04/12/2024
ইংরেজি শিখতে গেলে ইংরেজি বর্ণ ও শব্দ গুলোর উচ্চারণটা সঠিক ভাবে শিখতে হবে। তাই ইংরেজি উচ্চারণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম গুলো এখনে আলোচনা করা হল। আশা করি শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে।
1: শব্দের শুরুতে KN থাকলে তার উচ্চারণ হবে । এক্ষেত্রে K অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• knowledge (নলেজ) – জ্ঞান
• Knight (নাইট) – অশ্ব।
• Knee (নী) – হাটু
2: W এর পরে h/r থাকলে w উচ্চারণ হয় না।
উদাহরণ:
• Write (রাইট) – লেখা।
• Wrong (রং) – ভুল।
• Who (হু) – কে।
• Wrestling (রেস্টলিং) – কুস্তি।
3: শব্দের শেষে “e” থাকলে “e” এর উচ্চারণ হয়না।
উদাহরণ:
• Name (নেইম) – নাম।
• Come (কাম) – আসা।
• Take (ঠেইক) – নেওয়া।
• Fake (ফেইক) – ভূয়া।
4: M+B পর পর থাকলে এবং B এর পর কোন Vowel না থাকলে Bউচ্চারিত হয় না।
উদাহরণ:
• Bomb (বম) – বোমা।
• Comb (কৌম) – চিরুনি।
• Thumb (থাম) – হাতের বুড়ো আঙ্গুল।
• Thumbnail (থামনেল) – ছোট।
5: Word এর শেষে I G N থাকলে তার উচ্চারণ “আইন” হয়। এ ক্ষেত্রে G অনুচ্চারিত থাকে।
• Design (ডিজাইন) – আকা।
• Resign (রিজাইন) – পদত্যাগ করা।
• Reign (রেইন) – রাজত্ব।
• Feign (ফেইন) – উদ্ভাবন করা।
6: L+ M পর পর থাকলে এবং পরে vowel না থাকলে L অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Calm (কাম) – শান্ত।
• Alms (আমজ) – ভিক্ষা।
• Palm (পাম) – তালগাছ।
7: শব্দে T থাকলে T এর পরে U থাকলে T এর উচ্চারণ “চ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
• Lecture (লেকচার) – বক্তৃতা।
• Century (সেঞ্চুরী) – শতক।
• Furniture (ফার্নিচার) – আসবাবপত্র।
• Structure (স্ট্রাকচার) – গঠন।
8: Consonant+ I A+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে, I A এর উচ্চারণ (আইঅ্যা) মত হয়।
উদাহরণ:
• Dialogue (ডায়ালগ) – কথোপকথন।
• Diamond (ডায়ামন্ড) – হীরক।
• Liar (লায়ার) – মিথ্যাবাদী।
• Liability (লাইয়াবিলিটি) – দায়।
9: I+ R+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে “I” এর উচ্চারণ “আই” না হয়ে “অ্যা” হয়।
উদাহরণ:
• First (ফার্স্ট) – প্রথম।
• Birth (র্বাথ) – জন্ম।
• Bird (বার্ড) – পাখি।
• Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।
10: ৩ বর্ণ বিশিষ্ট Word এ Consonant+ I+ E এভাবে ব্যবহৃত হলে তার উচ্চারণ “আই” এর মত হয়।
উদাহরণ:
• Mice (মাইস) – ইদুর।
• Rice (রাইস) – চাউল।
• Wise (ওয়াইস) – বিজ্ঞ
• Size (সাইজ) – আয়তন।
11: Consonant+ U+ Consonant এভাবে word গঠিত হলে U এর উচ্চারণ “আ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
• Null (নাল) – বাতিল
• But (বাট) – কিন্তু।
• Nut (নাট) – বাদাম
• Cut (কাট) – কাটা।
12: I G H এর উচ্চারণে G উচ্চারিত হয় না। সেই অংশটুকুর উচ্চারণ “আই” হবে।
উদাহরণ:
• Night (নাইট) – রাত্র।
• Sight (সাইট) – দৃশ্য।
• Might (মাইট) – হতে পারে।
13: “I O” এর উচ্চারণ সাধারণত “আইয়” হয়।
উদাহরণ:
• Violet (ভাইয়লেইট) – বেগুনী রঙ।
• Biology (বাইয়োলজি) – জীব বিদ্যা।
