13/05/2025
একটা ব্যাঙকে যদি আপনি ঠাণ্ডা পানির পাত্রে রাখেন, আর সেই পাত্রটিকে ধীরে ধীরে গরম করতে থাকেন—ব্যাঙটি কিন্তু তাড়াতাড়ি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায় না। সে চুপচাপ পানিতে বসে থাকে, আর নিজের শরীরের তাপমাত্রা পানির সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে থাকে।
ধীরে ধীরে পানি গরম হতে থাকে, আর ব্যাঙও ধীরে ধীরে তার শরীরের ভেতর সেই উত্তাপ সহ্য করতে থাকে। সে ভাবে, "এটা তো এখনো সহ্য করা যাচ্ছে।"
কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়। পানির তাপ এক সময় এত বেশি হয়ে যায় যে, তখন আর সহ্য করা যায় না। ব্যাঙ তখন বুঝতে পারে, "এখন আমার লাফ দিয়ে বাঁচা দরকার!"
কিন্তু হায়! তখন আর তার শরীরে কোনো শক্তি অবশিষ্ট নেই। কারণ সে তার সমস্ত শক্তি খরচ করে ফেলেছে আগের তাপমাত্রাগুলো সহ্য করার জন্য! তাই সে চাইলেও আর লাফিয়ে বের হতে পারে না। ধীরে ধীরে সে পানিতে সেদ্ধ হয়ে মারা যায়…
আপনি কি জানেন—ব্যাঙটা আসলে মারা যায়নি পানির তাপে, বরং মারা গেছে সময়মতো সিদ্ধান্ত না নিতে পারায়!
এই ঘটনাটাকেই বলা হয় "Boiling Frog Syndrome"।
এই গল্প আমাদের জীবনের সঙ্গেও হুবহু মিলে যায়।
আমরা অনেক সময় একের পর এক অন্যায়, অবহেলা কিংবা কষ্ট সহ্য করতে থাকি—ভাবি, “এখন না হয় মেনে নিচ্ছি, পরে কিছু একটা করব।”
কিন্তু যে সমস্যা শুরুতেই ঠেকানো যেতো, তা ধীরে ধীরে এমন ভয়াবহ রূপ নেয় যে তখন আর কিছুই করার থাকে না।
তখন আমাদের মনের শক্তিটাও থাকে না, সাহসটাও ক্ষয়ে যায়।
শিক্ষনীয়
তাই, জীবনে কখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছাবেন না যেখানে লাফ দেওয়ার মতো শক্তিটুকুও থাকবে না।
সময় থাকতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করুন, প্রতিবাদ করুন, নিজের সম্মানকে রক্ষা করুন।
না হলে একদিন হয়তো আপনিও সেই “সেদ্ধ ব্যাঙ” হয়ে যাবেন, যে বাঁচতে চেয়েও বাঁচতে পারল না…
05/05/2025
শেষ বিদায়, প্রিয় স্যার…
আজ হৃদয় ভারাক্রান্ত। নিশি কান্ত পাল স্যার আর আমাদের মাঝে নেই — বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবই শেখান না, তিনি মানুষ গড়েন। স্যার ছিলেন ঠিক তেমনই — এক জননীর মতো যত্নশীল, এক পিতার মতো দৃঢ়, এক বাতিঘরের মতো আলো ছড়ানো এক মানুষ।
রাবান উচ্চ বিদ্যালয় মানেই স্যারের মুখভঙ্গি, তাঁর কণ্ঠের দৃঢ়তা, ক্লাসরুমে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া নিঃশব্দ সম্মান। আমরা অনেকেই আজ যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, তার মূলে আছে স্যারের শেখানো শৃঙ্খলা, ন্যায়ের শিক্ষা আর অসীম ধৈর্য।
স্যার, আপনি চলে গেলেন, কিন্তু আপনার আদর্শ, আপনার সেই কঠোর ভালোবাসা, আর শিক্ষার্থীদের জন্য অদম্য দায়বদ্ধতা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।
আজ আকাশ একটু বেশি মেঘলা যেন। গাছেরা নিশ্চুপ, বাতাস থমকে গেছে। প্রকৃতি যেন আপনাকে শেষ বিদায় জানাতে থেমে গেছে একটুখানি।
শ্রদ্ধায় মাথা নত করি প্রিয় শিক্ষক,
আপনার শিক্ষার্থীরা আপনাকে কখনো ভুলবে না।
আপনি থাকবেন হৃদয়ের প্রতিটি কোণে — চিরকাল।
31/03/2025
বাঘের উৎসব বিপদ
গহীন জঙ্গলে একদিন পশুরা সভা ডাকল। সবাই খুব চিন্তিত। কারণ প্রতিবছর বনের মহাউৎসবে কিছু নিরীহ পশুকে বলি দেওয়া হতো!
গরু বলল, "আমরা তো কিছুই করিনি! তাহলে আমাদের কেন মারা হবে?"
হরিণ বলল, "উৎসব মানে তো আনন্দ! প্রাণ নেওয়া কি আনন্দের?"
ঠিক তখনই, চালাক শিয়াল একটা বুদ্ধি আঁটল। সে বলল,
— "আচ্ছা, আমরা তো সিংহ রাজাকে খুব ভালোবাসি, তাই না?"
