Obayed Ullah Memorial High School

Obayed Ullah Memorial High School পড় তোমার প্রভুর নামে Obayed Ulllah Memorial High School is a Medium size school located in the rural south sadar of Noakhali.

It is a small necessary school within the Noakhali County Unified School District. We currently serve near about 1200 students with a staff of thirty five teachers, a full-time secretary, a part-time custodian, and several aides and volunteers. Our Headmaster also serves as the Opportunity Class Teacher. Classes are combination: SIX,SEVEN, EIGHT, NINE, TEN. The school was established in 1971 when

pioneer Alhaz Wahidul Hoque deeded 2 acres for the school site. Students were educated in the original 1970 one-room schoolhouse until 1978, when a new school was built on the existing campus. The historic structure continued to be used intermittently until 1997 when it was relocated to the nearby county park and restored with the help of the South Sader Historical Society and many community volunteers. It is now used for living-history programs and is available to all district students to learn about the life of early-day students. For many years, South Sadar in Noakhali has had a core population of cattle ranchers and county employees. The community is friendly and mostly conservative, with many families (and alumni of our school) going back several generations. There is strong community support for the school, which is essentially the social hub for the community. We are proud of our students and their accomplishments. They are achievers: academically as evidenced by our nine-year average result of 75%; in S.S.C, winning many top awards at the annual county fair for their rodeo feats, livestock auctions, and exhibits; as student leaders throughout their entire school careers; and athletically, winning trophies in a wide variety of sports.

বিদ্যালয় আমাদের, দায়িত্বও আমাদের। বর্তমানে ওবায়েদ উল্লাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে পড়ছো এমন ছোট ভাইবোনরা থাকলে ভাইয়াকে একটু ই...
27/10/2025

বিদ্যালয় আমাদের, দায়িত্বও আমাদের।

বর্তমানে ওবায়েদ উল্লাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে পড়ছো এমন ছোট ভাইবোনরা থাকলে ভাইয়াকে একটু ইনবক্সে নক দাও।
তোমাদের নিয়ে ভাইয়ার একটা প্ল্যান আছে।
তোমাদের নিয়ে ভাইয়া একটা গ্রুপ খুলতে চাই যে গ্রুপে তোমাদের পড়াশোনার বিষয়ে সব ধরনের হেল্প পাবা ইনশাআল্লাহ।
বিশেষ করে নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের যারা আছো তোমরা must ভাইয়াকে knock করো তোমরা যেই আমার পোস্টটা দেখ না কেন।
ভাইয়ার WhatsApp নাম্বার :01825321246
যদি তোমারা interested থাকো এবং ভাইয়ার কথা মত কাজ করার ইচ্ছে থাকে তাহলে আমার সাইড থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করবো তোমাদের সহযোগিতা করার।ইনশাআল্লাহ আমাদের সকলের হাত ধরেই প্রানের বিদ্যাপীঠ এগিয়ে যাবে বহু দূর...
এলামনাই এসোসিয়েশন সর্বদাই তোমাদের পাশে আছে💕
বিদ্যালয় থেকে অনেক নিয়েছি, ইনশাআল্লাহ দেওয়ার সময় চলে এসেছে🙂
-মেহেদী হাসান রিমন
SSC -22
MBBS student at (BMC)

15/10/2024

আলহামদুলিল্লাহ
পাশের হার ১০০%
বিজ্ঞান বিভাগ
নোয়াখালী সিটি কলেজ।

তুমি পাহাড়ি বলে আমি সমতলের মানুষ তো তোমাকে কোন অধিকার থেকে বঞ্চিত করিনা, তুমি বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় যেকোনো সময় যেতে পার, চ...
22/09/2024