• Biography (বাইয়োগ্রাফি) – জীবনী।
• Violation (ভাইয়লেশন) – ভঙ্গ।
14: Consonant এর পর “AI” এর উচ্চারণ সবসময় “এই” বা “এয়্যা” হয়।
উদাহরণ:
• Rail (রেইল) – রেলের লাইন।
• Nail (নেইল) – পেরেক
• Straight (স্ট্রেইট) – সোজা।
15: O+ consonant+ U+ consonant+ A/E/I এভাবে word গঠিত
হলে, U এর উচ্চারণ “ইউ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
• Document (ডকিউমেন্ট) – দলিল।
• Procurement (প্রকিউরমেন্ট) – চেষ্টা দ্বারা পাওয়া।
16: I+ R+ E এর ক্ষেত্রে যদি বর্ণ তিনটি word এর শেষে থাকে তবে এর উচ্চারণ “আয়্যা” হয়।
উদাহরণ:
• Dire (ডায়্যার) – ভয়ংকর।
• Mire (মায়্যার) – কাদা।
• Admire (এ্যাডমায়্যার) – তারিফ করা।
17: U I + consonant এরপর vowel না থাকলে U I এর উচ্চারণ “ই” এর
মত হয়।
উদাহরণ:
• Guilty (গিল্টি) – দোষী।
• Guilt (গিল্ট) – দোষ।
• Build (বিল্ড) – নির্মাণ করা।
18: E A+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং R যদি word এর শেষ বর্ণ হয় তাহলে E A এর উচ্চারণ “ঈঅ্যা” হবে।
• Dear (ডিয়্যার) – প্রিয়।
• Fear (ফিয়্যার) – ভয়।
• Bear (বিয়্যার) – বহন করা।
19: EA+ R+ consonant এভাবে word গঠিত হলে, EA এর উচ্চারণ “অ্যা” হবে।
উদাহরণ:
• Heart (হার্ট) – হৃদয়।
• Earth (আর্থ) – পৃথিবী।
• Earn (আর্ন) – আয় করা।
20: Consonant+ EA+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে EA এর উচ্চারণ হবে।
• Feather (ফেদার) – পালক।
• Tread (ট্রেড) – পদদলিত করা।
• Leader (লিডার) – সর্দার।
21: শব্দস্থিত EE+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে R যদি word শেষ অক্ষর হয় তাহলে EE এর উচ্চারণ “ইঅ্যা” হবে।
উদাহরণ:
• Peer (পিয়্যার) – সমকক্ষ।
• Steer (স্টিয়্যার) – হাল ধরা।
• Deer (ডিয়্যার) – হরিণ।
22: P+ S পরপর থাকলে এবং P এর আগে কোন vowel না থাকলে
P অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Psyche (সাইকি) – আত্মা
• Psycho (সাইকো) – মন।
• Psora (সৌরা) – খোসপাচঁড়া।
23: শব্দস্থিত STL এর উচ্চারণ হয় “সল্” এখানে T অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Bustle (বাসল্) – অতিশয় কর্ম ব্যস্ততা।
• Rustle (রাসল) – খসখস শব্দ।
• Nestle (নেসলে) – বাসা বাঁধা
24: ইংরেজি শব্দের শেষে TCH থাকলে এর উচ্চারণ হয় “চ”।
উদাহরণ:
• Batch (ব্যাচ) – ক্ষুদ্রদল।
• Match (ম্যাচ) – ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
• Scratch (স্ক্র্যাচ) – আচঁড়ের দাগ।
25: শব্দস্থিত OA+ R থাকলে, OA এর উচ্চারণ হবে “অ্য”।
উদাহরণ:
• Board (বোর্ড) – মোটা শক্ত কাগজ।
• Boar (বোর) – শূকর।
• Boat (বোট) – নৌকা।
• Road (রোড) – রাস্তা।
26: E+ consonant (R ছাড়া) + E এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং তার পর আর কিছু না থাকলে প্রথম E এর উচ্চারণ হয় “ঈ” এবং দ্বিতীয় E অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Complete (কমপ্লীট) – সম্পূর্ণ।
• Mete (মীট) – অংশ ভাগ করে দেয়া।
27: শব্দস্থিত OE এর উচ্চারণ হয় “ঈ”।
উদাহরণ
