08/10/2023
কোনো একটা ছবির উপর ভিত্তি করে একটা গল্প লেখা, একটা বিষয়ের উপর প্যারাগ্রাফ লেখা, ডায়লগ লেখা- এই জাতীয় প্রশ্ন আসে পরীক্ষায়। তবে এইসব প্যারাগ্রাফ, ডায়লগ বা স্টোরি রাইটিং কিন্তু গাইড বা নোটবুকে পাওয়া যায় না। যেমন আমার নিজের ভর্তি পরীক্ষার সময়ে লিখতে বলা হয়েছিল ভর্তি পরীক্ষার দিন সকালে আমার অনুভূতি নিয়ে! কাজেই, এখানে মুখস্তনির্ভর না হয়ে নিজের ভাষায় ইংরেজি লেখার দক্ষতাটা অর্জন করে নেয়াই ভালো।
বই হিসেবে অনুসরণ করা যেতে পারে বোর্ড বইগুলো। সেই সাথে নির্ভরযোগ্য কোনো একটা গ্রামার বই। P. C. Das বা Wren & Martin এর গ্রামার বই অনেক বছর ধরে অনুসৃত হয়ে আসছে।
গণিত
ইংরেজির সমান নম্বর থাকে গণিতে। কাজেই গণিত কখনোই হেলাফেলা করার মতো না। গণিতে অনেকেরই ভয়-ভীতি থাকে। আবার অনেকেই ভাবেন ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ক্লাস টেন পর্যন্ত অংক করা লাগে বুঝি! বিষয়টা মোটেও এমন নয়। সবার প্রথমে ভালোভাবে বুঝে শেষ করা উচিত ৬ষ্ঠ শ্রেণির গণিত বই। এবার সিলেবাস থেকে খুঁজে বের করা উচিত এর মধ্যে কোন কোন টপিক উচ্চতর শ্রেণিতেও আছে।
যেমন, বীজগণিতের সূত্রাবলি কিন্তু ৮ম শ্রেণির বইয়েও আছে। বর্গ ও ঘনের সূত্রগুলো জানা থাকা প্রয়োজন, কিন্তু ঢালাওভাবে ৮ম শ্রেণির বইয়ের সব অংক করার দরকার নেই তাই বলে। একইভাবে পরিমাপ ও পরিমিতির সূত্র, কীভাবে এক একক থেকে অন্য এককে নিতে হয়, জ্যামিতির সংজ্ঞা- এসব বেসিক বিষয় খুব বুঝে বুঝে মনে রাখা প্রয়োজন। সেই সাথে পাটিগণিতের ঐকিক নিয়ম, সুদ-কষা, লাভ ক্ষতি, অনুপাত, শতকরা- এসব সমস্যা সমাধান করতে পারা উচিত।
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় সময় একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, আর এই চ্যালেঞ্জ সবচেয়ে বেশি মনে হয় গণিতে। কাজেই, কিছু ক্ষেত্রে সংক্ষেপে অংক করতে শিখতে হবে। তবে, মূল নিয়ম না শিখে সংক্ষেপে করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেয়া হয় না। এমন কোনো বড়ো হিসাব আসবে না যার জন্য ক্যালকুলেটর লাগে। আগে থেকে তাই ক্যালকুলেটর ছাড়াই অংক করার অনুশীলন করা উচিত।
বাংলা
বাংলায় ভালো করার জন্য আবারও ৬ষ্ঠ শ্রেণির বোর্ড বই পড়ার পরামর্শ থাকবে। মূল বইয়ের গদ্য, পদ্য, মূলভাব, শব্দার্থ, কবি পরিচিতি ইত্যাদি ভালোভাবে মনে রাখা উচিত। ব্যাকরণের জন্য নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণের বোর্ড বইটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। নবম-দশম শ্রেণির বই শুনে একটু কঠিন মনে হলেও আসলে বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিযো