উচ্চারণ ও উপস্থাপনাশৈলী

উচ্চারণ ও উপস্থাপনাশৈলী

Share

পরিচালনায়-এম ওবায়দুর রহমান
উপস্থাপক।।ঘোষক।।সংবাদ পাঠক।।হেড অব প্রডাকশন
বাংলাদেশ বেতার, এটিএন বাংলা

26/07/2026

মুনশী ওয়াদুদ; শক্তিমান এক গীতিকারের প্রতিকৃতি

পাঁচ দশকের অধিককাল ধরে গান লিখে চলেছেন শক্তিমান গীতিকার মুনশী ওয়াদুদ। তাঁর কলম থেকে সৃষ্টি হয়েছে বহু জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান। যারমধ্যে তোমার চন্দনা মরে গেছে, মধুচন্দ্রিমার এ রাত যেন গল্প বলে যায়, আমার রাজ্যতো নেই আছে শুধু রাজার মতো মন, সাঁঝের বেলায় পাখি ফিরে নীড়ে, ভালো না বেসেই ভালো আছি, একি খেলা চলছে হরদম, চন্দ্রসূর্য সবি আছে আগের মতোই- এমন আরও অসংখ্য বিখ্যাত গানের সার্থক রচয়িতা তিনি।

ঢাকার নাখালপাড়ার সম্ভ্রান্ত বংশের সন্তান মুনশী ওয়াদুদের গীতিকার হিসাবে আত্মপ্রকাশ ১৯৭২ সালের শুরুতে বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভূক্তির মধ্যদিয়ে। তিনি দেশের সবচেয়ে প্রাচীন এ সম্প্রচার মাধ্যমটির বিশেষ শ্রেণিভুক্ত গীতিকার। মুনশী ওয়াদুদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে গীতিকার হিসাবে তালিকাভূক্ত হন সে বছরই। এছাড়াও তিনি ঢাকাই সিনেমারও একজন জনপ্রিয় গীতিকার। বহু চলচ্চিত্র সমৃদ্ধ হয়েছে তাঁর গানের মাধ্যমে।

মুনশী ওয়াদুদের গান কণ্ঠে ধারণ করেছেন এদেশের বহু বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী; যাঁদের মধ্যে বশির আহমেদ, ফেরদৌসী রহমান, রুনা লায়লা, সৈয়দ আব্দুল হাদী, সাবিনা ইয়াসমিন, মিতালী মুখার্জি, এন্ড্রু কিশোর, সুবীর নন্দী, আলম আরা মিনু, মনির খান অন্যতম। তাঁর গান কণ্ঠে নিয়েছেন উপমহাদেশখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হৈমন্তী শুক্লা, কুমার শানু, অনুরাধা পাড়োয়াল, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি, সাধনা সারগম, অভিজিৎ, বাবুল সুপ্রিয়, প্রিয়া ভট্টাচার্য, শান প্রমূখ।

গীতিকবি মুনশী ওয়াদুদ বহু চলচ্চিত্রের জন্য গান রচনা করেছেন; তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, মায়ের মত ভাবি, সাজঘর, সুলতান, সবার উপরে তুমি, চাচ্চু, এ বাঁধন যাবেনা ছিঁড়ে, ঘানি, রাজা সূর্য খাঁ, একই বৃত্তে ও ইভটিজিং।

আজকের মেগাস্টার শাকিব খানের প্রথম ছবি 'সবাইতো সুখী হতে চায়' ছবির শুধু গীত রচয়িতাই নন; মুনশী ওয়াদুদ এই ছবির সফল চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচয়িতাও। এই ছবির প্রতিটি গান এখনও বেশ জনপ্রিয়।

গীতিকার মুনশী ওয়াদুদ ২০০৭ সালে 'সাজ ঘর' চলচ্চিত্রে গান রচনা করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি বাচসাস পুরস্কার, বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ড ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সম্মাননায় ভূষিত হন।