• Phoenix (ফীনিক্স) – রুপ কথার পাখি বিশেষ।
• Amoeba (এ্যামিবা) – ক্ষুদ্র এক কোষী প্রাণী।
28: Consonant এরপর OI এর উচ্চারণ হয় “অই”।
উদাহরণ:
• Coin (কইন) – মুদ্রা।
• Foil (ফইল) – পাত।
• Join (জইন) – যোগদান করা।
29: শব্দস্থিত OA+ Consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে OA এর উচ্চারণ হয় “ঔ”।
উদাহরণ:
• Road (রৌড) – রাস্তা।
• Loan (লৌন) – ঋণ।
• Toad (টৌড) – ব্যাঙ।
30: UI+ consonant+ A/E/O এভাবে word গঠিত হলে সচরাচর UI এর উচ্চারণ হয় ইংরেজি “আই” এর মত।
উদাহরণ:
• Guide (গাইড) – পথ প্রদর্শক।
• Guile (গাইল) – ছলনা, ফাঁকি।
• Misguidance (মিসগাইড্যান্স) – বিপথগামীতা।
31: শব্দের মাঝে E+ R ছাড়া অন্য consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে E এর উচ্চারণ সাধারণত “এ” বা “ই” হয়।
উদাহরণ:
• Rent (রেন্ট) – ভাড়া।
• Comet (কমিট) – ধূমকেতু।
• Comment (কমেন্ট) – মন্তব্য।
32: EE+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে, EE এর উচ্চরণ “ঈ” হয়।
উদাহরণ:
• Need (নীড) – প্রয়োজন।
• Feel (ফীল) – অনুভব করা।
• Steel (স্টীল) – ইস্পাত।
• Meek (মীক) – বিনম্র
33: R+ vowel+ CH এভাবে ব্যবহৃত হলে CH এর উচ্চারণ হবে “চ”।
উদাহরণ:
• Approach (অ্যাপ্রোচ) – অভিগমন।
• Branch (ব্রাঞ্চ) – শাখা।
• Crunch (ক্র্যাঞ্চ) – গুড়ানো।
34: C এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ “স” হবে।
উদাহরণ:
• Center (সেন্টার) – কেন্দ্র।
• Cyclone (সাইক্লোন) – ঘূর্ণিঝড় ।
• Cell (সেল) – কোষ।
• Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।
35: Y সাধারণত One-syllable এর শব্দে Y, (আই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
• Fly (ফ্লাই) – উড়া।
• Shy (শাই) – লজ্জা।
• Buy (বাই) – ক্রয় করা।
• Toy (টই) – খেলনা।
• Joy (জয়) – আনন্দ।
Two-syllable এর শব্দে Y (ই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ
• City (সিটি) – শহর।
• Funny (ফানি) – আনন্দ করা।
• Happy (হ্যাপি) – খুশি।
• Policy (পলিসি) – নীতিমালা।
36: শব্দের শেষে MN এর পরে কোন vowel না থাকলে এবং MN পরপর থাকলে N অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Solemn (সলেম) – গুরুগম্ভীর।
• Condemn (কনডেম) – দোষারোপ করা।
• Damn (ড্যাম) – অভিশাপ দেয়া ।
37: ইংরেজি শব্দের শেষে gh থাকলে তার উচ্চারণ হয় “ফ” অথবা কখনো তা অনুচ্চারিত থাকে । কিন্তু এরপর T, N বা M থাকলে gh উচ্চারিত হয় না।
উদাহরণ:
• Tough (টাফ) – কঠিন।
• Enough (ইনাফ) – যথেষ্ট।
• Mighty (মাইটি) – বলশালী।
• High (হাই) – উচ্চ।
38: IGH এর উচ্চারণ “আই”। “augh” এবং “ough” এর উচ্চারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই “অ” বা “আ” তাছাড়া eigh এর উচ্চারণ হয় এই কিন্তু Height এর উচ্চারণ ব্যতিক্রম।
উদাহরণ:
• Night (নাইট) – রাত্র।
• Dight (ডাইট) – সাজানো।
• Fight (ফাইট) – লড়াই।
• Tight (টাইট) – টানটান।
39: Consonant এরপর BT এর উচ্চারণ “ট” এক্ষেত্রে “B” অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Doubt (ডাউট) – সন্দেহ।
• Debt (ডেট) – ঋণ।
