যদি কোনো নারী সত্যি সত্যি কোনো পুরুষকে
ভালোবেসে ফেলে...!☺️
তাহলে সেই প্রিয় মানুষটার পাশে কোনো
নারীর ২০০ বছরের পুরনো কংকাল কেও সে
সহ্য করতে পারে না....!🥰🥀
কেননা নারীর ভালোবাসা যতটা গভীর হয়
তার চেয়ে বেশি তার হিংসা তীব্র হয়...!❤️🥀
কারো কারো কাছে এটা বিরক্তিকর মনে
হলেও, প্রতিটি নারী তার ভালোবাসার মানুষ
কে নিজের করে রাখতে চায়...!☺️💙
ভালোবাসার মানুষ এর পাশে অন্য কেউ থাকবে
এটা কোনো নারী কল্পনাতেও সহ্য করতে
পারে না.....!🥺😅🥀🌹🌹🌹সাদিয়া🌹🌹
Md.Monjur Rahman miton
i am monjur rahman. wellcome to my official page Bangladesh personal volg in yhis time. in my Videos Bangladesh personal volg on line. Thank you �����
please follow and please like, comment and shere more videos.
মানুষের আসল রূপ তার চেহারায় থাকে না, তার হৃদয় আর মনে লুকিয়ে থাকে, যা সহজে দৃষ্টি গোচর হয় না।
- জীবনে ভালো থাকি আর খারাপ থাকি😔
- হাঁসিটা সব সময় মুখে রাখতে ভালোবাসি 🍁😊
টুপটাপ ওই পড়ছে ঝরে শিশির
জানলা খোলা রাত্রি জাগা ভোর,
হাজার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি
ভুলতে চাওয়া উজ্জ্বল মুখ তোর।
চোখ দুটো সেই একই, দীপ্তি মাখা
আমার চোখে জমেছে কালো কালি,
শুধু রাত কাঁপিয়ে হঠাৎ বৃষ্টি এলে
সেই চোখে চাঁদ, চন্দ্রিমা একফালি।
হাসলে আজও টোল পড়ে তোর গালে?
আমার দুগাল চোখের জলে সিক্ত
দুঃখ বিলাসী মন কাহনের শেষে
ভাবছো, আমি সবেতেই অতিরিক্ত?
বদলে ফেলেছো হাত ঘড়িটার ফিতে?
কালোর সাথে চিরকাল তোমার আড়ি,
আমিই শুধু অবুঝ হয়ে আজও, কেমন
আকাশ কুসুম ভাবনা ভাবতে পারি।
নীলরং আজও এতোই প্রিয় তোমার!
বন্ধ চোখেই তোমায় দেখি নীল
জানোই তো আমি কতটা একরোখা
তোমায় নিয়ে বরাবরের বর্ণীল।
তারপর সেই খুনসুটি, মান ভাঙানো
তুমি যে কাজে চিরকাল সিদ্ধহস্ত,
এখন কে দেয় বিরক্তিটীকা রাতদিন
আমার থেকে তো কবেই হয়েছো মুক্ত।
অবাস্তবের আশায় প্রদীপ জ্বালাই
একটু একটু তেল ছুঁয়ে দিই জেগে,
আরো কতকাল বেহুলার হাহাকার
ছোঁবে না তোমায়, ভাবাবে না আবেগে?
