23/07/2018
পৃথিবীতে আজ মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ১৮০ কোটি। প্রত্যেক মুসলমানই পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালিত করার কথা। একই পথে হাঁটা, একই সুরে কথা বলা উচিত তাদের; কিন্তু আমরা আজ কী দেখছি? অনেক দেশে মুসলমানেরা আজ শিয়া-সুন্নি-কুর্দিতে বিভক্ত। সুন্নিরা আবার চার মাজহাবে বিভক্ত। একই মাজহাবের লোকেরা নানান পীর-মুরশিদের মাজারকে কেন্দ্র করে বিভক্ত। পৃথিবীর মুসলমানের এই বিভাজিত জীবনের দৃশ্য বাংলাদেশেও দৃশ্যমান। অসংখ্য পথে বিভক্ত হয়ে একজন আরেকজনকে কাফের পর্যন্ত বলতে দ্বিধা করে না। অথচ ইসলামে স্পষ্ট নির্দেশ আছে, কোনো মুসলমান অন্য মুসলমানকে ‘কাফের’ বলতে পারবে না।
ইসলামি সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পর থেকে ক্রুসেডসহ (১০৯৬ থেকে ১২৯২ খ্রি.) অসংখ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে ন্যায় ও সত্যের দিশারী ইসলাম। সাড়ে ১২ শ’ বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসে বিজয়ের স্তম্ভ করেছে উঁচু থেকে আরো উঁচু। সব ধর্মের অনুসারীদের নিরাপত্তার চাদরে জীবনযাপনের দিয়েছে অবারিত সুযোগ। অবশেষে এই মুসলিম জাতি হারিয়েছে তার গতিশীল জীবনের পথ। ক্ষমতার শীর্ষে ফিরে এলো খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী। মূলত এই সময়ে ঐতিহ্য হারানো মুসলমানেরা প্রতিপক্ষের কৌশলের ফাঁদে পা দিয়ে অস্তিত্ব হারাতে বসে। ফলে একবিংশ শতকের আজকের দিনে একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ইসলামের অনুসারীরা।
একত্ববাদী সব ধর্মই আদম আ:কে পৃথিবীর বুকে আগত সর্বপ্রথম মানব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। স্রষ্টার সৃষ্টি, মহাজগৎ ন.....