তুমি পাহাড়ি বলে আমি সমতলের মানুষ তো তোমাকে কোন অধিকার থেকে বঞ্চিত করিনা, তুমি বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় যেকোনো সময় যেতে পার, চাকরি করতে পার, পড়ালেখা করতে পার। তাহলে সমতলের আমি কেন তোমার পাহাড়ে ঘুরতে গেলে আর্মির পাহারা লাগে? আমি কেন সেখানে ইচ্ছেমতো ঘুরতে পারিনা? আমি কেন পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে হলে বারৈয়ারহাটে অনেক বাস একসাথে হয়ে বিজিবির কড়া পাহারায় যেতে হয়? তাও আবার বিকেলের মধ্যেই আমাকে ঢুকতে হবে।
তুমি পাহাড়ি কিন্ত এদেশের যেকোন জায়গায় থাকতে পার, বাড়ি করতে পার। কিন্ত আমার পাহাড়ে থাকার অধিকার কেন তুমি মানতে পারো না? আমি তোমাকে বাংলাদেশর নাগরিকের সম্মান দেই,তুমি আমাকে পাহাড়ে গেলে শত্রু ভাব কেন ??? তুমি বন্ধু হও কোন চরমপন্থি নয়।
সুতরাং পার্বত্য চট্টগ্রামের যে অসম চুক্তি হয়েছিল তা সংষ্কার করে সকল ধর্ম,শ্রেণি,পেশার ক্ষেত্রে বৈষম্যহীন করতে হবে।

Newly appointed Vice-Chancellor Dr. Mohammad Ismail Noakhali Science and Technology University. Congratulations on behal...
05/09/2024

Newly appointed Vice-Chancellor Dr. Mohammad Ismail Noakhali Science and Technology University.
Congratulations on behalf of the first batch of PGD IT NSTU.
We hope that through your talent and wisdom, you will make the administrative and academic activities of the university dynamic and the path of scientific research more prosperous. We also hope that the university will become the center of science practice under your management.
On behalf of the first batch of PGD IT, IIT, NSTU.
Redwan Faruque
06/09/2024

অভিনন্দন Mohammad Safiqul Islam Sir. যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান প্রদান করায় নোবিপ্রবির সকল অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান এ...
01/09/2024

অভিনন্দন Mohammad Safiqul Islam Sir.
যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান প্রদান করায় নোবিপ্রবির সকল অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান এবং ইনিস্টিউটের পরিচালক মহোদয়গণকে ধন্যবাদ।
উপাচার্য নিয়োগের আগ পর্যন্ত নোবিপ্রবির প্রশাসনিক এবং আর্থিক দায়িত্ব পালন করবেন ফার্মাসি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম। ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানদের সম্মতিক্রমে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়।

31/08/2024

নতুন বাংলাদেশ যাত্রার টাইমলাইন
৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট

(শেয়ার করে রেখে দিন নিজের প্রোফাইলে)

৫ জুন
-- মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদান করে হাইকোর্ট

৬ জুন
-- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ-এর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ঢাবি ছাত্ররা

৯ জুন
-- কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে আবারও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
-- দাবি মানতে সরকারকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন ঢাবি ছাত্ররা।
-- বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদল সুপ্রিম কোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল বরাবর স্মারকলিপি দেয়।
-- কোটা বাতিল-সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ৪ জুলাই দিন নির্ধারণ করা হয়

১ জুলাই
-- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোটা বাতিলের দাবিতে ছাত্রসমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় ঢাবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে
-- ৪ জুলাইয়ের মধ্যে দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সুরাহার আহ্বান জানানো হয়
-- আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তিন দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়

২ জুলাই
-- ঢাবির ছাত্ররা মিছিল নিয়ে শাহবাগ অবরোধ করে এক ঘন্টা
-- জাবির ছাত্ররা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ২০ মিনিটের জন্য অবরোধ করেন।

৩ জুলাই
-- ঢাবির ছাত্ররা শাহবাগ মোড় দেড় ঘণ্টার মতো অবরোধ করে রাখেন।
-- ময়মনসিংহে রেললাইনে ট্রেন অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
-- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
-- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করেন।
-- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন
-- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন।

৪ জুলাই
-- প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ 'নট টুডে' বলে আদেশ দেন। পরের সপ্তাহে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে ওই দিন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে জানানো হয়।
-- ছাত্ররা ঢাকার শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখে ৫ ঘণ্টা

৫ জুলাই
-- এই দিন শুক্রবারেও চট্টগ্রাম, খুলনা ও গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারী ছাত্ররা।

৬ জুলাই
-- দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের দিনের মতোই বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
-- আন্দোলনকারীরা সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, ছাত্র ধর্মঘট এবং সারা দেশে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের ডাক দেন। এর নাম দেওয়া হয় ‘বাংলা ব্লকেড’।

৭ জুলাই
-- বাংলা ব্লকেডে স্থবির রাজধানী। অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা।

