Mohammed Shekkh Farid

Mohammed Shekkh Farid This is for the students to help in their education.

01/06/2026
30/05/2026

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গণিতের মৌলিক সূত্র, সংজ্ঞা এবং পরিমাপের এককগুলো জানা খুবই জরুরি। পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কিংবা যেকোনো প্রাথমিক স্তরের গণিত ভীতি দূর করতে এই ১০০+ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দারুণভাবে সাহায্য করবে।
অভিভাবক ও শিক্ষক শিক্ষিকাগণ শিক্ষার্থীদের রিভিশনের জন্য এটি টাইমলাইনে সেভ করে রাখতে পারেন।
# # 🔢 ১. গুণ ও ভাগ সংক্রান্ত সূত্র ও সংজ্ঞা
* **গুণ্য:** যে সংখ্যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য বলে।
* **গুণক:** যে সংখ্যা দিয়ে গুণ করা হয় তাকে গুণক বলে।
* **গুণফল:** গুণ্যকে গুণক দ্বারা গুণ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে গুণফল বলে।
* *গুণফল = গুণ্য × গুণক*
* *গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য*
* *গুণ্য = গুণফল ÷ গুণক*
* **ভাজ্য:** যে সংখ্যাকে ভাগ করা হয় তাকে ভাজ্য বলে।
* **ভাজক:** যে সংখ্যা দ্বারা বা দিয়ে ভাগ করা হয় তাকে ভাজক বলে।
* **ভাগফল:** ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করার পর যে মান পাওয়া যায় তাকে ভাগফল বলে।
* **ভাগশেষ:** ভাজ্যকে ভাজক দ্বারা ভাগ করে যদি কোনো অবশেষ সংখ্যা থেকে যায় তবে তাকে ভাগশেষ বলে।
* **ভাগ কী?** ভাগ হলো পুনঃ পুনঃ বিয়োগ।
**নিঃশেষে বিভাজ্য হলে:**
* *ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক*
* *ভাজক = ভাজ্য ÷ ভাগফল*
* *ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল*
**নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে:**
* *ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ*
* *ভাজক = (ভাজ্য – ভাগশেষ) ÷ ভাগফল*
* *ভাগফল = (ভাজ্য – ভাগশেষ) ÷ ভাজক*
# # 🧮 ২. গাণিতিক প্রতীক ও বাক্য
* **গাণিতিক প্রতীক:** গণিতে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাই গাণিতিক প্রতীক।
* **संख्या প্রতীক (১০টি):** ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯।
* **প্রক্রিয়া প্রতীক (৪টি):** ➕, ➖, ✖, ➗।
* **অক্ষর প্রতীক:** অজানা সংখ্যা নির্দেশ করতে যে বিশেষ প্রতীক বা অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ষর প্রতীক বলে।
* **খোলা বাক্য:** যখন কোনো বাক্যের সত্য কিংবা মিথ্যা যাচাই করা যায় না, তাকে খোলা বাক্য বলে।
* **গাণিতিক বাক্য:** যখন কোনো বাক্যের সত্য না মিথ্যা যাচাই করা যায়, তাকে গাণিতিক বাক্য বলে।
* **সংখ্যা রাশি:** কতিপয় সংখ্যাকে প্রক্রিয়া চিহ্ন এবং প্রয়োজনে বন্ধনী দ্বারা যুক্ত করলে একটি সংখ্যা রাশি তৈরি হয়। যেমন: (৩৬ \div ৪) \times ৫ - ৭
# # 📐 ৩. ল.সা.गु., গ.সা.গু. ও সংখ্যা পদ্ধতি
* **গুণিতক:** কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা যে সকল সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেই সকল সংখ্যার প্রত্যেককে ঐ নির্দিষ্ট সংখ্যার গুণিতক বলে।
* **গুণনীয়ক (বা উৎপাদক):** কোনো সংখ্যা যে সকল সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, সেই সকল সংখ্যাকে ঐ সংখ্যাটির গুণনীয়ক বলে।