এসব ভাবি, এসব ই ভাবি জাগলে
স্বচ্ছ ভীষণ তোমার যাওয়া আসা,
সবকিছুকে মানিয়ে নিয়েছি নীরবে
তবু অপেক্ষা গোণে মনের ভালোবাসা।
#চিরন্তন_তুমি🥰🥰🥰মুনজুর।।
কখনো বাচ্চাকে গায়ে হাত তুলবেন না। শিশুটির আচরণে অনেক সমস্যা হবে। মারধোর, মানুষের মনের সরলতা কে আস্তে আস্তে নষ্ট করে। কাউকে ভবিষ্যতে পাসন্ড করে তুলে। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন। শাসন অনেক ভাবে করা যায়। মনে রাখবেন, আপনি যদি চান আপনার বাচ্চা আপনাকে বন্ধু ভাবুক সেক্ষেত্রে মারধর করলে সেই সুযোগ হারাবেন। কেননা, বন্ধুরা মারে না এটাই সত্যি।
বাচ্চাদের জন্য অনেক সময় আমরা আলাদা কিছু খাবার রান্না করি। যেমন, বাসার সাধারণ রান্না মুরগী হয়তো সবাই খাচ্ছেন কিন্তু বাচ্চার জন্য হয়তো চিকেন পাস্তা করলেন। এক্ষেত্রে যেটা হয়, খাবারের ক্ষেত্রে সে নিজেকে স্পেশাল ভাবতে শুরু করে। তখন নানা রকম মর্জি করা শেখে। সোস্যাল হয় কম। তাই অবশ্যই সবার খাবারে মতই বাচ্চাকে খাওয়া শেখান। প্রয়োজনে স্পেশাল খাবার রান্না করলে সবাই মিলে খান। এতে শিশুটি বড় হয়ে সব জায়গায় নিজেকে খাপ খাওয়াতে শিখবে। ছোট বেলায় আলাদা ভাব আর আদর শিখালে এরা বড় হয়েও সব জায়গায় স্পেশাল কিছু আশা করে, আর তাতে ব্যঘাত ঘটলে তাদের মানুসিকতায় ও আচরণে সমস্যা হয়। তাই স্পেশাল না আপনার বাচ্চাকে সাধারণ ভাবাতে শিখান।
বাচ্চাদের সামনে কারো সাথে ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকুন। তারাও শিখবে। কর্ম ক্ষেত্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, শশুর বাড়িতে সব জায়গায় তাদের এই ঝগড়া মুড কাজ করবে। ঝগড়া করা আচরণের উপর প্রভাব ফেলে, এমনকি এদের সাইকোলজিও অন্য রকম
সম্মোধন অনেক কিছু শিখায়। আপনার শিশুকে ভদ্রতা শিখান, কিন্তু বাসার লোক, ড্রাইভার, রিকশা ওয়ালা বা যেকোনো অচেনা মানুষকে আপনি সম্মোধন করা শিখান। এই সব বাচ্চারা বড় হলে অনেক বড় মর্যাদার আসনে বসতে পারে।
যাই হোক, আপনাদের শিশুকে আপনি যা শেখাবেন, সেটাই তার চরিত্র হবে। তাই আপনার শিশুকে মানুষের মত মানুষ করার লক্ষ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার শিক্ষায় শিক্ষিত করুন!
@ডক্টর'স ডায়েরী-Doctor's Dairy
জীবন কী?