৮ জুলাই
-- ঢাকার ১১টি স্থানে অবরোধ, ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ, ৩টি স্থানে রেলপথ অবরোধ এবং ৬টি মহাসড়ক অবরোধ।
-- সারাদেশের ছাত্রদের নিয়ে 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' নামে ৬৫ সদস্যের সমন্বয়ক টিম গঠন করা হয়।

৯ জুলাই
-- হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে দুই শিক্ষার্থীর আবেদন করে।
-- ঢাকার বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৪ ঘন্টা অবরোধ কর্মসূচি 'বাংলা ব্লকেড' পালন করা হয়।
-- পরদিন সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা 'বাংলা ব্লকেড'-এর ঘোষণা দেওয়া হয়।

১০ জুলাই
-- কোটার বিষয়ে পক্ষগুলোকে চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ আপিল বিভাগের। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। শুনানির জন্য আগামী ৭ আগস্ট দিন রাখা হয়।

-- ছাত্ররা ভুল করেছে মর্মে বক্তব্য রাখেন প্রধান বিচারপতি। তিনি আরো বলেন, রাস্তায় স্লোগান দিয়ে রায় পরিবর্তন করা যায় না। এটি সঠিক পদক্ষেপ না।

১১ জুলাই
-- পুলিশের বাধার মুখেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ পালন করেন আন্দোলনকারীরা
-- ওবায়দুল কাদের বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা সর্বোচ্চ আদালতের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শন করছেন। এটি অনভিপ্রেত ও সম্পূর্ণ বেআইনি।
-- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, শিক্ষার্থীরা 'লিমিট ক্রস' করে যাচ্ছেন।

১২ জুলাই
-- শুক্রবার ছুটির দিনেও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ চলে
-- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।
-- রেলপথ অবরোধ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

১৩ জুলাই
-- আরাফাত বলেন, বিচারাধীন বিষয়ে সরকারের এখন কিছু করার নেই।

১৪ জুলাই
-- রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দিয়ে আন্দোলনকারীরা সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন ছাত্ররা।
-- শেখ হাসিনা চীন সফর শেষে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে আন্দোলনকারী ছাত্রদের রাজাকারের নাতি-পুতি বলেছে।
-- এর প্রতিবাদে রাত নয়টার দিকে ঢাবির বিভিন্ন হলে শ্লোগান ওঠে
তুমি কে? আমি কে?
রাজাকার! রাজাকার!!
-- এই শ্লোগান এতোই জনপ্রিয় হয় যে, মুহূর্তেই দেশের সকল পাবলিক ভার্সিটিতে ছোঁয়া লাগে। সকল ভার্সিটিতেই এই শ্লোগান চলে রাতভর।
-- রাতে চবিতে ছাত্রদের মিছিলে ছাত্রলীগ হামলা চালায়।

১৫ জুলাই
-- ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলে, আন্দোলনকারীদের 'রাজাকার' স্লোগানের জবাব ছাত্রলীগই দেবে।
-- ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম মন্তব্য করে, যাঁরা ‘আমি রাজাকার’ স্লোগান দিচ্ছেন, তাঁদের শেষ দেখিয়ে ছাড়বো।
-- কাদের ও সাদ্দামের মন্তব্যের পর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হানাদার বাহিনী ঢাবির আন্দোলনকারী ছাত্রদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ করে। ছাত্রদের ওপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা গুলি করে।
-- ভয়াবহ আক্রমণে ২৯৭ জন ছাত্র আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন।
-- হামলার প্রতিবাদে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ উভয়ে সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়।

১৬ জুলাই
-- পুলিশের গুলিতে রংপুরে আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে ওয়াসিম, শান্ত, ফারুক ও ঢাকায় সবুজ আলী ও শাহজাহান শাহদাতবরণ করেন।
-- সাদ্দাম আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বলে, আমরা দেখে নেব, কত ধানে কত চাল।

১৭ জুলাই
-- ঢাবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিতাড়ন করে 'রাজনীতিমুক্ত' ঘোষণা করে সাধারণ ছাত্ররা।
-- পুলিশের কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কফিন মিছিল পণ্ড হয়ে যায়
-- সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র বিক্ষোভ, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ, গায়েবানা জানাজা, কফিন মিছিল এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা।
-- রাত সাড়ে সাতটায় জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ। ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ।
-- বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হল বন্ধের ঘোষণা ও পুলিশের তৎপরতার মুখে অনেক শিক্ষার্থী সন্ধ্যা নাগাদ ক্যাম্পাস ছেড়ে যান। তবে হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে রাতেও অনেক ছাত্রছাত্রী হল ও ক্যাম্পাসে অবস্থান করছিলেন।

