22/05/2026
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...
পবিত্র কাবার টানে, আল্লাহর মেহমান হয়ে গতকাল হজের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন আমাদের প্রিয় মুদীরে মুহতারাম হযরত মাওলানা নুরুল্লাহ বাহার (হাফি.)
মহান রব্বুল আলামিনের দরবারে আকুল প্রার্থনা— তিনি যেন মুহতারামের এই পবিত্র সফরকে সহজ করে দেন এবং উনাকে ‘হজ্জে মাবরুর’ (মকবুল হজ) নসিব করেন। আল্লাহ তাআলা উনাকে পূর্ণ সুস্থতা ও নিরাপত্তার সাথে হজের সমস্ত আহকাম ও আরকান সুন্দরভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন।
হে আল্লাহ! আপনার এই মুখলিস বান্দাকে সমস্ত হেফাজতের সাথে পুনরায় আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনুন। সেই সাথে আমাদেরকেও বারবার আপনার পবিত্র ঘর জিয়ারত ও হজ করার সৌভাগ্য নসিব করুন। আমীন, ইয়া রাব্বাল আলামীন!
10/05/2026
"একটি সুস্থ দেহের মাঝেই বাস করে একটি সুস্থ মন। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে আজকের এই স্নিগ্ধ পদচারণা।"
09/05/2026
১। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বহু-বিবাহের কোনোটিই ব্যক্তিগত স্বার্থে ছিল না, সেগুলো ছিল উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে।
২। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত খাদিজার জীবৎকালে দ্বিতীয় কাউকে বিয়ে করেননি। হযরত আলী রাযি. হযরত ফাতেমা রাযি.-এর জীবৎকালেও কাউকে বিয়ে করেননি। সুতরাং এটিও সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত।
৩। কারও সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করে ‘গুনাহ থেকে বাঁচা’র জন্য বিয়ে একটি অজুহাত মাত্র। গুনাহ থেকে সত্যিই বাঁচতে চাইলে করণীয় ছিল সম্পর্ক তৈরিই না করা।
৪। হঠাৎ কারও প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হলে তার চিকিৎসা হিসেবে হাদিসে নিজ স্ত্রীর প্রতি মনোযোগী হতে বলা হয়েছে। এবং বলা হয়েছে, ‘মৌলিকভাবে উভয় নারীই এক’।
৫। গুনাহ থেকে বাঁচার অজুহাতে যারা একাধিক বিয়ে করে, বাস্তবতায় দেখা যায়, তারা আবারও অবৈধ সম্পর্কে জড়ায়। অর্থাৎ, দিনশেষে একাধিক বিয়ে তাদেরকে গুনাহ থেকে বাঁচাতে পারে না।
৬। আজকাল যারা দ্বিতীয় বিয়ে করে, তাদের ৯৯% প্রথম স্ত্রীর প্রতি নিরাসক্ত। বরং অধিকাংশ দ্বিতীয় বিয়ে হয় প্রথমজনকে ‘শিক্ষা’ দিতে। কাজেই বিসমিল্লাহতেই সেখানে জুলুম লুকায়িত থাকে। স্ত্রীদের মধ্যে সমতা সেখানে অসম্ভব।
৭। অনেকে বলে থাকেন, ‘একাধিক বিবাহ পৌরুষের আলামত’। অথচ এহেন পৌরুষের চেয়ে বড় পৌরুষ হচ্ছে, নিজ স্ত্রীকে ভালোবাসা। তার প্রশান্তির জন্য নিজ চাহিদা বিসর্জন দেওয়া। সন্তানদের নির্ঝঞ্ঝাট জীবনের জন্য একাধিক সংসার এড়িয়ে চলা।
এক কবি তার প্রিয়তমার তিলের বিনিময়ে পুরো সমরকন্দ উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন। সেটাই কি প্রকৃত পৌরুষ নয়!!?