মুনশী ওয়াদুদদের পরিবার একটি শিক্ষানুরাগী পরিবার হিসাবে খ্যাত। নাখালপাড়ার ঐতিহ্যবাহী হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় এই পরিবারটির রয়েছে অনন্য অবদান। মুনশী ওয়াদুদ সাহেবও নানাবিধ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

এই লেখকের সৌভাগ্য হয়েছে, বাংলাদেশ বেতারের কমার্শিয়াল সার্ভিসে এই গীতিকারের ইন্টারভিউ করার। ১৬/১৭ বছর আগে ধারণকৃত সেই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর একজন সফল-সার্থক গীতিকবি হয়ে উঠার গল্পগুলো খুব কাছ থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল।

মুনশী ওয়াদুদের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৮ নভেম্বর। তাঁর পিতার নাম আলহাজ্ব শামসুল হক।
দেশবরেণ্য এই গীতিকারকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালবাসা।

এম ওবায়দুর রহমান
উপস্থাপক, ঘোষক, সংবাদ পাঠক
২৬/০৭/২০২৬ইং

25/07/2026

খান আরিফুর রহমান; এক গানেই বাজিমাৎ করেছিলেন যিনি

রেডিওতে একসময় প্রচুর বাজানো হতো গানটি। বহু শ্রোতা বারংবার চিঠি পাঠিয়ে গানটি শুনতে চাইতেন। সেই ছোটবেলাতেই গ্রামে বসে কতবার যে 'হৃদয়ের তন্ত্রী-ছেঁড়া' গানটি শুনেছি তার কোনো ইয়ত্তা নাই।

আমার উপস্থাপক জীবনের শুরুর দিকে বারকয়েক গানটির ঘোষণাও দিয়েছি বেতারে। তারপর আর কখনোই গানটি প্রচার হতে শুনিনি। বোধকরি রেকর্ডের প্রচারমাণ খানিকটা খারাপ হয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ গানটিকে আর প্রচার-তালিকায় রাখেননি। তবে অনলাইনে বহুবার গানটির ভিডিয়োচিত্র দেখেছি। গানটির সাথে শক্তিমান অভিনেতা আনোয়ার হোসেনের অনবদ্য অভিনয়ও প্রশংসার দাবি রাখে।

যে গান গেয়ে শিল্পী খান আরিফুর রহমান তুমুল জনপ্রিয় হলেন; যাঁর কন্ঠ ও পরিবেশনা একসময় অগণন সংগীত-পিয়াসী শ্রোতাকে মুগ্ধ ও মোহিত করেছে, তাঁর কোনো ছবি বা পরিচিতিমূলক বর্ণনা ক'দিন খোঁজখবর করেও আমি পাইনি। তিনি আর কোনো গান বেতারে কিংবা চলচ্চিত্রে গেয়েছেন কিনা তারও কোনো তথ্য দিতে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

অপূর্ব সুন্দর এই গানটি তিনি গেয়েছিলেন এম এস রহমান পরিচালিত 'কে তুমি' ছায়াছবিতে। এটি মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে; যার শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, কবরী, আনোয়ার হোসেন, কবিতা প্রমূখ।
গুণী কণ্ঠশিল্পী খান আরিফুর রহমান সম্পর্কে কারও কোনো তথ্য জানা থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন প্লিজ। আমি কৃতজ্ঞ থাকবো।
আজ শিল্পীকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অপরিসীম ভালবাসা।

24/07/2026

উচ্চারণশৈলী: যুক্ত-ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে তার কোনো উচ্চারণ হয় না। তবে যুক্ত বর্নের শেষটি নাকিস্বরে উচ্চারিত হয়।

24/07/2026

অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় রুনা লায়লা ও ঋতুপর্ণ ঘোষ

24/07/2026

৩/৪ মিনিটের একেকটা গান যে কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে, এসব গান শুনলেই তা উপলব্ধি করা যায়। সেজন্যই বোধহয় জ্ঞানীরা বলেন, সংগীতই হলো দুনিয়ার সবচেয়ে পাওয়ারফুল শিল্প।