১৮ জুলাই
-- সারাদেশের প্রায় সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ মিছিল। হানাদার আওয়ামী পুলিশ বাহিনীর হামলা।
-- প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা এদিন আন্দোলনের মূল হাল ধরে
-- মুগ্ধসহ মোট ৪০ জন শাহদাতবরণ করেন।
-- সংঘর্ষ বেশি হয় ঢাকায়।
-- সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন।

১৯ জুলাই
-- শিক্ষার্থীদের 'কমপ্লিট শাটডাউন' বা সর্বাত্মক অবরোধের কর্মসূচি ঘিরে রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, গুলি, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
-- দেশের বিভিন্ন জেলাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও সহিংসতা হয়।
-- পুলিশ ও বিজিবির নৃশংস গুলিতে ১১৯ জন শাহদাতবরণ করেন। এদিন আন্দোলন গণআন্দোলনে রূপ নেয়। এদিন রাস্তায় ছাত্রদের চাইতেও বেশি ছিল নানান শ্রেণি পেশার মানুষ। বলাবাহুল্য সারাদেশের চেয়ে রাজধানী ঢাকা ছিল বেশি অগ্নিগর্ভ।
-- ঢাকার যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, রামপুরা-বাড্ডা, সায়েন্সল্যাব, মিরপুর ১ ও ১০, মহাখালী, মোহাম্মদপুর, সাভার ছিল আন্দোলনের মূল হটস্পট।
-- রাতে সারা দেশে কারফিউ জারি, সেনাবাহিনী মোতায়েন। ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ।

২০ জুলাই
-- দেশজুড়ে কারফিউ, সেনা মোতায়েন। সাধারণ ছুটি ঘোষণা।
-- রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ধাওয়া ও গুলি। উল্লেখযোগ্য স্থান হচ্ছে, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, বাড্ডা, মিরপুর ও মোহাম্মদপুর।
-- পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে মোট ৭১ জন শাহদাতবরণ করেন।
-- প্রধান সমন্বয়ক নাহিদকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ
-- আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক তিন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আট দফা দাবি পেশ।

২১ জুলাই
-- কোটা সংস্কার করে ৭% কোটা রেখে রায় প্রদান করে আদালত।
-- এদিনও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন অব্যাহত থাকে।
-- হানাদার পুলিশ ও বিজিবির নির্মম গুলিতে ৩১ জন শাহদাতবরণ করেন।
-- চার দফা দাবি পূরণের জন্য বৈষম্যবারোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা ৪৮ ঘন্টা সময় বেঁধে দিলেন। চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ চালু করা, শিক্ষার্থীদের আসার ব্যবস্থা করে দিয়ে হল খুলে দেওয়া, আন্দোলনের সমন্বয়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কারফিউ তুলে দেওয়া। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চারজন সমন্বয়ক।
-- নাহিদকে ব্যাপক নির্যাতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় পুলিশ।

২২ জুলাই
-- কোটা সংস্কার করে প্রকাশিত রায়ের প্রজ্ঞাপনের প্রস্তুতি চলে
-- প্রতিদিন মানুষ হত্যার প্রতিবাদে সাধারণ ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। তবে আন্দোলন স্তিমিত হতে থাকে।
-- এদিনও ১০ জন শাহদাতবরণ করেন। এর মধ্যে কয়েকজন ছিলেন আগের আহত হওয়া।

২৩ জুলাই
-- কোটাপ্রথা সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি।
-- সরকার কয়েক হাজার মামলা দিয়ে গণগ্রেপ্তার শুরু করে।

২৪ জুলাই
-- কোটা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার ও রিফাত রশীদের খোঁজ পাওয়া গেছে।
-- নিখোঁজ থাকার পাঁচ দিন পর আসিফ ও বাকেরকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে যাওয়া হয়েছে বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দুজনই জানিয়েছেন।
-- আর রিফাত আত্মগোপনে আছেন।
-- ব্লক রেইড দিয়ে গণগ্রেপ্তার চলছেই।

