02/09/2024
কওমি মাদ্রাসায় ইয়াতিম বাচ্চারা পড়ে , থাকে খায় । পুরা ফ্রি । তাদের কোনো পয়সা লাগে না । যাদের টাকা আছে তারা টাকা দিয়ে খায় । যাদের বাবা নাই , বা মা নাই , বা অতি দরিদ্র তারা মাগনা , সব মাগনা ।
পড়া লেখা , খাওয়া থাকা , সব ।
এই ইয়াতিম বাচ্চারা যদি পড়ার সুযোগ না পাইতো তাহলে এরা কি হতো ? উত্তর হবে সমাজের বোঝা । বেকার ।
অনেকে বলতে পারেন , কওমি মাদ্রাসায় পইড়া হয় কি ? তাদের আমি বলি আসসা , কোনো কওমি মাদ্রাসায় পড়া আলেমকে দেখছেন , যে তারা বেকার আছে ? আপনার আমার মত জেনারেল শিক্ষিত হইয়া হাজার হাজার বেকার আছে , চাকরি নাই ।
আমার লিস্টে ই আছে কম্পিউটার সাইন্সে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কইরা কি স্ট্রাগলটা করতেছে নিজের পায়ে দাড়ানোর জন্য । কত্ত শিক্ষিত ছেলে আছে এখন চাকরির জন্য চেস্টা করতেছে পাচ্ছে না । বাট কোনো কওমি পাস আলেম বেকার নাই , তারা অল্প বেতন পাইলেও এই আলহামদুলিল্লাহ অনেকের চেয়েও ভালো আছে , বরকত আছে তাদের ইনকামে । মোট কথা কথা হলো , কওমি আলেমরা সমাজের জন্য বোঝা না , তারা বেকার থাকে না , কিছু না কিছু করে । সব চেয়ে বড় কথা তারা ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে , আমাদের নাজাতের জন্য আমরা আল্লাহর কাছে এটাতো বলতে পারবো যে , দ্বীন শিক্ষার জন্য অসহায় এতিম বাচ্চাদের আমরা সহায়তা করেছি । যাহোক পুর্বের কথায় ফিরে যাই ।
এই এতিম বাচ্চারা এরা কি সমাজের বাহিরের কেউ ? এদের দেখার দায়িত্ম তো আমাদের সকলের । কওমি মাদ্রাসায় যে এই সব বাচ্চাদের মানুষ করানোর দায়িত্ম নিছে তারা খরচ কোথায় পাবে ? তাদের তো সরকারি কোনো দান অনুদান নাই , তারা চলে সমাজের আপনার আমার দানের টাকায় ।
এখন আপনি আর আমি যদি সত্যিকার মানুষ হই তাইলে আমাদের উচিত কওমি মাদ্রাসায় গিয়া চুপে চাপে তাদের হাতে যা পারি তাই দিয়ে সহায়তা করা । যখন দেখি কওমি আলেমরা , ছাত্ররা কোরবানির চামড়ার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে যায় তখন খুব কস্ট লাগে , তারা আসবে কেনো ? আমাদের নিজেদের উচিৎ ছিলো একজন মুসলমান হিসেবে তাদের কাছে পৌছে দেওয়া ।
#নোয়াখালী, সেনবাগ,গোপালপুর আমাদের প্রতিষ্ঠান।