04/07/2021
Do you agree?
বিসিএস,শিক্ষক নিয়োগ সহ অন্যান্য পরীক?
04/07/2021
Do you agree?
25/04/2021
খ্রিষ্টীয় ৮০০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত আমাদের পতাকা সমূহ।
courtesy: Faysil Scientist & wikipedia
ফোর জি ও বাংলাদেশ কথন
।
২০ফেব্রু , ২০১৮ থেকে দেশে চালু হতে যাচ্ছে ফোর জি। বিশ্বে ফোর জি প্রযুক্তি চালু হওয়ার নয় বছর পর বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছে ফোর জি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ প্রায় সব উন্নয়নশীল দেশেই ফোর-জি সেবা চালু আছে।এদিক থেকে কিছুটা দেরিতেই ফোর জি আসছে দেশে। ভারত পাকিস্তানের কথা বাদ। মিয়ানমারের জনগণও ফোর জি সেবা গ্রহণ করছে আগে থেকেই। প্রথম দিকে ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে ফোর জি সেবা দেয়া হবে।তথ্যমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের মতে আগামী ১ বছরের মধ্যে দেশের জেলা ও বিভাগীয় শহরে ফোর জি সেবা চালু হবে আর ৩৬ মাসের মধ্যে সারা দেশে ।
/
।
→ফোর জি কী?
এককথায় ফোর জি ইন্টারনেট বাসের ব্যাপক প্রশস্ততা । এর মাধ্যমে ইন্টারনেট এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে যায় !
মোবাইল টেলিকমিউনিকেশনের সর্বাধুনিক সংস্করন ফোর-জি (4G-Fourth Generation)। এটি সম্পূর্নরূপে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক একটি টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম যা গ্রাহককে Ultra-broadband mobile internet access প্রদান করে থাকে। ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে থ্রিজি মোবাইলের আধুনিকতর সংস্করন। এই প্রযুক্তি এখনও গ্রাহক পর্যায়ে সহজলভ্য হয়ে উঠেনি। ফোরজি মোবাইলের পুরোপুরি বাণিজ্যিক উৎপাদন ও বিপনন শুরু হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
ফোর জি হল প্রচলিত থ্রিজির চেয়ে ফোর জি অনেক দ্রুতগতির। এ প্রযুক্তিতে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ল্যাগ হয় না। কোনো রকম বাফারিং ছাড়াই টিভি ও লাইভ স্টিমিং দেখতে পারেন গ্রাহক। মোবাইল ফোন অপারেটররা দেশে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর জি) সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে।
।
→ফোর জি’র বৈশিষ্ট্য
২০০৮ সালের মার্চ মাসে International Telecommunications Union Radio communication sector (ITU-R), ফোর-জি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বাধ্যতামূলক হিসাবে নির্ধারণ করে দেয় যা International Mobile Telecommunications Advanced (IMT-Advanced) specification নামে পরিচিত।
ফোর-জি মোবাইলের অপরিহার্য বৈশিষ্টগুলো হচ্ছে:
১।ডাটা ট্রান্সফারের গতি High mobility station (যেমন, ট্রেন, বাস ইত্যাদি) এবং Low mobility station (যেমন, পথচারী, indoor ইত্যাদি) এর ক্ষেত্রে যথাক্রমে ন্যূনতম ১০০ মেগাবাইট/ সেকেন্ড এবং ১ গিগাবাইট/ সেকেন্ড হতে হবে।
২।এই প্রযুক্তির ডাটা ট্রান্সফার পুরোপুরি ইন্টারনেট প্রটোকল প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক ভিত্তিক হতে হবে।
৩।একই স্পেকট্রাম থেকে সর্বাধিক সংখ্যক গ্রাহককে সেবা দিতে হবে।
৪।পরিমাপ যোগ্য Clannel Band width ন্যূনতম ৫-২০ মেগাহার্জ এবং ক্ষেত্রবিশেষ ৪০ মেগাহার্জ পর্যন্ত হবে।
৫।Downlink এর ক্ষেত্রে link spectral Efficiency 15bit/s/Hz এবং Uplink এর ক্ষেত্রে 6.75 bit/s/Hz হতে হবে।
এই সবগুলো বৈশিষ্ট্যই শুধুমাত্র LTE Advanced (Standardized by 3GPP) এবং 802.16m (standardized by the IEEE) এই দু’টি প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করবে।
/
→ফোর জি-এর কিভাবে কাজ করে?
বর্তমানে দুটি ফোর-জি স্ট্যান্ডার্ড বাণিজ্যিকভাবে ফোর জি মোবাইলের সাথে যুক্ত আছে। এর মধ্যে Mobile Wimax ২০০৬ সনে দক্ষিণ কোরিয়ায় সর্বপ্রথম এবং Long Term Evolution (LTE) স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে ২০০৯ সাল থেকে অপারেশন শুরু করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে Sprint Nextel ২০০৮ সালে Mobile Wimax চালু করে এবং Metro PCS ২০১০ সালে LTE সার্ভিস শুরু করে। শুরু থেকেই ফোর-জি প্রযুক্তির USB Wireless Modem প্রচলিত ছিল তবে ২০১০ সালে সর্বপ্রথম ওয়াইম্যাক্স স্মার্টফোন এবং ২০১১ সালে LTE স্মার্টফোন বাজারে আসে। এখন পর্যন্ত ফোরজি মোবাইল গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল।
।
ফোর জি মোবাইল ব্যবহার কেন করবেন?
ফোর জি মোবাইলে রয়েছে সর্বোচ্চ গতির ডাটা ট্রান্সফারের সুবিধা। এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক সর্বদাই মোবাইল অনলাইন ব্রডব্যান্ডের আওতায় থাকতে সমর্থ হবেন। এতে হাই ডেফিনেশন টেলিভিশন এবং ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া যাবে। এই প্রযুক্তিতে গ্রাহকের কথোপকথন ও ডাটা ট্রান্সফারের নিরাপত্তা অনেক বেশী শক্তিশালী হবে। ফোর-জি মোবাইল গ্রাহককে ভয়েস মেসেজ, ফ্যাক্স, মাল্টিমিডিয়া মেসেজ, অডিও ভিডিও রেকর্ডিং ইত্যাদির সুবিধাও প্রদান করবে।
।
বাংলাদেশে থ্রি জি বনাম ফোর জি
১।দেশে এখন থ্রিজি প্রযুক্তির ইন্টারনেটের গড় গতি ৩ দশমিক ৭৫ এমবিপিএস । ফোর জি তে সেটি ২০ এমবিপিএস হবে । এক জিবি’র একটি ফাইল ডাউনলোড করতে গ্রহণযোগ্য থ্রিজি নেটওয়ার্ক পরিস্থিতিতে যেখানে ২০ মিনিট লাগছে, একই রকম পরিস্থিতিতে ফোরজিতে সেটি সম্ভব হবে পাঁচ থেকে ছয় মিনিটে।
২। থ্রি জিতে অনলাইনে মুভি দেখছেন, বাফারিংয়ের বিরক্তি! সেটি দূর হয়ে যাবে ফোরজিতে ল্যাটেন্সি অনেক ভালো হওয়ার কারণে। একইভাবে অনলাইনে ক্লাস করছেন বা ই-মেডিসিনে স্বাস্থ্য সেবা নিচ্ছেন সেখানেও পাবেন বাধাহীন সেবা।
৩।বাংলাদেশে থ্রিজি প্রযুক্তির আরেকটি বড় বাধা- এখানে এই সেবা প্রযুক্তি স্পেকট্রামের যে ব্যান্ডে দেওয়া হয়েছে (২১০০ ব্যান্ড) তার বড় দুর্বলতা হলো এটি পাশাপাশি উঁচু ভবন থাকলে বেজ স্টেশন বা টাওয়ারের মাঝে এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়ে যায়। তাই নেটওয়ার্ক ভালো পাওয়া যায় না। ফলে শহরের বড় বড় ভবনের অলি-গলিতে নেটওয়ার্কও ভালো মেলে না।ফোর জিতে এটি থাকবে না । ফোরজিতে এখানেই সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হবে। কারণ, অপারেটররা যে কোনো ব্যান্ডেই ফোরজি সেবা দিতে পারবেন। ফলে ভালো নেটওয়ার্কের বড় অগ্রগতি হবে এর মাধ্যমে। কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহার– দুই ক্ষেত্রেই তা হবে।
