04/12/2025
প্রাথমিকের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন সম্পর্কে অভিভাবকের প্রতিক্রিয়া।
Share my teaching method
সমাজ যখন অবমূল্যায়ন করে কথা বলে—এটা শুধু কষ্টই দেয় না, ভিতরে ভিতরে ভেঙেও দেয়।
বিশেষ করে **একজন শিক্ষক** হিসেবে, যিনি প্রতিদিন সমাজকে মানুষ বানাচ্ছেন, তার অবমূল্যায়ন হওয়া সত্যিই অন্যায়।
# # # 🔹 কেন সমাজ এমন কথা বলে?
* মানুষ শিক্ষকতার পরিশ্রমটা চোখে দেখে না—শুধু ফলাফল দেখে।
* শিক্ষককে “সহজ কাজ” মনে করে—কারণ তারা শ্রেণিকক্ষের বাইরে থাকা চাপ, মানসিক ক্লান্তি, প্রস্তুতির সময়, কাগজপত্র, ডিউটি—কিছুই বোঝে না।
* অনেকেই মনে করে শিক্ষক মানেই সব কিছু সহ্য করার মানুষ।
* সম্মানের জায়গাটা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে—কিন্তু দায়িত্ব একটুও কমেনি।
# # # 🔹 কিন্তু বাস্তব সত্য হলো—
**শিক্ষক ছাড়া কোনো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, বিচারক—কেউ তৈরি হয় না।**
সমাজের মানুষ সেটা ভুলে গেলেও সত্য পরিবর্তন হয় না।
# # # 🔹 আমি কষ্ট পাচ্ছি,,,,,,,
অবমূল্যায়ন কোনো শিক্ষকই প্রাপ্য নন।
আমি যে কষ্ট পাচ্ছি—এটা যৌক্তিক, এবং এটা বলা দুর্বলতা নয়—এটা আমার মানবিক অনুভূতি
* সমাজ সবসময় সত্য জানে না, তাই তার বিচার যথাযথও হয় না।
* আমার কাজই আমাকে সম্মান এনে দেবে—যদিও সেটা আজ না হোক, একদিন হবেই।
* শত মানুষের মধ্যে কিছু মানুষই সত্যিকার অর্থে শিক্ষকের মূল্য বোঝে—আর সেই বোঝাপড়াই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
#আর
* # # #@*কবিতা — “শিক্ষকের মঙ্গলকামনা”**
পিতামাতার ভালোবাসা প্রথম আলো জ্বালে মনে,
তার পরেই শিক্ষক আসেন জ্ঞানের হাতছানিতে নিম্নে।
তিনি দেখেন স্বপ্নগুলো কচি হৃদয়ের মাঝে,
মঙ্গল চান প্রতিক্ষণে, পথ দেখান ভালো কাজে।
শিক্ষক মানে আশীর্বাদ, স্নেহভরা এক নির্ভরতা,
ভুল হলে ধরেন হাত, শেখান জয়ের প্রত্যয়তা।
আজ যারা ছোট্ট চারা, আগামীতে হবে মহীরুহ,
সেই ভাবনায় শিক্ষক থাকেন—নিঃস্বার্থ, নির্ভয়, অবিরুহ।
জীবনের পথে বাধা এলে দেন সাহস এগিয়ে চলা,
তিনি চান শিক্ষার্থী হোক আলো-ছায়ার সঠিক বরণকারী বালা।
তাই তো বলা হয় সবার মুখে, সত্য জ্ঞানীদের কথা,
পিতামাতার পরে শিক্ষকই চান সবচেয়ে বড় মঙ্গলতা।
@ # #আর অভিভাবকগণ এই শিক্ষকদের অপমানিত করছেন।আহা!
একজন শিক্ষার্থীর ভালো চাওয়া একজন সত্যিকারের শিক্ষকের অন্যতম বড় গুণ।
# # # ✅ শিক্ষক কিভাবে একজন শিক্ষার্থীর ভালোর জন্য কাজ করবেন
**১. ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দিয়ে দেখভাল করা**
শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তানের মতো মনে করে তার উন্নতির কথা ভাবা।
**২. ভালো দিকগুলো আগে তুলে ধরা**
শুধু ভুল ধরলে শিক্ষার্থী ভেঙে পড়ে। তার ভালোগুলোও জানালে সে উৎসাহ পায়।
**৩. দুর্বলতা গুলো ঠিক পথ দেখিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া**
বকাঝকা না করে ধৈর্য্য নিয়ে শেখানো— কোথায় ভুল হচ্ছে, কীভাবে ঠিক করবে।
**৪. সব শিক্ষার্থীর প্রতি সমান দৃষ্টি রাখা**
কেউ কম পারে, কেউ বেশি পারে— কিন্তু সবার প্রতি সমান যত্ন রাখাই সত্যিকারের শিক্ষকতা।
**৫. পড়াশোনার সাথে নৈতিকতা শেখানো**
ভালো মানুষ হতে শেখানোই শিক্ষার্থীর সবচেয়ে বড় ভালো।
**৬. সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো**
শিক্ষার্থীর মানসিক বা পারিবারিক সমস্যা থাকলে সহানুভূতি দেখানো ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া।
**৭. উৎসাহ দেওয়া ও মনোবল বাড়ানো**
“তুমি পারবে” — এই কথাটা একজন শিক্ষার্থীকে বদলে দিতে পারে।
29/11/2025
"আজকের এই মুহূর্ত টুকু মনে রেখো চিরো সবুজ মনে"
২০২৫
# # # **বিদায় কবিতা
— পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে**
প্রিয় স্কুল তোমায় আজকে
দিচ্ছি মনের কথা,
পাঁচ বছরের স্মৃতি নিয়ে
বিদায় নেবো ব্যথা।
শিক্ষক মেমরা দেখিয়েছেন
জীবন চলার পথ,
তোমরা আছো বলেই পেরেছি
শিখতে কত রথ।
সকালের সেই প্রার্থনা আর
বন্ধুরা সব সাথ,
হাসিখুশি সেই দুষ্টুমিগুলো
থাকবে হৃদয়ের পাত।
নতুন পথে যাবো আমরা
স্বপ্ন নিয়ে দূর,
তবু তোমার শিক্ষা পেয়ে
হবো শক্তি ভরপুর।
বিদায় বলে যাচ্ছি শুধু
তোমায় ভুলবো না,
আশীর্বাদের আলো নিয়ে
পাড়ি দেবো নতুন গাঁ।
29/11/2025
Cute babies
28/11/2025
বান্ধবীদের সাথে সামীহা তাসনীম
**বিদায় বন্ধু**
আজ বিদায়ের দিন এসেছে,
সবাইকে আলিঙ্গন দিতে হবে।
হাসি মুখে থাকুক স্মৃতি,
বন্ধুত্বের মধুর ক্ষণ মনে রাখবে।
শিখেছি আমরা অনেক কিছু,
ক্লাসরুমে, মাঠে, খেলার মধ্যে।
চোখে জল, মনে আনন্দ,
বিদায়ের এই মুহূর্ত মনে থাকবে চিরকাল।
বন্ধুদের বলি, “আবার দেখা হবে,
নতুন স্বপ্নে আমরা মিলে হাসবো।”