২৫ জুলাই
-- আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও অন্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই কোটা সংস্কারের যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, সেটিকে তাঁরা চূড়ান্ত সমাধান মনে করছেন না। যথাযথ সংলাপের পরিবেশ তৈরি করে নীতিনির্ধারণী জায়গায় সব পক্ষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে প্রজ্ঞাপন দিতে হবে।
-ছাত্রদের বিবৃতি
-- শেখ হাসিনা মেট্রোরেলের ভাঙ্গা অংশ দেখে চোখের পানি ফেলতে শুরু করেছেন।

২৬ জুলাই
-- এলাকা ভাগ করে চলছে 'ব্লক রেইড'। সারা দেশে অভিযান। সারা দেশে অন্তত ৫৫৫টি মামলা। গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৬ হাজার ২৬৪।
-- সাদা পোষাকে ডিবি হারুনের সন্ত্রাসীরা হাসপাতাল থেকে ছাত্রনেতাদের তুলে নিয়ে যায়।

২৭ জুলাই
-- ১১ দিনে গ্রেপ্তার ৯ হাজার ১২১ জন। আতঙ্কে মানুষ ঘরছাড়া।
-- ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করতে থাকে ডিবি হারুন

২৮ জুলাই
-- মোবাইল ইন্টারনেট ১০ দিন পর সচল।
-- কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুমকে হেফাজতে নিয়েছে ডিবি হারুন।
-- ডিবি হারুন জোর করে গান পয়েন্টে ছাত্রনেতাদের দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের বিবৃতি আদায় করে।
-- আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক মাহিন সরকার, আব্দুল কাদের ও আব্দুল হান্নান মাসুদ অজ্ঞাত স্থান থেকে আগের বিবৃতি প্রত্যাহার ও ৯ দফা দাবী নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

২৯ জুলাই
-- ছাত্র আন্দোলনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য খুনী হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলের মিটিং-এ জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত হয়।
-- একইসাথে ছাত্রআন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে খুনসহ অন্যান্য মামলা দিয়ে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় গণহত্যাকারী ১৪ দল।
-- ডিবি হারুন কর্তৃক জোর করে বিবৃতি আদায়ের ঘটনায় ছাত্ররা আবার বিভিন্ন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
-- চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, জাবি ও রাবিতে পুলিশ ছাত্রদের ওপর হামলা করে।
-- অনেক ক্যাম্পাসে ছাত্রদের সাথে শিক্ষকরাও বিক্ষোভ করে

৩০ জুলাই
-- হত্যার বিচার চেয়ে মুখে লাল কাপড় বেঁধে মিছিল করে ছাত্র ও শিক্ষকরা
-- জাতিসংঘ মহাসচিবের বিবৃতি, স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান।
-- ফেসবুকের প্রোফাইল লাল রঙের ফ্রেমে রাঙিয়েছেন সারাদেশের মানুষ। গণহত্যাকারীরা কালো ফ্রেম দিয়েছে। তবে সেটা নিতান্তই নগণ্য।
-- নাটক ও সিনেমা সংশ্লিষ্ট মানুষরা খুনী হাসিনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করেন।

৩১ জুলাই
-- ছাত্ররা 'রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোস' কর্মসূচি পালন করে।
-- ৯ দফার পক্ষে জনমত গঠন করতে থাকে ছাত্ররা।
-- সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের তোপের মুখে পড়েন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের
-- ঢাবির শিক্ষকরা সমন্বয়কদের ছাড়াতে ডিবি অফিসে গেলে পুলিশ তাদের হেনস্তা করে। পরিবারের সাথেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

১ আগস্ট
-- ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
-- ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি

২ আগস্ট
-- ৯ দফা আদায়ের দাবিতে সারাদেশে গণমিছিল করে ছাত্র জনতা।
-- রাজধানীসহ বিভিন স্থানে পুলিশের সাথে ছাত্র জনতার সংঘর্ষ হয়।
-- পুলিশের গুলিতে ৩ জন শাহদাতবরণ করেন। পরিস্থিতি আবারো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
-- ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে ১৫ হাজার মানুষ।

