Dawatul Islam - দাওয়াতুল ইসলাম

Dawatul Islam - দাওয়াতুল ইসলাম

Share

� "সত্যের পথে আহ্বান �� | কুরআন ও সুন্নাহর আলোতে জীবন গড়ি �"

27/07/2025

শত শত ত্রাণবাহী গাড়ি আঁটকে আছে দেখে নতুন করে সাদাকাহ করতে ভয় পাবেন না যেন! ওখানকার লোকাল বাজার হতেই চড়া দামে খাবার কিনে দেয়া সম্ভব। হয়তো আপনার বেখেয়ালে দেওয়া দশ টাকার রুটিতে কামড় দেবে গাযার অনাহারী ফুলেরা...

আসুন না, যা পারি, যতটা পারি, গাযায় পাঠাই!

সাদাকা পাঠানোর বিকাশ ও নগদ নাম্বার: 01879303779
রকেট নাম্বার: 018161163875
(পার্সোনাল নাম্বার,সেন্ড মানি করতে হবে।)

মূল পোস্ট কমেন্টে...

21/07/2025

উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন, তাদের অনেকের রক্ত লাগবে বলে জানা যাচ্ছে।

আমরা রক্তদাতা এবং রক্তগ্রহীতার তথ্য ম্যাচ করে দাতাকে গ্রহীতার কাছে নিয়ে যেতে কাজ করছি।

আপনি যদি রক্ত দেয়ার এই মানবিক কাজে শামিল হতে চান এবং যেকোনো মুহূর্তে যে কোনো হাসপাতালে রক্ত দেয়ার জন্য প্রস্তুত হন, তাহলে এই ফরমটি পূরণ করুন। 👇
https://forms.gle/FrQPi1R1FHTL9XW8A

দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে যাদের রক্ত প্রয়োজন এই ফরমটি পূরণ করুন। 👇
https://forms.gle/uSaDYuNzUBoq4un66

বিশেষভাবে নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের বেশি অভাব। নেগেটিভ রক্তের বাহকদেরকে রক্ত দেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

29/06/2025

দোয়া কবুলের গল্প ✨

ইস্তিগফার বদলে দিয়েছে আমার জীবন...

এক সময় আমি এক মাস ধরে টানা ইস্তিগফার করতাম—দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চেষ্টা করতাম যেন আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে কোনো ফাঁকি না থাকে। সঙ্গে সঙ্গে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর দুরূদ পাঠ করতাম নিয়মিত। আর আল্লাহর দরবারে কেবল একটি দোয়া করতাম:

“হে আমার রব! আমি চাই তুমি আমাকে একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে একটি ভালো বেতনের চাকরি দাও, এমন একটি জীবন যা সম্মানজনক ও আরামদায়ক। আমি এমন কিছু চাই না, যা কষ্টদায়ক বা অপমানজনক।”

এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে গেল...
হঠাৎ কোথা থেকে একজন ব্যক্তি এসে হাজির হলেন — যাঁকে আমি চিনতাম না, উনিও আমাকে চিনতেন না। তিনি একজন সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রকৌশলীদের ম্যানেজার ছিলেন। সবচেয়ে আশ্চর্য হই এটা যে, তাঁর বেতন ছিল ৭০,০০০ টাকা আর আমাদের বয়সের পার্থক্য মাত্র ছয় বছর।

আল্লাহর কসম করে বলছি, আমি তাঁর কাছে কিছু চাইওনি। তিনি নিজে থেকেই আমার জন্য চাকুরীর ব্যবস্থা করে দিলেন!
আলহামদুলিল্লাহ, আগামীকাল আমি তাঁর সঙ্গেই সফরে যাচ্ছি। আমার সন্তানও আমার সঙ্গে থাকবে—আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন।
আজ আমি নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে করি।

আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কসম, কাবার প্রভুর কসম করে বলছি — আমি যে কথাগুলো লিখছি তা একটাও মিথ্যা বলছি না, আজ আমি নিজেি একটি বাড়ির মালিক!

