14/05/2026
ওঁ তৎ সৎ 🙏
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায় 🙏
কস্মাচ্চ তে ন নমেরন্মহাত্মন্
গরীযসে ব্রহ্মণোপ্যাদিকর্ত্রে৷
অনন্ত দেবেশ জগন্নিবাস
ত্বমক্ষরং সদসত্তত্পরং যত্৷৷৩৭
অর্থ: হে মহাত্মন, তুমি ব্রহ্মার গুরু ও আদি কারণ। হে অনন্ত, সকলে কেন তোমাকে নমস্কার করবেন না? তুমি সৎ ও অসৎ উভয়ের অতীত তত্ত্ব এবং সর্বকারণের পরম কারণ।
ত্বমাদিদেবঃ পুরুষঃ পুরাণ-
স্ত্বমস্য বিশ্বস্য পরং নিধানম্৷
বেত্তাসি বেদ্যং চ পরং চ ধাম
ত্বয়া ততং বিশ্বমনন্তরূপ৷৷৩৮
অর্থ: হে অনন্ত রুপ, তুমি আদিদেব ও অনাদি পুরুষ এবং বিশ্বের পরম আশ্রয়। তুমি সবকিছুর জ্ঞাতা এবং তুমিই জ্ঞাতব্য। তুমিই গুণাতীত এবং এই জগত্ তোমার দ্বারা পরিব্যাপ্ত হয়ে আছে।
শ্রী শ্রী গীতা মাহাত্ম্য 🙏
গীতা, গঙ্গা, সাবিত্রী, সীতা, সত্যা, পতিব্রতা, ব্রহ্মাবলী, ব্রহ্মবিদ্যা, ত্রিসন্ধ্যা, মুক্তি-গেহিনী, অর্ধমাত্রা, চিতানন্দা, ভবঘ্নী, ভ্রানি-নাশিনী, বেদত্রয়ী, পরনন্দা, তত্ত্বার্থজ্ঞানমঞ্জরী।
জয় গীতা 🙏🙏
12/04/2026
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার “তারাবাড়ি” অঞ্চলে অবস্থিত সুগন্ধা বা সুনন্দা শক্তিপীঠকে ঘিরে বহু প্রাচীন ঐতিহ্য, লোকবিশ্বাস ও শাস্ত্রীয় উল্লেখ বিদ্যমান। এটি দেবী সতীর ৫১ শক্তিপীঠের অন্যতম বলে কথিত, যেখানে দেবীর নাসিকা (নাক) পতিত হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।
এই পীঠের নাম “সুগন্ধা” হওয়ার কারণ- দেবী সতীর নাসিকা পতনের সঙ্গে সুগন্ধের একটি আধ্যাত্মিক প্রতীকী সম্পর্ক রয়েছে। তাই এই স্থানকে “সুগন্ধা” বলা হয়।
পীঠনির্ণয়তন্ত্রানুসারে,
“সুগন্ধায়াং নাসিকা মে দেবী সুনন্দাখ্য চ ভৈরবী
ত্র্যম্বকশ্চ ভৈরবস্তত্র সিদ্ধিদো মে ন সংশয়ঃ।। ”
অনুবাদ : সুগন্ধা নামক স্থানে আমার (দেবী সতীর) নাসিকা পতিত হয়েছে। সেখানে দেবী “সুনন্দা” নামে পূজিতা হন এবং ভৈরব “ত্র্যম্বক” নামে অবস্থান করেন। এই পীঠ সাধকদের সিদ্ধি প্রদান করে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
এখানের দেবীর নাম সুনন্দা (বা সুগন্ধা দেবী) এবং ভৈরবের নাম ত্র্যম্বক (শিবের একটি রূপ)। “ত্র্যম্বক” অর্থ তিন চোখ বিশিষ্ট শিব- যিনি জ্ঞান, তপস্যা ও সংহার শক্তির প্রতীক।
এই পীঠের মূল উৎস জড়িত রয়েছে দক্ষযজ্ঞ কাহিনীর সঙ্গে।
রাজা দক্ষ তার কন্যা সতী ও শিবকে অপমান করেন।
অপমান সহ্য করতে না পেরে সতী যোগাগ্নিতে দেহত্যাগ করেন। শোকাহত শিব সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে তাণ্ডব নৃত্য শুরু করেন। তখন বিশ্বরক্ষা করতে শ্রীবিষ্ণু তাঁর সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহ খণ্ড-বিখণ্ড করেন। সেই দেহাংশ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পতিত হয়ে ৫১টি শক্তিপীঠের সৃষ্টি হয়। এভাবে সুগন্ধা পীঠে সতীর নাসিকা পতিত হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।
ঐতিহাসিক ও স্থানীয় বিশ্বাস মতে, এই পীঠ প্রাচীনকাল থেকেই সাধক ও ভক্তদের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়ভাবে “তারাবাড়ি” মন্দিরে দেবী পূজা হয়ে থাকে।
