বাংলা পাঠশালা

বাংলা পাঠশালা

Share

▪️HSC / Admission বাংলা স্পেশাল ব্যাচ
▪️ মসজিদ গলি, তোলারাম কলেজ রোড,নারায়ণগঞ্জ।
▪️ফোন : 01920072546

29/04/2026

প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
বৈরী আবহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আজকের বাংলা ক্লাস স্থগিত রাখা হলো।

— রাশেদ স্যার

28/04/2026

▪️ একাদশ- দ্বাদশ | HSC
বাংলা ১ম পত্র : প্রবন্ধ - জীবন ও বৃক্ষ
প্রাবন্ধিক: মোতাহার হোসেন চৌধুরী

▪️সৃজনশীল প্রশ্নের জন্য, রাশেদ স্যারের সহজ ভাষায়
জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের মূলভাব :

মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে জীবনের প্রকৃত সার্থকতা কী এবং মানুষকে কেমন হলে “বড় মানুষ” বলা যায় তা বোঝাতে বৃক্ষকে প্রধান প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর মতে, মানুষের জীবনের লক্ষ্য শুধু বেঁচে থাকা নয়, বরং চরিত্রে, জ্ঞান-বোধে, মানবিকতায় এবং আত্মিক শক্তিতে বড় হয়ে ওঠা। সমাজে অনেক মানুষ আছে যারা শুধু নিজের অহংকার, সংকীর্ণতা আর ক্ষমতার ঘোরে অন্যের পথে বাধা সৃষ্টি করে। তারা নিজেদের জীবন সুন্দর করতে জানে না, আবার অন্যকেও বিকশিত হতে দেয় না। এই ধরনের মানুষ সমাজকে এগিয়ে নিতে পারে না। তাই সমাজের প্রয়োজন উদার হৃদয়, গভীর চিন্তা, সূক্ষ্ম বুদ্ধি ও মানবপ্রেমে ভরা মানুষ যারা নিজেদের মতো করে অন্যদের জীবনও সুন্দর ও অর্থবহ করে তুলতে পারে।

লেখকের মতে, মানুষের জীবনের সঠিক প্রতীক হলো “বৃক্ষ”। কারণ একটি বৃক্ষ ধীরে ধীরে বড় হয়, নিজের ভেতর শক্তি সঞ্চয় করে, অবশেষে ফুল-ফল ধরে অন্যের উপকারে আসে। বৃক্ষ নিজের জন্য নয়, বরং চারপাশের মানুষের জন্য ছায়া, ফল, সৌন্দর্য এবং শান্তি বিলায়। তাই বৃক্ষের জীবনে যেমন বৃদ্ধি, সেবা, সহিষ্ণুতা ও নীরব সাধনার পরিচয় পাওয়া যায়, তেমনি মানুষের জীবনেও এসব গুণ থাকা উচিত। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দেহে নয় মন, বোধ ও আত্মায়। মানুষকে নিজের অভিজ্ঞতা, প্রেম, শিল্পবোধ, দুঃখ-সুখ, সহমর্মিতা এসবের মাধ্যমে নিজের
আত্মাকে পরিপক্ক করে তুলতে হয়। লেখক বলেন, সত্যিকারের সার্থকতা তখনই আসে যখন মানুষের নিজের প্রাপ্তি অন্যের জন্য দান হয়ে ওঠে। যেমন বৃক্ষের ফুল এবং ফল একই সঙ্গে তার নিজের বিকাশ এবং অন্যের উপকার।

এ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো মানুষকে হওয়া উচিত বৃক্ষের মতো: শান্ত, সহিষ্ণু, সৃজনশীল, পরোপকারী ও আত্মিকভাবে পরিপূর্ণ। জীবনের উদ্দেশ্য শুধু অস্তিত্ব রক্ষা নয়; বরং নিজের ভেতর যে “আত্মা” তাকে শিল্প, অনুভূতি এবং মানবিকতার দ্বারা পরিপুষ্ট করে এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া, যেখানে মানুষের জীবন সার্থক ও অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

▪️ রাশেদ স্যার
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রধান নির্বাহী, বাংলা পাঠশালা

26/04/2026

▪️সৃজনশীল প্রাকটিস: ১
শ্রেণি: একাদশ-দ্বাদশ
বিষয়: বাংলা লালসালু (উপন্যাস) : ঢাকা বোর্ড
কোর্স শিক্ষক: রাশেদ স্যার

▪️সৃজনশীল ০১ : জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন- জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্নের কথা ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার। জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি ও সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ- শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমনকি বন্ধ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতিবছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।.