• Doubtful (ডাউটফুল) – সন্দিহান।
40: শব্দের শেষে que এর উচ্চারণ “ক”।
উদাহরণ:
• Cheque (চেক) – কিস্তি, হুন্ডি।
• Baroque (ব্যারক) – বলিষ্ঠ।
• Clique (ক্লীক) – ক্ষুদ্রদল।
41: LK এর আগে E বা U না থাকলে LK এর উচ্চারণ হবে “ক” এবং
“L” অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
• Talk (টক) – আলাপ।
• Walk (ওয়াক) – হাটা।
• Chalk (চক) – খড়ি।
42: KN বা GN এর আগে vowel থাকলে K ও G উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
• Agnostic (এ্যাগনষ্টিক) – অজ্ঞেয়
• Acknowledge (এ্যাকনলেজ) – স্বীকার করা
• Acknowledgement (এ্যাকনলেজমেন্ট) – স্বীকৃতি।
43: কোন শব্দে CC+ O/U+ consonant থাকলে CC এর উচ্চারণ হবে “ক”।
উদাহরণ:
• Accuse (এ্যাকিউজ) – অভিযুক্ত করা।
• According (এ্যাকর্ডিং) – অনুযায়ী।
• Accurate (এ্যাকিউরেট) – যথার্থ।
44: কোন শব্দে U এরপর consonant+ vowel+….. থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” হয়।
উদাহরণ:
• Mute (মিউট) – স্তব্ধ, নির্বাক।
• Tube (টিউব) – নল।
• Duteous (ডিউটিয়াস) – অনুগত , বাধ্য।
45: কোন শব্দে U এর পূর্বে consonant + R/L+…… থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।
উদাহরণ:
• Blue (ব্লু) – নীল।
• Glue (গ্লু) – শিরিসের আঠা।
• True (ট্রু) – সত্য।
46: কোন শব্দে U+E এর পূর্বে consonant + R বা L না থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
• Sue (স্যু) – আদালতে অভিযুক্ত করা।
• Hue (হিউ) – রং।
• Imbue (ইমবিউ) – অনুপ্রানিত করা।
47: কোন শব্দে U এর পূর্বে R বা L একক ভাবে থাকলে তার পরে E বা consonant+ E/L থাকা স্বত্তেও তার উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।
উদাহরণ:
• N**e (নুড) – নগ্ন, ন্যাংটা।
• Lunacy (লুনাসি) – পাগলামি, বকা আচরণ।
• Lutanist (লূটানিস্ট) – বীণা-বাদক।
48: U এর পর যদি এমন দুটি Consonant থাকে যাদেরকে আলাদাভাবে উচ্চারণ করতে হয় (ফলে প্রথমটিতে একটি syllable শেষ হয় এবং পরেরটিতে আরেকটি syllable শুরু হয়) তাহলে ঐ দুটি consonant এর পর E/I/A থাকা স্বত্তেও U এর উচ্চারণ বাংলা “আ”- এর মত হয়।
উদাহরণ:
• Incumbent (ইনকামবেন্ট) – বাধ্যতামূলক।
• Number (নাম্বার) – সংখ্যা।
• Constructive (কনস্ট্রাকটিভ) – গঠনমূলক।
• Nudge (নাজ) – কনুয়ের মৃদু ঠেলা দেয়া।
49: LM এর আগে কোন vowel অর্থাৎ “ই”, “ঈ” বা “এ” ধ্বনি থাকলে L উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
• Film (ফিল্ম) – চলচ্চিত্র।
• Elm (এল্ম) – দেবদারু জাতীয় গাছ।
• Filmy (ফিল্মি) – মেঘাচ্ছন্ন।
50: UI+ consonant+ I কিংবা consonant+ L/R+ UI এভাবে গঠিত হলে UI এর উচ্চারণ “ইউই” বা “উই” হয়।
উদাহরণ:
• Perpetuity (প্যারপিচিউইটি) – চিরস্থায়ীত্ব।
• Ingenuity (ইনজিনিউইটি) – অকপটতা।
• Liquidity (লিকুইডিটি) – তারল্য, তরল অবস্থা।
________________________________________
ইংরেজি শব্দের আরোও কিছু উচ্চারণবিধি:
শব্দের মধ্য Tথাকলে “T” এর পর U হলে “T” এর উচ্চারণ “চ” হবে। যেমন:- Future (ফিউচার), Century (সেনচুরী), Mixture, Fixture.