সবাই একসঙ্গে বলল, "হ্যাঁ! রাজা আমাদের রক্ষা করেন!"
শিয়াল মুচকি হেসে বলল,
— "তাহলে রাজাকে খুশি করতে এবার উৎসবে সিংহ বলি দেওয়া হোক!"
সবাই থ মেরে গেল।
খবরটা রাজা সিংহের কানে যেতেই তার গা ঘামতে শুরু করল। সে হাঁপাতে হাঁপাতে সভায় এল।
— "ক-কি বলছো? আমায় বলি দেবে?"
শিয়াল গম্ভীর মুখে বলল,
— "হ্যাঁ রাজামশাই, আপনি তো আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী। আপনাকে উৎসর্গ করলে তো দেবতারা সবচেয়ে খুশি হবেন, তাই না?"
সিংহ তৎক্ষণাৎ গর্জন করে উঠল,
— "না না! উৎসবে আনন্দ হবে, কিন্তু কেউ মারা যাবে না! এবার থেকে শুধু খাওয়া-দাওয়া আর নাচ-গান হবে!"
সেদিন থেকে বনে আর কোনো প্রাণী বলি দেওয়া হলো না। আর শিয়াল? সে খুশি হয়ে বিড়বিড় করল,
— "যতদিন বুদ্ধি আছে, ততদিন কেউ ফাঁদে ফেলতে পারবে না!"
29/09/2024
বাংলা ভাষার পাখা শব্দ
হয়ে গেল ফ্যান
এক "শ"হল হান্ড্রেড আর
দশ হয়েছে টেন ।
মেয়ে বন্ধু গার্লফ্রেন্ড হল
দুঃখিত টা সরি
খালা, ফুফু আন্টি হল
ট্যাবলেট হল বড়ি
শিক্ষক থেকে টিচার হল
বিদ্যালয়টা স্কুল
নাপিত ভাইয়ের সাইনবোর্ডে
হেয়ার হলো চুল ।
ফেব্রুয়ারির একুশ হলো
ফাল্গুন মাসের আট
কাগজ শব্দ পেপার হল
রোড রাস্তাঘাট ।
বিজ্ঞাপনে সাবান শব্দ
হল বিউটি সোপ
যাতায়াত টা জার্নি হল
স্টপ হয়েছে চুপ।
বাজার থেকে মার্কেট হল
শপিং কেনাকাটা
ভ্রমণ থেকে ট্যুর হল
জগিং ভোরের হাঁটা।
করমর্দন হ্যান্ডশেক হল
মুরগি চিকেন ফ্রাই
গাড়িচালক ড্রাইভার হল
চেষ্টা হল ট্রাই।
ব্যবস্থাপত্র প্রেসক্রিপশন আর
সেবিকা হল নার্স।
সম্পূর্ণটা ফুল হলো আর
অংশ হল পার্স ।
সাহায্যকারী হেলপার হল
গিফট উপহার
নববর্ষ হয়ে গেল
হেপি নিউ ইয়ার।
ক দিন আগেও ছিল না এই
মিশ্র ব্যবহার
চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে
এটা কি কারবার ।
বাংলা ভাষার অনেক শব্দ
পরছে ঝরে ঝরে
মায়ের মুখের ভাষা যাচ্ছে
আগাছা তে ভরে ।
এই জন্য দায়ী কিন্তু
তুমি আমি ভাই
অকারণে বাংলা রেখে
ভিনদেশী গান গাই।
এইজন্য কি রক্ত দিয়ে
বাংলা এনেছি
সালাম বরকত প্রশ্ন করলে
উত্তর দেবে কি ?
বিদেশী ভাষা ব্যবহারে
হই এসো সাবধান
বাঁচিয়ে রাখি প্রাণের প্রিয়
বাংলা ভাষার প্রাণ।
বাঁচাও বাংলা ভাষার প্রাণ।।
(Collected)
26/09/2024
চেটে খাওয়া মানুষের জন্য খেটে খাওয়া মানুষেরা বিপাকে!
29/06/2024
ভারত কাপ নিলো না, যেন পল্লীবিদুৎ কামলাদের মন ভেঙ্গে চুরমার করে দিলেন😜😜
কিন্তু তারা কি জানে না, আমরা এখন টিভিতে না, ফোনে খেলা দেখি✌️✌️✌️
অভিনন্দন টিম ইন্ডিয়া ❤️❤️❤️
29/04/2024
গৌতম বুদ্ধের কিছু কথা-
--- --- --- --- --- --- --- --- ---
মরতে সবাইকে হবে-
কিন্তু মরতে কেউ চাই না,
আজ পরিস্থিতি আরো জটিল।
অন্ন সবারই চাই-
কিন্তু কেউ চাষাবাস করতে চাই না,
জল/পানি সবারই চাই-
কিন্তু কেউ জল/পানি বাঁচাতে চাই না।
দুধ সবারই চাই,
কিন্তু কেউ গরু পুষতে চাই না।
ছায়া সবারই চাই,
কিন্তু কেউ গাছ লাগাতে ও বাঁচিয়ে
রাখতে চাই না।
ঘরে সবারই বউ চাই,
কিন্তু কন্যা সন্তান কেউ চাই না।