আইন সমাচার

আইন সমাচার

Share

আইন জানুন, আইন মানুন। দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখুন।

29/12/2025

শীতকে উপভোগ করুন। 💙💙

14/07/2025

বন্টননামা দলিল ছাড়াই উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ওয়ারিশদের নিজ নামে নামজারি করা যাবে।

11/07/2025

বাংলাদেশে ১৮ জন বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসর — বড় ধরনের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত!

বাংলাদেশের বিচার বিভাগে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। একসাথে ১৮ জন বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৫
প্রজ্ঞাপন: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত
আইনি ভিত্তি: সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৫ ও ৫৪

---

অবসরের মূল কারণ কী?

এই ১৮ জন বিচারক ২৫ বছর বা তার বেশি সময় চাকরিতে ছিলেন। সরকারি চাকরি আইনের ধারা অনুযায়ী সরকার জনস্বার্থে যেকোনো কর্মচারীকে অবসর নিতে বাধ্য করতে পারে, যদি তারা নির্দিষ্ট সময় চাকরি করেন।

এটি ছিল পুরোপুরি জনস্বার্থে নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত — প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

---

অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের পদমর্যাদা:

১৫ জন: জেলা ও দায়রা জজ

২ জন: অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ

১ জন: যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ

---

কিছু অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের নাম:

1. বিকাশ কুমার সাহা — জেলা ও দায়রা জজ (আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা)

2. শেখ মফিজুর রহমান — রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ)

3. মো. মাহবুবার রহমান সরকার — কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল‑১ (জেলা ও দায়রা জজ)

4. শেখ গোলাম মাহবুব — কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ)

5. মো. মজিবুর রহমান — গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল‑১ (জেলা ও দায়রা জজ)

6. মো. এহসানুল হক — ভোলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ)

7. মো. জুয়েল রানা — খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ)

8. মো. মনির কামাল — সিলেট সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ)

9. সহিদুল ইসলাম — পটুয়াখালীর বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ)

10. আল মাহমুদ ফায়জুল কবীর — দিনাজপুরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ)

11. মো. নাজিমুদ্দৌলা — টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ

12. এ.কে.এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী — ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ)

13. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া — হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল‑৩ (জেলা ও দায়রা জজ)

14. আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান — আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা (জেলা ও দায়রা জজ)

15. মো. রুস্তম আলী — বরিশালের প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সদস্য (জেলা ও দায়রা জজ)

16. মো. নুরুল ইসলাম — অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত, ঢাকা)

17. এ.কে.এম এনামুল করিম — পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ

18. মোহাম্মদ হোসেন — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা, ঢাকা)

---

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

- বিচার বিভাগে এত বড় পরিসরে একসঙ্গে বিচারকদের অবসর দেওয়ার ঘটনা বিরল।
- এটি বিচারব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
- নতুন নিয়োগ ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসে এর প্রভাব পড়বে।

তথ্যসূত্র : প্রথম আলো

07/07/2025

"মামলা মোকদ্দমায় জয় লাভ করার একটাই রাস্তা- তা হচ্ছে, মামলা মোকাদ্দামায় না জড়ানো।"
- শরীফ আহম্মেদ
আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ বিভাগীয় শহরগুলোতে স্থাপন কার্যকর হবে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যা জনগণের কল্যাণে কাজে আসবে।

Photos from আইন সমাচার's post 03/07/2025

Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025-Draft.

Photos from আইন সমাচার's post 03/07/2025

আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫।
এক যুগান্তকারী সংশোধন।

Photos from আইন সমাচার's post 25/06/2025

আগামী শনিবার বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষার আসন বিন্যাস। সবার জন্য রইলো শুভকামনা।

23/06/2025

তুমি খাইলে সিদ্ধি টান, আমি খাইলে শোক টান। এটাই সমাজের প্রচলিত নীতি।

গরীবের মেয়ে পছন্দের ছেলের হাত ধরে গেলে, সমাজ বলে ওমোকের মেয়ে ভাইগ্গা গেছেগা।
আর ধনীর রমনী পছন্দের ছেলের সাথে গেলে বলে ডেটিংয়ে গেছে কোয়ালিটি টাইম কাটানোর জন্য।

সুন্দর না বিষয় গুলো!

