Primary Help Centre, Nilphamari

Primary Help Centre, Nilphamari

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Primary Help Centre, Nilphamari, Kishoreganj, Nilphamari.

11/11/2025

প্রাথমিক শিক্ষকরা অনেক দিন ধরে দশম গ্রেডের জন্য আন্দোলন করছেন। এবারও সে আন্দোলন করতে এসে তারা মার খেলেন। আমরা বেতন দেব অল্প অথচ বিশ্বমানের শিক্ষা চাইব, তা অলীক কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়।

আমাদের নীতি হওয়া উচিত ছিল, ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের নবম গ্রেডে নিয়ে আসা হবে। নবম গ্রেড মানে প্রথম শ্রেণি। একটা মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এটা নিশ্চিত করতে হবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও হাত দিতে হবে। জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন যেভাবে পৃথক ব্যবস্থায় বিচারকদের নিয়োগ দেয়, শিক্ষকদের জন্য এমন বিশেষ কর্তৃপক্ষ দরকার। প্রি-সার্ভিস প্রশিক্ষণ ও যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষক দেওয়া দরকার। তাদের পদোন্নতিও হবে কর্মদক্ষতার মাধ্যমে। গড়পড়তা পদোন্নতি হলে যোগ্য শিক্ষকদের মূল্যায়ন হবে না কিংবা যোগ্যতা বের করা সম্ভব হবে না। কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের মাধ্যমেই তার স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে।

যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষকদের পদোন্নতি কিংবা গ্রেড দেওয়া উচিত। শিক্ষকের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। যেমন আইইএলটিএস পরীক্ষার কথা আমরা জানি; মেয়াদ দুই বছর। মেয়াদ শেষ হলে তাকে আবার পরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের যেমন পাবলিকেশনসহ বিভিন্নভাবে মূল্যায়ন হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়ার সময় শিক্ষকের যে যোগ্যতা ছিল, তা বেড়েছে বা কমেছে কিনা, তারও মূল্যায়ন দরকার। আমি মনে করি, পাঁচ বছর পরপর যে কোনো পর্যায়ের প্রত্যেক শিক্ষকের দক্ষতা পরীক্ষা করতে হবে। তিন বছরেও হতে পারে। যারা উত্তীর্ণ হবেন তারাই পদোন্নতি পাবেন। আমি গড়পড়তা দশম গ্রেড দেওয়ার পক্ষপাতী না। আমি মনে করি, এ শিক্ষকদের নবম গ্রেড দিতে হবে, কিন্তু তার সে যোগ্যতা থাকতে হবে। কর্মদক্ষতা ভালো থাকলে অষ্টম গ্রেডও পেতে পারেন। শিক্ষকদের এই কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে একটি প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, রাষ্ট্র যারা চালাচ্ছেন বা আগেও ক্ষমতায় ছিলেন তারা এভাবে চিন্তা করছেন না। তারা কেবল ঘষামাজা করেন। এখানে ওখানে একটু সংস্কার করেই দায় সারতে চান। শিক্ষা বিষয়কে আংশিকভাবে দেখার সুযোগ নেই। এখানে শিক্ষক যেমন গুরুত্বপূর্ণ; পরিবেশ, পুস্তকসহ প্রতিটি উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ। গাড়ি যেমন চলতে হলে তার পুরো সিস্টেম ঠিক হতে হয়, শিক্ষাও অনুরূপ। সে জন্য নীতিগত বিষয় ঠিক করতে হবে। শিক্ষকের সামনে যদি ভিশন না থাকে; তার উন্নয়নের সুযোগ না থাকে, তবে তিনি মনোবল হারিয়ে ফেলবেন

Photos from Primary Help Centre, Nilphamari's post 17/07/2025

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ সংক্রান্ত অবহিতকরণ পত্র

11/07/2025

RESULT OF SSC EXAMINATION, 2025

BOARD RESULT ANALYTICS

01/07/2024

০১-০৭-২০২৪ তারিখে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হয়ে আপনার মূল বেতন কত হয়েছে নিজে নিজেই চেক করুন।
লিংকঃ

ibas.finance.gov.bd

এটিইও নিয়োগের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, প্রাথমিকের সব শিক্ষকদের আবেদনের সুযোগ 27/06/2024

সংশোধিত এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া নতুন শিক্ষকসহ যোকোনো শিক্ষক এটিও পদে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে এবং বয়স ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত।

এটিইও নিয়োগের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, প্রাথমিকের সব শিক্ষকদের আবেদনের সুযোগ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ১৫৯ জন সহকারী উপজেলা/ থানা শিক্ষা কর্মকর্তা...