ক. মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
খ. "মনে হয় এটা খোদা তালার বিশেষ দেশ।"- কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।

ঘ. "উদ্দীপকের 'কামেল পিরের মাজার' ও 'লালসালু' উপন্যাসের 'মোদাচ্ছের পিরের মাজার' এক এবং অভিন্ন।"- তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।

▪️ প্রশ্নের উত্তর:

ক. মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম জমিলা।

খ. শস্যহীন অঞ্চলের জনজীবনে অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও ধর্মীয় কাজে কার্পণ্য না থাকায় লেখক কিছুটা ব্যঙ্গ করে আলোচ্য উক্তিটি করেছেন। 'নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষের জীবনে অভাব থাকলেও দেখা যায় ভোরবেলায় মক্তবে কচিকণ্ঠে ধ্বনিত হয়ে ওঠে আমসিপারা পাঠ। পরনে কাপড় নেই, পেটে ভাত নেই, এমন ছেলেরা সেই মক্তবের পড়ুয়া। তারা জীবনকে যতটা ভালোবাসে মৃত্যুকে তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি ভয় পায়। তাই লেখক কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় বলেছেন, এটি হয়তো খোদাতা'লার বিশেষ একটি অঞ্চল, যেখানে মানুষ অনেকখানি ধর্মসংলগ্ন।

গ. কুসংস্কারাচ্ছন্নতার দিক দিয়ে উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরবাসীর সাদৃশ্য রয়েছে।

আলোচ্য উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বতনগর গ্রামের মানুষেরা ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। গ্রামবাসীর এ ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে শস্যহীন অঞ্চল থেকে আগত মজিদ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য একটি পুরাতন কবরকে মোদাচ্ছের পিরের মাজার বলে প্রচার করে। মাজারে মানত করার কথা বলে তাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। সহজ-সরল মানুষেরা মজিদকে বিশ্বাস করে তার কথা মান্য করে।

উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রামের মানুষগুলো সহজ-সরল, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। এখানেও জব্বার আলী নামক এক ভন্ড লোক একটি প্রাচীন কবরকে স্বপ্নে দেখা কামেল পিরের মাজার বলে ঘোষণা করে নিজেকে তার খাদেম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। গ্রামের সহজ-সরল ও ধর্মভীরু মানুষ তার কথায় বিশ্বাস করে সেখানে নানরকম মানত করতে থাকে। গ্রামবাসীর ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে জব্বার আলি প্রতিনিয়ত ধর্মের দোহাই দিয়ে তাদের ঠকায়। উদ্দীপকের গ্রামের মানুষগুলোর এরূপ চিন্তা-চেতনার দিকটি মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের অনুরূপ। তাই বলা যায়, সরল মন ও ধর্মবিশ্বাসী হওয়ায় ভন্ড ধর্মব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঠকে যাওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপক ও আলোচ্য উপন্যাসের গ্রামবাসীর মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।

ঘ. স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে একটি সাধারণ কবর মাজারে রূপান্তরিত হওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপকের কামেল পিরের মাজার ও 'লালসালু' উপন্যাসের মোদাচ্ছের পিরের মাজার এক ও অভিন্ন।

'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরবাসী অশিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। ফলে মজিদ তাদের খুব সহজেই কৌশলে আয়ত্ত করতে পারে। সে এক পুরাতন কবরকে মোদাচ্ছের পিরের মাজার বলে প্রচার করে এবং গ্রামবাসীকে এ মাজার অবহেলায় ফেলে রাখার কারণে ধমক দেয়। গ্রামের সরলপ্রাণ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ তার কথা শুনে নিজেদের অপরাধী ভাবতে শুরু করে। ফলে খুব সহজেই সে এখানে তার প্রভাব বিস্তার করতে সমর্থ হয়।

উদ্দীপকের গ্রামবাসীরা সহজ-সরল ও ধর্মপ্রাণ। তারা জব্বার আলির মতো ভন্ড লোকের কথায় বিশ্বাস করে। ফলে গ্রামবাসী প্রাচীন কবরকে কামেল পিরের মাজার বলে মনে করে। কেননা জব্বার আলি সেই কবরকে তার স্বপ্নে পাওয়া বলে ঘোষণা করেছে। আলোচ্য উপন্যাসের মজিদও একইভাবে নাটকীয়তার মাধ্যমে মহব্বতনগর গ্রামে মাজার প্রতিষ্ঠা করেছিল।

উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে গ্রামবাসীর সরলতা ও ধর্মবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ভন্ড ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতারণার দিকটি প্রতারণার জাল বিস্তারের মাধ্যমে ভন্ডরা নিজেদের শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। যুগ যুগ ধরে শিকড়গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতিই স্বার্থপর, প্রতারক শ্রেণির মানুষের উদ্দেশ্য হাসিলের মূল উপায়। আর এ কারণেই আলোচ্য উদ্দীপকের জব্বার আলি ও উপন্যাসের মজিদ নিজেদের আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য একটি সাধারণ কবরকে মাজারে রূপান্তর করে। সুতরাং, ব্যক্তির উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য গড়ে ওঠায় উদ্দীপকের কামেল পিরের মাজার ও 'লালসালু' উপন্যাসের মোদাচ্ছের পিরের মাজার এক ও অভিন্ন।

Photos from বাংলা পাঠশালা 's post 22/04/2026

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন |
HSC Routine 2026 | ঢাকা বোর্ড | Dhaka Board



#বাংলা_পাঠশালা #রাশেদ_স্যার

20/04/2026

▪️সৃজনশীল প্রশ্ন : পলাশপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত সবকটি যুদ্ধাভিযানে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে। পাক সেনাদের কুপোকাত করে নিজের এলাকা সুরক্ষিত রেখেছে। রুস্তম আলীর জ্ঞাতি ভাই কাশেম আলী একজন দেশদ্রোহী, একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। রুস্তম আলী অনেক বুঝিয়েও তাকে সুপথে আনতে পারেনি। একদিন কাশেম আলী সুকৌশলে রুস্তম আলীকে ধরিয়ে দেয় পাক সেনাদের হাতে।

ক. কোন ফরাসি সেনাপতি পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করেন?
খ. ‘আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছেন?
গ. উদ্দীপকে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. আপনজনের দ্বারা ভয়াবহ বিপর্যয়ের শিকার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও রুস্তম আলী – মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

▪️ক. কোন ফরাসি সেনাপতি পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করেন?

উত্তর: ফরাসি সেনাপতি সাঁফ্রে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করেন।

▪️খ. ‘আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই’ – কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছেন?

উত্তর: এই উক্তিটি নবাব সিরাজউদ্দৌলা তার প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের উদ্দেশ্যে বলেছেন।

পলাশীর যুদ্ধের আগে মীর জাফর যখন বারবার নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছিলেন, তখন নবাব তাকে পবিত্র কুরআন ছুঁয়ে শপথ করতে বলেন। নবাব বুঝতে পেরেছিলেন যে ইংরেজদের রুখতে হলে এটাই তার শেষ সুযোগ। তাই মীর জাফরকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এবং যুদ্ধের গুরুত্ব বোঝাতে নবাব আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেছিলেন যে, ইংরেজদের বিরুদ্ধে তার চূড়ান্ত ফয়সালা হবে পলাশীর ময়দানেই।

▪️গ. উদ্দীপকে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘ঘরের শত্রুর বিশ্বাসঘাতকতা’ বা ‘স্বজনপ্রীতি ও দেশদ্রোহিতার’ দিকটি ফুটে উঠেছে।

‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে আমরা দেখি, নবাব যখন ইংরেজদের হাত থেকে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই করছেন, তখন তার আপন খালা ঘষেটি বেগম এবং প্রধান সেনাপতি মীর জাফর ইংরেজদের সাথে হাত মেলান। তারা নবাবের আপনজন ও বিশ্বস্ত লোক হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতার লোভে দেশের সর্বনাশ ডেকে আনেন।

উদ্দীপকেও বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী যখন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, তখন তার আপন জ্ঞাতি ভাই কাশেম আলী রাজাকারের ভূমিকা পালন করে। রুস্তম আলী তাকে সুপথে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত কাশেম আলী নিজের ভাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাকে পাক সেনাদের হাতে ধরিয়ে দেয়। এই যে আপনজনের হাতে দেশের বীর বা নেতার লাঞ্ছিত হওয়া এবং বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হওয়া এই বিশেষ দিকটিই উদ্দীপক ও নাটকের মধ্যে সাদৃশ্য তৈরি করেছে।

▪️ঘ. “আপনজনের দ্বারা ভয়াবহ বিপর্যয়ের শিকার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও রুস্তম আলী” – মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর: মন্তব্যটি সম্পূর্ণ যথার্থ। ইতিহাস এবং উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, বাইরের শত্রুর চেয়ে ঘরের শত্রুই পরাজয়ের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নবাব সিরাজউদ্দৌলার ক্ষেত্রে তার পরাজয় কেবল ইংরেজদের সামরিক শক্তির কারণে হয়নি। যুদ্ধের ময়দানে মীর জাফরের বিশাল সেনাবাহিনী যদি পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে না থাকত, তবে ক্লাইভের ক্ষুদ্র বাহিনীর পক্ষে জয়লাভ অসম্ভব ছিল। সিরাজউদ্দৌলার পতন এবং পরবর্তী করুণ মৃত্যুর পেছনে মূল কারিগর ছিল তার নিজের পরিবারের সদস্য ও অমাত্যরা। আপনজনদের এই অবিশ্বস্ততা নবাবের জীবন ও বাংলার স্বাধীনতায় এক ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনে।

একইভাবে উদ্দীপকের রুস্তম আলীও একজন সফল যোদ্ধা ছিলেন। তিনি তার দক্ষতা দিয়ে এলাকা সুরক্ষিত রেখেছিলেন। তাকে রণক্ষেত্রে পরাজিত করা পাক সেনাদের জন্য কঠিন ছিল। কিন্তু তার আপন ভাই কাশেম আলী যখন বিশ্বাসঘাতকতা করল, তখন রুস্তম আলীর সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ল। কৌশলে তাকে পাক সেনাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে রুস্তম আলীর জীবনে বিপর্যয় নেমে এল।

পরিশেষে বলা যায়, নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং রুস্তম আলী উভয়ই বীর হওয়া সত্ত্বেও পরাজিত হয়েছেন আপনজনদের বিশ্বাসঘাতকতায়। শত্রু যখন ঘরের ভেতরে থাকে, তখন বীরের সংকল্প বা সাহস দিয়েও অনেক সময় বিপর্যয় ঠেকানো সম্ভব হয় না। তাই উল্লিখিত মন্তব্যটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও সঠিক।

20/04/2026

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) থেকে। পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত।

▪️বাংলা পাঠশালা

20/04/2026

HSC'27 বাংলা ব্যাচ (১ম বর্ষ) ✅
__(১ম পত্র এবং ২য় পত্র)__
--------------------------
📌 ফ্রি যাচাই ক্লাসের সুবর্ণ সুযোগ ❗

বৈশিষ্ট্য:
✔অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক শিট প্রদান
✔HSC পরিক্ষার স্পেশাল সাজেশন

*বিস্তারিত জানতে কল করো
📞 01920-072546 নম্বরে

স্থান: মসজিদ গলি, তোলারাম কলেজ রোড, নারায়ণগঞ্জ 📍

কোর্স শিক্ষক:
আফনান আহমেদ রাশেদ
( জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)

#বাংলা_পাঠশালা

18/04/2026

নববর্ষ উদযাপন | জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় | বঙ্গাব্দ ১৪৩৩

Want your school to be the top-listed School/college in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

College Road
Narayanganj