দারুল ইরফান নূরানী একাডেমী
✅প্রায় দেড় যুগ হল আপনাদের সেবায় নিয়োজিত।
✅ক্লাস ফাইভের পূর্বেই প্রি হেফ্জ সমাপ্ত।
স্কুল এবং কোচিং সেন্টারের মধ্যে পার্থক্য।
1. শিশু জন্মের পর এক কানে আযান ও এক কানে একামত দিতে হবে। কিন্তু মসজিদে মুয়াজ্জিন না থাকলে যে অবস্থা দেখি তাতে যা বুঝে আসে, সেটা হল অধিকাংশ নামাজি আযান দিতে জানে না। এমন কি একামতও দিতে জানে না।তাহলেঃ
মহিলারা কি আযান বা ইকামত দিতে জানে?
2. আমাদের দেশের মানুষ জানে, শিশুদের কানে আযান ও ইকামত দিতে “ হাইয়া আলাছ ছলাহ” ও ”হাইয়া আলাল ফালাহ” বলা যাবে না। যেটা ভূল কথা। বরং নামাজের আযান ও ইকামতের মতই শিশুদের কানে আযান দিতে হবে। কোন ব্যবধান নেই।
3. শিশুদের কানে মহিলা মানুষ আজান ও ইকামত দেয়া লাগে না। যা সম্পূর্ণ ভূল ধারনা। এ ধারনা জন্মানো পিছনে একটা কারণ আছে। তা হলঃ রসূল (সঃ) এর কথা হল: “আযানে মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তাই বল।” কিন্তু আমাদের দেশের মহিলারা ভিন্য কাজ করে। তা হল মাথায় কাপড় দেয়। মাথায় কাপড় দেয়া তো ভাল কাজ, কিন্তু তার সাথে যদি মুয়াজ্জিনের আজানের জবাব দিত তাহলে তারাও কিয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনের মত সম্মানীত হত।
4. তেমনি ভাবে মহিলারা যখন নামাজ পরে তখন একামত দেয় না। অথচ মহিলাদের জন্যও মৃদুস্বরে ইকামত দিয়ে ফরজ নামাজ পড়া সুন্নাত।
তাই নারী-পুরুষ যে কেহ শিশুকে আযান ও ইকামত দেয়ার এহতেমাম করি।
যা শিশুর অধিকার।
বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে স্কুলে আগমন ঘটানো স্কুলের জন্য এক আনন্দঘন মুহুর্ত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Pabna