পোস্ট: সততার বার্তা
সৎ নেতৃত্বই পারে একটি এলাকার ভাগ্য বদলে দিতে।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে আপনাদের সেবা করতে চাই।
জনগণের টাকা জনগণের কল্যাণে—এটাই অঙ্গীকার।
✅ পোস্ট–: মাঠপর্যায়ের বার্তা
মুড়াপাড়ার ঘরে ঘরে যাচ্ছি, মানুষের কথা শুনছি।
জনগণের প্রত্যাশাই আমার পরিকল্পনার ভিত্তি।
আপনাদের বিশ্বাসই আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
✅ পোস্ট–: ঐক্যের ডাক
আমাদের ইউনিয়ন আমাদের পরিবার।
ভেদাভেদ ভুলে, উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানাই।
ঐক্যই শক্তি, ঐক্যই উন্নয়ন।
✅ পোস্ট– : ইসলাম ও মানবসেবা
মানবসেবাই সর্বোত্তম ইবাদত।
মুড়াপাড়ার মানুষের পাশে দাড়ানো, তাদের সুখ–দুঃখ ভাগ করে নেওয়াই আমার দায়িত্ব।
আল্লাহ যেন আমাকে আপনাদের সেবা করার তৌফিক দেন।
✅ পোস্ট–: ভোটারদের বার্তা (ক্যাম্পেইন)
আপনার একটি ভোট বদলে দিতে পারে মুড়াপাড়ার ভবিষ্যৎ।
আপনার সিদ্ধান্ত—আমাদের উন্নয়ন।
আপনাদের আস্থা, দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমি প্রস্তুত।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী
আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া
#️⃣ #জনতার_সেবায়_আব্দুল_মজিদ_ভূঁইয়া
#️⃣ #মুড়াপাড়া_ইউনিয়ন
#️⃣ #উন্নয়ন_অভিযান
#️
#মুড়াপাড়া_ইউনিয়ন
“জনতার সেবায় আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া”
মুড়াপাড়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, সেবা ও জনকল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ একটি জনসম্পৃক্ত প্ল্যাটফর্ম।
এখানে সদস্যরা পাবেন—
• ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা
• জনগণের সমস্যা–সমাধান সংক্রান্ত আলোচনা
• সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের খবর
• চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল মজিদ ভূঁইয়ার বার্তা ও উদ্যোগ
• স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক মতামত প্রকাশের সুযোগ
আমাদের লক্ষ্য:
স্বচ্ছ নেতৃত্ব, এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা–স্বাস্থ্য–পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং একটি নিরাপদ ও সুন্দর মুড়াপাড়া ইউনিয়ন গঠন।
আমাদের অঙ্গীকার:
জনগণের সেবা, মানুষের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ, এবং উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।
মুড়াপাড়ার উন্নয়নে আমাদের সঙ্গে থাকুন।
জনতার সেবায়, সবসময় পাশে থাকুন– আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া।
সকলের দোয়া ও সমথর্ন সহায়তা আশা করছি 👍
জনতার সেবায় আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া
মুড়াপাড়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, সেবা ও জনকল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল মজিদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে
স্বচ্ছতা • সহযোগিতা • উন্নয়ন।
02/12/2025
02/12/2025
https://www.facebook.com/share/p/18EhuesUiU/
I want to take a moment, on behalf of the Zia family and BNP, to give our most profound thanks for the remarkable outpouring of support for Begum Khaleda Zia's recovery. The widespread expressions of concern from leaders, diplomats, and friends across the world, as well as the overwhelming love and prayers from the people of Bangladesh have been incredible.
This collective support has been a source of immense strength for all of us. We continue to pray for her recovery and appreciate the unity, compassion, and solidarity shown during this difficult moment.
বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য যেভাবে সহযোগিতা ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে, জিয়া পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিকবৃন্দ ও বন্ধুগণের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা, পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষের অপরিসীম ভালোবাসা ও দোয়া, সবকিছু আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে গভীরভাবে স্পর্শ করছে।
দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের পরিবারের শক্তি ও প্রেরণার উৎস। মমতাময়ী দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমরা সবাই নিরন্তর দোয়া করছি। এই কঠিন সময়ে ঐক্য, সহমর্মিতা ও সংহতির জন্য প্রতিটি মানুষের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা রইলো।
মুড়াপাড়া ইউনিয়নের উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য, আর জনগণের কল্যাণই আমাদের অঙ্গীকার।
আপনাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস নিয়ে আমি, আব্দুল মজিদ ভূঁইয়া, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই।
🌿 স্বচ্ছ নেতৃত্ব
🌿 জনগণের অধিকার রক্ষা
🌿 রাস্তা, ড্রেনেজ ও পানি ব্যবস্থার উন্নয়ন
🌿 তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন
🌿 মসজিদ–মাদ্রাসা–শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
আপনাদের একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে পুরো ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ।
চলুন, উন্নয়নের পথে একসাথে হাঁটি।
🙏 আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়া প্রার্থী।
#জনতার_সেবায়_আব্দুল_মজিদ_ভূঁইয়া
#মুড়াপাড়া_ইউনিয়ন
#উন্নয়ন_অভিযান
সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আজহা্র সুভেচ্ছা
>>>>>>ঈদ মোবারক
23/09/2014
পবিত্র কোরানের বিষ্ময়কর তথ্য! পুরুষ শব্দটা এসেছে ২৪ বার - নারী শব্দটা এসেছে ২৪ বার। আদেশ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার - নিষেধ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার । হালাল শব্দটা এসেছে ২৫০ বার - হারাম শব্দটা এসেছে ২৫০ বার। জান্নাত শব্দটা এসেছে ১০০০ বার- জাহান্নাম শব্দটা এসেছে ১০০০ বার। দুনিয়া শব্দটা এসেছে ১১৫ বার- আখিরাত শব্দটা এসেছে ১১৫ বার । ফেরেশতা শব্দটা এসেছে ৮৮ বার- শয়তান শব্দটা এসেছে ৮৮ বার। জীবন শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার -মৃত্যু শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার। উপকার শব্দটা এসেছে ৫০ বার - ক্ষতিকর শব্দটা এসেছে ৫০ বার । মানুষ শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার-রাসুল শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার। জিহ্বা শব্দটা এসেছে ২৫ বার-উত্তম বাক্য শব্দটা এসেছে ২৫ বার। মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার আর দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার। সুবহানাল্লাহ । আল্লাহ মহান। “হে আল্লাহ তুমি জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফিলের রব, আসমান ও যমীন সৃষ্টিকারী, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানের অধিকারী, তুমিই বান্দাদের বিতর্কিত বিষয়ে ফয়সালা প্রদানকারী। মানুষের বিতর্কিত বিষয়ে তুমি আমাকে সঠিক পথের দিশা দান করুন, নিশ্চয় তুমি যাকে ইচ্ছা কর সঠিক পথের দিশা প্রদান কর”। [ মুসলিম: ৭৭১] এইটা র্নিদিধায় বলা যায় মহাগ্রন্হ আল কোরান মানুষের লেখা নয় ।মানুষের জন্য আল্লাহ তায়ালার বড় নেয়ামত। —
এক
ফোঁটা শিশিরের
কারনেও
বন্যা হতে পারে
যদি বাসাটা
পিঁপড়ার হয়,
তেমনি এক
চিমটি ভালবাসা
দিয়ে ও সুখ পাওয়া
যায় যদি সেই
ভালবাসা খাঁটি হয়...
খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।(এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ)মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষমূহুর্ত চলছে। 'হঠাৎ সেখানে একজনলোক এসে বললেন 'সালাম'আমি কি ভিতরে আসতে পারি?ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিতআমার পিতা খুবই অসুস্থ।ফাতিমা (রঃ) দরজা বন্ধকরে রাসূলের কাছে গেলেন।মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন, কে সেইলোক?.ফাতিমা বললেন, এই প্রথমআমি তাকে দেখেছি।আমি তাকে চিনি না।রাসূল বললেন "শুনো ফাতিমা,সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্টজীবনেরঅবসানকারী ফেরেশতা "আজরাইল।"এটা শুনে ফাতিমার অবস্থা তখনক্রন্দনরত বোমারমতো হয়ে গিয়েছে।রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈলআমার উম্মতের কি হবে? আমারউম্মতের নাজাতের কি হবে?