“হে আমার প্রতিপালক, হে চিরঞ্জীব, হে সমস্ত রহমতের মালিক! আমার জীবনে তোমার রহমত ও বরকতের পরিপূর্ণতা দান করো।” 🌸
Tayyebah-তাইয়্যেবাহ

26/06/2025

🧠 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স - নারীর মানসিক শক্তির এক অনন্য চাবিকাঠি

একজন নারী। ঘরের সমস্ত কাজের দায়িত্ব তার কাঁধে। সন্তানের স্কুল, খাবার, পরিচর্যা, ঘরের সাফ-পরিচ্ছন্নতা- সবই সে নিখুঁতভাবে সামলায়।

কিন্তু এক জায়গায় এসে তার সেল্ফ কন্ট্রোল ভেঙে পড়ে।

যখন তার স্বামী কোনো মেয়ের সঙ্গে চ্যাট করে,
মেয়েদেরর ছবি দেখে, গুনাহ করে..হারাম কাজে সময় দেয়।
এটেনশন দেয় না,
ভালোবাসার কমতি রাখে,
বা তার অনুভূতিকে অগ্রাহ্য করে।

তখন এই নারী চিৎকার করে ফেলেন, ঝগড়া করেন, অশ্রুতে ভিজে যায় ঘরের বাতাস,
আর সন্তানদের মানসিকতায় জমে ওঠে শৈত্যপ্রবাহ।

🔍 এই জায়গাতেই দরকার হয় ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বা আবেগিক বুদ্ধিমত্তার।

এটা শুধু নিজের আবেগ চেপে রাখার বিষয় না।
বরং নিজেকে বোঝা, নিজের Reaction Control করা,
পরিস্থিতিকে ভেঙে পড়ার মতো না দেখে,
চিন্তা করে পথ বের করার ক্ষমতা, এই তো ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স।

🌿 ধরুন, যখন আপনি জানলেন
স্বামী অন্য মেয়ের সাথে চ্যাট করছে।
মাথার ভেতর আগুন জ্বলবে, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স আপনাকে শেখাবে,

১. মুহূর্তে না, বরং মুহূর্ত পার হয়ে গেলে ভাবুন।

২. আপনি এখন যা বলতে চান, তা ১ ঘণ্টা পরও বলবেন কিনা নিজেকে জিজ্ঞেস করুন।

৩. উনার এই আচরণ কি আপনার মূল্য কমিয়ে দেয়? না কি তার দুর্বলতা প্রকাশ করে?

৪. আপনার মানসিক ভারসাম্য কি তার গাফিলতির উপর নির্ভর করবে? নাকি আপনি নিজেই আপনার শান্তির উৎস?

👩‍👧 সন্তানদের কথা ভাবুন...
তারা মা-বাবার প্রতিটি ঝগড়া দেখে... এবং শেখে।
আপনার প্রতিক্রিয়া যদি চিৎকার হয়, সন্তানও শিখে, বিষয় ম্যানেজ করতে চিৎকার লাগে।
কিন্তু আপনি যদি সংযত থাকেন,
তাদের সামনে দৃঢ়, স্থির, মার্জিত আচরণ করেন,
তাহলে সন্তান শিখে,
"কষ্ট হলেও কীভাবে নিজেকে সম্মান দিয়ে চলতে হয়।"

🕊️ ইসলামও আমাদের শেখায়,

"ওসবির নফসাকা..."
নিজের আত্মাকে ধৈর্য ধরাতে শেখাও।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কুরআনে বহু জায়গায় “সবর” এর সাথে “আক্বল” বা বোধসম্পন্নতার সংযোগ করেছেন।

🧕 এক নারীর ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স মানেই সে দুর্বল নয়,
বরং সে নিজেকে সামলে শক্তির জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়।
সে ঠিক করে,
কখন কথা বলবে,
কী বলবে,
কী বললে নিজের সম্মান থাকে, কিন্তু অন্যজনও বুঝে।

🛑
তাকে ভালোবাসুন, তার জন্য কষ্টও পান,
কিন্তু নিজের ভিতরটাকে ভেঙে পড়ার জায়গা না বানিয়ে ভরসার জায়গা বানান।
ভরসা রাখুন,