অনেক সাধক বিশ্বাস করেন, এখানে পূজা করলে সিদ্ধি, মনোবাসনা পূরণ ও আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভ হয়। নদী “সুগন্ধা” (বর্তমানে অনেক স্থানে বিলীন বা পরিবর্তিত) এই অঞ্চলের নামকরণের সাথে যুক্ত।
প্রতি বছর নির্দিষ্ট তিথিতে মহাসমারোহে পুজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ছবি : সংগৃহীত
----------------------------------------
26/03/2026
শ্রী শ্রী রামনবমী পূজা ও ভক্ত মহাসমাবেশে সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ মা বীণাপাণি অঙ্গন রহিমাবাদ নরসিংদী 🙏
15/02/2026
শিব চতুর্দশী বা মহাশিবরাত্রি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি তিথি। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়।
সংক্ষেপে এর মাহাত্ম্য নিচে আলোচনা করা হলো:
১. শিব ও শক্তির মিলন
পুরাণ মতে, এই বিশেষ তিথিতেই দেবধিদেব মহাদেব ও দেবী পার্বতী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। এটি পুরুষ ও প্রকৃতির মহামিলনের প্রতীক। তাই এই রাতে শিব-পার্বতীর পূজা করলে দাম্পত্য জীবন
সুখের হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
২. কালকূট বিষ পান ও সৃষ্টি রক্ষা
সমুদ্র মন্থনের সময় যখন ভয়ানক 'কালকূট' বিষ উঠে আসে, তখন মহাবিশ্বকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে শিব সেই বিষ পান করেন। বিষের জ্বালায় তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায় (এজন্য তিনি নীলকণ্ঠ)। ভক্তরা তাঁর এই ত্যাগের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ রাত্রি জেগে শিবের আরাধনা করেন।
৩. শিবলিঙ্গ ও জ্যোতির্লিঙ্গের প্রকাশ
কথিত আছে, এই তিথিতেই ভগবান শিব প্রথমবারের মতো জ্যোতির্লিঙ্গ রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিবাদ মেটাতে তিনি এক অগ্নিন্ত স্তম্ভের রূপ ধারণ করেন, যার আদি বা অন্ত ছিল না।
৪. পাপ মুক্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতি
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই ব্রত পালন করলে মানুষ জাগতিক মোহ থেকে মুক্তি পায় এবং অজ্ঞাতসারে করা সমস্ত পাপ থেকে নিষ্কৃতি পায়। ভক্তিভরে শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল, বেলপাতা ও দুধ অর্পণ করলে মহাদেব দ্রুত সন্তুষ্ট হন (তিনি আশুতোষ)।
শিবরাত্রির বিশেষ আচার:
উপবাস: সারাদিন ও রাত উপবাস থেকে সংযম পালন করা।
চার প্রহরের পূজা: রাত্রির চার প্রহরে জল, দধি, ঘৃত ও মধু দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করা।
জাগরণ: সারা রাত জেগে শিবের মন্ত্র জপ ও ধ্যান করা।
সারকথা: শিব চতুর্দশী কেবল একটি পূজা নয়, এটি অন্ধকার ও অজ্ঞতা দূর করে জ্ঞান ও আলোর পথে ফেরার একটি আধ্যাত্মিক সুযোগ।
#হরহরমহাদেব #শিবরাত্রি
[কৃতজ্ঞতায়ঃ Sumi Ghosh দিদি]
07/01/2026
🕉️ ভারতের ওড়িশার সাক্ষীগোপাল মন্দির ও স্বাক্ষী গোপালের মহিমা। যে কারনে বলা হয় স্বাক্ষী গোপাল।
কেন তিনি “স্বাক্ষী গোপাল” নামে খ্যাত হলেন?