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা টিফিনে পাবে দুধ-কলা-ডিম, বরাদ্দ ১ হাজার ১৫১ কোটি টাকা 24/06/2024

স্কুল ফিডিংয়ের কর্মসূচি আগামী মাসেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার ১ হাজার ৯৫টি স্কুলে। এরপর ধাপে ধাপে সব উপজেলায় দেওয়া হবে এই খাবার।

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা টিফিনে পাবে দুধ-কলা-ডিম, বরাদ্দ ১ হাজার ১৫১ কোটি টাকা আগামী মাস থেকে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিফিনে রুটি, দুধ, কলা ও ডিম দেওয়া...

What our school teacher salaries say about our education 24/06/2024

"Teachers are the architects of a nation's future. It feels great to be in this profession, but pride doesn't pay for food, or rent, does it?"

What our school teacher salaries say about our education The average salary of a primary school teacher in the country is only $170.02, which is approximately $62 less than the average monthly per capita income of the country

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল কাল, আবেদন সাড়ে ১৩ লাখ 22/06/2024

আগামীকাল রোববার (২৩ জুন) রাত ৮টায় প্রথম ধাপে আবেদন করা এসব শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ফল প্রকাশের পর নির্বাচিতদের নিশ্চায়ন করতে হবে। তাদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য আসনে ৩০ জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত। ৪ জুলাই রাত ৮টায় দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর টানা চার দিন চলবে দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতদের নিশ্চায়ন প্রক্রিয়া।

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল কাল, আবেদন সাড়ে ১৩ লাখ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি জন্য প্রথম ধাপে ১৩ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। আগামীকাল রোববার (২৩ জুন) রাত ৮টায় প্....

প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলবে কবে? 21/06/2024

নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কমানো হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি পুরোটাই বহাল থাকছে। শিক্ষাপঞ্জি হিসেবে আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রাথমিকি বিদ্যালয়। অর্থাৎ আগামী ৩ জুলাই যথারীতি শুরু হতে পারে ক্লাস।

প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলবে কবে? দেশের নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ২৬ জুন বুধবার খুলে দেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবা...

21/06/2024

Integrated Primary Education Management Information System বা IPEMIS
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২০১৮-২০২৩ মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) যার মূল উদ্দেশ্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেনি পর্যন্ত সকল শিশুর বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সু্যোগ সৃষ্টি এবং সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমতাভিত্তিক মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান। এ উদ্দেশ্যে পিইডিপি-৪ প্রকল্পে একাধিক লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে সামগ্রিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, যার মাধ্যমে গুনগতভাবে স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশের সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রথমেই প্রয়োজন মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তর থেকে শুরু করে মাঠপর্যায় পর্যন্ত সকল সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠু যোগাযোগ ও নির্ভুল তথ্যের আদান-প্রদান। দেশের শিক্ষা খাতের সর্ববৃহৎ এই খাতে এত বিপুল পরিমাণ অংশগ্রহণকারী রয়েছে যে এই যোগাযোগ ও তথ্য ব্যবস্থাপনার দ্রুততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সিস্টেমের বিকল্প নেই। এই ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের বাস্তবায়িত রূপই হলো Integrated Primary Education Management Information System বা IPEMIS.