🕊️ আল্লাহ আপনার সব কিছু দেখছেন।
আপনার সংযম, আপনার চোখের অশ্রু, আপনার নীরবতা-
সবই তাঁর কাছে অমূল্য।

Nafsi_Nurture

গুরুত্বপূর্ণ,,,,,,,,,,,, আপুদের জন্য

24/06/2025

নিজের বোন, কাজিন বা বান্ধবী এই প্রতিটি নারী থেকে নিজ স্বামীকে দূরে রাখবেন। আপনার আপন মায়ের পেটের বোনের সাথেও যেন অপ্রয়োজনীয় কোনো কথা না বলে এবং বান্ধবীদেরকে তো সে চিনবেই না। হাসি তামাশা ঠাট্টা মশকরা করা তো বহু দূরের ব্যাপার।

দুলাভাই দেবর ভাসুর একজন মহিলার জন্য ননমাহরাম। এখানে হেসে কুটিকুটি হয়ে কথা বলার কিছু নাই, অর্ধেক ঘরওয়ালী হবারও কিছু নাই। দেবর কিংবা ভাসুরকে খেদমত করার জন্য কোনো মহিলা বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে যায়না।তেমনি দুলাভাই বেড়াতে আসলে খেদমতের জন্য তার নিজের স্ত্রীই যথেষ্ট!

কেউ স্বামীর প্রতি অগাধ বিশ্বাস কিংবা দুলাভাইকে, ভাসুরকে বড় ভাই বানিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসতে পারেন, বলতে পারেন জাস্ট ভাই বোনের সম্পর্ককে এত বিশ্রীভাবে কেন বলছি! তবে আমি বলবো একমাত্র রবই তার বান্দার যাবতীয় কিছু জানেন। হাদিসে স্পষ্টভাবে দেবর ভাসুর দুলাভাই শালী এই সম্পর্কগুলোতে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বলা হয়েছে এবং এতটাই ভয়ংকর যে সোজা মৃত্যু সমতুল্য বলেছে। মৃত্যুর কথা শুনলে, মনে করলে আত্মা যেমন কেঁপে ওঠে, আদৌ কি আমরা ততটা দূরত্ব রাখি?

ঘুরতে যাওয়া, একসাথে বদ্ধ ঘরে বসে গল্প করা, গায়ে হাত দিয়ে কথা বলা, উচ্চস্বরে হাসা এগুলো তো দ্বীনহীন সমাজে একদম সাধারন একটি বিষয়। কোনো লজ্জা ছাড়াই এটা স্বাভাবিক নিয়ম! স্ত্রীরাও এটা দেখে, মেনে নেয়, কিছু মনেই করেনা, ভেবে নেয় যেন এটাই হবার ছিলো! অথচ কত সংসার ভেঙে যায়, বিচ্ছেদ হয়, কতজনে নীরবে হ্যারাস হয়! কেউ কি জানে!

কিছু জিনিস আছে যা একান্তই আমার। জরুরী নয় যে বান্ধবীর সাথে আপনার স্বামীর হেসে দুটো কথা বলতে হবে।তার সাথের সম্পর্ক আপনি পর্যন্তই যথেষ্ট। এমনও না যে কাজিনদের সাথে ঠাট্টা মশকরা না করলে জাত মান চলে যাবে কিংবা বোনের সাথে দূরত্ব রাখলে আপনাদের সম্মান ডুবে যাবে। যদি সম্মান, জাত মান চলে যায় তবে যেতে দিন। লাভ ছাড়া কোনো ক্ষতি ইন শা আল্লাহ হবেনা।

স্বামী ব্যাপারটা মানেই হলো নিজের জিনিস। আপনার এই আপন মানুষটার চরিত্র হেফাজতের দায়িত্ব কিছুটা না হয় আপনিও নিন!