স্বাক্ষী গোপাল হলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এক অপূর্ব লীলা-মূর্তি, যিনি আজও ভক্তদের কাছে সত্যের সাক্ষী ও ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে পূজিত।
📜 কাহিনি (লীলা)
একদা বৃন্দাবনে দুই ব্রাহ্মণ বাস করতেন—একজন বৃদ্ধ ও একজন যুবক। তারা একসাথে তীর্থযাত্রায় গিয়েছিলেন। যাত্রাপথে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ যুবকের সেবা ও ভক্তিতে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়ে শ্রীগোপালের সামনে প্রতিজ্ঞা করেন—
“তুমি আমার কন্যাকে বিবাহ করাবে।”
কিন্তু বাড়ি ফিরে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ সমাজচাপ ও আত্মীয়দের প্ররোচনায় সেই প্রতিজ্ঞা অস্বীকার করেন। যুবক খুব দুঃখিত হয়ে বলেন—
“আপনি শ্রীগোপালের সামনে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন।”
বৃদ্ধ বলেন—
“তবে প্রমাণ আনো। গোপাল কি সাক্ষী দিতে আসবে?”
🚶♂️ অলৌকিক ঘটনা
যুবক গভীর ভক্তিতে বৃন্দাবনে ফিরে শ্রীগোপালের কাছে প্রার্থনা করেন।
ভগবান গোপাল তখন বলেন—
“আমি তোমার সঙ্গে যাব, কিন্তু কেউ যেন আমাকে ডাকে না বা পেছনে তাকায় না। শুধু আমার নূপুরের শব্দ অনুসরণ করবে।”
অলৌকিকভাবে গোপাল যুবকের পেছনে পেছনে চললেন। বহু দূর পথ অতিক্রম করে গ্রামে পৌঁছালে সভা বসে। তখন শ্রীগোপাল নিজেই সাক্ষী দেন যে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ সত্যিই প্রতিজ্ঞা করেছিলেন।
বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ সত্য স্বীকার করতে বাধ্য হন।
✨ নামের তাৎপর্য
এই কারণেই শ্রীগোপাল পরিচিত হলেন—
“স্বাক্ষী গোপাল”
অর্থাৎ—
🕊️ যিনি সত্যের সাক্ষী
🕊️ যিনি ভক্তের সম্মান রক্ষা করেন
🕊️ যিনি ধর্ম ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন
🙏 মহিমা ও শিক্ষা
ভগবান ভক্তের ডাকে সাড়া দেন
সত্য কখনো হার মানে না
প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ মহাপাপ
ঈশ্বর সর্বদা ন্যায়ের পক্ষে
আজও ওড়িশার সাক্ষীগোপাল মন্দিরে ভক্তরা বিশ্বাস করেন—
“যেখানে মানুষের সাক্ষ্য নেই, সেখানে স্বাক্ষী গোপাল আছেন।”
#ধর্মবার্তা
01/12/2025
আজকে ১৪ই অগ্রহায়ণ (১লা ডিসেম্বর ২০২৫) মা বীণাপাণি অমৃত সংঘ এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন ও শ্রীমদ্ভগবদ্ গীতা পাঠ নিয়ে সন্ধ্যায় লাইভে আসছেন শ্রী গৌরমোহন দাস। সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করছি 🙏
জয় মা গীতা জয় মা বীণাপাণি
15/08/2025
আজকের গীতা ক্লাস ১৫ ই আগষ্ট শুক্রবার
..
ক্লাস আজ হওয়ার কথা ছিল না।
হঠাত ডিসিশন নিয়ে সিমিত স্টুডেন্ট নিয়ে ক্লাস
26/07/2025
আজ শনিবার, 26 জুলাই
আমাদের সাউদপাড়া মাবীণাপাণি গীতা স্কুল
এর গীতা ক্লাসের কিছুটা কেমেরা বন্দি মুহুর্ত....
ধন্যবাদ🫶