26/07/2025
জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ে দেয়ালিকার ধারণা পাওয়া যাবে। কমেন্টে বিস্তারিত
6-10 General Math. 9-12 accounting
26/07/2025
জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ে দেয়ালিকার ধারণা পাওয়া যাবে। কমেন্টে বিস্তারিত
11/06/2025
নীল চিহ্নিত অধ্যায় গুলো এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের পরীক্ষার জন্য পড়তে হবে।
18/01/2025
07/04/2024
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী পড়ুয়া জাতি রুশ জাতি। ❤️
ধরুন আপনি ট্রেনে উঠেছেন, মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ যাবেন। গোটা ৪ ঘণ্টার ভ্রমনে দেখবেন মানুষ বইয়ের দিকে কেমন বুঁদ হয়ে আছে। যেন বই পড়ার প্রতিযোগিতা চলছে তাঁদের মধ্যে। হয়তো কেউ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে আছে বহুক্ষণ ধরে, কাছে গিয়ে দেখবেন পিডিএফে বই পড়ছেন ভদ্রলোক।
অনেকে সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন অথচ হাতে ঠিকই বই মেলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। ছোট ছোট বাচ্চা মায়ের পাশে বসে বই পড়ছে, মাও বইয়ের তাকিয়ে যেন মারা গেছে এমন অবস্থা।
কেবল ট্রেনে কিংবা বাসে না। পার্কেও একই অবস্থা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই পড়ে অবসর কাটিয়ে দিচ্ছেন বৃদ্ধরা। অফিস শেষে আড্ডা জমেছে, সেখানেও গতকাল কোন বই কেমন লেগেছে তার আলোচনা। একই অবস্থা কফি শপ থেকে চায়ের দোকান, রেস্টুরেন্ট, ব্যাংকেও। সামনে লম্বা সিরিয়াল তো দাঁড়িয়ে কিংবা বসে বই পড়ছে রাশিয়ানরা।
রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪০ ভাগই মাসে অন্তত ৫টি করে বই কিনেন। ৭০ ভাগ পরিবারেই ব্যক্তিগত লাইব্রেরী আছে।
কৃতজ্ঞতা - আহমাদ ইশতিয়াক
ছেলে সিজিল
কতদিন পর এমন দৃশ্য! চোখ জুড়িয়ে গেলো।
দাস ও দাসত্বের গল্প (বই বিক্রির গল্প):
সমাজে সকলই যদি উন্নতি করে তবে দাস পাওয়া যাবে কোথায়? দাসত্ব করবে কারা?
শ্রমিক শ্রেণি হচ্ছে আধুনিক সমাজের দাস (কোন শ্রমিককে হেয় করার জন্য আমি বলি নাই)।
ঘটনাতে আসি, কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ।
ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরি করতে হবে রাতারাতি অনেকগুলো।
কাতার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ।
একসময় এদেশে দাস প্রথার প্রচলন ছিল। বিশ্বে তখন দাস প্রথা ছিল। তখন দাস প্রথা এত জনপ্রিয় ছিলো যে, কোন ধর্মের ঈশ্বর দাসপ্রথা বন্ধের সাহস রাখেনি। ফলত দাসপ্রথায় দাস মুক্তির কথা বলা হয়ে থাকলেও দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করা সম্ভব হয়নি তখনও।
এখন কাতারে সকল নাগরিক এলিট।
তাহলে স্টেডিয়াম তৈরি করবে কারা? রাস্তাঘাট, দালান-কোটা নির্মাণ করবে কে?
তাদের যে চাকর-চাকরানি তথা দাস দরকার তা কোথায় থেকে আসবে?
কাতারে স্টেডিয়াম তৈরিতে ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক মারা গেছে।
এই ১০ হাজার শ্রমিক কোন দেশের বা দেশগুলোর? কাতারের সকল নাগরিক এলিট শ্রেণির? তাহলে মৃত্যু হলো কাদের?
এই ১০ হাজার শ্রমিকের দেশ হচ্ছে এশিয়া-আফ্রিকার দরিদ্রপিড়িত দেশগুলোর।
কাতার, সৌদিআরব, আমিরাতের সিংহভাগ শ্রমিক বাঙলাদেশি!