-সংগৃহীত

15/06/2025

বান্দা ও আল্লাহর সম্পর্কের পরিণত ধাপ হলো: বান্দা বুঝতে পারবে, সে যে একমাস আসরের নামাজ পড়ে নাই, এইটাই সবচেয়ে বড় আজাব যে তার সেজদার সুযোগ বন্ধ হয়ে আছে। আউট অব নো হোয়্যার খাবার পেয়ে যাওয়া, অর্থের ব্যবস্থা হয়ে যাওয়ার চেয়ে বড় রহমত নিয়মিত তাঁকে সেজদার তৌফিক। একবেলা না খেয়ে থাকা যায়, একবেলা তাঁকে সেজদা না করে থাকা যায় কীভাবে? এই পর্যায়ে আমাদের যেতে হবে।

রহমত উঠায়ে নেয়া মানে খাবার-পানি উঠায়ে নেয়া ঠিক আছে, এর চেয়েও বড় হল বান্দার সেজদার তৌফিক উঠায়ে নেয়া, কাছে আসতে না দেয়া, গুনাহের মাঝে ছেড়ে দেয়া। বান্দা শিউরে ওঠে এই অবস্থা কল্পনা করে। সব সহ্য করা যাবে, এটা সহ্য করা যাবে না যে আমাকে সেজদা করতে দেয়া হচ্ছে না।

Shamsul Arefin Shakti

14/06/2025

Repetition Rewire System এই কথাটা শুনলেই মনে হতে পারে এটা হয়তো কোনো সাইকোলজির জটিল টার্ম, কিন্তু আসলে এটা খুবই সহজ একটা বাস্তব নিয়ম। মানুষ যেটা বারবার করে, ব্রেইন সেটাকে অভ্যাস বানিয়ে ফেলে। যে জিনিসটা রোজ একবার করে করা হয়, সেটা একসময় স্বাভাবিক মনে হতে থাকে। যেটা একবার করতে ইচ্ছা করে না, সেটাও যখন রোজ করা শুরু করি (even for 2 minutes) তখন একসময় সেটা আমাদের brain system এর অংশ হয়ে যায়। এটা খুবই powerful একটা বিষয়।

আমরা অনেকেই ভাবি, “আমার ইচ্ছাশক্তি নেই” অথবা “আমি নিজেকে বদলাতে পারি না”। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি কি একবার চেষ্টা করে ছেড়ে দেন, নাকি আপনি রিপিট করেন যতক্ষণ না সেটা আপনাকে বদলে দেয়?

আমাদের ব্রেইন একটা রিপিটিশন মেশিন। আপনি ব্রেইনে বারবার যেটা করেন, ব্রেইন সেটাকে স্বাভাবিক ধরে নেয়। ঠিক এই পয়েন্টেই শুরু হয় Repetition Rewire System।

ধরুন আপনি আজানের আওয়াজ শুনলেন, কিন্তু সাথে সাথে উঠলেন না। আপনি দিন দিন অভ্যস্ত হয়ে যাবেন আজানের প্রতি ignore mode এ থাকা। এখন যদি আপনি প্ল্যান করেন, আজান শোনামাত্র ২ মিনিটেই শুধু দাঁড়িয়ে যাওয়ার অভ্যাস করবেন (even if it's only to make the niyyah of salah) তাহলেই আপনার ব্রেইন ধীরে ধীরে এই সিগনাল নিতে শুরু করবে। আর কিছুদিন পর, আজান মানেই আপনি automatically দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। এটাকেই বলে ব্রেইনের rewiring হয়ে যাওয়া।

এখন যদি বলা হয় ফোন অ্যাডিকশন, আমরা অনেকেই এই জিনিসটা কাটাতে চাই, কিন্তু পারি না। কারণ আমাদের ব্রেইন অটো রিওয়ার্ড সিস্টেম বানিয়ে ফেলেছে। একটু অলস লাগলেই আমরা ফোন হাতে নিই, একটু মন খারাপ হলেই ভিডিও দেখি, কিছু না পেলেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ঢুকে যাই। এটা আরেকটা সিস্টেম, নেগেটিভ হ্যাবিটের রিপিটিশন সিস্টেম। আপনি যতবার এই কাজ করেন, আপনার ব্রেইন ততবার সেটাকে রিওয়ার্ড হিসেবে রেজিস্টার করে। আপনি একটা WhatsApp মেসেজ দেখলেন, dopamine boost পেলেন। একটা রিলস দেখলেন, আরেকটা দেখার ইচ্ছা হলো। এভাবে মাইন্ড rewired হয়ে গেছে, ফোনেই শান্তি।