৩ আগস্ট
-- ৯ দফা না মেনে গণগ্রেপ্তার ও গণহত্যা চালু রাখার প্রতিবাদে শহীদ মিনারে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্র জনতা।
-- সেনাপ্রধান তার সেনা কমান্ডার নিয়ে মিটিং করেন। সেখানে তিনি এই বার্তা পান যে, সেনাবাহিনী আর গুলি করতে প্রস্তুত নয়।
-- কয়েক লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে নয় দফা বাদ দিয়ে ১ দফার (খুনী হাসিনার পদত্যাগ) ঘোষণা দেয় ছাত্রনেতারা।
-- হাসিনা ছাত্রদের আলোচনা করার প্রস্তাব দেয়। প্রয়োজনে মন্ত্রীদের কয়েকজন পদত্যাগ করার ঘোষণাও দেন। ছাত্ররা সব আলোচনা নাকচ করে দেন।
-- আবারো ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় সরকার।
-- শহীদ আবু সাইদের খুনী দুইজন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত ও প্রেপ্তার করে পুলিশ।
-- ছাত্রজনতাকে রাস্তায় প্রতিহত করতে কড়া নির্দেশ দেয় খুনী হাসিনা।

৪ আগস্ট
-- রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ছাত্রজনতার বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসী। এদিন পুলিশের সাথে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ছাত্রদের গুলি করে। কিন্তু হাজার হাজার ছাত্র ইট পাটকেল দিয়ে সন্ত্রাসী ও হানাদার পুলিশ বিজিবিকে প্রতিরোধ করে।
-- কয়েকটি স্থানে সেনাবাহিনীও গুলি করে।
-- সারাদেশে ১৩০ জন খুন হন। এর মধ্যে ছাত্রলীগ, পুলিশ ও যুবলীগেরও কিছু সদস্য রয়েছে। লাখো ছাত্ররা এদিন সন্ত্রাসীদের অনেককে ভালোভাবে উত্তম-মাধ্যম দেয়।
-- পরদিন ঢাকামুখী লং-মার্চের কর্মসূচি দেয় ছাত্র জনতা।
-- অনেক আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অফিস ও বাড়িতে আগুন দেয় প্রতিশোধ পরায়ন ছাত্র-জনতা।

৫ আগস্ট
-- সকাল থেকেই ব্যাপক মারমুখী অবস্থান নেয় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী।
-- সারা ঢাকা শহরে খন্ড খন্ড যুদ্ধ শুরু হয় ছাত্র জনতার সাথে।
-- সকাল সাড়ে দশটার পর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হাসিনা পালিয়ে যায়।
-- কর্মরত পুলিশরা এই খবর না জানায় তারা জনতার সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যায়। অনেক মানুষকে তারা খুন করতে থাকে।
-- সেনাবাহিনী প্রধান দুইটায় ভাষণ দিবেন বলে ঘোষণা দেন।
-- ১২ টায় শাহবাগের পুলিশ ও সেনাবাহিনী রাস্তা ছেড়ে দেয়।
-- ১ টায় মানুষ জেনে যায়, হাসিনা পালিয়ে গেছে।
-- সারাদেশের বিশেষভাবে ঢাকার মানুষ সব রাস্তায় নেমে নেচে গেয়ে উদযাপন করতে থাকে।
-- গলিতে গলিতে মিস্টি বিতরণ ও ঈদ মোবারক বলে কোলাকুলি করতে থাকে মানুষ।
-- রাস্তায় রাস্তায় মানুষ সিজদা দিয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে থাকে।
-- দেশে বিভিন্ন মোড়ে থাকা স্বৈরাচার মুজিবের সকল মুর্তি ভেঙ্গে দেয় আন্দোলনকারী ছাত্রজনতা
-- পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় ও আত্মগোপন করে। অনেকেই ছাত্রজনতার কোপানলে পড়ে খুন হয়।
-- রাজধানীর মানুষদের একটা বড় অংশ গণভবনে গিয়ে হাসিনার ওপর রাগ ক্ষোভ গণভবনের ওপর ঝাড়ে।

৬ আগস্ট
-- বাংলাদেশে উদিত হয় নতুন সূর্য। আওয়ামী হানাদার মুক্ত বাংলাদেশের নতুন রক্তিম যাত্রা শুরু হয়।