৪।টেলিকমিউনিকেশন্সে ‘টেকনোলজিক্যাল নিউট্রালিটি’ বলে একটি টার্ম আছে। যার মানে দাঁড়ায় যে কোনো স্পেকট্রাম ব্যান্ডে যে কোনো সেবা দেওয়ার সুযোগ। বাংলাদেশে এতোদিন এটি ছিলো না। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি স্পেকট্রাম নিলামের সময় থেকে এটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে একে তো অপারেটর তার হাতে থাকা স্পেকট্রাম দিয়ে ইচ্ছে মতো নেটওয়ার্কের ডিজাইন করতে পারবেন; দ্বিতীয়ত, টেকনোলজিক্যাল নিউট্রালিটি এমনিতেই স্পেকট্রামের ইফিসিয়েন্সি বা কার্যক্ষমতা দেড় থেকে দুইগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিবে। এতে করে বিদ্যমান স্পেকট্রাম দিয়েই অপারেটরা গ্রাহকদের সন্তুষ্টির কাছাকাছি চলে যেতে পারবে। ‘সন্তুষ্টির কাছাকাছি’ বলছি এ কারণে যে, সন্তুষ্টির তো কোনো সীমা-পরিসীমা নেই!
৫।আরো একটি বিষয় হলো ফোরজি চালু হলে যারা ফোরজি ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন তারা মূলত বড় ভলিউমের ইন্টারনেটই ব্যবহার করবেন। এতোদিন তারা থ্রিজি ব্যবহার করতেন। তারা থ্রিজি থেকে ফোরজিতে চলে আসলে থ্রিজি’র স্পেকট্রামের ওপর চাপ কমবে এবং যেখানে ফোরজি নেটওয়ার্ক থাকবে না সেখানে থ্রিজি পরিস্থিতিও আগের চেয়ে ভালো হবে।
৬।দেশে থ্রিজি চালু হওয়ার শুরুর দিকে মোবাইল ইন্টারনেটের সংযোগে প্রতি মাসে ডেটার ব্যবহার ছিলো ৯০ এমবি। আর এখন সেটি সাড়ে ছয়শ এমবি! পাঁচ বছরে ডেটা ব্যবহারের হার শুধু মোবাইল ফোনেই বেড়েছে সাতগুণ। ফোরজি যুগের সাত বছরে এটি আরো সাত থেকে দশগুণ পর্যন্ত বাড়বে বলে ধারণা করা যেতে পারে।
/
বাংলাদেশে ফোরজি’র দুটি বড় চ্যালেঞ্জ:
প্রথম চ্যালেঞ্জ- হ্যান্ডসেট। দেশে যতো হ্যান্ডসেট ব্যবহার হচ্ছে তার মাত্র দশ শতাংশের মতো সেটে ফোরজি সেবা গ্রহণ করা সম্ভব। গ্রামীণফোনের সিইও গত সোমবার দাবি করেছেন তাদের গ্রাহকদের ১৪ শতাংশের হাতে ফোরজি সেট রয়েছে।
দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো- ডাটা পরিবহনের জন্যে অপারেটররা মূলত ফাইবার অপটিক ক্যাবলই ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু আইনগত বাধ্যবাধকতায় তারা নিজেরা ফাইবার অপটিক ক্যাবল বসাতে পারেন না। এবং দেশে ফাইবার নেটওয়ার্কও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।
।
প্রবাদ আছে ' নামেই গগণ ফাটে" অর্থাৎ নামের মাধ্যমেই কার্যসিদ্ধি । থ্রিজির প্রকৃত সুবিধা না ফেলেও থ্রি জি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে । আপনার ডিভাইসে কয়েকটি বাটনে চাপ দিলেই বাসার গেটে গাড়ি এসে হাজির হবে? বা অর্ডার করলেই খাবার হাতে দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়ে যাবেন কেউ? ড্রাইভার, মিস্ত্রি- কী লাগবে? সব পাবেন এখন অনলাইনে। গোটা ইকোসিস্টেমে এমন হাজার রকমের সেবা যুক্ত হয়ে যাবে ফোরজি’র ছোঁয়ায়।