কিন্তু আপনি যদি চান এটা বদলাতে, তাহলে আপনাকেও ওই একই অস্ত্র ব্যবহার করতে হবে repetition। ধরা যাক, আপনি ঠিক করলেন প্রতিদিন ১৫ মিনিট ফোন অফ রেখে শুধু নিজের সাথে থাকবেন। প্রথম ২ দিন আপনার ভিতরে resistance আসবে। তৃতীয় দিনে বিরক্ত লাগবে। চতুর্থ দিনে আপনাকে আপনার ব্রেইন বলবে “আজকে বাদ দাও, কাল আবার শুরু করো।” আপনি যদি শুধু এটুকু কন্ট্রোল করেন — না, আজও ১৫ মিনিট ফোন বন্ধই রাখবো, তাহলে এক সপ্তাহ পর আপনার ব্রেইন সেটা রেজিস্টার করে ফেলবে। এরপর আস্তে আস্তে আপনি নিজেই চমকে যাবেন, “কীভাবে সম্ভব যে আমি এই ১৫ মিনিটে এত শান্তি পাচ্ছি!”

এই হচ্ছে সিস্টেম। Repetition হচ্ছে সেই চাবি যেটা দিয়ে আপনি আপনার পুরনো দরজা খুলে, নতুন দরজা তৈরি করতে পারেন।

এটা শুধু খারাপ জিনিস বাদ দেওয়ার জন্য না, বরং ভালো কিছু শুরু করার জন্যও কাজ করে।

ধরা যাক, আপনি চান প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করবেন। কিন্তু এখন আর আগের মত মন বসে না, সময় বের হয় না, guilt feeling তৈরি হয়। প্রথমেই লক্ষ্য ছোট রাখুন। বলুন, “আমি আজকে শুধু ৫ আয়াত তিলাওয়াত করবো।” যখন আপনি এটা করবেন, প্রথম দিন মনে হবে এতে কীই বা হবে। কিন্তু আপনি যদি রোজ এটা করেন, তাহলে আপনার ব্রেইন এটাকে accept করবে। এবং কুরআনের শব্দ, ধ্বনি, রিদম এসব যখন আপনার রুটিনে চলে আসবে, তখন সেটা আর effort লাগবে না, বরং soothing লাগবে।

একই কথা বই পড়ার ক্ষেত্রেও। আজকের দিনে বই পড়া যেন একটা হারিয়ে যাওয়া অভ্যাস হয়ে গেছে। TikTok, YouTube, Facebook এইসব আমাদের attention span কে শেষ করে দিয়েছে। এখন আপনি যদি ভাবেন, “আমি আজ থেকেই ১ ঘন্টা বই পড়বো” সেটা কাজে আসবে না। কিন্তু আপনি যদি ঠিক করেন প্রতিদিন ৫ মিনিট বইয়ের পাতা খুলে বসবেন (even if you just read one paragraph) তাহলে ব্রেইন সেটাকে ছোট expectation হিসেবে নিবে এবং rewiring হতে শুরু করবে।

বই পড়া, সালাত, তিলাওয়াত, মেডিটেশন বা দোয়া এসব কিছুই ছোট ছোট repetition এর মাধ্যমে রুটিনে আসে। আর যখন কোনো অভ্যাস রুটিনে আসে, তখন সেটা আমাদের আইডেন্টিটি হয়ে যায়। তখন আমরা বলি, “আমি একজন রিডার”, “আমি রেগুলার নামাজ পড়ি”, “আমি কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া দিন শুরু করি না” এই কথাগুলো তখন শুধু মুখের কথা থাকে না, বরং বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ায়।

আরেকটা ক্ষেত্র খুব গুরুত্বপূর্ণ, ভালো কনটেন্ট শোনা। আজকাল ভালো mindful পডকাস্ট, ইসলামী লেকচার, মোটিভেশনাল অডিও এইসব পাওয়া যায় কিন্তু আমরা প্রিফার করি এমন কিছু শুনতে যেটা entertain করে, educate না। আপনি যদি দিনে একবার মাত্র ১০ মিনিট ভালো কিছু শোনার অভ্যাস করেন, সেটা ধীরে ধীরে আপনার taste বদলে দেবে। এক সময় আপনি নিজেই বলবেন, “আমি এখন meaningless কনটেন্ট শুনে আর আগের মত শান্তি পাই না।”

