02/02/2026
কি ভয়ংকর!!!!কাদেরকে অনুসরণ করতেছে মানুষ???
করা আমাদেরকে সভ্যতা শেখায়??
কেমন লাগবে যখন দেখবেন, আপনার ছোট শিশুটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধণী, প্রভাবশালী বুড়োরা মিলে ছিঁড়ে খাচ্ছে দেখতে?
সেইসব মানুষগুলো যাদের মোটিভেশনাল স্পিকিংয়ে আপনি ইনস্পায়ার্ড হতেন। আপনি আপনার বাচ্চাদের তাদের মতো জ্ঞানী, ধণী সেলেব্রিটি হবার জন্য উৎসাহিতও করেন। তাদের অভিনীত সিনেমা দেখেন, তাদের খেলা দেখেন, তাদের সাপোর্ট করেন।
এপস্টে*ইন ফাইল আপনাকে দেখাচ্ছে যে জগতে আপনি আছেন তার শীর্ষে বসে থাকা সবাই ভয়ঙ্ক*র ক্রিমি*নাল, জঘন্য বি*কৃত মানসিকতার শয়*তান।
জেফ্রি এপস্টেইন যার শ্বশুর একজন ইসরাঈ*লি গোয়েন্দা ছিল। সে নিজেও ইসরাঈ*লের হয়ে কাজ করতো। তার কাজ ছিল অল্পবয়সী বাচ্চাদের ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের বিকৃত উপায়ে রেই*প করা। দুনিয়ার সকল দেশ থেকে বড় বড় নেতা, ব্যবসায়ী, সেলেব্রিটিদের তার দ্বীপে নিয়ে গিয়ে এসব বাচ্চাদের দিয়ে এন্টারটেইন করানো।
এবং এই তালিকায় আছে আপনাদের সব প্রিয়জন। প্রিয় নেতা, প্রিয় অভিনেতা, প্রিয় লেখক, প্রিয় গায়ক। যে রিপোর্ট আপনারা দেখছেন - এটা একেবারেই সামান্য। মূলত আপনার পরিচিত সবগুলো সেলেব্রিটি এখানকার খদ্দের। কারণ, জেফ্রি এপস্টেইন একজন নয়। প্রতিটি দেশে এমন আলাদা আলাদা এপস্টেইন আছে। আর প্রতিটি দেশের সেলেব্রিটিরা তাদের খদ্দের।
তবে সবার একটাই মিল। তারা সবাই এই পূঁজিবাদী, সেকুলার সিস্টেমের শাসক, সমর্থক। সবকিছুর গোড়ায় এই শয়তা*নি সিস্টেম।
আমি জাস্ট ভাবতেসি এরা বাচ্চাদের মাংস দিয়া পার্টি করতো। ঠিক কী পরিমাণ ভয়ংকর সাই*কো না হলে এই কাজ সম্ভব! বড় বড় রাজনীতিবিদ ধনকুবেরদের পার্টিতে বাচ্চাদের মাংস সার্ভ করা হতো চিকেনের পাশাপাশি!
ট্রাম্প ইলন মাস্ক বিলগেটস থেকে শুরু করে 'বাঙ্গু ফেমিনিস্টদের একনজর দেখে ফেইন্ট হয়ে যাওয়া' জোহরান মামদানির মা-ও এই তালিকায় আছে। ওয়েস্টের সভ্যতার সবচে সুন্দর চিত্র পৃথিবী দেখলো।
যারা ওয়েস্ট থেকে নানা তন্ত্রমন্ত্র আমদানি করে এবং এর বিরোধিতা করলে পাবলিক প্লেসে সন্ত্রা*সী ট্যাগ দেয়, তাদের বোধবুদ্ধি এখনো উদয় হবে না।
_------
কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।
সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললি*টা এক্সপ্রেস' (Lol*ita Express)। সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জা*লিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।
দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল। সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশা*চিক ক্ষুধা।
মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।
আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?
জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যা*কবুক' (The Bla*ck Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।
কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভা*র্জিনিয়া জুফরে' (Vir*ginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পি*শাচদের শি*কারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং র*ক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘ*ন্য সব অপরাধের সাথে।
কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।
১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।
২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।
৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।
৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহা*মারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচা*রকারীর সাথে।
৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।
জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃ*তকা*মী ধনী ছিল? না। সে ছিল মো*সাদ (Mos*sad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।
তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোং*রা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়ে*ন্দা ভাষায় বলা হয় Kompro*mat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যা*ক*মেই*ল করা হতো।
আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গো*পন ভিডিও ফাঁ*স হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশু*কামী!"
কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশা*চরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপ*রাধ কোনো অপ*রাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।
এই দা*জ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বি*কৃত যৌন*তাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।
আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?
ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পি*শাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।
কা*ন্না করেন। শুধু ওই নির্যা*তিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডো*ফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।
— Sawtul Zilzal