ধরেন, ৫০ বছরে বাঙলাদেশ এলিট শ্রেণির দেশ হয়ে গেলো।
তাহলে এই শ্রমিক তথা দাসের যোগান আসবে কোথায় থেকে?
সবাই যদি এলিট ক্লাস হয় তাহলে চাকর-চাকরানি পাওয়া যাবে কোথায়?
তাহলে এখন করণীয় কি? বাঙলাদেশকে কখনো এলিট ক্লাসে আসতে দেওয়া যাবে না। এই যেমন আপনার বাড়ির পাশের ধনী লোকটি চায় আপনি গরীব থাকেন, যাতে আপনাকে দিয়ে তার কাজকাম করানো যায়।
মানুষকে দাসত্বে রাখার জন্য কি দরকার?
ধর্ম দরকার, ধর্ম শিক্ষা দরকার (মূলত ধর্ম চাপিয়ে মানুষকে সহজে দাস বানানো যায়। কেউ প্রতিবাদ করছে, ধর্মের দোহাই দিন। দেখবেন প্রতিবাদ বন্ধ।
আল্লাহর গজব পড়বে? কখন বলা হয়? অপরাধকে ধামাচাপ দিতে। কিছুদিনে আগে এক ধর্মীয় নেতা বারবার বলতে ছিলো 'আল্লাহর গজব পড়বে'। অথচ সে তার প্রচারিত ব্যভিচারে ধরা পড়েছিলো, এখন তা প্রমাণিত।)
১৯৭১ সালের পর থেকে বাঙলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি মিলতে যাচ্ছিলো। এখানে সকল মানুষ অসাম্প্রদায়িক ভাবে ধর্ম পালন করছিলো।
মানুষ যখন অর্থনৈতিক মুক্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছে তখন প্রতিবেশী দেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের এলিট দেশগুলোর চোখ পড়লো আমাদের উপর।
ধর্ম, জঙ্গিবাদ, উগ্রতা, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির তৈরিতে কোটি কোটি টাকা আসতে লাগলো এইসব দেশ থেকে।
ধর্মব্যবসীদের পকেট ভর্তি টাকা। সাম্প্রদায়িক বৈষম্য তৈরি হলো আমাদের ভেতরে। বাঙালি চেতনাকে নষ্ট করা হলো।
আগে যেখানে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পহেলা বৈশাখ পালন করতাম, এখন আমরা দ্বিধায় ভুগি─ এটা পালন করা হালাল নাকি হারাম!
আবার অইদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ধর্মব্যবসায়ী বিজেপির নেতা বাঙলা নববর্ষকে হিন্দু নববর্ষ বলে বিভেদ তৈরি করছে।
আমাদের দাদা-দাদী, নানা-নানী, বাবা-মা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পহেলা বৈশাখ পালন করতেন। বৈশাখী মেলাতে যাওয়া জন্য দাদা-দাদী, নানা-নানীর কাছে থেকে আমরা টাকাপয়সা পাইতাম। আমাদের চাইতে আমাদের দাদা-নানা বেশি সৎ ও ধার্মিক ছিলেন। অথচ তাদের মধ্যে এই প্রশ্ন ছিল না─ পহেলা বৈশাখ পালন করা হালাল নাকি হারাম? তাদের প্রশ্ন ছিলো ন্যায় ও অন্যায় নিয়ে।
এখন আমরা আমাদের জাতীয়তাবাদ ভুলে যাই, চেতনা ভুলে যাই, আমরা যে বাঙালি একটা স্বতন্ত্র জাতি সেটা ভুলে হারাম-হালাল খুঁজি।
মাথার টুপি খুলে ঘুষ নিই। আবার পাপ মোচনের জন্য সেই ঘুষের টাকায় মসজিদ-মন্দির তৈরি করে দেই।
রমজান এলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়াই। বিশ্বের অন্যতম দুর্নীতগ্রস্থ দেশ আমরা।
এই যে মধ্যপ্রাচ্যের এলিট দেশগুলো আমাদের পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করলো, তার তো ফল পেতে হবে।
এখন আমাদের দেশের বই বিক্রিতে শীর্ষস্থানে ধর্মীয় বই!
আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-গবেষণাতে তলানীর দেশ।
এখন আমরা ধর্মীয় বই পড়ে শিখে নিই─ কিভাবে সহবাস করতে হয়, বউয়ের কোন কোন অঙ্গে মুখ দেওয়া যাবে, ধোন চোষা যাবে কিনা? পায়ুপথে সেক্স করা যাবে কিনা! হাউ ফানি।
অর্থাৎ আগামী ৫০০ বছর শ্রমিক তথা দাস উৎপাদনে আমাদের ভূমিকা নিশ্চিত করেছে মধ্যপ্রাচ্যের এলিট দেশগুলো।
হিরণ্য হারুন
10/11/2020
প্রিয় স্থান প্রেয়সীর থেকে কম কিছু নয়...
03/07/2020
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মারুফুল হাসান মারুফ ভাইয়ের বক্তব্য
আসসালামু আলাইকুম। আজকের বৃক্ষরোপণ ও ত্রিকূট দ্বিতীয় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত আছেন প্রধান উপদেষ্টা মো. আরিফুল হক। যিনি দুর্দান্ত যুব-কিশোর সংঘে আর্থিক অবদানে অগ্রগণ্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বালিয়াডাঙ্গার স্বনামধন্য ফুটবলার মো. হারুনুর রশিদ। যিনি উপদেষ্টা সদস্য সাথে সাথে সংঘের ফুটবল টিমের কোচের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতিসহ উপস্থিত সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছা।
কিছু কথা বলতে চাই বর্তমান প্রজন্ম নিয়ে। বয়স্কদের ধারণা বর্তমান প্রজন্ম পুরোটাই অসার। আমড়া কাঠের ঢেকি। স্মার্টফোন আর নেশার পাল্লায় পড়ে উচ্ছেন্নে গেছে। যাদের ভালো পড়াশোনা নেই, চিন্তার গভীরতা নেই, দেশপ্রেম নেই, সাংস্কৃতিক চেতনা নেই, খেলাধুলা নেই, সুগঠিত শরীর নেই, এমন কি বাংলা ভাষাটাও ভালোভাবে জানা নেই। কথাগুলো সত্য নাকি মিথ্যা যাচাইয়ের আগে একটা প্রশ্ন করবো।
আমরা কি সেই বড় অন্যায়টি করে যাচ্ছি? পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় পাপ বড় অন্যায় হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মকে এগিয়ে না রাখা। সব সময় পরবর্তী প্রজন্ম এগিয়ে থাকে। দাদা তাঁর বাবার থেকে এগিয়ে ছিলেন। বাবা তাঁর বাবা মানে দাদার থেকে এগিয়ে আছেন। পুর্ববর্তী প্রজন্মের দায়িত্ব হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মকে এগিয়ে রাখা। বড়রা যদি ছোটদের দিকে আঙুল তোলেন তাহলে তাঁদের দায়িত্বের ব্যাপারটাই সামনে আসে। পর প্রজন্মের সাথে মিশতে পারেন না। তাদের সমস্যা বড়রা জানেন না। বর্তমান প্রজন্মের কাছে প্রথম প্রযুক্তি এসেছে। যার সঠিক ব্যবহার তাদের জানা নেই। বড়দের জানা থাকার প্রশ্নই ওঠে না। ফলে তারা কিছুটা বিপথগামী। এজন্যই বড়দের অবহেলা আর অবিশ্বাস পেয়ে আসছে তরুণ প্রজন্ম। তাদের বর্তমান অবস্থার জন্য সামান্য হলেও বড়দের নৈরাশ্যবাদী মন দায়ী।
যা হোক যে কথা বলছিলাম। আমরা আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্ম থেকে এগিয়ে আছি কিনা ভাবতে হবে। শুধু প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে নয়। আচার-আচরণ, সম্মান প্রদর্শন, দেশপ্রেম, শিক্ষা-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান সব দিক দিয়ে এগিয়ে থাকার কথা বলছি। আর আমাদের দায়িত্ব হলো নিজেকে এমন ভাবে তৈরি করা যেন পরবর্তী প্রজন্ম মানে আমাদের সন্তানরা আমাদের থেকেও শক্তিশালী হয়। কিন্তু মনে হয় আমরা সেটি পারবো না। আমরা অনেক বেশি কেমিকেল নির্ভর হয়ে যাচ্ছি। যার দরুণ পৃথিবীতে আরো দুর্বল প্রজন্ম আসতে চলেছে। এমনিতেই এক করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোন কেমিকেল না থাকায় পুরো পৃথিবী নাজেহাল। আবার দুর্বল প্রজন্ম আসলে অবস্থা হবে আরো কঠিন। তবু আমি আশাবাদী মানুষ। বুকভরা আশা নিয়ে তোমাদের প্রতি তিনটি অনুরোধ করতে চাই।
