20/10/2025
ইনশাআল্লাহ আজ মাগরীব বাদ মারকাযের দারুল ইফতায় তামরীন দেখবেন এবং ফিকহী মুহাযারা পেশ করবেন ঢাকার অন্যতম বিদ্যাপিঠ দারুল ফিকরি ওয়াল ইরশাদের সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক এবং মুশরিফ মুফতী মাহবুবুর রহমান সাহেব (দা.বা.)।
আদর্শ ও যোগ্য ছাত্র গঠনই মারকাযের মূল লক্ষ্য
20/10/2025
ইনশাআল্লাহ আজ মাগরীব বাদ মারকাযের দারুল ইফতায় তামরীন দেখবেন এবং ফিকহী মুহাযারা পেশ করবেন ঢাকার অন্যতম বিদ্যাপিঠ দারুল ফিকরি ওয়াল ইরশাদের সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক এবং মুশরিফ মুফতী মাহবুবুর রহমান সাহেব (দা.বা.)।
13/10/2025
তালাক ইসলামি শরীয়তে বৈধ, কিন্তু এটি এমন একটি হালাল বিষয় —
যা আল্লাহ তায়ালা সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেন।
একটি শব্দেই ভেঙে যেতে পারে বছরের পর বছর গড়া সম্পর্ক,
ভেঙে যেতে পারে একটি পরিবার, সন্তানদের ভবিষ্যৎ,
আর হৃদয়ে রয়ে যায় শুধু আফসোসের দাগ...
ইসলাম কখনো বিচ্ছেদকে উৎসাহ দেয়নি।
বরং শিখিয়েছে ধৈর্য, ক্ষমা আর বোঝাপড়ার শিক্ষা।
তাই রাগের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নয় — বিবেক ও ঈমানের আলোয় ভাবুন।
আজ আমাদের সমাজে দেখা যায় —
সামান্য ভুল বোঝাবুঝি, আত্মসম্মানের সংঘাত বা একটুখানি রাগেই
মানুষ উচ্চারণ করে ফেলে “তালাক” নামের একটি ভারী শব্দ।
কিন্তু ভুলে যায় — শরীয়াহ বলেছে,
👉 আগে বোঝাপড়া করো,
👉 না হলে সালিশ করো,
👉 সব চেষ্টার পরেও যদি উপায় না থাকে, তবেই বিচ্ছেদ করো।
তালাক কোনো খেলা নয় — এটি এক গুরুতর আমানত।
তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন —
আমি কি আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে আছি?
নাকি আবেগের বশে এমন কিছু করছি যা সারাজীবনের অনুশোচনা হয়ে যাবে?
যদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সামান্য সুযোগও থাকে,
তবে চেষ্টা করুন সেটি বাঁচাতে।
কারণ ইসলাম চায় —
পরিবার টিকে থাকুক, ভালোবাসা টিকে থাকুক,
আর সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।
একসাথে তিন তালাক দিলে, কয় তালাক পতিত হবে? এ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফাতাওয়া দলীলসহ, মারকাযের ওয়েবসাইডে প্রকাশ করা হয়েছে। যারা জানতে বা পড়তে ইচ্ছুক, তারা কমেন্ট বক্সে থাকা লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং উম্মাহের নিকট কোরআন-সুন্নাহের সহীহ বাণী পৌঁছে দিতে, আমাদের সহায়তা করুন। আমাদের প্রদত্ত ফাতাওয়াগুলো বেশি বেশি শেয়ার করুন।
07/10/2025
ইলমের জন্য কুরবানী-২