কিন্তু, সবকিছুর ওপর যেটি লাগবে সেটি হলো- সেবার গাড়িটিকে তার গতিতে চলতে দেওয়ার সুযোগ। সরকার চাইলেই ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেবে বা নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেবে তাহলে কিন্তু ফোরজি ওয়ানজিতে নামতেও সময় লাগবে না।
:
ইন্টারনেট থেকে সম্পাদিত
বিসিএস এর জন্য পত্রিকা পঠন
মাহমুদ হাসান হৃদয়
বিসিএস(প্রশাসন)
১.পত্রিকায় বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।পত্রিকা পড়ার উদ্দেশ্যই যেন হয় তথ্য আহরণ করা।
২.বিসিএস এ আসার মতো ৩০/৪০ টি টপিকস আলাদা করে নোট খাতায় প্রতিটি টপিকের জন্য কয়েকটা করে পৃষ্ঠা নির্ধারন করে রাখুন।
৩.এবার পত্রিকা পড়ার সময় যেকোন ডাটা,চার্ট,ম্যাপ,কোটেশন সর্বোপরি যেকোন তথ্য পেলেই টপিক অনুযায়ী নোট খাতায় তুলে ফেলবেন।
৪.এছাড়া পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশকে কেটেও টপিক অনুযায়ী নোট খাতায় স্ট্যাপলিং করে রাখতে পারেন।
৫.পত্রিকা থেকে প্রাপ্ত তথ্য পরীক্ষার খাতায় ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পত্রিকার নাম এবং প্রকাশের তারিখ ব্যবহার করবেন।
যেমন:একটা তথ্য দেওয়ার পর লিখবেন,
সূত্র:প্রথম আলো,২৬ নভেম্বর,২০১৭।
পত্রিকার তথ্য সূত্র ও তারিখসহ লিখতে পারলে অনেক ভাল নাম্বার পাওয়া সম্ভব।
গাইড বইয়ের উপর নির্ভরতা কমান।
শুভকামনা রইলো।
ইংরেজি সাল থেকে বাংলা সাল বের করতে ৫৯৩ বিয়োগ আর বাংলা সাল থেকে ইংরেজি সাল বের করতে ৫৯৩ যোগ করতে হয়। তাহলে...
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত সালে ঘটে?
☞ বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজি ১৭৭০)।
এই প্রশ্নে বাংলা সাল থেকে ইংরেজি সাল বের করতে ৫৯৪ যোগ করতে হলো?
বাংলা সাল তারিখ বের করার ভেজাল পধতি 😀 ।এইটা কত সাল থেকে কাজ করে শিওর না । মনে হয় ১৯৭০থেকে । এর আগের তারিখ এই ভাবে বের করতে গিয়ে ভুল করলে আমি দায়ি না । মনে রাখতে হবে০১১২২২২১১০(-১)১ । এই খানে ১২ মাসের জন্য ১২ টা কোড আছে । Gregorian সাল থেকে ৫৯৩ বছর ৩ মাস ১৩ দিন বিয়োগ করতে হবে । তাহলে যেই মাস পাওয়া যাবে তারিখ থেকে ওই মাসের কোড বিয়োগ করতে হবে যেমন ২০১৬ ৩ ২৫ এর বাংলা তারিখ বের করতে হলে ২০১৬ ৩ ২৫ (-) ৫৯৩ ৩ ১৩ =১৪২২ ১২ ১২ এই খানে মাসের নাম্বার ১২ তাই ১২ তম মাসের কোড অনুযায়ী ১ বিয়োগ হবে । তাই তারিখ হবে ১৪২২ ১২ তম মাস ১২ তারিখ । ২০২০ ২মাস ১তারিখ (-)৫৯৩ ৩ ১৩ =১৪২৬ ১০ ১৯ (এই খানে বিয়োগ করতে হবে ০ , কারন ১০ নাম্বার মাসের কোড ০) ২০১৬ ১০ ২৬ (-)৫৯৩ ৩ ১৩ =১৪২৩ ৭ ১৩(৭ নাম্বার মাসের কোড ২ । বিয়োগ করতে হবে ২ , ) =১৪২৩ ৭ ১১
খুব সহজে Noun, Adjective, Verb & Adverb চেনার উপায়
Noun: শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix গুলো থেকে Noun চেনা যায়:→
(-tion, -ment, -ness, -hood, -dom, -ship, -th, -ity, -gy, -phy, -my, -ure, -cy, -tude, -mony, -nce, -age, -er, -or, -sion, -ist, -ee, -ism).