একজন শিক্ষক তাঁর ক্লাসরুমে পড়াচ্ছেন। তিনি একটা খালি বয়াম টেবিলের ওপরে রাখলেন। তারপর তার ভেতরে ঢোকালেন কতগুলো বড় পাথরের টুকরা। বয়ামটা ভরে গেল। তিনি বললেন, ‘ছাত্ররা, দেখো তো, আর কোনো পাথরখণ্ড ঢুকবে কি না?’ ‘না, স্যার।’ ‘তাহলে বয়ামটা ভরে গেছে, কী বলো?’ ‘জি, স্যার।’ এবার শিক্ষক কতগুলো ছোট নুড়ি বয়ামটাতে ঢালতে লাগলেন। নুড়িগুলো পাথরের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকে গেল। তিনি বললেন, ‘এবার ভরেছে। কী বলো?’ ‘জি, স্যার।’ তিনি এবার বালু ঢালতে লাগলেন। পাথর আর নুড়ির ফাঁকে ফাঁকে বালু ঢুকতে লাগল এবং বয়ামটাকে পূর্ণ করে তুলল। শিক্ষক বললেন, ‘আচ্ছা, এবার আমরা পুরো ব্যাপারটাকে উল্টো করে করি। প্রথমেই আমরা যদি বালু দিয়ে বয়ামটা পূর্ণ করে ফেলি, তাহলে কী হবে?’ তিনি বালু দিয়ে পাত্রটা পূর্ণ করলেন। তারপর আর নুড়ি কিংবা পাথর ঢোকানোর জায়গা রইল না। তিনি বললেন, ‘এ থেকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস শিখব। এই যে পাত্রটা দেখছ, এটা হলো আমাদের জীবন। এই যে বড় বড় পাথরখণ্ড, এগুলো হলো আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আমাদের পরিবার, বাবা-মা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আমাদের স্বাস্থ্য, আমাদের শিক্ষা। আর নুড়িগুলো হলো আমাদের বিষয়সম্পত্তি, আমাদের গাড়ি-বাড়ি, আমাদের টেলিভিশন, আমাদের টেলিফোন, আমাদের বাগান। আর বালু হলো বাকি সবকিছু, আমাদের জীবনে আর যা যা করতে হয়। প্রথমেই যদি আমরা ছোট ছোট জিনিস দিয়ে জীবনটাকে ভরে ফেলি, তাহলে বড় কাজগুলো করা হবে না। কাজেই সব সময় পরিবারকে সময় দেবে, বাবা-মায়ের যত্ন নেবে, নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখবে, লেখাপড়া করবে। তারপর গাড়ি-বাড়ি, কম্পিউটার-টেলিফোন এসবের দিকে নজর দেবে।’
এক ছেলে দাঁড়িয়ে বলল, ‘স্যার, বয়ামটা এখনো ভরেনি। আপনি যদি এর মধ্যে পানি ঢালেন, পানি ভরবে।’
ঠিক তাই। তিনি পাথরখণ্ড, নুড়ি আর বালুভরা পাত্রটিতে এক কাপ কফি ঢাললেন। কফিটা পাত্রে ঢুকে গেল।
‘এই কফিটা হলো আনন্দ। মানুষের জন্য কিছু করা। সেবার ব্রত। তুমি যা-ই করো না কেন, জীবন আনন্দময়। মানুষের জন্য, মানবতার জন্য সর্বদাই কিছু না কিছু করার সময় তুমি বের করতে পারবে। মানুষের উপকারে আসতে পারবে। তাতেও তুমি অনেক আনন্দ পাবে। জীবনটাকে যত আঁটোসাঁটো মনে হোক না কেন, যতই তুমি ব্যস্ত থাকো না কেন, জীবনকে উপভোগ করো। আর যেন সবচেয়ে ভালোভাবে জীবনটাকে আনন্দপূর্ণ করে তোলা যায়, অপরের মুখে হাসি ফোটানোর ম
ট্রেনে উঠে জানালার পাশে সিটটা পেয়ে গিয়ে বসে_মোবাইলটা বেড় করে হেড ফোনটা কানে দিয়ে গান শুনছিলাম। আমার সামনের সিটে একজন বয়স্ক ভদ্রলোক বসেছিলেন। দুপুরের সময় ট্রেনের যাত্রী খুবই কম ছিল। হঠাৎ ট্রেনে টিটি টিকিট চেক করতে আসতে দেখে বয়স্ক ভদ্রলোকটি বেশ ভয় পেয়ে গেলেন। তার হাবভাব দেখে আমি জিজ্ঞেস করলাম_"টিকিট কি করা হয়নি আপনার.?"