©️ Ahmed Afgani

30/08/2024

ওবায়েদ উল্লাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের বর্তমান শিক্ষার্থীদের বলছি, কোনো স্যার-ম্যাম এর সাথে কোনো প্রকার বেয়াদবির খবর পেলে প্রাক্তন ব্যাচের ছাত্ররা কেউ বসে থাকবো না, তাই এই ব্যাপারে সর্তক থেকো। দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্রোতে গা ভাসিয়ে তিল কে তাল বানিয়ে শিক্ষকদের সাথে বেয়াদবি করা হচ্ছে। যদিও আল্লাহ'র রহমতে আমাদের ছোট ভাই-বোন দের থেকে এই ধরনের কিছু এখনো শুনি নাই। তাও সবাই সতর্ক থাকো। কেউ যাতে এই ধরনের অন্যায় কাজ করার কথা চিন্তা ও করতে না পারে।

মনে রাখিও, ওবায়েদ উল্লাহ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের ছাত্র হিসেবে আমরা গর্বিত যে আমরা এই বিদ্যাপীঠে পড়েছি/ পড়ি৷ এটা আমাদের সবার গর্ব করে বলার মত পরিচয়৷ আর এই পরিচয় টা আমাদের শিক্ষক দের কারণেই সম্ভব হয়েছে । এই পরিচয় যাতে কোনো ভাবে কলংকিত না হয়৷
# SSC-2000 BATCH

দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে আমাদের চাহিদা পূর্ণ হয় না, তাই আমাদেরকে আমদানি করতে হয়, এই আমদানি প্রক্রিয়া শুধুমাত্র ভা...
30/08/2024

দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে আমাদের চাহিদা পূর্ণ হয় না, তাই আমাদেরকে আমদানি করতে হয়, এই আমদানি প্রক্রিয়া শুধুমাত্র ভারত নির্ভর হওয়ায় বড় ধরনের একটি সিন্ডিকেট এর হাতে বাজার দর নিয়ন্ত্রিত। এতে করে ক্রেতা সাধারণের ক্রয় সীমার বাহিরে মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। তাই আমাদের উচিত হবে ভারত নির্ভর আমদানি বন্ধ করে তুরস্ক, পাকিস্তান, চীন সহ অন্যান্য যে সকল দেশে উৎপাদিত হয় সেখান থেকে ভালো মানের পণ্য আমদানি করে বাজারজাত করা। এতে করে ক্রেতা সাধারণগণ ক্রয় সীমার মধ্যে ভালো মানের পেঁয়াজ ও রসুন ক্রয় করতে পারবে।

30/08/2024

একটা কথা আগেও বলেছি, এখন আবার বলছি প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে তাদের আয়-ব্যয় ও সম্পদের হিসাব বিবরণী জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে একইসাথে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মরত সকল শিক্ষক - কর্মচারী এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তার আয়- ব্যয় ও সম্পদ বিবরণী জনসম্মুখে প্রকাশের জন্য নীতিমালা প্রনয়ন করতে হবে।
একটি বিষয় লক্ষ্য করলাম রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্টাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিতে বলায় উনারা কর্ম বিরতিতে গিয়েছেন, সমস্যা নেই যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা না দিবে তাদেরকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক এবং যদি আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকে তা রাস্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হোক এবং শূন্য পদে আমাদের যে লক্ষ লক্ষ বেকার গ্র্যাজুয়েট রয়েছে তাদের নিয়োগ প্রদান করে বেকারত্বের অবসান করা সময়োচিত হবে। একইভাবে সকল পর্যায়ে এই নীতি অব্যাহত রাখলে দূর্নীতি করার চিন্তা কেউ মাথায় আনবে না।
এতে করে আমরা দূর্নীতি প্রায় শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে পারবো ও জাপানিদের মত একটি পরিচ্ছন্ন জাতি হিসেবে বিশ্বব্যাপী পদচারণা করতে পারবো।

ঘরে ফেরাছেলেগুলো আর ঘরে ফিরতে পারলো না! এসাইনমেন্টের পর এসাইনমেন্ট।  সব প্র্যাকটিকেল! আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে না তুলতেই ...
26/08/2024