28/04/2026
সবার আগে আমাদের জানতে হবে, মাদরাসার পরিচয় কী এবং তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? কোন মাদরাসার এ পরিচয় আমি মেনে নিতে রাজী নই যে, এখানে আরবী ভাষা শেখানো হয়, যাতে আরবী কিতাব পড়া যায় কিংবা দুনিয়ার কোন ফায়দা হাসিল করা যায়। এটা কোন দ্বীনী মাদরাসার পরিচয় হতে পারে না। মাদরাসা তো সেই পবিত্র স্থান যেখানে আগেও আমি বলেছি - তালিবে ইলমের মাঝে এবং আল্লাহর মাঝে একটি প্রত্যক্ষ ও সুদৃঢ় সংযোগসূত্র সৃষ্টি হয়, যার একপ্রান্ত এদিকে, অন্য প্রান্ত স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কব্জায়।
আমাদের করণীয়
আমার প্রিয় তালিবানে ইলম! ভালো করে বুঝে নাও যে, এ মহান নেয়ামতের উপযুক্ত হতে হলে কী কী গুণ অর্জন করা এবং ন্যূনতম কোন্ কোন্ চাহিদা পূরণ করা দরকার?
প্রথমত নিজের মাঝে শোকর ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি সৃষ্টি করো। নির্জনে আত্মসমাহিত হয়ে চিন্তা করো যে, আল্লাহ তোমাকে নবীওয়ালা পথে এনেছেন। এখন তুমি যদি আগের অন্ধকারে ফিরে যাও কিংবা এখানে থেকেও আলো গ্রহণে ব্যর্থ হও তাহলে এ তোমার ছাড়া আর কি বলো?
এ পথে তুমি প্রিয় নবীর পুণ্য পদচিহ্ন দেখতে পাবে এবং ইলমে নবুওয়তের আলো ও নূরের অধিকারী হবে। সবচে' বড় কথা, এ পথে তুমি তোমার আল্লাহর রিযা ও সন্তুষ্টি লাভে ধন্য হবে।
দ্বিতীয়ত নিজেকে যথাসাধ্য মাদরাসার পরিবেশ অনুযায়ী গড়ে তোলার চেষ্টা করো। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের নিজস্ব কিছু চাহিদা আছে এবং প্রতিটি পথের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। সফলতা লাভের জন্য সেই চাহিদা পূরণ করা এবং সেই বৈশিষ্ট্য অর্জন করা অপরিহার্য। মাদরাসায় এসেও যারা মাহরুম হয় তারা এজন্যই মাহরুম হয় যে, মাদরাসার পরিবেশ থেকে তারা কিছু গ্রহণ করে না, বরং পরিবেশকে দূষিত করে।
তুমি যে দ্বীন শিখতে এসেছো, এ পথের দাবী ও চাহিদা এই যে, ফরয ও ওয়াজিব আমলগুলো পাবন্দির সাথে আদায় করবে, নামাযের প্রতি ভালোবাসা ও যত্ন পোষণ করবে, জামাতের বেশ আগে মসজিদে এসে নামাযের ইনতিযার করবে, যিকির ও নফল ইবাদাতের শওক এবং আল্লাহর কাছে চাওয়ার ও দু'আ মুনাজাতের যাওক পয়দা করবে।
তৃতীয়ত আখলাক ও চরিত্রকে ইলমের স্বভাব অনুযায়ী গড়ে তোলার চেষ্টা করো। ইলমের স্বভাব হলো ছবর ও ধৈর্য, বিনয় ও আত্মবিলোপ, যুহদ ও নির্মোহতা এবং গিনা ও আল্লাহ-নির্ভরতা। সুতরাং এই ভাব ও স্বভাব যত বেশী পারো নিজের মাঝে অর্জন করো। হিংসা ও হাসাদ, অহংকার ও ক্রোধ, কৃপণতা ও সংকীর্ণতা ইত্যাদি হলো ইলমের বিরোধী স্বভাব। সুতরাং এগুলো সম্পূর্ণরূপে পরিহার করো।
চতুর্থত তোমার চাল-চলন ও আচার-আচরণকে সুন্নতের পূর্ণ অনুগত করো। এ পথের ইমাম ও রাহবার যারা তাঁদেরই মত যেন হয় তোমার বাহ্যিক বেশভূষা।
এসকল দাবী ও চাহিদা পূরণ করে দেখো দুনিয়া ও আখেরাতে তোমার মাকাম ও মর্যাদা কোথায় নির্ধারিত হয়। আল্লাহর কসম, তোমাদের সম্পর্কে আমার এ আশংকা নেই যে, দ্বীনী মাদরাসা থেকে ফারিগ হয়ে তোমরা অভাব ও দারিদ্র্যের শিকার হবে; আমার ভয় ও আশংকা বরং এই যে, আল্লাহর দেয়া নেয়ামতের বে-কদরীর কারণে বিমুখতা ও বঞ্চনার আযাব না এসে পড়ে!