দেশের সামগ্রিক প্রাথমিক শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে পিইডিপি-৪ কর্মসূচির আওতায় ইউনিসেফ এবং এডিবির অর্থায়নে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালনায় ২০২০ সালের জুলাই মাসে IPEMIS বাস্তবায়ন প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের অন্যতম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাইনামিক সলিউশন ইনোভেটরস লিমিটেড (ডিএসআই) প্রকল্পটির সাথে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়। মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে সরকারি নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত সারা দেশব্যাপী চলমান এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞকে একটি প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসার জন্যে প্রথমেই প্রয়োজন একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা যার মধ্যে থাকবে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত চলমান বিভিন্ন কর্মপ্রক্রিয়াকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা, প্রক্রিয়াগুলোকে সার্বিকভাবে আরো সুসংহত করা, ডেটা পয়েন্টগুলো যথাযথভাবে নির্ধারণ, এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ইউজারদের এবং তাদের কাজের পরিধি নির্ধারণ। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, আইএমডি, এবং জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে বসে ব্যাপক পর্যালোচনার মাধ্যমে IPEMIS সফটওয়্যারের প্রাথমিক রূপরেখা নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রাথমিক রূপরেখা নির্ধারণের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের এপ্রিলে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডেভেলপমেন্ট কাজের সূচনা হয়। পরবর্তীতে সফটওয়্যারের মূল মডিউলগুলোর ডেভেলপমেন্ট, টেস্টিং, বাগ ফিক্সিং এবং মাসব্যাপী পাইলটিং এর পরে চূড়ান্ত সফটওয়্যারটি ২০২২ সালের মার্চ মাসে সকলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

IPEMIS সফটওয়্যারটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি মাইলফলক অর্জন যার মাধ্যমে দেশব্যাপী ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে থাকা এক লক্ষ তিরিশ হাজার স্কুল, সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক, এবং ২ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীর তথ্য সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যেই স্কুল ব্যবস্থাপনা, শিক্ষক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী ব্যবস্থাপনা ছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের বার্ষিক শুমারি এবং বার্ষিক বই বিতরণ কার্যক্রম এই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। IPEMIS অ্যাপ্লিকেশনটি ডিপিই - এর সাংগঠনিক কাঠামো অনুসারে নির্মিত হয়েছে যেখানে বিদ্যালয়গুলো অধিদপ্তর থেকে শুরু করে বিভাগ, জেলা, এবং ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত যথাযথ প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী সুবিন্যস্ত রয়েছে। প্রশাসনিক এলাকা অনুযায়ী সম্পর্কিত বিভিন্ন লেভেলের ইউজার ও সংশ্লিষ্ট রোলসমূহও সিস্টেমে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে যাতে করে প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক কার্যক্রম এ সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়। IPEMIS অ্যাপ্লিকেশনটিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিদ্যালয়, স্কুল ও স্কুলের অবকাঠামো, এবং বার্ষিক শুমারি থেকে আরম্ভ করে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য একটি একীভূত প্ল্যাটফর্মে থাকায় এসকল তথ্য ব্যবহার করে বিভিন্ন রিপোর্ট খুব সহজেই প্রস্তুত করা যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় সকল তথ্যের সমন্বয়ে মডিউভিত্তিক একাধিক ফর্ম, ফর্মের ডেটাসম্পর্কিত একাধিক ভ্যালিডেশন এবং সাংগঠনিক কাঠামোভিত্তিক বহুস্তরবিশিষ্ট অনুমোদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিস্টেমে ভুল ডেটা বা ডুপ্লিকেট ডেটা এন্ট্রির সম্ভাবনা ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে।

20/04/2024

তীব্র গরমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৭ দিন বন্ধ

চলমান তাপদাহে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

আজ শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান তাপদাহে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় আগামী ২১-২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যান ট্রাস্টের বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে।

এদিকে মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে চলমান তাপদাহ ও আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা জারির প্রেক্ষিতে সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বনির্ধারিত ছুটি শেষে ২১ এপ্রিল খোলার বদলে আগামী ২৮ এপ্রিল খোলা হবে।

প্রসঙ্গত, আগামীকাল রবিবার (২১ এপ্রিল) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ ছিল। পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ বেশ কয়েকটি ছুটির সমন্বয়ে টানা ২৬ দিন বন্ধ ছিল সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে দেশের ওপর দিয়ে বয়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহের কথা বিবেচনায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো ৭ দিন বাড়ানো হয়।

Want your school to be the top-listed School/college in Nilphamari?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Culinary Team

Attire

Website

Address

Kishoreganj
Nilphamari