ভদ্রলোকটি খুব শান্তস্বরে বললেন_"ট্রেন ষ্টেশনে ঢুকে যাওয়ায় টিকিট করার সময় পায়নি। আর আমার কাছে ফাইন দেওয়ার মত টাকাও নেই।" আমি তাকে অভয় দিয়ে বললাম_"চিন্তা করবেন না_ফাইনের টাকা আমি দিয়ে দেব।
আমার কথা শুনে দেখলাম_তিনি খুব আনন্দিত হলেন। কিন্তু টিটিকে দেখলাম কোন কারন বশতঃ আমাদের কাছে টিকিট চেক করতে না এসে হিজলি ষ্টেশনে নেমে পড়লেন।
যাই হোক আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম_"কোথায় যাবেন.?" বয়স্ক লোকটি যেন একটু ভাবনায় পড়ে গেলেন। তারপর বললেন_"হাওড়া যাব ভেবেছিলাম কিন্তু এবার ভাবছি বাকুড়া যাব। "
তার কথা শুনে আমি একটু অবাক হলাম। তিনি বললেন_"জানো মা_আমার নাম বীরেন মন্ডল। আমি একটা কোম্পানিতে কাজ করতাম। দুই ছেলে আর এক মেয়ে রেখে আমার স্ত্রী মারা যায়। আর বিয়ে করিনি এই ভেবে যে_সতীন মা এসে আমার বাচ্চাদের উপর অত্যাচার করতে পারে। বাবা হয়েও আমি তাদের মায়ের মতো খুব আদর যত্ন দিয়ে বড় করেছিলাম। যা টাকা রোজগার করতাম ছেলে দু'টোর পড়াশোনার পেছনেই খরচ করে ফেলতাম। বড় ছেলে এখন স্কুল মাষ্টার আর ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার। মেয়েটা আমার পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিলো কিন্তু তিনজনের পড়াশোনায় খরচ চালাতে পারছিলাম না বলে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করিয়ে বিয়ে দিতে দিলাম। বড় ছেলে দাঁতনে থাকে আর ছোট ছেলে হাওড়াতে। "
আমি বললাম_"তাহলে আপনি ছোট ছেলের কাছে যাবেন.? " কথাটা শুনে তিনি খুব করুণ সুরে বললেন_"দুই ছেলে বিবাহিত_তাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে থাকে। আমাকে তারা ভাগ করে নিয়েছে।"
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম_"ভাগ করে নিয়েছে মানে। "
তিনি বললেন_"মাসের পনের দিন বড় ছেলে আর পনের দিন ছোট ছেলের বাড়িতে থাকি। তারা ভাগ করে এই বৃদ্ধ বাবার প্রতি ছেলে হওয়ার দায়িত্ব পালন করছে। ছোট ছেলের বাড়িতে ছিলাম। শরীরটা খুব খারাপ ছিল কিন্তু পনেরদিন হয়ে গিয়েছিল। বউমাকে বললাম_একদিন পড়ে যাব কিন্তু বউমা শুনলো না। চলে যেতে বললো বড় ছেলের বাড়িতে_তা না হলে খাবার মিলবে না।"
"অসুস্থ শরীর নিয়ে আমি বড় ছেলের বাড়িতে এসে দেখি দরজায় তালা মারা। তারা জানে আমি আসব_তবুও কোথাও বেড়৷ - মুনজুর রহমান 🥀🥀🥀🎎
হেরে গিয়েও জিতে যান ॥
১। কথা হজম করতে শিখুন, আপনাকে জীবনে জিততে সাহায্য করবে।
২। কখনো তর্কে জিততে যাবেননা, এটা সময়ের অপচয়।
৩। আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন। আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশি হয় , তাহলে আপনি একটু হাসুন।
৪। কখনো কখনো জিততে হলে হারতে হবে, আর আপনার আজকের এই হারই আপনার জন্য বড় জয় এনে দিবে।
