Markazul Uloomi Wal Hikam Narsingdi

Markazul Uloomi Wal Hikam Narsingdi

Share

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিশুদ্ধ ইলম চর্চা ও নববী আখলাকের পরশে নৈতিক মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে — মারকাযুল উলূমি ওয়াল হিকাম।

18/05/2026

মাদানী নেসাব ১ম বর্ষ حرف الجر - فى এর ব্যবহার।

মারকাযুল উলূমি ওয়াল হিকাম নরসিংদী।
পূর্ব ব্রাহ্মন্দী, নরসিংদী সদর, নরসিংদী।

18/05/2026

কার কাছে = عند من এর ব্যবহার যেমন হয়-

14/05/2026

লীন ও মদ্দে লীন। খুব সহজ বিষয় হবার পরও অনেকে ভুল করে বসেন।
বিষয়টি নিয়ে হিফজ ও নাযারা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে সামান্য আলোচনা করা হল। আশা করি উপকৃত হবে ইনশাআল্লাহ।

11/05/2026

ইযাফত (إضافة) এর ব্যবহারবিধি।

11/05/2026

আমার ছাত্র আদিল।
খুব প্রিয়, খুব আদরের ছাত্র।
একটু চঞ্চল বলে অনেকে তাকে দুষ্ট বলে। এমনকি তার আব্বুও মাঝে মাঝে বলেন,
“হুজুর, ও একটু বেশি দুষ্ট। মনে হয় আপনাদের কষ্ট দেয়।”
কিন্তু আমি তাকে কখনও দুষ্ট বলি না।
তার এই চাঞ্চল্য, ছুটে চলা, দৌড়ঝাঁপ— আমি উপভোগ করি।
ভাবি, এই চঞ্চলতা কি সে নিজে বানিয়ে নিয়েছে?
আল্লাহ তাকে একটু বেশি প্রাণবন্ত করেই সৃষ্টি করেছেন। বর্তমান সময়ে অনেক শিশুই এমন হয়।
অনেকে বাচ্চাদের দুষ্টুমি একদম সহ্য করতে পারেন না।
কিন্তু আমি একটা বিষয় ভাবি—
আমাকে কিংবা আমার বয়সি কাউকে যদি মাসে বেতন দিয়েও বলা হয়, “সারাদিন ছোট্ট বাচ্চাদের মতো দৌড়াও, লাফাও, ছুটোছুটি করো”— আমরা কি পারব?
মনে হয়, শৈশব-কৈশোর পেরিয়ে আসা কেউই তা পারবে না; টাকা দিলেও না।
তাহলে ছোট্ট বাচ্চাগুলো যে কাজগুলো আনন্দে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে করে যাচ্ছে— সেগুলোই তো তাদের বয়সের সৌন্দর্য।
এই তফাতটা বুঝতে পারলে বাচ্চাদের দুষ্টুমিতে আর চোখ জ্বালা করবে না।
তবে এর মানে এই নয় যে, সোনামণিদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা তুলে দিয়ে বলা হবে—
“যাও বাবা, যা ইচ্ছা করো; সব ভেঙে ফেলো।”
শাসন অবশ্যই জরুরি।
বরং বর্তমান সময়ে তো আরও বেশি জরুরি।
তবে সেই শাসনে যদি জেদ না থাকে, কঠোরতার বাড়াবাড়ি না থাকে; বরং থাকে আন্তরিকতা, প্রজ্ঞা এবং ইসলাহের নিয়ত— তাহলে সে শাসন পরিবর্তন আনে, কল্যাণ বয়ে আনে।

Photos from Markazul Uloomi Wal Hikam Narsingdi's post 30/04/2026

জান্নাতুল রাইয়ান- (জান্নাতুর রাইয়ান)
২৬ পাড়া হাফেজা এই পিচ্চির নাম। গত শুক্রবার ভর্তি হতে আসছে। নাম শুনে পিচ্চির গার্ডিয়ানকে বললাম, নামের মাঝে আরবী ভাষাগত একটু ভুল আছে। জান্নাতুর রাইয়ান হবে।

মেয়েটা বিকালে হাতের লেখা নিতে আসছে। খাতায় দেখি আমার সংশোধিত নাম লেখা। অবাক হলাম, সাথে অভিভূত হলাম! নিজ থেকে আমার কথা শুনে নাম সংশোধন করে ফেলছে মাশাআল্লাহ! অথচ সরাসরি আমি ওকে কিছু বলি নাই।
আল্লাহ যোগ্য হাফেজা আলেমা ও নববী আখলাকের অধিকারী বানান, দোয়া করি।
(পরবর্তীতে দেখলাম রাইয়ানের মুয়ান্নাস রাইয়ানা হতে পারে)
জান্নাতুর রাইয়ানা - إضافة الصفة إلى الموصوف - হিসাবে নামটা ঠিক আছে কি না অভিজ্ঞদের পরামর্শ চাচ্ছি।
নাম: ريانة - ريان অর্থ - পরিতৃপ্ত, সিক্ত, পরিপূর্ণ, কোমল।

