লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র

লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র

Share

Younger doctor orientation on primary health care for all. YOUNG PEOPLE & MENTAL HEALTH IN A CHINGING WORLD.

30/05/2026

পোস্ট শিরোনাম: সুস্থ প্রজন্ম ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ‘বিদ্যালয় স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র’-এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব ❤️🩺✨
​"সুস্থ প্রজন্ম, সমৃদ্ধ দেশ" — এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আমাদের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে লালপুর শ্রী সুন্দরী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও বি এম কলেজ স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র.
​একটি শিশু বা কিশোর দিনের সিংহভাগ সময় কাটায় বিদ্যালয়ে। তাই তাদের শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই চলবে না, বরং তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাও আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই লক্ষ্যেই একটি বিদ্যালয়ে ডেডিকেটেড ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র’ বা Health Education Center থাকা অত্যন্ত জরুরি.
​নিচে এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
​📌 কেন প্রতিটি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র প্রয়োজন?
​১. তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা (First Aid) নিশ্চিতকরণ:
বিদ্যালয়ে খেলাধুলো বা চলাফেরার সময় শিক্ষার্থীরা প্রায়শই ছোটখাটো আঘাত বা দুর্ঘটনার শিকার হয়। স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক ফার্স্ট এইড কিট এবং দক্ষ হেলথ কাউন্সিলর থাকার ফলে যেকোনো জরুরি মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়, যা বড় কোনো বিপদ থেকে তাদের রক্ষা করে।
​২. নিয়মিত প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা:
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ওজন, উচ্চতা, রক্তচাপ ও দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করার মাধ্যমে তাদের শারীরিক বৃদ্ধির সঠিক হিসাব রাখা যায়। শরীরে পুষ্টির অভাব বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তা শুরুতেই চিহ্নিত করে অভিভাবকদের সচেতন করা সম্ভব হয়।
​৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সঠিক জীবনধারা শিক্ষা:
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত হাত ধোয়া, নিরাপদ পানি পান এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে এই কেন্দ্র শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সিলিং করে। এর ফলে ঋতু পরিবর্তনজনিত সাধারণ রোগবালাই (যেমন: ঠাণ্ডা, জ্বর, চর্মরোগ) থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারে।
​৪. বয়ঃসন্ধিকালীন সঠিক গাইডলাইন ও প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা:
কৈশোরে পা দেওয়ার পর ছেলে-মেয়েদের মধ্যে নানা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে। এই সময়ে কুসংস্কার বা সঠিক তথ্যের অভাবে তারা অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমাদের স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি (Menstrual Hygiene) এবং বয়ঃসন্ধিকালীন সঠিক যত্ন সম্পর্কে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ দেওয়া হয়।
​৫. মানসিক স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা:
পড়াশোনার চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা বয়সের কারণে অনেক শিক্ষার্থী মানসিক অবসাদ বা হতাশায় ভোগে। একজন দক্ষ হেলথ কাউন্সিলর তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং মানসিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করেন, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ ফেরাতে অত্যন্ত কার্যকরী।
​🎯 আমাদের অঙ্গীকার ও আহ্বান
​একটি সুস্থ শিশুই আগামী দিনে দেশের হাল ধরবে। স্বাস্থ্য সচেতনতা যদি বিদ্যালয় জীবন থেকেই শুরু না হয়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নানা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। M*F BANGLADESH-এর সহযোগিতায় পরিচালিত আমাদের এই কেন্দ্রটি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একজন সচেতন ও সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
​আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের সন্তানদের স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলি এবং একটি রোগমুক্ত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। 🤝🇧🇩
​ *FBangladesh #সুস্থপ্রজন্মসমৃদ্ধদেশ


উপজেলা বিদ্যালয় স্বাস্থ্য- শিক্ষা কেন্দ্র
M*F BANGLADESH
Directorate General of Health Services