৫। হারতে শিখুন, সব জায়গায় জিততে নেই। এটা বোকামি।
৬। কথায় কাজ হয় না। তাই কাজ শুরু করুন নিরবে, আপনার কাজই কথা বলবে।
৭। আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না তাদের চিন্তা বাদ দিন। নিজের প্রতি বিশ্বাস করুন। এটিই আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে।
৮। আপনি অনেক কিছু পারেন। কি দরকার তা সবাইকে বলে বেড়ানোর। যার দরকার সে আপনাকে এমনিতেই খুঁজে বের করবে।
৯। চিতা বাঘ কখনো কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না। কুকুরকে জিততে দিন। আপনি চিতা বাঘ তা বুঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে আছেন।
১০। নিজের প্রয়োজনেই বোকাদের সঙ্গে তর্ক জরানো এড়িয়ে চলুন।
১১। বিনয়ী হতে শিখুন, বিনয়ী হতে পারলে আপনি বিশ্ব জয় করতে পারবেন।🥀🥀🥀মুনজুর রহমান মিটন🥀🥀🥀
আমার এক মাস্টারমশাই কোনদিন কারুর গায়ে হাত তুলতেন না। সেই তিনিই একবার মেজাজ হারিয়ে একজন ছাত্রকে চড় মেরে ফেলেছিলেন। ইস্কুল ছুটির পর নিজে সেই ছাত্রকে নিয়ে গিয়ে দোকান থেকে মিষ্টি কিনে খাইয়েছিলেন।
মনে পড়ছে আরও একজনের কথা। বাড়িতে সবসময় কয়েকটা বাড়তি ছাতা রাখতেন। বৃষ্টির দিনে টিউশন পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীদের জনে জনে জিজ্ঞাসা করতেন ছাতা আছে কিনা; না থাকলে দিয়ে বলতেন “জানি তোদের বৃষ্টিতে ভিজতে ভাল লাগে, কিন্তু এই সময়টা ভাল না। ভিজিস না। ছাতাটা নিয়ে যা। সামনের দিন নিয়ে আসিস।“
মফঃস্বলের এক অতি প্রবীণ মাস্টারমশাইকে তাঁর রোগশয্যায় ‘কি করতে ইচ্ছে করছে’ জিগ্যেস করায় প্রিয় ছাত্রের নাম করে বলেছিলেন, ওকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।
ইস্কুলের সাথে বেড়াতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া ছাত্রীর মাথার কাছে বসে রাত জেগেছিলেন যে স্যার কিম্বা ইস্কুলের মাঠে খেলতে গিয়ে চোট পাওয়া ছাত্রকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়ে ছিলেন যে মাস্টারমশাই, তাঁদের তখন আলাদা আলাদা নাম ছিল হয়ত -- প্রমুখ, কিন্তু আজ এতগুলো বছর পেরিয়ে এসে মনে হয় তাঁদের একটাই পরিচয় ছিল – ‘শিক্ষক’ । তাঁরা বাংলা-ইতিহাস-ভূগোল-অঙ্ক-বিজ্ঞানের বাইরেও কি যেন একটা শিখিয়েছিলেন, সিলেবাসে যার হদিশ মেলেনি কোনদিন।
বিশ্বাস করুন, সিলেবাসের মধ্যে আর সিলেবাসের বাইরের অনেক অনেক জিনিস শেখানোর ফাঁকে এক মুহূর্তের জন্যেও বুঝতে দেননি এটা তাঁদের জীবিকা।
ছাত্রের কাছে হেরে গিয়ে যে শিক্ষক আনন্দে কেঁদে ফেলেন, কিম্বা ছাত্রকে শাস্তি দিয়ে যে শিক্ষক নিজেই কষ্ট পান, শিক্ষকতা শুধুই তাঁর জীবিকা হতে পারেনা।