Adjective: শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix গুলো থেকে Adjective চেনা যায়:→
(-ble, -ish, -less, -ary, -ive, -ful, -ar, -al, -ate, -ic, -sque, -id, -ile, -ry, -line, -ous/ose, -lent, -an).
Verb: শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix গুলো থেকে Verb চেনা যায়:→
(-ate, -en, -fy, -esce, -ise, -ize, -ish).
Adverb: শব্দের শেষে নিম্নলিখিত Suffix গুলো থেকে Adverb চেনা যায়:→
(-wise, -ways, -ly, -ward).
সাধারণ জ্ঞান (জনক) –
-----------------------------
❖ পদার্থ বিজ্ঞানের জনক : আইজ্যাক নিউটন।
❖ সমাজ বিজ্ঞানের জনক : অগাষ্টকোঁৎ।
❖ হিসাব বিজ্ঞানের জনক : লুকাপ্যাসিওলি।
❖ চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক : ইবনেসিনা।
❖ দর্শন শাস্ত্রের জনক : সক্রেটিস।
❖ রসায়ন বিজ্ঞানের জনক : জাবির ইবনে হাইয়ান।
❖ ইতিহাসের জনক : হেরোডোটাস।
❖ সনেটের জনক : পের্ত্রাক।
❖ বিজ্ঞানের জনক : থ্যালিস।
❖ মেডিসিনের জনক : হিপোক্রটিস।
❖ জ্যামিতির জনক : ইউক্লিড।
❖ বীজ গণিতের জনক : আল খাওয়াজমী।
❖ জীবাণু বিদ্যার জনক : লুইস পাস্তুর।
❖ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক :এরিস্টটল।
❖ অর্থনীতির জনক : এডাম স্মিথ।
❖ অংকের জনক : আর্কিমিডিস।
❖ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক : চার্লস ডারউইন।
❖ সনেটের জনক : পের্ত্রাক।
❖ ক্যালকুলাসের জনক : আইজ্যাক নিউটন।
❖ বাংলা গদ্যের জনক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
❖ বাংলা কবিতার জনক : মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
❖ বাংলা উপন্যাসের জনক : বঙ্কিমচন্দ্র
চট্টোপাধ্যায়।
❖ ইংরেজী কবিতার জনক : জিউফ্রে চসার।
❖ মনোবিজ্ঞানের জনক : উইলহেম উন্ড।
❖ প্রাণী বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল।
❖ বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক : কাজী নজরুল ইসলাম।
❖ বাংলা চলচিত্রের জনক : হীরালাল সেন।
❖ বাংলা গদ্য ছন্দের জনক : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
❖ জীব বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল।
❖ ভূগোলের জনক : ইরাটস থেনিস।
❖ ইংরেজি নাটকের জনক : শেক্সপিয়র।
❖ সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক: হার্বাট স্পেন্সর।
❖ বংশগতি বিদ্যার জনক : গ্রেডার জোহান
মেনডেল।
❖ শ্রেণীকরণ বিদ্যার জনক : কারোলাস লিনিয়াস।
❖ শরীর বিদ্যার জনক : উইলিয়াম হার্ভে।
❖ বাংলা নাটকের জনক : দীন বন্ধু মিত্র।
❖ বাংলা সনেটের জনক : মাইকেল মধু সুদন দত্ত।
❖ আধুনিক রসায়নের জনক : জন ডাল্টন।
❖ আধুনিক গণতন্ত্রের জনক : জন লক।
❖ আধুনিক অর্থনীতির জনক : পল স্যমুয়েলসন।
❖ আধুনিক বিজ্ঞানের জনক : রজার বেকন।
এ, বি, এবি, ও— রক্তের এ সব গ্রুপ সম্পর্কে তো আমরা ওয়াকিবহাল। এমনকী, বিশ্বের বিরতলতম রক্ত ‘বম্বে গ্রুপ’-এরও নাম কেউ কেউ জানি। এ ছাড়াও ২০১২ এবং ২০১৪ সালে ল্যাঞ্জেরেইস, আরএইচ, এইচএইচ ও এবিও গ্রুপের অস্তিত্ব পেয়েছিলেন চিকিত্সকরা। এ বার আরও একটি নতুন রক্তের গ্রুপের সন্ধান পেলেন চিকিত্সকরা।
কী সেই নতুন গ্রুপ? কোথায় পাওয়া গেল?