আবু নাসর হারুন বিন মুসা বিন জানদাল (৪০৬ হি.) নামে নাহুর একজন বিখ্যাত ইমাম ছিলেন। তিনি একবার বললেন, ‘আমরা আবু আলী কালী বাগদাদী রাহ.-এর কাছে তাঁর রচিত ‘নাওয়াদের’ নামক বিখ্যাত কিতাবটি পড়তে আসতাম। কর্ডোভার ঐতিহ্যবাহী ‘যাহরা’ জামে মসজিদে। তখন ছিল বসন্তকাল। একদিন আমি তাঁর দরসের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। পথে হঠাৎ প্রচণ্ড বৃষ্টির কবলে পড়ে যাই। তবু আমি পথ চলতে থাকি। শায়খের কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে আমার জামা-কাপড় ভিজে জুবুথুবু হয়ে গেল। শায়খের সামনে বসা কর্ডোভার বিখ্যাত সব মনীষী। ভেজা কাপড়-চোপড় নিয়ে মজলিসে বসতে আমার কেমন যেন লাগল। বুঝতে পেরে শায়খ আবু আলী কালী রাহ. বললেন, হে আবু নাসর! যা হয়েছে, তা নিয়ে দুঃখ করো না। একি কোনো ব্যাপার হল! ব্যস, কাপড় পাল্টে নিলেই হল। অথচ আমি তো এমন জখমের মুখোমুখি হয়েছি, যার ক্ষত এখনও রয়ে গেছে শরীরে, আর তা নিয়েই যেতে হবে কবরে। অতঃপর তিনি বললেন, ‘আমি আমার শায়খ কারী ইবনে মুজাহিদ রাহ. (৩২৪ হি.)-এর কাছে পড়তে যেতাম। একবার তাঁর দরসের প্রথম কাতারে বসার জন্য আমি রওনা হয়ে গেলাম খুব গভীর রাতে। গিয়ে দেখি, তার মজলিসে যাওয়ার প্রবেশ-ফটকটি বন্ধ। কোনমতেই তা খুলতে পারি না। আমি মনে মনে বললাম, সুবহানাল্লাহ! এত সকাল সকাল এলাম। এরপরও পেছনে পড়ে থাকবো আর অন্যরা চলে যাবে সামনে! নাহ! তা হতে পারে না। খুঁজতে খুঁজতে বাড়িটির পার্শ্বদেশে একটি ঢালু সুড়ঙ্গ পথ দেখতে পেলাম। আমি আগ-পিছ না ভেবে সরু ও সংকীর্ণ ঐ পথে ঢুকে পড়ি। হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে যেতে থাকি খুব কষ্ট করে। মধ্যপথে গিয়ে আটকে পড়ি। সামনের দিকে পথ এতটাই সরু যে, না পারি ঢুকতে; না পারি বের হতে। তবু দমবার পাত্র নই আমি। পা আর হাতের সমস্ত শক্তি দিয়ে আমি জোর করেই শরীরটাকে ভেতর ঢুকিয়ে দিলাম। কাপড় তো ছিড়ে যাচ্ছে-ই; মনে হচ্ছে, গোশতও খসে যাচ্ছে। তবু আমি সামনে চললাম। এক সময় আমি ভেতরে ঢুকতে সক্ষম হই, দেখ্তে পাই শায়খের মজলিস। যন্ত্রণায় কুঁকড়াতে কুঁকড়াতে শরীরের দিকে একবার তাকালাম। দেখলাম, গোশত পুরোটা খসে পড়ে হাড্ডিটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে! অতএব হে আবু নাসর! আমার তুলনায় তোমার তো কিছুই হয়নি। (কবিতা) ‘মর্যাদা ও মহত্ত্বের জন্যে তুমি হামাগুড়ি দিয়েছ অথচ যাত্রীরা পৌঁছেছে সেথায়, বিরামহীন কষ্টে আর আরাম-আয়েশ ছুড়ে ফেলে/ক্লান্ত হয়ে পড়েছে প্রায়ই, কিন্তু অনেকে চালিয়েছে লড়াই/ মর্যাদার দেখা পেয়েছে সেই, যে তার হক্ক পূর্ণ করেছে আর করেছে সবর/ভেবোনা মর্যাদাকে একটি খেজুরসম; শুধু গিলে নিলেই হল, তিক্ততার আস্বাদন বিনে পারবে না কভু মর্যাদার আসনে আসীন হতে। আবু নাসর নাহবী বলেন, ‘নাওয়াদের’-এ কবিতার এই ছন্দগুলি আসার আগেই আমরা লিখে নিলাম। ভুলে গেলাম বৃষ্টিতে ভেজার দুঃখ। শায়খের মৃত্যু অবধি আমি আর তাঁর সঙ্গ ছাড়িনি। সূত্র : আস্-সিলা, ইবনে বাশকুয়াল ২/৬৫৬।
05/10/2025
ইলমের জন্য কুরবানী