একটা সময় এমনই বাণী ও সুর-সমৃদ্ধ অজস্র গান সৃষ্টি হতো বাংলাদেশ বেতারে। আমি অবশ্য একে সমৃদ্ধ গানের ডিপো বলতেই পছন্দ করি। কারণ, এদেশের আধুনিক ও লোকগানের যে বিশাল ভান্ডার-বলা যায় তার ৮০ শতাংশই সৃষ্টির কৃতিত্ব দেশের সবচেয়ে প্রাচীন সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ বেতারের।

আজকের এ গানটিও সবসময়ের সেরা গানের একটি। শক্তিমান গীতিকার ফজল-এ-খোদা তাঁর অনন্য শব্দ-কুশলতায় গানটি রচনা করেছেন। আর তাতে জাদুকরী সুরের মূর্ছনা দিয়েছেন কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আব্দুল আহাদ। আর এ গানটিতে কিংবদন্তি শিল্পী মোহাম্মদ আবদুল জব্বার তাঁর গায়নশৈলীর সকল দরদ ও ব্যাকুলতা ঢেলে দিয়েছেন।

অনন্য সুন্দর এ গানটি রচনার পেছনে মজাদার এক ঘটনা জড়িয়ে আছে; যা ফজল-এ-খোদা সাহেব আমাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বহু বছর আগেই বলেছিলেন। সেটি অন্য একদিন শোনাবার ইচ্ছে রইলো।
আসুন আবার শুনি এবং বারবার শুনি গানের খানিকটা।

24/07/2026

কী দুর্দান্ত গাইলেন শিল্পী মহুয়া ব্যানার্জী!
শুনুন, আপনারও মনপ্রাণ ভরে যাবে।

23/07/2026

শব্দের শুরুতে 'শ্বেত' থাকলে তার উচ্চারণ কেমন হয় জেনে নিন। খুব কাজে দেবে।


fans M. Obaidur Rahman

23/07/2026

শিল্পী আবিদা সুলতানার কণ্ঠে অনবদ্য এক দেশের গান- স্বর্ণলতায় ঝর্ণা তলায় দোলনচাঁপার গাছে। শুনুন প্রাণভরে।


M. Obaidur Rahman fans

23/07/2026

বশির আহমেদ; সুর-সংগীতের মহারথী

আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো, যারে যাবি যদি যা, খুঁজে খুঁজে জনম গেল, আমি রিক্সাওয়ালা মাতওয়ালা, আমার খাতার প্রতি পাতায়, ডেকোনা আমারে তুমি কাছে ডেকো না, মানুষের গান আমি শুনিয়ে যাবো কিংবা সজনী গো, ভালোবেসে এত জ্বালা কেন বল না- এমনসব কালজয়ী গান করে যিনি দশকের পর দশক ধরে এদেশের সংগীতানুরাগী লাখো-কোটি শ্রোতাকে সুরের জাদুতে মুগ্ধ করে রেখেছেন- তিনি বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক বশির আহমেদ। সংগীতে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর 'স্বাধীনতা পুরষ্কার' দিয়ে সম্মানিত করে।

কিশোর বয়সেই বশির আহমেদ জন্মস্থান কোলকাতার খিদিরপুরের স্থানীয় 'কাফেলা' বা ইসলামী গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পরপর কয়েক বছর প্রথম স্থান লাভ করেন। এ থেকেই তাঁর সংগীত প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়।

সংগীতে তাঁর হাতেখড়ি হয় ওস্তাদ বিলায়েত হোসেন বাঁকার কাছে। পরবর্তীতে তিনি উপমহাদেশের বিখ্যাত শাস্ত্রীয় সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খাঁ-র কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীতের তালিম নেন।
সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা হলো, ১৯৫৬ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিখ্যাত গায়িকা গীতা দত্তের সাথে বোম্বের একটি চলচ্চিত্রে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি।