* **ল.সা.গু.:** দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতককে বলে ল.সা.গু.।
* **গ.সা.গু.:** একাধিক সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সাধারণ গুণনীয়ক হলো গ.সা.গু.।
* **মৌলিক সংখ্যা:** যে সব সংখ্যার ১ এবং ঐ সংখ্যা ব্যতীত আর কোনো গুণনীয়ক নেই সেই সব সংখ্যাকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
* **যৌগিক সংখ্যা:** যে সংখ্যার ১ এবং ঐ সংখ্যা ব্যতীত কমপক্ষে আরও একটি গুণনীয়ক রয়েছে সে সকল সংখ্যাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।
* **ঐকিক নিয়ম:** হিসাবের সুবিধার্থে প্রথমে একটির হিসাব বা দাম বের করে সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ঐকিক নিয়ম বলে।
# # 📊 ৪. ভগ্নাংশ, গড় ও শতকরা
* **ভগ্নাংশ:** কোনো বস্তু বা পরিমাণের অংশ নির্দেশ করতে যে সংখ্যা ব্যবহৃত হয় তাকে ভগ্নাংশ বলে।
* **প্রকৃত ভগ্নাংশ:** যে ভগ্নাংশের লব ছোট এবং হর বড়।
* **অপ্রকৃত ভগ্নাংশ:** যে ভগ্নাংশের লব বড় এবং হর ছোট।
* **মিশ্র ভগ্নাংশ:** যে ভগ্নাংশে পূর্ণ সংখ্যার সাথে প্রকৃত ভগ্নাংশ যুক্ত হয়ে থাকে।
* **সমহর বিশিষ্ট ভগ্নাংশ:** যেসব ভগ্নাংশের হর একই থাকে।
* **সমলব ভগ্নাংশ:** যে ভগ্নাংশগুলোর লব সমান থাকে।
* **বিপরীত ভগ্নাংশ:** কোনো ভগ্নাংশের লবকে হর এবং হরকে লব করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায়।
* **দশমিক ভগ্নাংশ:** ভগ্নাংশ প্রকাশের একটি বিশেষ পদ্ধতি হলো দশমিক ভগ্নাংশ।
* **গড়:** রাশিগুলোর যোগফলকে রাশিগুলোর সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে মান পাওয়া যায় তাই গড়।
* *গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশিগুলোর সংখ্যা*
* *রাশিগুলোর যোগফল = গড় × রাশিগুলোর সংখ্যা*
* **শতকরা:** শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ রূপে প্রকাশ করা হয়। একে শতাংশও বলা হয়।
* **আসল:** বিনিয়োগকৃত টাকাকে আসল বলে।
* *লাভ = বিক্রয়মূল্য – ক্রয়মূল্য*
* *ক্ষতি = ক্রয়মূল্য – বিক্রয়মূল্য*
# # 📏 ৫. জ্যামিতি ও পরিমাপের সূত্র
* **চতুর্ভুজ:** চারটি বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে।
* **আয়ত:** যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল তাকে আয়ত বলে।
* **বর্গ:** যে আয়তের চারটি বাহু সমান ও কোণগুলো সমকোণ তাকে বর্গ বলে।
* **রম্বস:** যে চতুর্ভুজের চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান তাকে রম্বস বলে।
* **কর্ণ:** বিপরীত শীর্ষবিন্দুর সংযোগকারী রেখাকে কর্ণ বলে।
* **বৃত্ত:** বৃত্ত হলো একটি আবদ্ধ বক্ররেখা যার প্রত্যেক বিন্দু ভিতরের একটি বিন্দু থেকে সমান দূরে থাকে।
* **परिधि:** যে বক্ররেখাটি বৃত্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে তাকে বলে পরিধি।
* **জ্যা:** জ্যা হলো একটি বৃত্তচাপের শেষ প্রান্ত বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ।
* **ব্যাসার্ধ:** কেন্দ্র থেকে পরিধির দূরত্বই হলো ব্যাসার্ধ।
**ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা সংক্রান্ত সূত্রাবলি:**
* *আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ*
* *দৈর্ঘ্য = ক্ষেত্রফল ÷ প্রস্থ* | *প্রস্থ = ক্ষেত্রফল ÷ দৈর্ঘ্য*
* *সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা*
* *ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (ভূমি × উচ্চতা) ÷ ২*