১. স্মার্টফোনসহ প্রযুক্তির যেকোন ক্ষতি থেকে বাঁচো।
২. ধুমপান ও মাদকমুক্ত সুন্দর মন ও শক্ত সামর্থ্য শরীর গঠন করো। এজন্য
৩. খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করো।
তিনটি আবার বলছি।...... আশা করি মনে থাকবে। “গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান” শ্লোগানে শুরু হলো সবুজায়ন কর্মসূচী। বৃক্ষরোপণ উন্নয়নমূলক কাজ। আবার এটি সদকায়ে জারিয়া। বুখারি মুসলিমের হাদিস, যদি কোন ব্যক্তি গাছ লাগায় অথবা ফসল বোনে এবং সেখান থেকে মানুষ কিংবা পশুপাখি খায় বা সুবিধা পায়। তবে রোপণকারী এর সওয়াব পায়। রোপণকারী মারা গেলেও তার কবরে সওয়াব পৌছে যায়। আল্লাহর রাসুল (স) আরও বলেছেন, “যদি কেয়ামত শুরু হয়ে যায় আর তোমার হাতে রোপণ উপযোগী চারা গাছ থাকে; তবে তা রোপণ করে দাও।” (আদাবুল মুফরাদ) আমরা যদি নিজের জন্য জান্নাতে গাছ লাগানোর সুযোগ পায়, কেউ কি হাতছাড়া করবো? করবো না। তাহলে বসে আছি কেন? আল্লাহর রাসুল (স) আবু হুরাইরা (রা.)কে বলেছেন, যে ব্যক্তি পৃথিবীতে গাছ লাগাবে তার জন্য জান্নাতে গাছ লাগানো হবে।”
পৃথিবী দিনের পর দিন উত্তপ্ত হচ্ছে। এভাবে উষ্ণায়ণ ঘটতে থাকলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করবে ব্যাপক হারে। যাতে ডুবে যাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান। তার থেকেও ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে বরফের নিচে রয়েছে শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস। যা করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর। এসব থেকে বাঁচতে প্রয়োজন পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ। গাছ বা বৃক্ষ যা খুব ভালোভাবে করে থাকে। একটা বড় গাছ প্রতিদিন ৫টন এসির সমান বাতাস ঠান্ডা করে। টেনে নেয় বিষাক্ত গ্যাস। তারপর ফল ফলাদির কথা তো আছেই। সে দিকে নজর রেখে প্রতি বছর এ কর্মসূচী হবে বলে আশা করছি।
দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে। পত্রিকা সম্পর্কে দুটো কথা বলেই শেষ করবো। ত্রিকূট দ্বিতীয় সংখ্যার সম্পাদকীয় পড়ার অনুরোধ করছি। পত্রিকাটি সাজাতে বেগ পেতে হয়েছে। কথা না বাড়িয়ে শুধু এটুকু বলতে চাই পরবর্তী সংখ্যার জন্য ছবি ও প্রতিবেদন সংগ্রহ করে এক জায়গায় যেন সংরক্ষণ করা হয়। পরের সংখ্যা আরো ভালো হবে এ আশা করতেই পারি। দেয়ালপত্রিকা জাগর্তি নিয়মিত প্রকাশ করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে তরুণদের সুকুমার বৃত্তি শাণিত হবে। আমরা এগিয়ে যাবো সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে। অশেষ ধন্যবাদ সকলকে।
| Monday | 08:00 - 22:00 |
| Tuesday | 08:00 - 22:00 |
| Wednesday | 08:00 - 22:00 |
| Thursday | 08:00 - 22:00 |
| Friday | 08:00 - 22:00 |
| Saturday | 08:00 - 22:00 |
| Sunday | 08:00 - 22:00 |