তবে এই পুরো সিস্টেমে একটা জিনিস দরকার consistency without perfection। অনেকেই ভাবে একটা দিন মিস হলে সব শেষ। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, একটা দিন মিস হলেও আবার শুরু করাই হচ্ছে real rewiring। “Miss one, never two” এই প্রিন্সিপলে চলুন। আপনি যদি একদিন বাদ দেন, পরের দিন আবার করুন। তবেই সিস্টেম তৈরি হবে।

Discipline is choosing what you want most over what you want now.

একটা সময়ে গিয়ে আপনার ব্রেইন নিজেই বলবে “না, এখন কুরআন না পড়লে incomplete লাগছে”, “আজ বই না পড়লে রাতে ঘুম আসবে না”, “আজ একটা পজিটিভ পডকাস্ট না শুনলে মন শান্ত হবে না” তখন আপনি বুঝবেন আপনি rewired হয়ে গেছেন। তখন আর এগুলো forced habit থাকবে না, বরং flow habit হয়ে যাবে।

সবার জন্য এই সিস্টেম কাজ করে, কারণ এটা হিউম্যান ব্রেইনের ন্যাচারাল প্রসেস। আপনি যদি স্টুডেন্ট হন, নিজের পড়াশোনার জন্য এই সিস্টেম ব্যবহার করুন। গৃহিণী হলে নিজের well-being আর deen এর রুটিন বানাতে রিপিটিশনকে বন্ধু বানান। কর্মজীবী মা হলে সময়ের ভেতরে ছোট ছোট good repetitions সেট করে নিজের দিকটা শক্ত করে তুলুন।

আমরা বড় কিছু একদিনে করে ফেলতে পারি না। কিন্তু ছোট কিছু রোজ করে, একদিন আমরা বড় কিছুতে পৌঁছে যাই।

You become what you repeat. So repeat who you want to become.

আজই একটিমাত্র habit বেছে নিন যেটা আপনি rewire করতে চান। ফোন কম ব্যবহার? সালাত সময়মতো পড়া? ৫ মিনিট বই পড়া?

শুরু করুন। দিন শেষে শুধু নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন Did I repeat it today?

যদি উত্তর হয় “Yes” তাহলে আপনি already winner।

আপনার rewire journey আজ থেকেই শুরু হোক।

Because the best version of yourself is waiting at the other end of repetition.

Selina Shilpee

14/06/2025

নিজেকে যেভাবে ধাপে ধাপে পরিবর্তন করবেন -

(১) সর্বপ্রথম নিজের নিয়ত ঠিক রাখবেন।

(২) আযান দেওয়ার পরপরই সালাত আদায় করবেন।

(৩) প্রত্যেক ওজুর পরে কালেমা শাহাদাত পাঠ করবেন।

(৪) ধীরে ধীরে নামাজ আদায় করবেন এবং নামাজের পর জিকির করবেন।

(৫) প্রতিদিন কোরআন তেলাওয়াতের জন্য সময় বের করবেন।

(৬) প্রতিটা কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।

(৭) নাটক, মুভি, মিউজিক থেকে দূরে আসুন আজই।

(৮) কারো সাথে দেখা হলে সালাম বিনিময় করুন।

(৯) আপনার বন্ধু আত্মীয়-স্বজনকে দ্বীনের দাওয়াত দেন।

(১০) নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন এবং হিংসা, গীবত, অহংকার থেকে বেঁচে থাকুন।

(১১) প্রতিদিন রাতে সূরা মূলক পাঠ করুন।

(১২) রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমান এবং তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজের নিয়ত করুন।

(১৩) বেশি বেশি দোয়া ইস্তেগফার ও দুরুদ পাঠ করুন।

(১৪) নিজের চোখকে হেফাজত করুন।

(১৫) সপ্তাহের শুক্রবারকে বেশি গুরুত্ব দিন, এই দিনের প্রতিটি আমলই গুরুত্বের সাথে সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করুন।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুক।

