বিতর্ক শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই-'বি' যার অর্থ 'বিশেষ' এবং তর্ক যার অর্থ 'বাদানুবাদ'।অর্থাৎ সামষ্টিকভাবে বিশেষ বাদানুবাদ বা আলোচনাই হলো বিতর্ক;যেখানে জোরের নয়,হয় যুক্তির জয়।যার লক্ষ্য প্রশ্ন করে সত্য উন্মোচন করার মত সাহসী প্রজন্ম গঠন।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, "যারা প্রশ্ন করতে শেখে না তারা আধুনিক মানুষ নয়।বিতার্কিকরা প্রশ্ন করতে শেখে তাই তারা আধুনিক মানুষ"।
"PGGHSDC" পাবনার ঐতিহ্যবাহী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতর্ক সংগঠন,যা এরকমই অধুনা,যুক্তিশীল ও দীপ্তিমান শিক্ষার্থীদের মিলনস্থল।বিতর্ক শুধু আমাদের প্রশ্ন করতেই শেখায় না শেখায় নিজ জ্ঞান ও চিন্তাশক্তি হতে একটা বিষয়কে নিয়ে ভাবতে,বিশ্লেষণ করতে,নানা তত্ত্ব অনুধাবন করে তার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে।যার ফলে একজন বিতার্কিক বিশ্বের সামাজিক, রাজনৈতিক সমস্যা, সমাজে চলমান ঘটনাবলী ইত্যাদি সম্পর্কে সদা জাগরুক।
আর,"PGGHSDC" নিতান্তই কেবল একটি সংগঠের নাম নয় বরং এটি প্রতিনিধিত্ব করে এক ঝাঁক যুক্তিবাদী কিশোরীর সম্মিলিত দৃঢ় কণ্ঠস্বরের;যার পিছনে রয়েছে সমসাময়িক সংকট,সমাজের যেকোনো অসংগতি বা দেশ ও দশকে নিয়ে এই প্রজন্ম তথা ভবিষ্যত নির্মাতাদের ভাবনা!আর সামনে রয়েছে বুকভরা আশা;অনিন্দ্য সুন্দর একটি বাংলাদেশের।
বিতর্কের সবচেয়ে বড় গুণ এটি বিতার্কিককে শেখায় নিজেকে প্রকাশ করতে।আর সবশেষে মানবের নিজেরে প্রকাশের মাধ্যমেই তো পাওয়া এই সভ্যতা।কেউবা সক্রেটিসের মত নিজ ভাবনা হতে সকলের সামনে করেন প্রশ্ন উত্থাপন,কেউবা আইন্সটাইনের মত নিজ চিন্তাকে দিয়ে যান বিশ্বকে উপহার,আবার কেউবা করেন বঙ্গবন্ধুর মত অসামান্য সম্মোহনী ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতার প্রকাশ- যা জাগিয়ে তোলে গোটা একটি জাতিকে! আর "PGGHSDC" চায় সৃজনশীল,প্রাণচঞ্চল কিশোরীদের এই যাত্রায় একধাপ এগিয়ে দিতে....
এজন্যই তো মোদের বলিষ্ঠ স্লোগান-
"নিজেরে প্রকাশে না করি মোরা ভয়
যুক্তির আলোতেই করব জয়।"