জিবরাঈল (আঃ) বললেন, "হে রাসুলআপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতেরনাজাতের জন্যে।"মৃত্যুরফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলেরকাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে।মালাইকাত মউত আজরাইলআরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলেরজান কবজ করতে থাকলেন।পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রাইলকে রাসূলবললেন,গোঙানির সাথে, "ওহ জিবরাঈলএটা কেমন বেদনা দায়ক জান কবজকরা।"ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধকরে ফেললেন, আলী (রাঃ) তারদিকে উপুড় হয়ে বসলেন,জিবরাঈল তারমুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।রাসুল(সঃ) বললেন, "হে জিবরাঈলতুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন,আমার প্রতি কি তুমি বিরক্ত ?"জিবরাঈল বললেন, "হে রাসূলুল্লাহসাকারাতুল মউতের অবস্থায়আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্যকরতে পারি।"ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্টএকটা গোঙানি দিলেন। রাসূলুল্লাহবললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুলমউতটা (জান কবজের সময়) যতইভয়াবহহোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকলব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তুআমার উম্মাহকে ব্যথা দিওনা।"রাসূলেরশরিরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো।তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখনআর।রাসূলের চোখের পানিরসাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো,তিনি কিছু বলবেন মনে হয়।আলি (রাঃ) তার কানটা রাসূলেরমুখের কাছে নিয়ে গেলো।রাসূল বললেন, "নামাজ কায়েমকরো এবং তোমাদেরমাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নাও।"রাসূলের ঘরেরবাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ,সাহাবীরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত।আলী (রাঃ) আবার তারকানটা রাসূলের মুখেরকাছে ধরলো,রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায়বলতে থাকলেন,"ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি,ইয়া উম্মাতি।"এই ছিল আমাদের মহানবী (সাঃ)মৃত্যুর সময় তারপ্রার্থনা।।পোস্টি দেওয়ার সময়চোখেরপানি ধরে রাখতে পারলাম না।।এইপোস্টি দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য,আপনাদের সবাইকে মৃত্যুর কথা একটুশরণ করিয়ে দিতে।।নবীজি তারউম্মতের জান্নাত পাওয়ার আশায় কতকষ্ট সহ্য করেছেন, আর আমরা সবাইমৃত্যুর কথা ভূলে গিয়ে সমান্যকয়েকদিনের এইদুনিয়াকে নিয়ে মেতে আছি।। আসুনআমরা সকলে মৃত্যুকে ভয় করে চলি,পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করি।।নিশ্চয় আল্লাহআমাদেরকে সর্বোত্তম শান্তিরস্থান দান করবেন।।হে আল্লাহ,আপনি আমাদেরকে "জান্নাতুলফেরদৌস"-এ যাওয়ার তৌফিক দানকরুন।।আমিন।।[]আশা করি সকল মুসলিম ভাই ওবোনেদের কাছে পোস্টি ভাললেগেছে।।ভাল লাইক দিনএবং চাইলে পোস্টি আপনার বন্ধুদেরসাথে শেয়ার করতে পারেন।।ধন্যবাদ[]
শয়তান ইবলিস তার ৩
শিস্যকে নিয়ে বসল।
সারা দিনের
তাদের কাজের হিসাব
নিতে,কে কি করেছে।
যার
ফলাফলে তাদের পুরস্কৃত করা হবে,
সেই
ভাবে।
১ম শয়তানকে জিজ্ঞাস করল। তুই
কি করেছিস?
উস্তাদ আজ আমি ফেইসবুকের
একটা র্ধমীয় পোষ্টে, দুই অল্প জ্ঞানির
মাঝে র্তক লাগিয়ে দিয়েছি।
ইবলিসঃকেন?
কারন উস্তাদ, আল্লাহ্ বলেছেন,”
যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান
নেই, তার পিছনে পড়ো না।
নিশ্চয়
কান, চক্ষু ও অন্তঃকরণ এদের
প্রত্যেকটিই
জিজ্ঞাসিত হবে।” (সূরা বনি ইসরাইল
আয়াতঃ ৩৬)।
তাই তারা গোনাহ
করতেই থাকবে।আর র্তকে জেতার জন্য
কোরআন ও হাদিসের অপব্যাখ্যা করবে।
ইবলিসঃতকে একটা ছোট
হাড্ডি উপহার দেয়া হল।
এবার ২য়
শয়তানকে জিজ্ঞাস করল।তুই
কি করেছিস?
সে বলল,ওস্তাদ আমি একজন
ছেলে ও মেয়ের মধ্যে প্রেম/
ভালবাসা করিয়ে দিয়েছি,
ইবলিসঃকেন?
ওস্তাদ
এতে মেয়েটি ছেলেটিকে ডেটিং এ
নিয়ে গিয়ে ফতুর
করে ফেলবে,জেনা ত করবেই,
হাত,পা,চোখ,এসবের জেনা প্রথম
পর্যায়ে হবে।এর পর সম্পূর্ণ
জেনা করে চির জাহান্নামী হবে।
আর ছেলেটি ডেটিং এর
টাকা যোগার
করতে গিয়ে,চুরি চামারি শুরু
করে দিবে।
ইবলিসঃতকে একটা মধ্যম
হাড্ডি উপহার দেয়া হল।
এবার ৩য়
শয়তানকে জিজ্ঞাস করল, তুই
কি করেছিস?
ওস্তাদ আমি দুইজন ব্যার্থ
প্রেমিক,প্রেমিকাকে উৎসাহ
দিয়ে আত্তহত্যা করিয়েছি।
ইবলিসঃকেন?।
কারন আত্তহত্যা মহাপাপ,তাই
তারা চির জাহান্নামি হবে।
ইবলিসঃবাহবা বাহবা…ভাল কাজ
করেছিস।
এবার ওস্তাদ জারপনায়
খুশি হয়ে তাকে সবচেয়ে বড়
হাড্ডিটি উপহার দিয়ে ফেলল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
1464