📚✨ বই উৎসব ও অভিভাবক সমাবেশ ✨📚🧑🤝🧑
শিক্ষার আলোয় আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে
আমাদের বিদ্যালয়ে আল-হেরা মডেল একাডেমি,গজারিয়া, পলাশ, নরসিংদী। আয়োজন করা হয়েছে
বই উৎসব ও অভিভাবক সমাবেশ।
এই আয়োজনে থাকবে—
📖 নতুন বই বিতরণ❤️📖📖
👨👩👧👦 অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়
🎓 শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি আলোচনা
🌱 নৈতিক ও মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার
আপনাদের উপস্থিতি আমাদের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।🙏
সকল সম্মানিত অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ।🤲
📍 স্থান: স্কুল প্রাঙ্গন।
📅 তারিখ: ০৩/০১/২০২৬ ইং
⏰ সময়: সকাল ৯ ঘটিকা।
রোজ- শনিবার।
ধন্যবাদান্তে
✍️ আল হেরা মডেল একাডেমি স্কুল কর্তৃপক্ষ।
আল-হেরা মডেল একাডেমি,গজারিয়া, পলাশ, নরসিংদী।
আল-হেরা মডেল একাডেমি।
শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড।
প্লে গ্রোপ থেকে ৫ম শ্রেনী।
26/12/2025
আলহামদুলিল্লাহ🤲
ছোট্ট সোনামণি * জাকিয়া আক্তার খাদিজা * ❤️
এখন আল-হেরা মডেল একাডেমী স্কুল পরিবারের নতুন সদস্য!😍
আজ সকালে মাকে সঙ্গে নিয়ে ভর্তি হয়েছে আল-হেরা মডেল একাডেমি,গজারিয়া, পলাশ, নরসিংদী স্কুলের ৩য় শ্রেণিতে❤️
ভর্তি হয়ে * জাকিয়া আক্তার খাদিজা * মুখে এখন খুশির ঝলক 😍
আমরাও আনন্দিত, এমন এক মিষ্টি সদস্যকে আমাদের পরিবারে পেয়ে।
👔 এক ঝাঁক বিজ্ঞ আইনজীবী এবং আলেম কর্তৃক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করুন।
🎓 আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের সঠিক গাইডলাইন শুরু হোক আল-হেরা মডেল একাডেমি থেকেই!
📍 ভর্তির জন্য আজই যোগাযোগ করুন স্কুল অফিসে।
বি. দ্র- শুক্রবার, শনিবারও ভর্তি কার্যক্রম চলমান।
19/12/2025
ছোট্ট সোনামনি * তাসকিয়া জাহান তোবা *
এখন আল-হেরা মডেল একাডেমী স্কুল পরিবারের নতুন সদস্য!😍
আজ সকালে মাকে সঙ্গে নিয়ে ভর্তি হয়েছে আল-হেরা মডেল একাডেমি,গজারিয়া, পলাশ, নরসিংদী স্কুলের ৩য় শ্রেণিতে❤️
ভর্তি হয়ে * তাসকিয়া জাহান তোবা * মুখে এখন খুশির ঝলক 😍
আমরাও আনন্দিত, এমন এক মিষ্টি সদস্যকে আমাদের পরিবারে পেয়ে।
👔 এক ঝাঁক বিজ্ঞ আইনজীবী এবং আলেম কর্তৃক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করুন।
🎓 আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের সঠিক গাইডলাইন শুরু হোক আল-হেরা মডেল একাডেমি থেকেই!
📍 ভর্তির জন্য আজই যোগাযোগ করুন স্কুল অফিসে।
13/09/2025
স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন?
স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।
এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া।
কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।
বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত।
সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।
তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।
গোসলের_সঠিক_নিয়মঃ-
প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।
এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।
ইসলামিক নিয়ম
১) দুই নাকের নরম স্থান পর্যন্ত আজুর ন্যায় পানি দেওয়া
২)গড়গড়া সহকারে কুলি করা
৩) পরিস্কার পানি দিয়ে সমস্ত শরীর ধৌত করা,,,
এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় প্রিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন.
সংগৃহীত
ইনশাআল্লাহ অতি দ্রুত আমাদের ক্যাম্পাসের কাজ শেষ হচ্ছে। আল- হেরা মডেল একাডেমিতে আপনার সন্তানকে ভর্তি করে নৈতিক আদর্শবান করে গড়ে তুলুন। প্লে গ্রোপ থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত।
স্থান- গজারিয়া বাজার, পলাশ, নরসিংদী।
মোবাইল-০১৭৪১০২৯৯৯১
21/01/2025
প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপদজনক; কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরো বেশী বিপদজনক॥
—আব্রাহাম লিংকন।
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো! এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুঁটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুঁটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই। কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন ?
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি
টিকেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।
❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।
❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।
আর আজ- আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন। তাহলে হতাশা কেন ?
❒ কেন একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে
সেটা মেনে নিতে পারেন না ?
❒ কেন আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন ?
❒ কেন বলেন আমি আর বাঁচতে চাইনা ?
❒ কেন বলেন, আমি হেরে গিয়েছি ?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেন হতাশ হয়ে পড়েন ? আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন- কি প্রতিভা আছে আপনার ? মনের চাওয়াকে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহকে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন, শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন নিজে জিতে যাবেন।
😌❤️😌
সংগৃহীত
হ্যাঁ’ এবং ‘না’ কথা দুটো সবচে’ পুরনো এবং সবচে’ ছোট। কিন্তু এ কথা দু’টো বলতেই সবচে’ বেশি ভাবতে হয়।
– পীথাগোরাস
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Narsingdi
1610
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 14:00 |
| Tuesday | 08:00 - 14:00 |
| Wednesday | 08:00 - 14:00 |
| Thursday | 08:00 - 14:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |