা দেয়া যায় ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায়। তবে আবেদনের সময়ে উল্লেখ করে দিতে হবে পরীক্ষার্থী কোন মাধ্যমে পরীক্ষা দিতে চান। ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস পাওয়া যাবে
ক্যাডেট কলেজে আবেদনের যোগ্যতা
ক্যাডেট কলেজে পড়তে ইচ্ছুক যেকোনো ছাত্রকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ৬ষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তবেই ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যায় কারণ একজন ছাত্র ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হয় সপ্তম শ্রেণিতে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় বয়স, শারীরিক যোগ্যতা ও অযোগ্যতার কিছু ধরাবাঁধা নিয়ম থাকে যার বিস্তারিত পাওয়া যায় সার্কুলার থেকে। আবেদনের পূর্বে এই বিষয়গুলো মিলিয়ে নেয়া প্রয়োজন।
08/10/2023
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি সার্কুলার
প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের দিকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন আহবান করা হয়। সার্কুলার পাওয়া যায় www.cadetcollege.army.mil.bd ওয়েবসাইটে। এই একই ওয়েবসাইট অথবা www.cadetcollegeadmission.army.mil.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যায়।
Cadet College AG's Branch Cadet colleges have been providing a caring and innovative environment of teaching and learning since its first establishment in 1958. They constantly blaze new trails for the cadets to discover their potentials and create opportunities to flourish those in a competiti...
ক্যাডেট কলেজগুলো শতভাগ আবাসিক এবং এদের মূল লক্ষ্য সেনাবাহিনীর জন্য ভবিষ্যতে সদস্য প্রস্তুত করা। কাজেই খুব ছোটোবেলা থেকে ক্যাডেটদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে গড়ে তোলা হয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের উপযুক্ত করে। ক্যাডেট কলেজে বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতি ইংরেজি ভার্সনের যা এনসিটিবি প্রণীত শিক্ষাক্রম অনুসরণ করে।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়ার বাছাই দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রথম ধাপে লিখিত পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। প্রত্যেকটি ধাপে উত্তীর্ণ হয়েই কেবল একজন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত ভর্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
ক্যাডেট কলেজের খুঁটিনাটি
বাংলাদেশে মোট ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা ১২টি। এর মধ্যে ৯টি ছেলেদের ক্যাডেট কলেজ, বাকি ৩টি মেয়েদের জন্য। সর্বপ্রথম ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ক্যাডেট কলেজটি আয়তনের দিক থেকেও সর্ববৃহৎ।
মেয়েদের জন্য বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ক্যাডেট কলেজ হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ। পরবর্তীতে ফেনী ও জয়পুরহাটে মেয়েদের জন্য আরো দুটি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ছেলেদের অন্য ৮টি ক্যাডেট কলেজ যথাক্রমে ঝিনাইদহ, মির্জাপুর, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, বরিশাল, পাবনা ও কুমিল্লায় অবস্থিত।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি প্রস্তুতিঃ হোম টিউশন
(দিনাজপুর ও পাবনা জেলা শহরের জন্য)
মো. মুরাদ হোসেন
শিক্ষার্থী, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর
🌡️ 01729199726
প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের দিকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন আহবান করা হয়। সার্কুলারঃ www.cadetcollege.army.mil.bd অথবা www.cadetcollegeadmission.army.mil.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যায়।
07/10/2023
Current Affairs
07/10/2023
CURRENT AFFAIRS
Click here to claim your Sponsored Listing.