পক্ষান্তরে তোমরা যদি এ নেয়ামতের যথাযোগ্য কদর করো এবং পূর্ণ শোকর আদায় করো তাহলে প্রতিদানরূপে তোমাদের যোগ্যতা ও প্রাপ্তি বহগুণ বেড়ে যাবে। দেখো আল্লাহ কত মযবুতভাবে বলছেন-
لئن شكرتم لأزيدنكم و لئن كفرتم إن عذابي لشديد *
যদি তোমরা শোকর করো তাহলে অবশ্যই আমি বাড়িয়ে দেবো, আর যদি কৃতঘ্ন হও তাহলে মনে রেখো, আমার আযাব অতি কঠিন।
আর শোনো, তোমার মাঝে এবং সবার মাঝে আল্লাহ রেখে দিয়েছেন কিছু সুপ্ত প্রতিভা ও ঘুমন্ত যোগ্যতা। ত্যাগ ও আত্মত্যাগ এবং নিরবচ্ছিন্ন সাধনার মাধ্যমে তুমি যদি সেই আত্মপ্রতিভার স্ফূরণ না ঘটাও এবং ইলমী যোগ্যতায় পরিপক্কতা অর্জনে সচেষ্ট না হও তাহলে তুমি কোন 'পদার্থ' বলেই গণ্য হবে না এবং দুনিয়ার কোথাও তোমার কোন সমাদর হবে না; তুমি কোন কাজেরই হবে না।
***
পরিশেষে আবার আমি পরিষ্কার ভাষায় তোমাদের বলতে চাই, শিক্ষা জীবনের শুরুতেই নিজেদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বুঝে নাও এবং নিজেদের মাকাম ও মর্যাদা চিনে নাও। ইলমের সাধনায় আত্মনিমগ্নতা এবং প্রতিভা ও যোগ্যতার বিকাশ সাধনে ঐকান্তিকতা- এই যেন হয় তোমার একমাত্র পরিচয়; আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভই যেন হয় তোমার একমাত্র উদ্দেশ্য। এছাড়া অন্যদিকে চোখ তুলেও তাকিয়ো না; অন্যকিছুতে মন দিয়ে বঞ্চিত হয়ো না। জীবন-কাফেলার বৃদ্ধ মুসাফিরের এ উপদেশ যদি গ্রহণ করো, ইনশাআল্লাহ দুনিয়াতেও তোমরা সফল হবে এবং সৌভাগ্য তোমাদের পদচুম্বন করবে। এরপর আল্লাহ রাব্বুল ইয্যতের দরবারে যখন হাযির হবে তখন তোমাদের চেহারা হবে নূরে-ঝলমল। আল্লাহ তোমাদের কামিয়াব করুন। আমীন। ওয়া আখিরু দাওয়ানা আনিল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।
25/04/2026
প্রশ্ন হলো, এখানে ইলমের ময়দানে কী আপনারা পাবেন? কোন মহাসম্পদের অধিকারী হবেন?
এটা অবশ্য বিশদ আলোচনা ও ব্যাপক আলোকপাতের বিষয়, যার সময় ও সুযোগ এখন নেই। যুগশ্রেষ্ঠ দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক পুরুষ হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী (রহ) বিরচিত ইহয়াউল উলূম হচ্ছে এ বিষয়ের সর্বোত্তম গ্রন্থ। সময়-সুযোগ করে উস্তাদের তত্ত্বাবধানে এর নির্বাচিত অংশ পড়ুন। সেখানে আপনার প্রশ্নের সন্তোষজনক সমাধান রয়েছে। একটি দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার শিক্ষার্থীকে কী অমূল্য সম্পদ দান করে এবং সে কোন্ মহাসৌভাগ্যের অধিকারী হয়, অবশ্যই আপনি তা বুঝতে পারবেন'।
আল্লাহর কালামের নেয়ামত
একটু আগে ক্বারী সাহেবের মুখে আল্লাহর কালামের তেলাওয়াত শ্রবণকালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমার সমগ্র সত্তা এ ভাব ও ভাবনায় তন্ময় ছিলো যে, আমাকে ও মানব জাতিকে যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং বিশ্বজগতের যিনি স্রষ্টা তাঁর কালাম এক তুচ্ছ মানুষ তেলাওয়াত করছে আর আমি এক তুচ্ছতম মানুষ তা শ্রবণ করছি!
সুবহানাল্লাহ! আমার আপনার মত গান্দা ইনসানের কী যোগ্যতা আছে যে 'পবিত্র স্রষ্টার পবিত্র বাণী' উচ্চারণ করতে পারি, শ্রবণ করতে পারি এবং হৃদয়ঙ্গম করতে পারি!
আমার আল্লাহ আমাকে সম্বোধন করে কালাম করছেন, আর আমি তা শ্রবণ করছি এবং অনুভব করছি! মাটির মানুষের জন্য এ কোন্ আসমানী মর্যাদা ও সৌভাগ্য! তুচ্ছ মানুষ এ অত্যুচ্চ নেয়ামত লাভ করে কেন আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় না? আল্লাহর কালাম বুঝতে পারা তো এমন নেয়ামত যে, মানুষ যদি খুশিতে মাতোয়ারা এবং আনন্দে আত্মহারা হয়, আর লায়লার প্রেমে পাগল মজনুর মত দেওয়ানা হয়ে যায় তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু দুর্ভাগ্যের কথা কী বলবো! আমাদের না আছে সে হৃদয়, না আছে সেই অনুভূতি।
ছাহাবী হযরত উবাঈ ইবনে কা'অবের ঘটনা কি ভুলে গেছেন? ইতিহাসের পাতায় আবার নযর বুলিয়ে দেখুন। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন-
'আল্লাহ তোমার নাম নিয়ে আমাকে বলেছেন যে, তাকে দিয়ে আমার কালাম পড়িয়ে শুনুন।'
এ খোশখবর শুনে তিনি এমনই আত্মহারা হলেন যে, নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনেই খুশিতে চিৎকার করে বলে উঠলেন-
أ و سماني ربي ؟!
সত্যি আমার আল্লাহ আমার নাম নিয়েছেন! সত্যি আমার আল্লাহ উবাঈ বিন কা'অব বলে আমায় ডেকেছেন!
সুবহানাল্লাহ! ইশকে ইলাহী ও ইশকে নবীর কেমন দিওয়ানা ছিলেন তাঁরা! এর হাজার ভাগের একভাগও কি আছে আমাদের কলবে, আমাদের অনুভবে?
আমার প্রিয় তালেবানে ইলম!
দ্বীনী মাদারেসে এসে আর কিছু যদি ভাগ্যে নাও জোটে, জীবনের সমস্ত সময় ও সম্পদ ব্যয় করে শুধু এই একটি নেয়ামত যদি নছীব হয়, যদি আল্লাহর কালামের 'সম্বোধনপাত্র' হওয়ার এবং তা বোঝার উপযুক্ত হয়ে যেতে পারি তাহলে বিশ্বাস করুন, দুনিয়ার সব সাজসজ্জা, আরাম-আয়েশ ও ভোগ-বিলাস তুচ্ছ, অতি তুচ্ছ। এ 'নেয়ামত-মহান' যদি দান করেন আল্লাহ মেহেরবান, তাহলে জীবনের সবকিছু তাঁর জন্য কোরবান! তাহলে আপনার সাধনা ও অধ্যবসায় সফল, আপনার মা-বাবার ত্যাগ ও আত্মত্যাগ সার্থক। আপনি ধন্য, আপনার পরিবার ধন্য।
***
প্রিয় বন্ধুগণ! এ কথা ভালোভাবে হৃদয়ঙ্গম করুন যে, এখানে আপনারা কী জন্য এসেছেন? কোন্ প্রাপ্তির আশায় জড়ো হয়েছেন? শিক্ষা জীবনের শুরুতেই নিজেদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে হৃদয়ে বদ্ধমূল করুন এবং চিন্তা ও চেতনাকে জাগ্রত করুন।
এই দ্বীনী মাদরাসায় তোমরা স্বেচ্ছায় এসেছো না অনিচ্ছায় সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা এই যে, তোমাদের মাঝে এবং তোমাদের খালিক ও স্রষ্টার মাঝে রয়েছে এক 'স্বর্ণ-শৃঙ্খল', যার এক প্রান্ত তোমাদের হাতে, অন্য প্রান্ত আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের কুদরতি কবযায়। অর্থাৎ তোমাদের মাঝে এবং আল্লাহর মাঝে এমন এক নূরানী রিশতা কায়েম হয়েছে যার বদৌলতে তোমরা তাঁর পাক কালাম বুঝতে এবং হৃদয়ঙ্গম করতে পারো, এমনকি আল্লাহর সঙ্গে কালাম করার তরীকাও জানতে পারো।