ঘরে ফেরা
ছেলেগুলো আর ঘরে ফিরতে পারলো না! এসাইনমেন্টের পর এসাইনমেন্ট। সব প্র্যাকটিকেল! আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে না তুলতেই রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের শূন্যতা। এমতাবস্থায় দাঁড়িয়ে গেল রাস্তায়। পুলিশিং শূন্যতায় এলাকায় এলাকায় ডাকাতির আতঙ্ক, রাত্রি জেগে পাহারা। শুধু কি বাড়িঘর? না, থানা ও অফিস আদালত আগলে রেখেছে। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ট্রাফিক সামলানো আর সারারাত জেগে পাহারায়। সাথে যোগ হলো এলাকার ময়লা পরিস্কার, রাস্তা ঝাড়ু দেয়া। ট্রাফিক পুলিশ কাজে যোগ দিলে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তারা শুরু করে দেয়াল পরিস্কার আর গ্রাফিতির কাজ। দেয়ালে দেয়ালে জেন-জি'র গৌরব গাঁথা আর আগামীর প্রত্যাশা নিয়ে গ্রাফিতি শেষে যখন ঘরে ফেরার সময়-সুযোগ তৈরী হয়, শুরু হয়ে যায় প্রলয়ংকরী বন্যা। এবার তারা রং তুলি ফেলে হাতে তুলে নেয় ত্রাণের এসাইনমেন্ট। সারারাত অর্থ সংগ্রহ, ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ আর প্যাকেজিং চলে। ভোর হতেই আবার ছুটে যায় বানভাসি মানুষের পাশে। লাইফ জ্যাকেট গায়ে নৌকা নিয়ে বানে আটকে পড়া স্বজনদের নিয়ে আসে আশ্রয় কেন্দ্রে। শুধু কি মানুষ? না, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, কুকুর-বেড়ালসহ নানা পোষা প্রাণী। দুর্গম জায়গার আশ্রয় কেন্দ্রে তিন বেলা খাবার পৌঁছে দেয়া। এর সাথে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তো আছেই! গতকালকের আনসার বিদ্রোহ ঠেকাতে তারা ত্রাণের এসাইনমেন্টে একদলকে রেখে অন্যদল নতুন এসাইনমেন্ট 'সচিবালয় উদ্ধার' করতে দৌড়ে আসে! রাতে - সকালে আবার বন্যার্তদের সেবায় আত্মনিয়োগ। অথচ ঘরে বসে আপনি বলছেন, ওরা বন্যা ট্যুরে আছে। কি ভয়ঙ্কর অভিযোগ!
বানের টান, হৃদয়ের টান
জলের স্রোত, জনের স্রোত-
এখন মিশে গেছে একটি বিন্দুতে...!
প্রযুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে এ গণজাগরণ। সুতরাং সোশ্যাল মিডিয়ায় তথ্যতো দিতেই হবে। ওরা বন্যাদুর্গত এলাকায় বন্যার্তদের নিয়ে যদি পিকনিক করে আপনার-আমার কী সমস্যা? দুর্গত এলাকায় গেলে বুঝা যায় উদ্ধারকারী স্বেচ্ছাসেবকদেরকে গ্রুপে থাকা কত দরকার! এদের অনেক আবার সাঁতার জানে না। এছাড়া এতো পানি এতদঅঞ্চলের মানুষ কখনো দেখেনি। মহান আল্লাহ তাদেরকে হেফাজত করুন। বন্যার্ত প্রিয় স্বজনরা কাটিয়ে উঠুক এ বিভীষিকা।
আর সকল সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমাদের সন্তানেরা ঘরে ফিরুক। ফিরে যাক তাদের মায়ের কোলে। মায়েরা তাদের বুকের ধনের জন্য গরম ভাত বেড়ে তক্তপোশ সাজিয়ে অপেক্ষা করছে!

26/08/2024

ইন্না-লিল্লাহ
আজ ২৬/০৮/২০২৪ ইং মুছাপুর ক্লোজারের স্লুইসগেইট সকাল ০৯:৪৫ মিনিটের সময় উজানের পানির চাপে ভেঙে গিয়েছে। ভাটিতে যে সকল ইউনিয়ন রয়েছে সেখানে বিশেষ করে নোয়াখালী সদর ও সূবর্নচর উপজেলার প্রত্যন্তঅঞ্চলে স্বাভাবিক এর চেয়ে পানি ১/২ ফুট বৃদ্ধি পেতে পারে। সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে ও সতর্ক থাকতে হবে।
এ সময়ে শুকনো খাবার এবং বোতলজাত পানি সংগ্রহ করে রাখতে হবে।
ধন্যবাদ

Address

P/O :Pakkishorgong
Noakhali Sadar Upazila
3804

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

88032162769

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Obayed Ullah Memorial High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Obayed Ullah Memorial High School:

Shortcuts

Share