দেশভাগের পরবর্তী সময়ে ১৯৬০ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ষাটের দশকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি মোট ২৪টি উর্দু চলচ্চিত্রে প্রায় ৬১টি গান গেয়েছিলেন। তাঁর সুর করা ও গাওয়া ১৯৬৭ সালের 'দর্শন' চলচ্চিত্রের 'ইয়ে সামা প্যারা প্যারা' গানটি বিপুল সাড়া ফেলে দেয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি বেতার, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে নিয়মিত গান করতে থাকেন। তাঁর হাত ধরে আমাদের আধুনিক ও চলচ্চিত্রের গানের ভাণ্ডার বিপুল সমৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় তাঁকে পূর্ব পাকিস্তানের আহমেদ রুশদী বলা হতো। তিনি বহু উর্দু ছবিতে পাকিস্তানের কিংবদন্তি শিল্পী নুরজাহানের সাথে কণ্ঠ দিয়েছেন।

বশীর আহমেদের সহধর্মিণী মীনা বশিরও এদেশের সংগীতাঙ্গনের আরেক খ্যাতনামা শিল্পী। তাঁদের দুই সন্তান-হুমায়রা বশির এবং রাজা বশির দুজনেই সংগীতের সাথে যুক্ত।

সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বেশ কিছু রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেন:
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: 'কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি' (২০০৩) চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পুরুষ প্লেব্যাক গায়কের পুরস্কার পান।
একুশে পদক: ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'একুশে পদক' এবং ২০২৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) এ ভূষিত করে।

বাংলাদেশের প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী, সুরকার, গীতিকার এবং সংগীত পরিচালক বশির আহমেদ এরজন্ম ১৯৩৮ সালের ১৮ নভেম্বর, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার খিদিরপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পরিবার ছিল দিল্লির সুবিখ্যাত সওদাগর বংশের। তাঁর বাবার নাম নাসির আহমেদ এবং মায়ের নাম মোমেনা খাতুন।

শিল্পী বশির আহমেদের জীবনাবসান ঘটে ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল।
এই লেখকের পরম সৌভাগ্য হয়েছে, কিংবদন্তি শিল্পী বশির আহমেদ এবং দুই সন্তান হুমায়রা বশির ও রাজা বশিরের একসাথে এবং আলাদা আলাদাভাবে সাক্ষাৎকার নেওয়ার।
মহান এ শিল্পীর অম্লান স্মৃতির উদ্দেশে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালবাসা।

এম ওবায়দুর রহমান
উপস্থাপক, ঘোষক, সংবাদ পাঠক
২৩/০৭/২০২৬ইং

#বশিরআহমেদ

21/07/2026

চিরদিনের গান- সেই চিঠি আজও লেখা হয়নি। শিল্পী- সাবিনা ইয়াসমিন।

এই কালজয়ী গানটি যতবার শুনি, ততবারই নতুন মনে হয়। বাণী ও সুরের অপূর্ব মেলবন্ধন যেন। শক্তিমান গীতিকার শহিদুল ইসলামের নিপুণ হাতে লেখা গানটিতে সুরের জাদু দিয়েছেন কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আব্দুল আহাদ।

বেতারের বিজ্ঞাপন তরঙ্গে সবধরনের গানই বাজানো হয়। সেই ষাট-সত্তর-আশির দশকের সমৃদ্ধ গানের অনন্য ভান্ডার যেমন বেতার, তেমনি হালআমলের চটুল গানেরও চাহিদা আছে অনেক শ্রোতার কাছে। তাই গানের প্লেলিস্ট করা হয় সকল ধরনের শ্রোতার কথা চিন্তা করেই। তবে সোনালী অতীতের সমৃদ্ধ গানগুলো মনের মাধুরি মিশিয়ে ঘোষণা দেবার জন্য আমরা ঘোষকরা মুখিয়ে থাকতাম এবং নিজের ভাগে সেগুলো পড়ে গেলে সৌভাগ্যবান মনে করতাম। বাংলাদেশ বেতারের এ অনন্য সুন্দর গানগুলোর কথা মনে হলেই স্মৃতিতাড়িত ও আবেগ-মথিত হই।


M. Obaidur Rahman fans

Want your school to be the top-listed School/college in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka, Bangladesh
Narsingdi
1216