* *ভূমি = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ উচ্চতা* | *উচ্চতা = (ক্ষেত্রফল × ২) ÷ ভূমি*
* *পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)*
# # ⚖️ ৬. পরিমাপের একক ও বাটখারা
* **ওজন পরিমাপের মূল একক:** গ্রাম।
* **আদর্শ বাটখারা:** মোট ৮টি।
* ১০০০ গ্রাম = ১ কেজি
* ১ কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম (কেজি)
* ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন
* ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম (কেজি)
* ১ এয়র = ১০০ বর্গমিটার
* ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার
* ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
* ১ লিটার = ১০০০ মিলিলিটার = ১০০০ ঘন সেন্টিমিটার
* ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার
# # 📆 ৭. সময় ও গণনা সংক্রান্ত একক
* ১ জোড়া = ২টি
* ১ হালি = ৪টি
* ১ ডজন = ১২টি
* ১ কুড়ি = ২০টি
* ১ দিস্তা = ২৪ তা
* ১ রীম = ২০ দিস্তা
* ১ সপ্তাহ = ৭ দিন
* ১ পক্ষ = ১৫ দিন
* ১ মাস = ৩০ দিন
* ১ বছর = ১২ মাস = ৩৬৫ দিন
* **১ দশক:** ধারাবাহিক ভাবে ১০ বছর সময়কাল।
* **১ যুগ:** ধারাবাহিক ভাবে ১২ বছর সময়কাল।
* **১ শতাব্দী:** ধারাবাহিক ১০০ বছর সময়কাল।
* **অধিবর্ষ (Leap Year):** সাধারণত ৪ দ্বারা বিভাজ্য বছরকে অধিবর্ষ বলে। তবে একক ও দশকের ঘরে ০ থাকলে (যেমন: ২০০০, ২১০০) ৪০০ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হতে হবে।
# # 📈 ৮. উপাত্ত, জনসংখ্যা ও তথ্যপ্রযুক্তি
* **উপাত্ত:** প্রাপ্ত তথ্যসমূহকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে উপাত্ত বলে। উপাত্ত ২ প্রকার— বিন্যস্ত উপাত্ত ও অবিন্যস্ত উপাত্ত।
* **বিন্যস্ত উপাত্ত:** যে উপাত্তগুলো কোনো বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজানো থাকে।
* **অবিন্যস্ত উপাত্ত:** যে উপাত্তগুলো কোনো বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজানো থাকে না।
* **লেখচিত্র:** চাক্ষুষ প্রদর্শনের জন্য রেখার সাহায্যে আঁকা চিত্র হলো লেখচিত্র।
* **শ্রেণি ব্যবধান:** শ্রেণির ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার মধ্যে পার্থক্যই হলো শ্রেণি ব্যবধান।
* **ঘটন সংখ্যার অপর নাম:** গণসংখ্যা।
* **জনসংখ্যার ঘনত্ব:** প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসরত লোক সংখ্যা হলো জনসংখ্যার ঘনত্ব।
* *জনসংখ্যার ঘনত্ব = জনসংখ্যা ÷ আয়তন*
* *জনসংখ্যা = ঘনত্ব × আয়তন*
* *আয়তন = জনসংখ্যা ÷ ঘনত্ব*
* **ক্যালকুলেটর:** ক্যালকুলেটর হলো একটি সাধারণ গণনার জন্য হস্তচালিত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা একটি বৈদ্যুতিক ব্যাটারি দ্বারা চলে।
* **বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর:** মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত এটি ব্যবহৃত হয়।
* **কম্পিউটার:** কম্পিউটার একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ক্যালকুলেটর অপেক্ষা দ্রুত ও বড় গণনা করতে পারে।
#প্রাথমিকশিক্ষা

26/05/2026

আসসালামু আলাইকুম

Address

Pitamborpur, Sonaimuri
Noakhali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammed Shekkh Farid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share