30/05/2026

পোস্ট শিরোনাম: সুস্থ প্রজন্ম ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ‘বিদ্যালয় স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র’-এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব ❤️🩺✨
​"সুস্থ প্রজন্ম, সমৃদ্ধ দেশ" — এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আমাদের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে লালপুর শ্রী সুন্দরী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও বি এম কলেজ স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র.
​একটি শিশু বা কিশোর দিনের সিংহভাগ সময় কাটায় বিদ্যালয়ে। তাই তাদের শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই চলবে না, বরং তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করাও আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই লক্ষ্যেই একটি বিদ্যালয়ে ডেডিকেটেড ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র’ বা Health Education Center থাকা অত্যন্ত জরুরি.
​নিচে এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
​📌 কেন প্রতিটি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্র প্রয়োজন?
​১. তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা (First Aid) নিশ্চিতকরণ:
বিদ্যালয়ে খেলাধুলো বা চলাফেরার সময় শিক্ষার্থীরা প্রায়শই ছোটখাটো আঘাত বা দুর্ঘটনার শিকার হয়। স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক ফার্স্ট এইড কিট এবং দক্ষ হেলথ কাউন্সিলর থাকার ফলে যেকোনো জরুরি মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়, যা বড় কোনো বিপদ থেকে তাদের রক্ষা করে।

​২. নিয়মিত প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা:
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ওজন, উচ্চতা, রক্তচাপ ও দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করার মাধ্যমে তাদের শারীরিক বৃদ্ধির সঠিক হিসাব রাখা যায়। শরীরে পুষ্টির অভাব বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তা শুরুতেই চিহ্নিত করে অভিভাবকদের সচেতন করা সম্ভব হয়।

​৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সঠিক জীবনধারা শিক্ষা:
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত হাত ধোয়া, নিরাপদ পানি পান এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে এই কেন্দ্র শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সিলিং করে। এর ফলে ঋতু পরিবর্তনজনিত সাধারণ রোগবালাই (যেমন: ঠাণ্ডা, জ্বর, চর্মরোগ) থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারে।

​৪. বয়ঃসন্ধিকালীন সঠিক গাইডলাইন ও প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা:
কৈশোরে পা দেওয়ার পর ছেলে-মেয়েদের মধ্যে নানা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে। এই সময়ে কুসংস্কার বা সঠিক তথ্যের অভাবে তারা অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমাদের স্বাস্থ্য শিক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি (Menstrual Hygiene) এবং বয়ঃসন্ধিকালীন সঠিক যত্ন সম্পর্কে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ দেওয়া হয়।

​৫. মানসিক স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা:
পড়াশোনার চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা বয়সের কারণে অনেক শিক্ষার্থী মানসিক অবসাদ বা হতাশায় ভোগে। একজন দক্ষ হেলথ কাউন্সিলর তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং মানসিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করেন, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ ফেরাতে অত্যন্ত কার্যকরী।

​🎯 আমাদের অঙ্গীকার ও আহ্বান
​একটি সুস্থ শিশুই আগামী দিনে দেশের হাল ধরবে। স্বাস্থ্য সচেতনতা যদি বিদ্যালয় জীবন থেকেই শুরু না হয়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নানা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। M*F BANGLADESH-এর সহযোগিতায় পরিচালিত আমাদের এই কেন্দ্রটি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একজন সচেতন ও সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
​আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের সন্তানদের স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলি এবং একটি রোগমুক্ত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। 🤝🇧🇩
​ *FBangladesh #সুস্থপ্রজন্মসমৃদ্ধদেশ
​M*F BANGLADESH
Directorate General of Health Services
উপজেলা বিদ্যালয় স্বাস্থ্য- শিক্ষা কেন্দ্র

30/05/2026

তামাক ও ধূমপান ছাড়ার তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদী উপকারিতা
​তামাক বর্জন করার সিদ্ধান্ত আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মুহূর্তের মধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে শুরু করে, যার সুফল আপনি আজীবন পাবেন। ধূমপান থেকে দূরে থাকার প্রতিটি পদক্ষেপ আপনার শরীরকে নিজে নিজেই সুস্থ হয়ে উঠতে (Heal) সাহায্য করে।

​⏱️ ২০ মিনিট পর: আপনার হৃদস্পন্দন (Heart rate) স্বাভাবিক অবস্থায় নেমে আসে।

🫁 ১২ ঘণ্টা পর: রক্তে ক্ষতিকর কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রা কমে একদম স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে।

❤️ ২ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস: ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়তে শুরু করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
​তামাক ছাড়ার জন্য কোনো সময়ই "খুব দেরি নয়"
—আজই এখনই সিদ্ধান্ত নিন!