26/04/2026

ধনী — غنى
দরিদ্র — فقير
মাদরাসায় প্রবেশ করতেই শুনতে পেলাম, কেউ যেন বারবার শব্দগুলো উচ্চারণ করছে। কৌতূহল নিয়ে খুঁজতে লাগলাম, কিন্তু কাউকে দেখতে পেলাম না। সামনে শুধু মাদানী নেসাবের ১ম বর্ষের এক তালিবুল ইলমকে দেখলাম—মারকাযের বারান্দা ঝাড়ু দিচ্ছে।
ভালো করে লক্ষ্য করে বুঝতে পারলাম, সে-ই কাজের ফাঁকে ফাঁকে শব্দগুলো আওড়াচ্ছে।
মুহূর্তেই মনে এক অদ্ভুত ভালো লাগা দোলা দিয়ে গেল।
নোট: সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য মাত্র ৫ মিনিট একটু নসিহত করেছিলাম। অধমের কথা এভাবে কাজে লাগবে—তা কল্পনাও করিনি।
আল্লাহ তা’আলা এই তালিবুল ইলমসহ সকল তালিবুল ইলম ও আমাদের মারকাযকে কবুল করুন—এই দোয়া প্রার্থী।

06/04/2026

শিক্ষার্থীদের শাস্তি হিসেবে প্রহার: বিধান ও সীমারেখা
শিশুদের শিক্ষা-তরবিয়তে কোমলতা ও ভালোবাসার পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত। অযথা মারধর করলে শিশু জেদি ও অবাধ্য।হয়ে যায়। তখন তাদের ওপর কোনো কথারই প্রভাব পড়ে না। অধিক মারধর ও কঠোরতা শিক্ষা-তরবিয়তের জন্য উপকারী নয়; বরং ক্ষতিকর।

একদিকে এতে শিশুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, ভয়ের কারণে তারা শেখা-পড়া ভুলে যায়। তৃতীয়ত, বারবার মার খেতে খেতে যখন অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন তারা নির্লজ্জ হয়ে পড়ে। ফলে মারধরেও আর তাদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না।

অন্যদিকে কোমলতা, ভালোবাসা এবং অনেক সময় উৎসাহ দেওয়ার জন্য পুরস্কার প্রদানের পদ্ধতি অধিক ফলপ্রসূ। তবে প্রয়োজনে শাস্তি দিতে হলে তা ধাপে ধাপে দেওয়া উচিত। যেমন—

১. ভর্ৎসনা করা
২. ধমক দেওয়া
৩. হালকাভাবে কান টানা
৪. হাতে হালকা আঘাত করা ইত্যাদি।

যদি শিক্ষা-তরবিয়তের উদ্দেশ্যে কখনো শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে নিম্নোক্ত শর্তসমূহ মানা জরুরি—

১. শিশুর অভিভাবকের অনুমতি থাকতে হবে।

২. শাস্তির উদ্দেশ্য হবে সংশোধন ও তরবিয়ত; রাগ বা প্রতিশোধ নয়।

৩. এমন শাস্তি দেওয়া যাবে না, যা শরীয়তে নিষিদ্ধ।

৪. রাগের অবস্থায় শাস্তি দেওয়া যাবে না; বরং রাগ প্রশমিত হওয়ার পর প্রয়োজন হলে কৃত্রিমভাবে কঠোরতা দেখিয়ে শাস্তি দিতে হবে।

৫. শিশুর সহ্যক্ষমতার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে; তার সহ্যের অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না।

৬. মাদরাসার নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকদের এ ধরনের শাস্তি দেওয়ার অনুমতি থাকতে হবে।

৭. হাতে শাস্তি দিতে হবে; লাঠি, ডাণ্ডা, চাবুক ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না। তবে শিশু যদি বালেগ হয়, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী হালকাভাবে লাঠি ব্যবহার করা যেতে পারে—শর্ত হলো তা সহ্যের অধিক না হয়।

৮. একবারে তিনটির বেশি আঘাত করা যাবে না এবং একই স্থানে তিনটি আঘাত করা যাবে না; বরং ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দেওয়া হবে।

৯. মাথা, মুখমণ্ডল ও সতরের স্থানে আঘাত করা যাবে না।

১০. শিশুকে শাস্তির উপযুক্ত হতে হবে; একেবারে ছোট, অযোগ্য শিশুকে শাস্তি দেওয়া জায়েয নয়।

১১. এমন শাস্তি দেওয়া যাবে না, যাতে হাড় ভেঙে যায়, চামড়া ফেটে যায়, শরীরে কালো দাগ পড়ে বা অন্তরে গভীর আঘাত লাগে—এগুলো শরীয়তে নিষিদ্ধ।

আলহামদুলিল্লাহ মারকাযুল উলূমে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলা হয় --

ফাতাওয়া শামী ৬/৪৩০, আল মাওসুআতুল ফিকহিয়্যা ১৩/১৩, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বিন্নুনি টাউন করাচী, ফাতাওয়া নম্বর 144402101027

Khairul Islam 5/4/2026
হানাফী ফিকহ-Hanafi Fiqh

Want your school to be the top-listed School/college in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

ব্রাহ্মন্দী মোর, জামান মঞ্জিল, নরসিংদী।
Narsingdi
1600