ঠিক এই কাজটাই হয় বিশ্ব রাজনীতিতে। যেমনটা ইসরাইল যখন হামাসের উপর আক্রমণ করে তখন পশ্চিমারা বলে বেড়াই ইসরাইল তাদের আত্মরক্ষার অধিকারের আক্রমন করেছে। আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলে হসপিটাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নারী এবং শিশু কোন কিছুই বাদ রাখেনি আক্রমণের হাত থেকে। তখন তাদের মানবিকতার কথা মনে থাকে না। অথচ পৃথিবীর বর্তমান (Declining Power State) যুক্তরাষ্ট্রই গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের বুলি সারা বিশ্বে প্রচার করে বেড়াই।

অথচ ইরান যখন তাদের আত্মরক্ষার অধিকারে ইজরায়েলের উপর হামলা চালাই তখন তারা ইরান কে মানবিকতা শূন্য বলে আখ্যায়িত করে। হাস্যকর না বিষয়টা!

পশ্চিমাদের ক্ষেত্রে জায়েজ অথচ আমাদের বেলায় নাজায়েজ। এটাই পৃথিবীর নীতি। কারণ জোর যার মুল্লুক তার। এভাবেই চলছে বিশ্ব।

তারপরও পশ্চিম এশিয়ার অর্থাৎ মধ্য এশিয়ার মুসলিম লিডারদের ঘুম ভাঙবে না। তারা বর্তমান পৃথিবীর হেজেমনিক রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাথা নত করে থাকবে। খুবই দুঃখজনক।

শরীফ আহম্মেদ
এল এল. বি.
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

22/06/2025

হরমুজ প্রণালী বন্ধের অনুমোদন দিয়েছে ইরানের পার্লামেন্ট।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, তা বন্ধ করা হবে না।

কারণ এই হরমুজ প্রণালীই হচ্ছে ইরানের অর্থনীতি মূল চালিকাশক্তি। যদি এটি বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইরান নিজেই।

দ্বিতীয়ত, বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইরানের বন্ধু রাষ্ট্র চীন। কারণ চীন হচ্ছে এনার্জি হাংরি কান্ট্রি। অতএব চীন চাইবেনা হরমুজ প্রণালী বন্ধ হোক।

তৃতীয়ত, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মারাত্মক লেভেলের প্রভাব ক্রিয়েট করবে যা পুরো বিশ্বের অর্থনীতি টালমাটাল অবস্থায় পড়ে যাবে।

চতুর্থত, হরমুজ প্রণালীকে প্রটেক্ট করার জন্য ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ওমান, ইয়েমেন, সোমালিয়া সহ অনেক দেশই আরব সাগরে তাদের ঘাঁটি বসিয়ে রেখেছে। যা বন্ধ করে দেওয়া হলে প্রতিটি ঘাঁটিতে উত্তেজনা ক্রিয়েট হবে।

পঞ্চমত, পারস্য উপসাগরের ইরানের বিপরীতে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত। বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেনের বিপরীতে অবস্থিত জিবুতিতেও মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে এসব ঘাঁটি থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে ইরান কেন হরমুজ প্রণালী বন্ধের ইঙ্গিত দেন? কারণ টা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালী ইরানের যুদ্ধে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর বড় হাতিয়ার। যেমনটা, ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তেলঅস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

শরীফ আহম্মেদ
ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

31/12/2024

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২৪।
ইতিহাসের সাক্ষী হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আফসোস, তা আর হলো না। যে সরকার বিগত পাঁচ মাসে কোন উল্লেখযোগ্য কাজ করতে পারে নাই সে সরকারের আশ্বাসে আজ প্রোক্লেমেশন অফ জুলাই রেভ্যুলেশন ঘোষণা না করা পুরো বিপ্লবী জনতার আরো একটি ব্যর্থতা।

এখন আসি, আজ ঘোষণা না করার কারণ গুলো কি হতে পারে তা বলি÷

১. আজ শহীদ মিনার থেকে প্রোক্লেমেশন ঘোষণা হলে তা ছিল বর্তমান সরকারের জন্য থ্রেট। কারণ এই ঘোষণার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের অধিকাংশ উপদেষ্টা তাদের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতেন।

২. এই ঘোষনার মাধ্যমে একটা বিপ্লবী সরকার গঠন হয়তো। যার ফলে বর্তমান সরকারে থাকা কালপ্রিট গুলোর মুখুশ উন্মুক্ত হয়ে যেত। বিপ্লবী সরকার এই কাজটা করতো।

৩. আজ ঘোষণার ফলে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর কাঁপুনি উঠে যেত। কারণ, বিপ্লবীদের দ্বারা ঘোষণার ফলে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারতো না।

৪. আজ ঘোষণার ফলে ভবিষ্যতে নতুন একটা সংবিধান পেতাম যা তারা বর্তমান সরকার এবং স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী চায়না।

যা খুবই দুঃখজনক।

25/12/2024

২৪' এর বিপ্লবে কে বেশি লাভবান এবং কে ক্ষতিগ্রস্ত?
জানতে হলে সম্পূর্ণ ভিডিও টি দেখুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Narsingdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Narsingdi