সম্প্রতি গুজরাতের সুরাতে চিকিত্সকরা এক ব্যক্তির শরীরে নতুন রক্তের গ্রুপের সন্ধান পান। তাঁদের দাবি, এখনও পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও এই রক্তের গ্রুপ মেলেনি। ওই ব্যক্তির রক্তের নমুনা পরীক্ষা করার সময় অবাক হয়ে যান চিকিত্সকরা। কোনও গ্রুপের সঙ্গেই তাঁর রক্ত মিলছিল না। অবশেষে চিকিত্সকরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে ওই ব্যক্তির রক্তের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠান। তাঁরা জানান, এই নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে।
যে ব্যক্তির শরীরে এই নতুন গ্রুপের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে তাঁর পরিচয় গোপন রেখেছেন চিকিত্সকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, গবেষণার স্বার্থেই তাঁর নাম প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। চিকিত্সকরা আরও জানান, কোনও গ্রুপের সঙ্গে না মেলায় ওই ব্যক্তি কাউকে রক্ত দিতেও পারবেন না, আবার কারও কাছ থেকে নিতেও পারবেন না। নতুন ওই রক্তের গ্রুপের নাম দেওয়া হয়েছে ‘INRA’। চিকিত্সকরা জানান, দেশের প্রথম দুই অক্ষর এবং ওই ব্যক্তির নামের প্রথম দুই অক্ষর মিলিয়েই এই নামকরণ করা হয়েছে
Nasrullah Talukder
আসুন কিছু ইংরেজী শিখা যাক ।
How Was – কেমন ছিলো? ★ Don’t Say – বল না। ★ Very Well – খুব ভালো। ★ That’s Why- এই কারনে। ★ For What- কি জন্য ★ Very handy – খুব শীগ্রই, ★ That means – তার মানে, ★ No mention – এ আর কি, ★ Oh sure – ও নিশ্চয়ই, . ★ Oh s**t – ধ্যাত্তেরি, . ★ Suppose – মনে করো, . ★ Shut up! – চুপ কর! . ★ Wow! – বাহ দারুণ তো! . ★ It’s enough – যথেষ্ট হয়েছে, . ★ That I know – তা তো জানি, . ★ Well, let me see – আচ্ছা দেখি, . ★ This way – এভাবে, . ★ That way – সেভাবে, . ★ By whom – কার দ্বারা? . ★ To whom – কার কাছে? . ★ For whom – কার জন্য? . ★ With whom – কার সাথে? . ★ About whom – কার সম্বন্ধে? . ★ Before whom – কার আগে? . ★ After whom – কার পরে? . ★ Without whom – কাকে ছাড়া? . ★ With what – কিসের দ্বারা? . ★ For what – কি জন্য? . ★ From what – কি থেকে? . ★ About what – কি সম্বন্ধে? . ★ After what – কিসের পরে? . ★ Before what – কিসের আগে? . ★ Without what – কি ছাড়া? . ★ How many? – কতগুলো? . ★ How much? – কি পরিমাণ? . ★ How often? – কতদিন? . ★ How far? – কতদূর? . ★ How fare? – কত ভাড়া? . ★ How long? – কতক্ষণ? . ★ How fast? – কত দ্রুত? . ★ How dare? – কোন সাহসে? . ★ How much longer? – আর কতক্ষণ
Nasrullah #
১. কোন সশ্যকে ‘Silver Fiber’ বলা হয়? #তুলা
২. ‘ভ্যাট’ একটি #পরোক্ষ_কর