"আমিন"

(Collected)

13/06/2025

💚السلام عليكم ورحمة الله وبركاته



সূরাহ কাহাফ একবার
দুরুদ বারবার
বেশি বেশি ইস্তেগফার
আসর-মাগরীবের(মধ্যবর্তী সময়ের দুয়া)
পড়ব রোজ শুক্রবার।
(বৃহস্পতি মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার মাগরীবের আগে পর্যন্ত ইং শা আল্লাহ ❤️)
💞আপনাদের দুয়ায় আমাদেরও রাখিয়েন ইং শা আল্লাহ 💞

❤️আমাদের দুয়ায় আমরা গা/জা/বাসীদের ভুলে যাবনা ইং শা আল্লাহ ❤️

13/06/2025

এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।

হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।

এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!

— আম্মারুল হক (হাফি.)

01/06/2025

একটি ভুল ধারণা : হজ্বে কি মহিলাদের পর্দা করতে হয় না

মক্কায় এক ভাই বলছিলেন, তার এক আত্মীয়া বাড়িতে খুব গুরুত্বের সঙ্গে পর্দা করেন, শুধু নামের পর্দা নয়, শরয়ী পর্দা। কিন্তু হজ্ব করতে এসে পর্দা বাদ দিয়েছেন। তার কথা এই যে, ‘হজ্বের সময় মেয়েদের পর্দা করা লাগে না।’ অনেক দ্বীনদার মহিলা এ ধারণা পোষণ করেন। কিন্তু এটা ঠিক নয়। এটা একটা ভুল ধারণা। ইহরামের হালতেও গায়রে মাহরামের সঙ্গে মেয়েদের পর্দা করা অপরিহার্য। এটা ঠিক যে, ইহরামের হালতে মুখমন্ডলে কাপড় লাগানো নিষেধ, কিন্তু মুখে কাপড় লাগানো এবং গায়রে মাহরামের সামনে ইচ্ছা করে মুখ খোলা রাখা এক বিষয় নয়।

হযরত আয়েশা রা. বলেন, ইহরামের হালতে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। লোকেরা যখন আমাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করত তো আমরা আমাদের চাদর মাথার সামনে ঝুলিয়ে দিতাম। চলে যাওয়ার পর সরিয়ে ফেলতাম। (আবূ দাঊদ : ১৮৩৩, আহমাদ : ২৪০২১, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী : ৯০৫১, ইবনু মাজাহ : ২৯৩৫, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ : ২৬৯১)

এরপর মুখে কাপড় না লাগানোর বিধান তো শুধু ইহরামের হালতে প্রযোজ্য। উমরায় খুব বেশি হলে এক দুই দিন এবং হজ্বে তিন চার দিন। (তবে যদি কেউ ইফরাদ বা কিরানের নিয়তে ইহরাম বাঁধে তার বিষয় ভিন্ন) এই দিনগুলো ছাড়া যারা বেপর্দা ঘুরাফেরা করে তাদের তো ইহরামেরও অজুহাত নেই।

তাছাড়া মদীনা মুনাওয়ারার সফরে তো ইহরামের প্রশ্ন নেই। এই সফরে এবং মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থানের দিনগুলোতে মুখ খুলে রাখা এবং সকল গায়রে মাহরামকে মাহরাম মনে করা অবশ্যই অজ্ঞতার পরিচায়ক এবং অযথা গুনাহগার হওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। এই মোবারক সফরের পূর্ণ বরকত লাভের জন্য সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। (কিতাবুল হজ্ব; পৃ. ২৮-২৯)

— মাসিক আল-কাউসার (মুহাররম, ১৪৩০)

#সীরাহ

Photos from Dawatul Islam - দাওয়াতুল ইসলাম's post 28/05/2025

জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের নেক আমল করার মতো অধিক প্রিয় আল্লাহর নিকট আর কোনো আমল নেই।

[ সহীহ বুখারী : ৯৬৯]

Want your school to be the top-listed School/college in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Narayanganj
১৪৩০