#সুস্থপ্রজন্মসমৃদ্ধদেশ
M*F BANGLADESH
Directorate General of Health Services
উপজেলা বিদ্যালয় স্বাস্থ্য- শিক্ষা কেন্দ্র

29/05/2026

ঘরের ভেতর অতিরিক্ত সময় কাটানো এবং খুব কাছ থেকে একটানা কোনো জিনিসের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে (যেমন- মোবাইল, ল্যাপটপ বা বই) শিশুদের মাঝে ক্ষীণদৃষ্টি বা মায়োপিয়া (Myopia) অর্থাৎ দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে না পাওয়ার সমস্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

​এর থেকে বাঁচার উপায়:
​কাজ বা পড়াশোনার মাঝে নিয়মিত বিরতি (Break) নিন।
​শিশুদের ঘরের বাইরে, খোলা জায়গায় বেশি সময় কাটাতে দিন। এটি চোখের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
​নিয়মিত চোখের ডাক্তার দেখান এবং পরীক্ষা করান!👁️✨

​ Awareness #শিশুদের_যত্ন
M*F BANGLADESH
Directorate General of Health Services

28/05/2026

অ্যাথলেটস ফুট (Athlete's Foot): কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

​ঘন্টার পর ঘন্টা জিমে ঘাম ঝরাচ্ছেন কিংবা ঘেমে যাওয়া ভেজা মোজা পায়ে দিয়েই দীর্ঘক্ষণ হাঁটাহাঁটি করছেন?
তাহলে আপনি কিন্তু ‘অ্যাথলেটস ফুট’ (Athlete’s Foot)-এর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন! এটি আমাদের চারপাশে দেখা দেওয়া অত্যন্ত সাধারণ একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণ।
​জিমে বা জুতো-মোজার ভেতরে থাকা স্যাঁতসেঁতে এবং উষ্ণ পরিবেশ এই ফাঙ্গাস বা ছত্রাক বাড়ার জন্য একদম উপযুক্ত জায়গা।
​লক্ষণগুলো কী কী?
​যদি আপনার পায়ে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দেয়, তবে বুঝবেন আপনি এতে আক্রান্ত হয়েছেন:
​আঙুলের ফাঁকে বা পায়ের তলায় তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হওয়া।
​চামড়া ফেটে যাওয়া, খোসা ওঠা বা সাদাটে হয়ে যাওয়া।
​পা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া এবং ছোট ছোট ফোসকা পড়া।
​লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা করবেন না!
​যদি আপনার ইতিমধ্যেই এই সংক্রমণটি হয়ে থাকে, তবে এটিকে একেবারেই সাধারণ চুলকানি মনে করে অবহেলা করবেন না! সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে এই ফাঙ্গাস বা ছত্রাক পায়ের নখে, অপর পায়ে, এমনকি হাতের আঙুলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে ইনফেকশন আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
​প্রতিকার ও চিকিৎসা:
​তবে ভয়ের কিছু নেই! অ্যাথলেটস ফুটের বেশিরভাগ মামলাই খুব সহজে নিরাময় করা সম্ভব।
​অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম: সাধারণ ফার্মেসিতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বা সরাসরি কিনতে পাওয়া যায় এমন অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম (Over-the-counter Antifungal Cream) নিয়মিত ব্যবহার করলেই এটি ভালো হয়ে যায়।
​পা শুকনো রাখা: পা সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
​মোজা পরিবর্তন: প্রতিদিন পরিষ্কার ও সুতি মোজা ব্যবহার করুন এবং ভেজা মোজা দ্রুত খুলে ফেলুন।
​"সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন, এবং সুস্থ প্রজন্ম গড়তে আপনার পায়ের যত্ন নিন!"