– শব্দের মধ্য “D” এর পর G হলে “D” এর উচ্চারণ হয় না।
যেমন:- Knowledge (নলেজ), Judge ( জজ), Bridge, Coleridge.
-Vowel + d + vowel হলে d এর উচ্চারণ জ এর মত হয়। যেমনঃ"
• individual
• individual
• Education
• Adjective
– K এর পর n হলে K এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Know (নো), Knee (নী), Knife (নাইফ), Knowledge (নলেজ)।
– G এর পর A, O, U থাকলে G এর উচ্চারণ”গ” হয়।
যেমন:- Garden (গার্ডেন),
Good (গুড),
Guide (গাইড)।
– S এর পর H হলে S এর সর্বদা “শ” হয়।
যেমন:-
• Bangladesh (বাংলাদেশ),
• Bush,
• Cash.
– W এর পর h/r হলে W এর উচ্চারণ হয় না।
যেমন:-
• Write (রাইট),
• Wrong (রং),
• Who (হু),
• Wh- question এর সব।
– T এর পর io হলে “T” এর উচ্চারণ “শ” হয়। যেমন National (ন্যাশনাল)। – i/u এর পর gh হলে gh এর উচ্চারণ হয় না, যদি হয় “ফ” এর মত হবে।
যেমন:-
• Eight (এইট),
• Right (রাইট), High (হাই),
• Enough (এনাফ),
• Cough (কফ)।
– ng একত্রে হলে ং”এর উচ্চারণ হয়।
যেমন:-
Bangladesh (বাংলাদেশ)।
– G যখন কোন শব্দে gm বা gn রুপে ব্যবহৃত হয় তখন G এর উচ্চারণ Silent হয়। প্রথমে যদি G থাকে এবং তারপরেই যদি “N” থাকে তবে G silent থাকে।
উদাহরণ:
1. Sign (সাইন) – চিহ্ন।
2. Campaign (ক্যামপেন) – প্রচার।
3. Reign (রেইন) – শাসন।
4. Design (ডিজাইন) – নকশা।
5. Resign (রিজাইন) – পদত্যাগ।
– C-এর উচ্চারণ কখন ‘ক’ আর কখন ‘স’ হবে ?
C-এর পরে যদি A, L, O, R, U হয় তাহলে তার উচ্চারণ ‘ক’ হয়। কিছু সহজ উদাহরণ পড়ে মিলিয়ে দেখুন:-
• Can (v, ক্যান্) – পারা।
• Class (n, ক্লাস্) – শ্রেণি।
• Colour (n, কালার্) – রং।
• Cup (n, কাপ্) – পেয়ালা।
• Crime (n, ক্রাইম্) – দুর্নীতি।
C-এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ ‘স’ হবে। দেখে নিই কিছু সহজ
উদাহরণ:-
• Center (n, সেন্টার্) – কেন্দ্র।
• Ceiling (n, সিলিং) – ভেতরের দিকের ছাদ।
• Cinema (n, সিনেমা) – প্রেক্ষাগৃহ।
• Cyclist (n, সাইক্লিস্ট্) – সাইকেল চালক।