আব্দুর রহমান ইবনে আবী হাতেম রাযী রাহ. (৩২৭ হি.)। বাবা আবু হাতেম রাযী রাহ. (২৭৭ হি.) এর মতো তিনিও ছিলেন হাদীস ‘ইলাল’ আর ‘জারহ-তা’দীলে’র ইমাম। হাদীসের রাবীদের ‘জারহ-তা’দীলে’র উপর নয় খণ্ডের সুবিশাল ‘আলজারহু ওয়াত তা’দীল’, দুই খণ্ডের ‘ইলালুল হাদীস’ আর দশেরও বেশি খণ্ডের কুরআনের তাফসীর তাঁর অমর রচনা। এত বড় হওয়ার পেছনে ছিল তাঁর তালিবে ইলম-যিন্দেগীর অপরিসীম মেহনত-মুজাহাদা। চলুন, তাঁর মুখেই শোনা যাক তাঁর জীবনের একটি কাহিনী। তিনি বলেন, আমরা মিসরে ইলম অর্জনরত ছিলাম। একে একে সাতটি মাস চলে গেল। এক বেলাও রান্না করা কোনো খাবারের স্বাদ আমরা নিতে পারিনি। কারণ খাবার রান্না করার সময় আমাদের হত না। কারণ পুরো দিন ভাগ করা ছিল উস্তাদদের দরসের জন্য। আর সারা রাত কেটে যেত লেখা, নুসখা তৈরি ও নুসখার মুকারানা করার মাঝে। একদিনের ঘটনা। আমি ও আমার এক বন্ধু এক শায়খের দরসে গেলাম। তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাই অবসর সময় পেয়ে ফিরে আসছি। বাজারে একটি মাছ দেখে আমাদের খুব পছন্দ হল। মাছটি কিনে আমরা বাড়িতে ফিরে এলাম। এদিকে অন্য উস্তাদদের দরসের সময় হয়ে গেল। মাছটি ঐভাবে রেখে আমরা দরসে চলে গেলাম। এরপর তিন তিনটি দিন কেটে গেল। মাছটি রান্না করা হল না। ফলে তা বাসী হয়ে পঁচে যাওয়ার উপক্রম হল। বহুদিন পর যাওবা একটি মাছ কেনা হল সময়ের অভাবে তা-ও রান্না করা গেল না। এই স্মৃতিকথা বর্ণনা করে তিনি (ইয়াহইয়া ইবনে আবী কাসীর রাহ.-এর ঐতিহাসিক কথাটি) বললেন, অর্থ : শরীরের রাহাতের সাথে ইলম পাওয়া যায় না।’ সূত্র : তাযকিরাতুল হুফফায ৩/৮৩০; সিয়ারু আলামিন নুবালা ১৩/২৬৬।
29/09/2025
প্রস্রাবভর্তি ছোট শিশী পকেটে রেখে , নামাজ আদায় করলে নামাজের হুকুম।
অনেকেই আমরা ছোট শিশীতে ভরে, প্রস্রাব টেষ্ট করাতে হাসপাতালে গিয়ে থাকি।
পথিমধ্যে কেউ কেউ ঐ শিশী পকেটে রেখেই নামাজ আদায় করে।
এমতাবস্থায় তার নামাজের কি হুকুম হবে জেনে নিন দলীলের আলোকে।
28/09/2025
ক) বিবাহের সময় খুতবা পড়ার বিধান কি?
(খ) খুতবা ছাড়া কি বিবাহ সহীহ হবে?
(গ) খুতবা কখন পড়া উত্তম?
এই প্রশ্নগুলোর সমাধাণ দলীলের আলোকে জানতে কমেন্ট বক্সে থাকা লিঙ্কে ক্লিক করুন।
এবং উম্মাহের নিকট কোরআন-সুুন্নাহের বাণী পৈাছে দিতে আমাদেরকে সহায়তা করুন, পোষ্টগুলো বেশি বেশি শেয়ার করুন।
জাযাকুমুল্লাহ।
27/09/2025
হারামাইন ও আকসা আমাদের ভালোবাসা ও আবেগের, বরকতময় পূণ্যভূমি, ইতিহাস, ঐতিহ্যের কেন্দ্রবিন্দু। সেই ভালোবাসার স্থান থেকেই কোথাও কোথাও আমরা নিজেদের মহল্লায় নির্মানাধিন মসজিদের নাম, ঐ মসজিদত্রয়ের যে কোন একটির নামঅনুসারে, নির্বাচন করে থাকি। এভাবে ফযীলতপূর্ণ, বরকতময় ঐ মসজিদগুলোর নাম, ভিন্ন মসজিদগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কী হুকুম?
এই সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ফাতাওয়া দলীলসহ, মারকাযের ওয়েবসাইডে প্রকাশ করা হয়েছে। যারা জানতে বা পড়তে ইচ্ছুক, তারা কমেন্ট বক্সে থাকা লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং উম্মাহের নিকট কোরআন-সুন্নাহের সহীহ বাণী পৌঁছে দিতে, আমাদের সহায়তা করুন। আমাদের প্রদত্ত ফাতাওয়াগুলো বেশি বেশি শেয়ার করুন।
মারকাযুল উলূমিদ দ্বীনিয়্যাহর অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