27/05/2026

শিরোনাম: নিরাপদ ও আনন্দময় হোক ঈদুল আজহা: M*F Bangladesh-এর বিশেষ স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বার্তা! 🕋🔪🩸🩺
​প্রিয় সুধী,
কুরবানির মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত প্রতি বছরই অনেকে হাত বা শরীর কেটে দুর্ঘটনার শিকার হন। তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সচেতনতা ছড়াতে M*F Bangladesh আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে কিছু জরুরি পরামর্শ:
​কুরবানির মাংস কাটার সময় সচেতনতা:

​🔪 তাড়াহুড়ো করবেন না: মাংস কাটার সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ কাজের দিকে রাখুন।

​🪵 সঠিক জায়গায় কাটুন: সমতল ও শক্ত কাঠের ওপর রেখে মাংস কাটুন, যাতে ছুরি পিছলে না যায়।

​🧑‍🤝‍🧑 সুরক্ষা বজায় রাখুন: ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের সময় শিশুদের নিরাপদ দূরত্বে রাখুন।

​যদি হাত বা শরীর কেটে যায়, তবে তাৎক্ষণিক করণীয় (First Aid):
​🩸 রক্তপাত বন্ধ করুন: ক্ষতস্থানটি পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় বা গজ দিয়ে চেপে ধরে রাখুন।

​🩹 হাত উঁচুতে রাখুন: হাত বা পা কেটে গেলে ক্ষতস্থানটি বুকের চেয়ে একটু উঁচুতে রাখার চেষ্টা করুন, এতে রক্ত পড়া দ্রুত কমে আসে।

​🧴 অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার: রক্তপাত বন্ধ হলে ডেটল, স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করে ব্যান্ডেজ করে দিন।

​🩺 জরুরি অবস্থা: কাটা স্থানটি অনেক গভীর হলে বা রক্তপাত বন্ধ না হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
​"সুস্থ প্রজন্ম, সমৃদ্ধ দেশ" গড়ে তুলতে হলে উৎসবের দিনেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আপনাদের সবাইকে M*F Bangladesh-এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!
​— মো: মোশাররফ হোসেন
প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা, M*F Bangladesh
​ *FBangladesh #নিরাপদঈদ

Directorate General of Health Services

25/05/2026

তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকুন: M*F Bangladesh-এর বিশেষ স্বাস্থ্য বার্তা! ☀️💧🧴
​প্রিয় সুধী,
জলবায়ু পরিবর্তন ও তীব্র গরমের কারণে আমাদের শরীর সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। এই সময়ে একটু অসচেতনতাও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা ছড়াতে M*F Bangladesh আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে কিছু জরুরি স্বাস্থ্য টিপস।
​অতিরিক্ত গরম থেকে বাঁচতে এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আমাদের এই ৫টি নিয়ম মেনে চলা উচিত:

​💧 নিয়মিত পর্যাপ্ত জল পান করুন: তৃষ্ণা না পেলেও কিছুক্ষণ পরপর নিরাপদ জল বা লেবুর শরবত পান করুন, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে।

​👕 হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুন: সুতি এবং হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করুন, যাতে শরীরে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে।

​🚿 শরীর ঠান্ডা রাখুন: নিয়মিত জল দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিন অথবা প্রতিদিন অন্তত একবার ভালোমতো স্নান করুন।

​🌳 ঠান্ডা বা ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন: রোদে একটানা কাজ না করে মাঝে মাঝে গাছের ছায়ায় বা ঠান্ডা জায়গায় একটু জিরিয়ে নিন।

​🩺 জরুরি লক্ষণ: অতিরিক্ত গরমে থাকার পর যদি শরীরের তাপমাত্রা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায়, মাথা ঘোরে বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হয়, তবে দেরি না করে অবিলম্বে নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ বা হাসপাতালের সাহায্য নিন।
​"সুস্থ প্রজন্ম, সমৃদ্ধ দেশ" গড়ে তুলতে হলে আমাদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। আসুন, এই তীব্র গরমে নিজের ও পরিবারের খেয়াল রাখি, সচেতন থাকি।

M*F BANGLADESH
​ *FBangladesh

Directorate General of Health Services

23/05/2026
Want your school to be the top-listed School/college in Natore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং বি এম কলেজ
Natore
[email protected]