এত বছরে সিলেবাসের মধ্যের আর সিলেবাসের বাইরের যা কিছু শিখেছি যতজনের কাছ থেকে, তাঁদের সকলকে আমার আনত প্রণাম। যা কিছু শিখতে পারিনি তার দায় পুরোটাই আমার। তার জন্য যা শাস্তি প্রাপ্য, মাথা পেতে নিতে রাজি আছি। শুধু একটাই অনুরোধ ---- বহুদিন আগে যে ছাতাটা দিয়েছিলেন সেটা ফেরত দিতে বলবেন না। আপনাদের দেওয়া ওই ছাতাটার আজও বড্ড দরকার – সময়ে এবং অসময়ে। শুধু ওই ছাতার আশ্রয় পেতেই সারাজীবন আপনাদের ছাত্র হয়ে থাকব।
ভালো থাকবেন স্যার সুস্থ থাকবেন সবাই,,
🕊️🕊️🕊️মুনজুর রহমান মিটন🕊️🕊️🕊️
তুমি বলেছিলে রাতে তোমার ঘুম হয় না,
আমি বুঝেছিলাম সময় চাইছো;
তুমি বলেছিলে "আকাশে কী মেঘ করেছে দেখো?",
আমি বুঝেছিলাম তোমার মন খারাপ।
তুমি বলেছিলে নীল প্রিয় রঙ,
আমি বুঝেছিলাম তোমার কষ্ট হচ্ছে;
তুমি বলেছিলে ঠোঁট ফেটেছে,
আমি বুঝেছিলাম চুমু খেতে চাইছো;
তুমি বলেছিলে অংক ভালো লাগেনা,
আমি বুঝেছিলাম তুমি কবিতা ভালোবাসো।
তুমি বলেছিলে " আজ তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরতে হবে",
তুমি বলেছিলে,এই হুটহাট দেখা করা,অসময়ে ফোন করা আর তোমার ভালোলাগছেনা;
আমি বুঝে গিয়েছিলাম,বিচ্ছেদ চাইছো।
তারপর অলিখিত সাক্ষরে তুমি যখন ইনভিজিবল হাইকোর্টে আমার বিরুদ্ধে বিচ্ছেদের মামলা ঠুকে দিলে;
আমি বুঝেছিলাম তুমি মুক্তি চাও।
এরপর সব বুঝে যখন আমি দার্শনিক,
সব মিটিয়ে তুমি যখন অন্য ঘরের শো-পিস,
একদিন আমাদের দেখা হলো তখন;
তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে,"কেমন আছো?"
আমি বুঝে গিয়েছিলাম তুমি ভালো নেই।
কবি***-মুনজুর রহমান মিটন🥀🥀🥀
💙❤️আমার তুমি❤️💙
চিঠি লেখার দিন শেষ, কিন্তু চিঠির মধ্য দিয়ে যে আবেগ আত্মকথন প্রকাশ হতো তা কি আর কোনভাবে প্রকাশ করা যায়। তাই একটি পত্রকাব্য লিখার চেষ্টা করলাম সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো।
♥♥প্রিয় অচেনা অনুরাগ,
আমার কল্পনার শরীর জুড়ে তোমার খামখেয়ালীর আঁকিবুঁকি
স্বপ্নবিলাসী মনের চোখ জুড়ে দুঃস্বপ্নের অবগাহন,
অভিমানের মেঘমালা বিশ্বাসের নীল চাদোয়ায় মুড়া,
অচেনা অনুরাগ ইচ্ছের ডানায় পারি দিতে চায় সাতরঙা সুনীল আকাশটা।
আবেগহীন নিষ্প্রাণ পাথরের মূর্তিমান তোমার যে চেতনা জুড়ে আজ আমার অস্তিত্ব খুঁজে পাই সেখানে আমার জীবন প্রভাতের উৎসব শুরু হয়।
আপন খোলসে আচ্ছাদিত আমার জীবনাচরিতের রহস্যের গোলকধাঁধাঁয় আটকে যে তুমি পথ হারালে পাবে তো খুঁজে সে তোমার তুমি?
তেপান্তরের দূরপাল্লায় হবে তুমি আগন্তুক আমার নিঃশব্দের অবারিত অনুরাগ তোমায় ছুঁয়ে দিবে আলতো করে।
তোমাকে জিতেছি আমি হারা জেতার পাল্লায় হয়েছি প্রেমাস্পদে দিগ্ববিজয়ী তবুও বাঁধতে পারিনি তোমায়- গেঁথেছি শুধু পরানে পরান মালা । অনুরাগের গভীর অনুনয়ে মরেছি বারংবার তাইতে আমি আজ জীবন্মৃত।
তুমি আমি বিভেদের বিপরীতমুখী আকর্ষণ নীড় ভাঙ্গা ঝড় নিরেট সত্যের সরল সমাধানে তুমি শুধু আমার এক জনমের পর।
অনন্তকালের তুমি আমার শুধু আপনার আপন।।♥♥
ইতি তোমার,, মুনজুর!!!
Click here to claim your Sponsored Listing.