৩. ৫-জি ইন্টারনেট চালু করতে যাচ্ছে #দক্ষিণ কোরিয়া
৪. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদ আবুল বরকতের ডাক নাম কী #আবাই
৫. অলিভ পর্বতটি কোথায় #জেরুজালেম
৬. ২০২০ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে #টোকিও
৭. বাংলাদেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. #শামসুজ্জোহা
৮. নদী ছাড়া ‘মহানন্দা’ কি #আম
৯. বর্তমান বিশ্বে কোন মুদ্রার মূল্যমান সবচেয়ে বেশি? #কুয়েতি_দিনার
১০. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষাথী রিও অলেম্পিকে অংশগ্রহন করেন? #শিরিন
১১. কোন বৃক্ষটি সুন্দরবনে পাওয়া যায় #গামার
১২. লেবু হতে কোন ভিটামিন বেশি পাওয়া যায়? #ভিটামিন_সি
ভালো লাগলে T লিখে কমেন্ট করুন।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা -- 2016
১. মোট জনসংখ্যা- ১৫.৯৯ কোটি।
২. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.৩৭%
৩. গড় আয়ুষ্কাল - ৭০.৭ বছর। ৪. জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি. - ১০৬৩ জন।
৫. মাথাপিছু আয়- ১৪৬৬ মা.ড.
৬. সাক্ষরতার হার ৭+ বছর- ৬২.৩%
৭. দারিদ্র্যের নিম্নসীমা - ১২.৯%
৮. দারিদ্র্যের উর্দ্ধসীমা- ২৪.৮%
৯. মোট ব্যাংক- ৬৪ টি।
১০. তফসিলিভূক্ত ব্যাংক- ৫৭ টি।
১১. সর্বশেষ তফসিলিভূক্ত ব্যাংক- সীমান্ত ব্যাংক।
১২. ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান- ৩৩ টি।
১৩. বিদ্যুৎ এর আওতাভুক্ত
জনগন- ৭৫%
১৪. মাথাপিছু বিদ্যুৎ
উৎপদনের পরিমান-
৩৭১ কি. ওয়াট ঘন্টা। ১৫. মোট গ্যাসক্ষেত্র- ২৬
টি।
১৬. প্রকৃতিক গ্যাস দেশের
মোট
জালানির - ৭৪%
১৭. জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার- ৭.২%
১৮. মূল্যস্ফিতি হার- ৫.৮%
১৯. বিদেশি বাণিজ্যিক
ব্যাংক- ৯ টি।
২০. মুক্ত জলাশয়ে মাছ
উৎপাদনে বিশ্বে- চতুর্থ।
২১. বদ্ধ জলাশয়ে মাছ
উৎপাদনে বিশ্বে-
পঞ্চম।
২২. বিসিক শিল্পনগরী- ৭৪
টি। ২৩. সার কারখানা- ৮ টি।
২৪. পেপার মিল- ১ টি।
২৬. হার্ডবোর্ড মিল- ১ টি।
২৭. চিনিকল- ১৫ টি।
২৮. রাবার বাগান- ১৭ টি।
২৯. পাটকল-১৪৬ টি। ৩০. সূতা কল- ৯৬ টি।
৩১. সরকারি ইপিজেড- ৮
টি।
৩২. উৎপাদিত ঔষধ দেশের
চাহিদা
মেটায়- ৯৮% ৩৩. বিদেশে ঔষধ
রপ্তানিকারক
প্রতিষ্ঠান- ৪৬ টি।
৩৪. বাংলাদেশ ঔষধ
রপ্তানি করে
বিশ্বের- ১১৩ টি দেশে। ৩৫. আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর- ৩ টি।
৩৬. অভ্যন্তরিন
বিমানবন্দর - ৭ টি।
৩৭. বিমান বাংলাদেশ
এয়ারলাইন্স এর অভ্যন্তরীন রুট- ৭ টি,
আন্তর্জাতিক রুট-
১৫ টি।
৩৮. সাফারি পার্ক- ২ টি।
Tax: ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উপর ধার্য কর।
Customs : আমদানি রপ্তানি পন্যের উপর ধার্যকৃত কর।
Vat:দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রবের উপর ধার্য কর