10/11/2025
❝হে আমার রব! আমাকে কেন অন্ধ অবস্থায় উঠালে, অথচ আমি তো (দুনিয়ায়) দেখতে পেতাম?❞
📖— সূরা ত্বা-হা, আয়াত ১২৫
এই আয়াতটি দেখেই অন্তর কেঁপে উঠল আমরা এমন এক সময়ে জন্মগ্রহণ করেছি, যেখানে আমাদের ভাগ্যে জুটেনি নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর সাহচর্য, আমরা তাঁর মুখখানি দেখতে পারিনি, তাঁর কণ্ঠ শুনিনি। তবুও যদি কিয়ামতের দিন, আমরা আমাদের আল্লাহকে দেখতে না পাই, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সান্নিধ্য থেকেও যদি বঞ্চিত হই— তাহলে এই জীবনে সবকিছুই তো বৃথা। আমরা দুনিয়াতে চোখ পেয়েছি, কিন্তু সেই চোখ দিয়ে কি আমরা তাকিয়েছি হিদায়াতের দিকে? না কি তাকিয়েছি হারাম, নিষিদ্ধ ও ফিতনার দিকে? এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয়— যদি আমরা চোখের হেফাজত না করি, তবে সেই চোখ কিয়ামতের দিন হয়তো আলোহীন অন্ধ হয়ে উঠবে।
তাই আসুন—
● চোখকে হেফাজত করি,
● নজরকে সংযত করি,
● হারাম দৃশ্য থেকে চোখ ফিরিয়ে নেই,
● আর তাকাই আল্লাহর নিদর্শনের দিকে,
● কুরআনের আয়াতে,
● রাসুল ﷺ-এর সুন্নাতে।
আল্লাহ আমাদের সেই সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা কিয়ামতের দিন তাঁর চেহারা মোবারক দেখবে, আর রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সাথে থাকবে। 🤍
হে আল্লাহ! আমাদের তোমার পবিত্র মুখখানি দর্শনের সৌভাগ্য দান করো, নবীজির হাউজে কাউসার থেকে পান করাও, আর আমাদের যেন তোমার দর্শন থেকে বঞ্চিত না করো।🌸